একটা নতুন গল্প

অনেকদিন পর একটা নতুন গল্প দিচ্ছি।
আমি নতুন একটা গল্প দেয়ার সময় সাথে কিছু ছবি দেয়ার চেষ্টা করি। এবারে সেটা সম্ভব হলো না। সময় পেলাম না। যখন সময় পাব কয়টা ছবি জুড়ে দেব।

সবার জন্যে ভালোবাসা।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল
২৩ ডিসেম্বর ২০১৬

অনেক দিন পর…

অনেক দিন পর আবার এখানে ফিরে এসেছি। নুতন একটা গল্প দিয়েছি, এই গল্পে বানিয়ে বানিয়ে একটা কোচিং সেন্টারের নাম ব্যাবহার করেছি,  আশা করছি সত্যি সত্যি এই নামে কোনো কোচিং সেন্টার নেই! যদি থেকে থাকে তাহলে মিলটা একেবারেই কাকতালীয়।

আবার প্রশ্নের দরজাটি খুলে দেয়া হয়েছে। লক্ষ্য করেছি প্রশ্নের সাথে সাথে নানা ধরনের মন্তব্য, চিঠিপত্র, কবিতা, ধন্যবাদ, ভালোবাসা আর অনেক কিছু আসে। সবগুলো আমি মন দিয়ে পড়ি কিন্তু সবগুলোর উত্তর দিতে পারব বলে মনে হয়না। কাজেই এখন থেকে উত্তর দেয়ার বেলায় প্রথমে বেছে নেয়া হবে ছোটদের প্রশ্ন, সেটা নিয়ে কেউ নিশ্চয়ই আপত্তি করবে না!

সবার জন্যে ভালোবাসা।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

২ সেপ্টেম্বর ২০১৬

যারা এখনো সাথে আছ…

যারা এখনো সাথে আছ তারা হয়তো লক্ষ্য করেছ আজকে একটা নুতন গল্প দিয়ছি। এই গল্পটা একেবারে বাচ্চাদের জন্যে। একটু যারা বড় হয়ে গেছ তারা পড়তে চাইলে নিজের দায়িত্বে পড়বে!
আরো একটা বিষয় হয়তো লক্ষ্য করেছ, কয়েকদিনের জন্যে প্রশ্ন নেয়া বন্ধ রেখেছি, হাতের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া হয়ে গেলে আবার প্রশ্ন নেয়া শুরু করব।
সবার জন্যে ভালোবাসা।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৫ আগস্ট, ২০১৬

কেন এই আয়োজন…

তোমাদের সাথে যখন আমার দেখা হতো তখন তোমাদের অনেকে আমাকে জিজ্ঞেস করতে, “স্যার, আপনি কেন এখন আর আমাদের জন্যে লিখেন না?”

আমি বলতাম, “কে বলে লিখি না? আমি অবশ্যই লিখি, ফেব্রুয়ারি বই মেলাতে সেগুলো বই হিসেবে বের হয়!”

তখন তোমরা বলতে, “না, না সেগুলো নয়- কিশোরদের ম্যাগাজিনে আগে যেমন লিখতেন সেরকম!”

তখন আমি মাথা চুলকাতাম, ইতি উতি তাকাতাম, উত্তর দিতে পারতাম না। আমিও লিখতে চাই তোমরাও পড়তে চাও, কোনো ম্যাগাজিনে না লিখে অন্য কোনো ভাবে কি সেটা করা যায় না?

তখন আমার মনে হল এখন তো বাংলাদেশের প্রায় সবাই ইন্টারনেটে ঢু মারে, তোমাদের বয়সী ছেলেমেয়েদের জন্যে সেখানে বিশেষ কিছু নেই, তাই তোমাদের অনেকে ফেসবুকে সময় নষ্ট করো। (হ্যাঁ, ফেসবুক মানেই সময় নষ্ট!) ইন্টারনেটে যদি আমি “তোমাদের জন্যে” একটা ওয়েব সাইট তৈরী করে সেখানে আমার লেখাগুলো পোস্ট করে দিই তাহলে কেমন হয়? তোমরা তাহলে সেগুলো পড়তে পারবে। শুধু তাই নয় যদি তোমাদের প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিই তোমরা সেখানে প্রশ্নও করতে পারবে। আমিও তার উত্তর দিতে পারব।

আইডিয়াটা কয়দিন আমার মাথায় কুটকুট করতে লাগল, তখন আমার মনে হল, করেই দেখি না কী হয়! আমার ছাত্রেরা তখন আমার জন্যে এই সাইটটা জোগাড় করে দিয়েছে। (mzi.rocks দেখে তোমরা নিশ্চয়ই হি হি করে হাসছ কিন্তু বিশ্বাস কর এটা ছাড়া আর কোনোটা খুঁজে পাওয়া গেল না!) আমায় মেয়ে এই ওয়েব সাইটটা তৈরি করে দিয়েছে। এমন ভাবে এটা তৈরি করা হয়েছে যেন একটা স্মার্টফোন দিয়েই এটা দেখা যায়।

আমি তখন ‘টুনটুনি আর ছোটাচ্চু’ নিয়ে একটা গল্প লিখলাম, তার জন্যে ছবি আঁকলাম। তোমরা মাঝে মাঝেই আমার কার্টুন ছবি এঁকে আমাকে পাঠাও, তার একটা দিয়ে ওয়েব সাইটের ব্যানার তৈরি হল। মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা আমার বইগুলোর পি.ডি.এফ. কপি জুড়ে দিলাম।ধীরে ধীরে অন্যবইগুলোও দিয়ে দেব। কিছু ছবি না দিলে কেমন হয়? তাই জুন-জুলাই মাসে যখন ইউরোপে গিয়েছিলাম সেখানকার কিছু ছবি দিয়ে দিলাম। শুধু প্রশ্ন এবং উত্তর নেই। কেমন করে থাকবে কেউ তো এখনো এটা দেখেনি! প্রশ্ন করেনি- প্রশ্ন না থাকলে উত্তর দেব কেমন করে?

তারপর ভয়ে ভয়ে আজকে তোমাদের জানিয়ে দিলাম! তোমাদের যদি ভালো লাগে, তাহলে এটা চালিয়ে যাব। তার কারণ এটা শুধু তোমাদের জন্যে ……

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

২১ জুলাই ২০১৬