উত্তর

২৩ ডিসেম্বর ২০১৬

মোঃ ফাইয়াজ সিদ্দিকী তরুপ, ক্লাসঃ ১, মাইলস্টোন স্কুল, উত্তরা।
প্রশ্ন: কোন ধরনের লেখা লিখতে আপনার সবচাইতে বেশি মজা লাগে? লেখক হয়েও এত সুন্দর করে আপনি কিভাবে কার্টুন আঁকেন?


উত্তর: সব ধরনের লেখা লিখতেই আমার মজা লাগে, মজা না লাগলে কী জোর করে লেখা যায়? আমাদের পরিবারের সবাই ছবি আঁকতে পারে। এই দেখো হুমায়ুন আহমেদের আঁকা একটা ছবি!

সীজার,আমতলী, বরগুনা
প্রশ্ন:  দুটি প্রসঙ্গ বস্তুুর একটা পৃথিবী এবং অপরটি মহাশূন্যে পৃথিবী থেকে যাওয়া একটি মহাকাশযান। তো প্রসঙ্গ বস্তু দুটি একটি অপরটির সাপেক্ষে গতিশীল। এখন আমি মহাকাশযানকে স্থির ধরলে পৃথিবী গতিশীল।আবার পৃথিবীকে স্থির ধরলে মহাকাশযান গতিশীল…… তো এই দুটি প্রসঙ্গবস্তুর মধ্যে কোনটিতে আপেক্ষিক তও্ব প্রযোজ্য? এবং কেন?
উত্তর: দুটোতেই।

রাফিহাত সালেহ
প্রশ্ন: আপনি আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন যে,টুথপেস্টের টিউবে জোরে চাপ দেয়ার কারনে যখন একসাথে অনেকখানি পেস্ট বের হয়ে আসে তখন সেটা আবার ভেতরে ঢোকানোর কোনো বুদ্ধি দিতে পারবে?
আমার ধারণা যে যদি টুথপেস্টের টিউবে জোরে চাপ দিয়ে বাতাস বেরকরে আবার বাতাস ঢোকালে বাতাসের সাথে সাথে টুথপেস্টও ঢোকে যাবে।
আমার আরেকটি প্রশ্ন,আলোর কী ওজন আছে?
উত্তর: এভাবে কখনো টুথপেস্ট ঢুকিয়ে দেখেছ? না, আলোর কোনো ওজন নেই।

তানহা, দ্বাদশ শ্রেণি, বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ,বরিশাল।
প্রশ্ন: স্যার,আপনার “সেরিনা” বইটিতে মেয়েটি মানুষ কিন্তু মাছের মত পানিতে সাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারে।বাস্তবে কি এটা সম্ভব?এমন কারো খোজ পাওয়া গেছে এখন পর্যন্ত?
উত্তর: চামড়া দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে পারে এরকম প্রাণি একটা দুইটা থাকতে পারে- কিন্তু পানির নিচে ফুলকা ব্যবহার না করে নিঃশ্বাস নিতে পারে এরকম কিছুর কথা আমার জানা নেই।

প্লাবন,তারাকান্দা,ময়মনসিংহ
প্রশ্ন: ‘স্যার আমি ২০১৭ সালে এইচ এস সি পরিক্ষা দিব।আমার বাবা এডমিশনের জন্য আমাকে কোচিং করাবেন না।এবং দূর্ভাগ্যজনক আমি তেমন মেধাবী ছাত্র নয় তাই বলে আমি কি কোনো ভাল ভার্সিটিতে পড়তে পারব না।’ স্যার অনেক আশা করে প্রশ্নটা করলাম।আশা করি আপনার উপদেশে আমার আগামী দিন শুভ হবে।
উত্তর: তোমার বাবাকে অভিনন্দন যে তিনি ভর্তির জন্যে কোচিং করাবেন না। কোচিংয়ে তোমাকে যেটা শেখাবে তুমি ঘরে বসে নিজে নিজে পড়ে সেটা শিখে নিতে পারবে। শুধু শুধু দুশ্চিন্তাকরো না।

খণিকা (ছদ্মনাম) নওগাঁ সরকারি কলেজ
প্রশ্ন: স্যার, আমি পড়তে বসলেই আমার মন অন্য দিকে চলে যায় কিছুতেই ফিরে আনতে পারিনা।কিন্তু গল্পের বই পড়তে লাগলে মনটা কিছুতেই অন্য দিকে যায় না।স্যার আমি খুব বিপদে আছি আপনার সহযোগিতায় আশা করি আমার এই ব্যমো ভাল হবে।
উত্তর: এই ব্যামো ভালো হওয়ার নয়। এই ব্যামো নিয়ে কিভাবে বেঁচে থাকা যায় তার প্রস্তুতি নাও।(আসল নাম গোপন করে ছদ্মনাম দিচ্ছ কার ভয়ে?)

doyita
প্রশ্ন: sir apni Jodi depressed thaken ar seta kaw k na bolte paren tahole ki korben???
উত্তর: তখন নিজে নিজে কষ্ট পাওয়া ছাড়া আর কি করতে পারি? (তুমি এই প্রশ্নটি কেন করছ? তুমি কী কখনো depressed থেকে সেটি বলার মত কাউকে পাওনি? যদি কখনো এরকম হয় তাকে বল কান পেতে রইয়ের  সাথে যোগাযোগ করতে।)

কুমিল্লা,,,
প্রশ্ন: স্যার আমিও আপনার মতো লিখতে চাই???
উত্তর: শুরু করে দাও। শুধু মনে রেখো যত বেশী পড়বে, তত ভালো লিখবে।

তুসিব। নেত্রকোনা, ঢাকা।
প্রশ্ন: আমি যেখানে থাকি সেখানে স্যার এ রা শুধু বলেন মুখস্থ কর।আর তারা শুধু পরিক্ষার নাম্বার এর উপর বেশি জোর দেন।আমরা যে কি শিখছি তার কোন খোজ নেয় না।শুধু মুখস্থ করে গড় গড় করে উত্তর বললেই তারা খুশি হন।এখন মুল প্রশ্ন হল আমি কি করে এই সব থেকে মুক্তি পেতে পারি?আর একটা বিষয় গণিত কিভাবে শিখতে পারি?
উত্তর: স্যারেরা স্যারদের মত বলবে, তোমরা তোমাদের মত লেখাপড়া করবে। গণিত অলিম্পিয়াডে যোগ দেয়া শুরু কর, সেখানে অসংখ্য গণিতের ছেলেমেয়ে পেয়ে যাবে।

শিহাব উদ্দিন। লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
প্রশ্ন: sir, Electromagnetic wave হল একইসাথে Electric Field আর Magnetic Field এর relatively perpendicular plane এ স্পন্দিত হয়ে একই সাথে দুই plane এই wave এর সৃষ্টী করে দুইটিই একসাথে সামনের দিকে propagate করে। এখন polariser হল ডোরাকাটা-ডোরাকাটা লম্বা লম্বা ছিদ্র, যা শুধু ওর ছিদ্র বরাবর তরংগকে allow করে propagate করতে বাকিগুলোকে না।
এখন আমার প্রশ্ন হলঃ এটা তো শুধু তাহলে যেকোন একধরণের wave(Electric wave/Magnetic wave) কে শুধু propagate করবার সুযোগ দেবে, বাকিটি সেই সুযোগ পাবে না(যেহেতু এরা relatively perpendicular). তাহলে সেটা তো আর ultimately Electromagnetic wave/radiation থাকল না।


উত্তর: তোমার প্রশ্নটা খুব ভালো একটা প্রশ্ন। আমরা পোলারাইজারে ইলেক্ট্রিক ফিল্ডটাকে যেতে দিচ্ছি, যার অর্থ ম্যাগনেটিক ফিল্ডটাকে যেতে দিচ্ছি না কাজেই পোলারাইজারে যাবার সময় ম্যাগনেটিক ফিল্ড না থাকার কারনে এটা আর Electromagnetic wave ই হতে পারবে না- এটা ছিলো তোমার যুক্তি। তবে যে বিষয়টা বলা হয় নি সেটা হচ্ছে ইলেক্ট্রিক ফিল্ডটাই অনু পরমানুর সাথে interact করে, ম্যাগনেটিক ফিল্ডের interaction তুলনামূলক ভাবে খুবই দুর্বল, তাই সেটা বের হয়ে আসতে পারে, তাই কোনো সমস্যা হয় না।

রায়হান মাসুদ খান , যশোর জিলা স্কুল (৯ম)
প্রশ্ন: আপনার পিএইচডির বিষয় কী ছিল যদি এমন ভাবে বলতেন যাতে বুঝতে পারি।
উত্তর: বিজ্ঞানের এক্সপেরিমেন্ট কেউ যদি সোজাসুজি দেখে আর কেউ যদি একটা আয়নার প্রতিবিম্বতে দেখে সুত্রগুলো বের করতে চায় আমাদের ধারনা তাহলে দুজনেই একই সুত্র বের করবে। বেশীর ভাগ সময়ে এটা সত্যি। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটা সত্যি হয় না তখন বলা হয় parity violation হয়েছে। আমার পি এইচ ডি থিসিসটি ছিল হাইড্রোজেনের পরমানুতে এই parity violation খোঁজা।