উত্তর

২৯ অক্টোবর ২০১৬

আবিদ হাসান ফার্মগেট, ঢাকা
প্রশ্ন: একটি বস্তূ স্থিরাবস্থান থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথম সেকেন্ডে ২ মিটার গেল। এর অর্থ কি ত্বরণের মান ও ২ ছিল? নাকি ভিন্ন কিছু। মাধ্যমিকের সিলেবাসে অসম ত্বরণ নিয়ে পড়ালেখা নেই। তাই শুধুমাত্র সুষম ত্বরণের ক্ষেত্রে উত্তরটা কি হবে?
উত্তর: অতিক্রান্ত দূরত্ব S হচ্ছে ut + (1/2)at^2 এখানে স্থির অবস্থা থেকে শুরু করেছে তাই u=0, কাজেই (1/2)at^=2 এখান থেকে t = 1 বসিয়ে ত্বরণ a বের করে ফেল।

সাবিত , মাদ্রাসাপাড়া,জয়পুরহাট ।
প্রশ্ন: আমি ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিব ।সামনে টেস্ট পরীক্ষার পরে স্কুল ছুটি ।এসময় আমার সব বন্ধুরাই কোচিং করবে ।আমার আম্মু চায় আমি কোচিং করি ।তবে আমি নিজে কোচিং করতে চাই না ।আমার উপরে আম্মু রোল আগে নিতে কোন চাপ দেয় না ।তবে এবার এসএসসি পরীক্ষার কথা বলে কোচিং করাতে চাচ্ছে ।আমার ধারনা কোচিং এ সময় নষ্ট হবে ।আমি তাহলে কি করব ?
উত্তর: আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি কোচিং শুধু যে সময় নষ্ট তা নয়, এটা একটা ছেলে বা মেয়ের আত্মবিশ্বাস পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। আমার কথা শুনে যারা কোচিং না করে নিজেরা পড়া শোনা করেছে তাদের প্রত্যেকে ভালো করেছে।

আবু তালহা মিহরাব। নবম শ্রেণি, বানিয়াচং, হবিগঞ্জ।
প্রশ্ন: স্যার, পত্র-পত্রিকায় আপনার লেখা পড়ে কখন যে আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছি জানি না। কাল রাতে স্বপ্নে দেখলাম- আমার একটা গল্প পড়ছেন। আমি কে জানার পড় আপনি আমার দিকে ফিরে আর তাকালেন না। ভারি কষ্ট পেয়েছিলাম তখন।
উত্তর: তোমার স্বপ্নে আমি যদি তোমার মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, সেটার দায় দায়িত্ব আমি কেমন করে নেই বল!

প্রশ্ন: অনেক দিন ধরে একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এক সঙ্গে এতো কিছু হওয়া আপনার পক্ষে কীভাবে সম্ভব হল? আপনার মতো হতে চাই। আমাকে কী করতে হবে ? যদি উপদেশ দেন, পড়ো পড়ো পড়ো তাহলে আমি বলব- পরিপূর্ণ ভাবে এক সাথে পাঠ্য এবং একস্ট্রা বই পড়ার সময়ে থাকে না। কিংবা পড়ার বাইরের কাজগুলো করা সম্ভব হয় না। কী করলে সবকিছু একত্রে করা যাবে?
উত্তর: উঁহু, আমি তোমার সাথে একমত হতে পারলাম না। কেউ যদি সময় নষ্ট না করে (ফেসবুক কিন্তু সময় নষ্ট, কোচিং সময় নষ্ট) তাহলে সে যে শুধু সকিছু করতে পারবে তা নয়, তারপরেও একশ ধরনের মজা করার সময় থাকবে। আমার কথা বিশ্বাস না হলে চেষ্টা করে দেখ।

Tanisha, class five, SUST school.
প্রশ্ন: Sir, good morning. Ami aponer Boi pora shuru korechi. Kintu prothomai Amar bondhu rashed Boi ti porechi. Amar Bandhu Rashed golpe Rashed ke apne keno mere fellen? Amar khub kosto hoyese.

amar-bondhu-rashed
উত্তর: হায় হায় হায় তুমি এটা কি বললে? আমি রাশেদকে মেরেছি? আমি? তুমি বইটাতে দেখনি জামাতে ইসলামীর বদমাইস রাজাকার কমাণ্ডার রাশেদকে মেরেছে? রাশেদকে মেরে ফেলার পর আমি কি কম কষ্ট পেয়েছি?

suvo,jamgora uttor para,savar,dhaka
প্রশ্ন: assalamualaykum sir ! kamon asen? apni ei website kholay ami khub khusi hoyesi . sir apni ki kokhono ha~du~du khelesen ,,,
উত্তর: কেন খেলব না, অনেক খেলেছি। তবে রোগা পটকা টিং টিঙ্গে ছিলাম খেলায় খুব সুবিধে করতে পারতাম না। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ছেলেরা বাসা থেকে শিশিতে করে তেল নিয়ে আসতো। সেই তেল পায়ে মেখে পা পিছলে করে নিতো, যেন কেউ  জাপটে ধরলে পিছলে বের হয়ে আসতে পারে!

সোনিয়া, শাহজাহানপুর
প্রশ্ন: অনেক সময় মনে হয় জীবন যদি আপনার বইয়ের এডভেঞ্চার কাহিনীর মতো হত তাহলে খারাপ হত না। এমন মনে হবার কারন কি???
উত্তর: বানিয়ে বানিয়ে অনেক কিছু লেখা যায় সত্যি জীবনে যেটা সবসময় হয় না। সেজন্যেই মনে হয়…

প্রশ্ন: স্যার আমি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করছি। যখন এই বিভাগে ভর্তি হই তখন অনেক আশা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম।আপনি এই বিভাগে পড়াশোনা করেছেন এটা অবশ্যই অনেক বড় একটা কারণ।কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে এই ততই আমি হতাশ হয়ে যাচ্ছি। হতাশা দূর করার উপায় কি? আর আপনার কোয়ান্টাম মেকানিক্স বইটা পড়ে যতখানি আনন্দ পেয়েছি এখন এই সাবজেক্টটা নিয়ে ঠিক ততখানিই হতাশ। কি করব?
উত্তর: তুমি যদি আমার লেখা কোয়ান্টাম মেকানিক্স পড়ে আনন্দ পেয়ে থাকো তাহলে আসল কোয়ান্টাম মেকানিক্স পড়ে খুশিতে পাগল হয়ে যাবার কথা। সত্যি যদি ফিজিক্স পড়তে চাও তাহলে শুধু টেক্সট বই পড়লে হবে না, তোমাকে প্রবলেম করতে হবে। রেজনিক এন্ড হ্যালিডে ধরনের বইয়ের সবগুলো প্রবলেম যদি নিজে নিজে করে ফেলতে পারো তাহলে ধরে নিতে পারো ফিজিক্স পড়া শুরু করেছ!

মাহমাদুল নিশাত আপনার নতুন fan
প্রশ্ন: আপনার পুরো একদিনের বর্ণনা দিতে পারবেন ঘুম থেকে উঠা থেকে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত ???
উত্তর: ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করে হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা করে তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি, উত্তর দিতে থাকি, উত্তর দিতে থাকি, দুপুরে গোসল করে একটু খেয়ে আবার তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি, প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি, প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি, রাত্রে খেয়ে আবার তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি, প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি, প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখি তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি, তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি, তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি… (আরো শুনতে চাও?)

ফাহিম, নোয়াখালী সরকারি কলেজ, নোয়াখালী।
প্রশ্ন: স্যার শুভেচ্ছা।আপনি বিভিন্ন সময় বলেছেন আপনার বাসায় টিভি নেই। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেট ম্যাচ থাকলে আপনি খেলা কিভাবে দেখেন?

bd-cricket
উত্তর: কম্পিউটারে। শুধু যখন বাংলাদেশ জিতে তখন দেখি। আমার ছাত্র কিংবা পরিচিতেরা ফোন করে বলে (অনেক সময়য় কোরিয়া নাহয় অস্ট্রেলিয়া থেকে ফোন করে) “তাড়াতাড়ি খেলা দেখেন বাংলাদেশ জিতে যাচ্ছে!!” আমি তখন খেলা দেখি!

প্রশ্ন: আপনি কি কখনো হতাশ হন? আর হলে কেন?
উত্তর: হ্যাঁ, হই। যেরকম যখন দেখি আমার এই সাইটে কয়েকশ প্রশ্ন জমা হয়ে আছে কিন্তু কাজের চাপে উত্তর দেয়ার সময় পাচ্ছি না তখন…

প্রশ্ন: স্যার,আপনাকে অনেক মিস করছি। আপনি কি আর এখানে ফিরে আসবেন না? 🙁
উত্তর: এই যে চলে এসেছি!

সমীরণ। হাসনাবাদ, ঢাকা
প্রশ্ন: পিঁপড়েরা ঘুমায় না কেন?

ants
উত্তর: ঘুমায়, প্রতি বারো ঘন্টায় আট মিনিটের মত! (আহা আমি যদি পিপড়া হতাম তাহলে আমার কতো সময় থাকতো!)

প্রশ্ন: কারো মাথায় ফুঁ দিলে সেখান থেকে একটা হালকা গরম হাওয়া আসে কেন?
উত্তর: মাথাটা নিশ্চয়ই গরম সেজন্যে! কার মাথায় এই এক্সপেরিমেন্টটা করেছ?

তানজিম
প্রশ্ন: math exam খুউব খারাপ হলে কি করা উচিত?
উত্তর: আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বইটার উপরে মনের ঝালটা মিটাতাম (কিভাবে জিজ্ঞেস করো না!) তুমি তোমার একটা পদ্ধতি বের করো।

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আমি প্রতিদিন অন্তত তিনবার করে চেক করি এই এয়েবসাইট, এবং দেখার চেষ্টা করি যে আপনি কোন উত্তর দিয়েছেন কিনা। ধৈর্যের পরীক্ষায় আমি কত পাব????
উত্তর: একশতে একশ। (কিন্তু আমি চাই না, তোমরা নেটে বেশি সময় কাটাও)

জাহিদুল ইসলাম। খিলক্ষেত, ঢাকা।
প্রশ্ন: ……… চাকুরী করছি এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশান ডেভেলাপমেন্টে এ বিগত ২ বছর। মোটামুটি সফল, জীবন পার করে দেয়া সম্ভব। ………কিন্ত স্যার খুব আত্নযন্ত্রণায় ভুগছি। আমার যে কাজ মোবাইল এপ্লিকেশান বানানো, ……কিন্ত আমার মনে হয় এক ভাবে আমি সমাজ ও মানুষের ক্ষতি করছি। কারণ মোবাইল এপ্লিকেশান ডিজাইনের প্রধাণ শর্ত হচ্ছে যাতে মানুষ বেশী বেশী করে সেটা ইনিস্টল করে, ডাউনলোড করে, শেয়ার করে। মানুষের সাইকোলজি কিভাবে কাজ করে তার উপর ভিত্তি করে ডিজাইন করা হয়, যাতে বারবার এই এপ্লিকেশানে ইউজার ফিরে আসে।খুব দ্বিধাদন্ডে ভুগছি। কেন যে পেশা হিসেবে এইটাই ঠিক করলাম, ভাবি আর খুব ধিক দেই, আবার জীবণ চালানোর দায়ে কাজ ও চালিয়ে যেতে হচ্ছে। বেশীদিন থাকবনা এই প্লাটফর্মে। এমনকি ইনফোরমেশান টেকনোলজীর উপর থেকেই কেমন মন উঠে গেছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের উপর এই প্রযুক্তি গুলো কিভাবে প্রভাব ফেলছে আপনি ভালই জানেন। আমাকে বলেন স্যার এইটা কি আসলেই ঠিক? নিজেকে বারংবার দোষী মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে নিজেই তো নিজের নীতিতে ঠিক নাই। ভবিষ্যতকে কি শেখাবো।
উত্তর: তোমার চিঠিটা আমি কয়েকবার পড়েছি, কারন তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা লিখেছ। তুমি যেটা বলেছ সেটা একশ ভাগ সত্যি। মানুষের জীবন একটাই সেই জীবনটা যদি অপরাধবোধ নিয়েই কাটাতে হয় তাহলে সেটা কেমন হবে? তুমি যে দ্বিধা দ্বন্দ নিয়ে ভুগছ, সেটা নিয়ে আমি দুশ্চিন্তা করছি না, কারন উত্তরটা তুমি নিজেই দিয়েছ, লিখেছ, “বেশীদিন থাকবনা এই প্লাটফর্মে” আমিও মনে করি এটা ছেড়ে তুমি তোমার পছন্দের একটা কাজ বেছে নাও। আমার এই সাইটটা তৈরী করার পিছনে কারন একটাই, আমি জানি বাচ্চা কাচ্চাদেরকেও নেটে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু সেখানে তাদের জন্যে কিছু নেই। আমি অন্তত তাদের জন্যে কিছু একটা তৈরী করি, আমার জন্যে যেটুকু করা সম্ভব অন্তত সেটুকু।

সুতনয়া চৌধুর।।( অক্টোবরে ১৮ হয়ে যাব) ঠিকানা: বাংলাদেশ।
প্রশ্ন:  আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি এমন এক পরিবারে জন্ম নিয়েছি, নিজের মতো করে বড় হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন মা-বাবা। …… আমাদের বাসায় বাবার নিজস্ব লাইব্রেরী ( বর্তমানে আনুমানিক ৭৬০০ বই) আছে, বাবা হাজার সমস্যা থাকলেও বই কিনে দিতে কখনও পিছপা হননি।……… আমরা ভাইবোনেরা কখনও যেকোনো (স্কুল বা পাবলিক) পরীক্ষায় খারাপ করলে বাবা-মা চেষ্টা করতেন যেন আমরা ভেঙে না পড়ি, উৎসাহ দিতেন (এর ফলও অনেক ভাল হত, পরবর্তী পরীক্ষায় দেখা যেত একটু বেশিই পেয়ে গেছি!), চাপ তো কখনো দেন নি, পড়া নিয়ে বেশি বাড়াবাড়িও করেন নি। আর পড়া নিয়ে আমাদের জীবনে মিথ্যা ও বলতে হয়নি।  এই গোল্ডেন এর পিছনে আমার কখনো ছুটতে হয়নি। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি ছবি এঁকেছি (এই একটা জিনিস আমাকে অনেক শান্তি দেয়)……কেউ যখন বলে, কোন কোচিং করবা? আমি বলি, আমি কোচিং করবো না। কেউ আমার কথা জোক মনে করে, কেউ বিশ্বাস করে না।
আবার কেউ জিজ্ঞেস করলে যখন আমার লক্ষ্য বলি, তখন সবাই পুরোটা শুনে পরে বলে, “সেটা তো ঠিক আছে, অনেকেরই অনেক রকম ইচ্ছা থাকে, কিছু বাস্তব কিছু বল, ইঞ্জিনিয়ার না ডাক্তার হবা?”……আমি প্রায়ই বাবাকে প্রশ্ন করি বেশি চিন্তা করলে, ” বাবা, আমি যদি না পারি?” বাবা বলেন, “না পারলে নাই, এত টেনশন নেয়ার কি আছে? …বাবার আমার প্রতি বিশ্বাস কোনোদিন কমবে না।
উত্তর: তোমার লেখাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। এখানেই ছেলেমেয়েরা যে প্রশ্ন করে তার বেশিরভাগই হচ্ছে বাবা মায়ের অর্থহীন চাপ নিয়ে, ছেলেমেয়েদের শৈশব পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়ার নিষ্ঠুরতা নিয়ে। তার মাঝে তোমার লেখাটা একটা সজীব বাতাসের মত। তোমার বাবা মা তোমাকে যে সুন্দর শৈশব উপহার দিয়েছেন, আশা করি তুমিও তোমার চমৎকার একটা জীবন তৈরী করে তাদের সেটা উপহার দিবে। সত্যিকারের জীবনে কে কতটুকু পাবে সেটা কেউ জানে না। কিন্তু স্বপ্ন বড় করে না দেখলে ছোট একটা জীবন নিয়েই খুশী থাকতে হয়। বড় বড় স্বপ্ন দেখ, আকাশের সমান স্বপ্ন দেখতে থাকো।

রিসব রায় ~ঢাকা|
প্রশ্ন: স্যার মানসিক বয়স কীভাবে বের করা হয়?
উত্তর: নেট এগুলো দিয়ে বোঝাই হয়ে আছে। আমি আমারটা বের করার চেষ্টা করে দেখেছি, আমার মানসিক বয়স দেখিয়েছে মাত্র ২০! কতোবড় ফাজিল দেখেছ?

Riti,Hsc 2nd year,Dhaka
প্রশ্ন: Ki ashchorjo!!!!! 😮 Apni kothai?:( Amaderke rakhe hariye gelen naki?kono shara shobdo nei keno?;>
উত্তর: এই যে আমি এখানে।

প্রশ্ন: Sir,apni ki ei page e dhukar password ti vule gechen?:( Naki amaderkei vule gachen?;(
উত্তর: হা হা হা ! ভালোই বলেছ। আমার এটা প্রায়ই হয়। না এবারে পাশওয়ার্ড ভুলিনি তোমাদেরকেও ভুলিনি।

হিয়া,দশম শ্রেণি,বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বগুড়া
প্রশ্ন: স্যার,এই ওয়েবসাইটটাতে আমাদের করার মত কিছু নেই।গল্পগুলো পড়া শেষ।প্রশ্ন উত্তর গুলোও পড়া হয়ে গেলে আর কিছুই করার থাকে না।এখানে মজার মজার কিছু সমস্যা বা এই ধরণের বিষয় থাকলে আরো ভালো হত।
উত্তর: আমাকে আরো একশটা কাজ করার সাথে সাথে এটাও ম্যানেজ করতে হয়, সেটাই সমস্যা! তাই এখানে বেশী কিছু দিতে পারি না। আস্তে আস্তে এখানে আর কিছু হয়তো জমা হবে, দেখা যাক!

অর্ক,মতিঝিল,ঢাকা-১০০০।
প্রশ্ন: স্যার, আমি প্রকৃতভাবে Education অর্জন করতে চাই। কিভাবে পড়বো?
উত্তর: খুব সোজা। আমি কী বলি মন দিয়ে শোনো, পরীক্ষায় ভাল নম্বর পাওয়ার জন্যে লেখাপড়া না করে শেখার জন্যে পড়।

তিয়ান্না আশিক প্রাপ্তি বাগেরহাট
প্রশ্ন: স্যার আমার আজকে কোনো প্রশ্ন নেই! একটা অনুরোধ আছে…
আমার একটা বন্ধু আছে যার নাম আকাশ। ও আপনার অনেক বড় ভক্ত! এই মাসের অর্থাৎ ২৫অক্টোবর ওর জন্মদিন!।। আমি চাচ্ছিলাম ওর জন্যে বিশেষ কিছু করতে! তখন আমার মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো। তারপরেই আপনাকে এই চিঠি টা লিখছি! আপনি যদি আকাশ কে জন্মদিন এর শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার এই চিঠিটার উত্তর দেন তাহলে আকাশ সবথেকে বেশি খুশি হবে আর আমার এই উপহারটাও ওর সবথেকে বেশি পছন্দ হবে বলে আশা করি…!!!! …… আমার বন্ধুর নাম কে. বি. এম. ইব্রাহিম.. ডাকনাম আকাশ।
উত্তর: এসব ব্যাপারে আমার নিজের একটা পদ্ধতি আছে, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে (কী অভিজ্ঞতা জানতে চেও না!) আমাকে এই নিয়মটা বের করতে হয়েছে। নিয়মটি খুব সোজা, যার জন্মদিন সে আমাকে জানাবে, আমি তখন তাকে শুভেচ্ছা ভালোবাসা কিংবা স্নেহ জানিয়ে দেব। জন্মদিনে আমার সাথে দেখা করলে হাতের কাছে যেটা থাকে সেটাই উপহারও দিয়ে দিই। আর তোমার বেলায় তোমার বন্ধু দেখবে তুমি তাকে একটা মজার উপহার দিতে চেয়েছিলে, সেটাই তো তার জন্যে একটা উপহার। ঠিক কীনা?

প্রশ্ন: আমি খুব রেগে আছি……আমি বহুবার আপনাকে নানা ফেইক জিমেল এ মেসেজ করেছি বিভিন্ন প্রশ্ন করেছি। আমি শান্ত 😀
২০১৪ তে একবার ফোন করেছি , আপনি ছিলেন হসপিটালে 😀 …..।। স্যার মনে হয়না আমি বড় হয়েছি 😉  নৈলে এত বকবক করতাম???  তাই শিশু শান্ত এর মেসেজের রিপ্লাই দিবেন।
উত্তর: দিলাম! (কিন্তু এই সেকশানটার উদ্দেশ্য হচ্ছে, তোমার কোনো প্রশ্ন থাকলে প্রশ্নটা করবে, যদি জানি আমি সেটার উত্তর দেব। কিন্তু কোনো প্রশ্ন নেই শুধু উত্তর এটা কেমন হল?)

আশফিকুর চৌধুরী তাওসিব বোরহানউদ্দিন,ভোলা,বরিশাল
প্রশ্ন: স্যার কোনো একটা গ্রহ বা নক্ষত্রকে চেপে ছোট করতে পারলে সেটা ব্লাক হোলে পরিণত হবে যেমন সূর্যকে চেপে সূর্যের ব্যার্সাধ ৩কিমি আনতে পারলে সেটা ব্লাক হোলে পরিণত হবে এর কারণ কি
উত্তর: আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটির একটা সমাধান করেছিলেন শোয়ার্জচাইল্ড (Schwarzschild), সেখান থেকে শোয়ার্জচাইল্ড ব্যাসার্ধ বলে একটা বিষয় এসেছে। কোনো ভরকে চেপে তাকে শোয়ার্জচাইল্ড ব্যাসার্ধ থেকে ছোটো করলে সেখানে মহাকর্ষ বল এতো তীব্র হয় যে জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি অনুযায়ী সেটা একটা ব্ল্যাক হোল হয়ে যাবে। সূর্যের শোয়ার্জচাইল্ড ব্যাসার্ধ ৩ কিলোমটার, পৃথিবীর ৯ মিলিমিটার! (শোয়ার্জচাইল্ড ব্যাসার্ধ থেকেও আমার কাছে শোয়ার্জচাইল্ডের জীবনীটুকু বেশী চমকপ্রদ মনে হয়!)

ফুয়াদ হাসান, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন: …… কিছুদিন আপনি এখানে আপনাকে একজন লোক বলেছিল “আপনি সিলেট কখন ছাড়ছেন?”।লোকটার এই প্রশ্নটা দেখে খুব হতবাক হয়েছিলাম।কিন্তু আপনি লোকটির প্রশ্নের জবাব খুব স্বাভাবিক ভাবে দিয়েছিলেন।বলেছিলেন “রিটায়ার্ডের পর চলে যাব”।আমি আপনার মত সহিষ্ণু হতে চাই। স্যার আপনি এসব লোকদের কথায় দয়া করে মন খারাপ করবেন না।আপনাকে এই দেশের মানুষ কত ভালবাসে তা আপনি কল্পনাও করবেননা।বই মেলায় গেলে আপনি নিশ্চয় তা বুঝতে পারেন।
উত্তর: সহিষ্ণু হওয়া ভালো কিন্তু যখন প্রয়োজন তখন একটুখানি অসহিষ্ণু হয়ে প্রতিবাদও করতে হয়। সব সময় মুখ বুঁজে সহ্য করলে সেটাকে অনেকে দুর্বলতা ভেবে ঘাড়ে চেপে বসতে চায়।

প্রশ্ন: স্যার একটা ঘটনা বলি আপনাকে। একদিন আমি বাসে করে বাসায় যাচ্ছিলাম হঠাৎ করে আপনার বয়সি দুজন লম্বা লম্বা দাড়িওয়ালা লোক সমান তালে বাংলাদেশের সমালোচনা করে যাচ্ছে।তাদের মধ্যে একজন কথার ফাঁকে বলে উঠলো পাকিস্তানই ভাল ছিল এরকম ফালতু ভাঙা দেশের থেকে। ……
উত্তর: যদি এই লোকগুলোর কথায় বিন্দুমাত্র সত্যতা থাকতো তাহলে তোমার খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক ছিল। পাকিস্তান এখন কোনো দেশ নয়, তুমি কি জান পাকিস্তানের লোকেরাই এখন পাকিস্তান থেকে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করছে? কাজেই যে দুই লোকের কথা বলেছ তারা গবেট ছাড়া আর কিছু নয়!

খালেদ হাসান, দশম শ্রেণি, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা।
প্রশ্ন: স্যার, ফ্রিজের ভেতর বোতলে পানি রাখলে পুরো পানিটাই বরফে পরিণত হয়, কিন্তু নদী বা সাগরের পানি বরফ হওয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পানির উপরিভাগ বরফে পরিণত হয়। পুরোটা হয়না কেন?

ice-sea
উত্তর: ফ্রীজের বোতলের পানির চারিদিক সমান ঠান্ডা তাই পুরোটা একসাথে ঠান্ডা হয়। নদী সাগরে ঠান্ডা হয় উপর থেকে, কাজেই উপরের অংশটা আগে বরফ হয়। বরফের ঘনত্ব পানি থেকে কম, তাই সেটা ভেসে উপরে উঠে যায়। বরফ তাপ অপরিবাহী, তাই বরফ নিচের পানিটাকে আরো ঠান্ডা হওয়া থেকে রক্ষা করে। নিচের পানি জমে যায় না, তাই মাছ, তিমি, শুশুক এসব বেঁচে থাকতে পারে। বরফের ঘনত্ব যদি পানি থেকে বেশী হতো তাহলে এটা হতো না, পুরো নদী সমুদ্র জমে যেতো, সব জলজ প্রাণী মরে শেষ হয়ে যেতো। কী বাঁচা বেঁচে গেছি আমরা!

মিনাহুর জাহান রিমি আগ্রাবাদ,চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন:  আচ্ছা দাদু, স্বপ্ন কেন সাদাকালো হবে?? রঙিন কেন নয়?? আমি কিন্তু রঙিন দেখি মাঝেমাঝে! আর বাকিগুলো কি রঙিন নাকি সাদাকালো সেটা তো জানি না! তোমার প্রতি অনেক অনেক ভালোবাসা রইল..ভালো থেকো.
উত্তর: কে বলেছে স্বপ্ন সাদা কালো? আমার স্বপ্ন শুধু রঙ্গিন নয়, থ্রী ডি!

KALLOL HASAN, Netrakona.
প্রশ্ন: HAPPY TEACHERS’ DAY. How you feel when you get the highest respect from the students?? Which is the best gift for teachers???
উত্তর: থ্যাংকু। আমার ছাত্রেরা আমাকে যা ভয় পায় তারা HAPPY TEACHERS’ DAY বলার জন্যে ধারে কাছে আসার সাহস পায় না! টিচারদের সবচেয়ে ভালো গিফট হচ্ছে তাদের ছাত্র যখন একজন ভালো মানুষ হয়।

রাকীব। নোয়াখালী হতে…..
প্রশ্ন: আসসালা-মুআলাইকুম স্যার আমার প্রশ্নটি হলো, আপনি এত্ত সুন্দর লিখেন কীকরে? আমি-তো রীতিমতো অবাক হয়ে যাই। বিলিভ ইট অর নট, আপনার বইগুলো পড়বার সময় বইয়ের প্রতিটি বাক্যে এবং শব্দে আপনাকে কল্পনা করি য়ার বুকভরা হিংসায় বই বন্ধ করে মূর্হর্তের জন্য একবার কী যেন ভাবি!
উত্তর: ওয়ালাইকুম সালাম। এতো অল্পে এতো অবাক হলে কেমন করে হবে? আমি যাদের লেখা পড়ে অবাক হই, তুমি তাদের লেখা আগে পড়ে দেখ, অবাক হতে হতে একেবারে ট্যারা হয়ে যাবে!

আকাশ, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ
প্রশ্ন: স্যার, আমার এই প্রশ্নের উত্তরটা কি?
উত্তর:  উত্তরটা দেওয়ার মত নয়!

রাফিদ ইজতেহাদ শ্রেণিঃ ১০ম স্কুলঃ কুষ্টিয়া জিলা স্কুল।
প্রশ্ন: স্যার, নান্টু আর বল্টু কি বড় হয়ে গেছে? ওরা এখন কী কী এক্সপেরিমেন্ট করে? “নাট-বল্টু” এর ২য় খন্ড লিখবেন,প্লিজ??????????????????????????????

nut-boltu
উত্তর: তারপরে যখন আরেকটু বড় হবে তখন বলবে “নাট-বল্টু” এর ৩য় খন্ড লিখতে। তারপর যখন আরেকটু বড় হবে তখন বলবে “নাট-বল্টু” এর ৪র্থ খন্ড লিখতে, যখন ইউনিভার্সিটিতে পড়বে তখন বলবে তাদের জীবনে একটু রোমান্স নিয়ে আসতে। তারপর বিয়ে দিতে হবে, বাচ্চা কাচ্চা হবে জটিল হয়ে যাবে পুরো জীবন!

জাহিদ হাসান, সিকৃবি, সিলেট
প্রশ্ন: স্যার, আপনার ব্যবহৃত কোন একটা জিনিস কি আমাকে গিফট দেয়া যাবে? যত্ন করে রেখে দিতাম, প্লিজ!
উত্তর: তুমি যেহেতু সিলেটে থাকো, কোনো একদিন চলে এস, কিছু একটা দিয়ে দেব! দেয়ার জন্যে বল পয়েন্ট কলম হচ্ছে সবচেয়ে সহজ।

মিনাহুর জাহান রিমি,(এডমিশন সৈনিক-২০১৬).আগ্রাবাদ,চট্টগ্রাম।
প্রথমটা বাচ্চা কাচ্চা টাইপ প্রশ্ন আর পরেরটা অনেক “ভালবাসা” আর তৃতীয়টা আবেগ”..
প্রশ্ন: আচ্ছা দাদু আপনার বাসায় টিভি না থাকলে আপনি বাংলাদেশের খেলা দেখেন কোথায়? হাস্যকর প্রশ্ন!
উত্তর: এই প্রশ্নের উত্তর এখানেই দিয়েছি, বের করে পড়ে নাও।

প্রশ্ন: আরেকটা জিনিস আপনাকে না বলেও পারছি না,আমার ধারনা আমার সাথে আপনার দেখা হলে আমি কেঁদে দিব!! আমি আসলে অনেক আবেগী মেয়েতো তাই! অনেক ভালবাসা এবং কল্পনাটা সত্যি হওয়ার সংমিশ্রণে হয়তো এটাই হবে! কারণ আমি কল্পনা করি আমি আপনাকে দেখার পর কিছুক্ষণ হতভম্ব হয়ে থাকব,আমি বিশ্বাস করতেই অনেক সময় চলে যাবে,এরপর আপনি আমাকে ডাকবেন,নাম জিজ্ঞেস করবেন,আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেবেন… এসব কল্পনা করলে আবেগটা ধরে রাখতে পারি না!! আপনি এটা পরে হাসছেন,তাইনা??
উত্তর: হ্যাঁ একটু একটু হাসছি। মজার ব্যাপার কি জান, এটা বেশ কয়েকবার হয়েছে, আমার সাথে দেখা হওয়ার পরে কেউ একজন কাঁদতে শুরু করেছে আর আমি খুবই অপ্রস্তুত হয়ে ভাবছি, হায় হায় আমি কী করলাম, ভুল করে কি বকা দিয়ে দিয়েছি, নাকী পা মাড়িয়ে দিয়েছি যে মেয়েটা এভাবে কাঁদছে। তোমার চিঠি পড়ে বুঝলাম, আমার অপ্রস্তুত হওয়ার কোনো কারন নেই, “আবেগী” মেয়েদের এরকমই হওয়ার কথা! কি ইন্টারেস্টিং!

প্রশ্ন: আমি সেরিনা” বইটা পরে কিভাবে কেঁদেছি এটা আপনি না দেখলে কখনই বুঝবেন না! এত কষ্ট পেয়েছি যে হুঁ হুঁ করে কেঁদেছি! বাসায় তখন কেউ ছিল না! শেষের অংশটুকু আমি অনেকবার পড়েছি আর নিজেকে বুঝাতে অনেক কষ্ট হয়েছিল যে এটা গল্প।আমার সবচেয়ে পছন্দের বই এটা! আর এটার জন্য যে আমি এত কেঁদেছি যে আমার একটা বান্ধুবি আমাকে পাগল” ডাকে! ……

serina
উত্তর: আমি সরি একটা বই লিখে তোমার মন খারাপ করে দেওয়ার জন্যে। তুমিই বল, সেরিনাকে কী তার বাবার সাথে দেখা করিয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল?