উত্তর

 

 

 

 

 

পুরানো প্রশ্ন ও উত্তর:        

নভেম্বর ৩,  ২০২১

যারা অটোগ্রাফ চেয়েছ, প্রশ্ন-উত্তর শেষে সেগুলো দিয়ে রেখেছি, খুঁজে নাও প্লিজ।

প্রশ্ন: Md zafar ikbal sir i am your very big fan please give me a Autograph. Name ইমতিহান ইসলাম Class 2
উত্তর: এই যে অটোগ্রাফ। আমার ‘’বিগ ফ্যান’’ না হয়েও অটোগ্রাফ নিতে পারো। কোন সমস্যা নেই। (তুমি মাত্র ক্লাশ টু’তে পড়, তুমি আর কত big হবে?)

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম, দাদাভাই , আমি সেই কাশফি সাভার থেকে, মনে আছে? আচ্ছা, দাদাভাই আমি মাসখানেক ( সম্বভত ১/২ মাস) আগে আপনাকে একটা ই-মেইল দিয়েছিলাম। এখন ওবদি জবাব এলো না! আমি আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস টাও খুব সাবধানে দেখে, লিখেছি। সেখানে অনেক কিছু বলেছি আপনাকে। একটু ভালো করে দেখো না গো, দাদাভাই ! প্লিজজ ! আমার নামের ইংরেজি বানান —- ( Ashia Kashfi )
উত্তর: তোমরা যদি ভাবো আমি খুব দায়িত্বশীল মানুষ, কোন ই-মেইল পেলেই সাথে সাথে উত্তর দিয়ে দেই তাহলে খুব ভুল করবে। যদি কোন উত্তর না পাও তাহলে আবার পাঠাবে— কয়দিন পর আবার—তারপর আবার— যতক্ষণ পর্যন্ত উত্তর না পাও পাঠাতেই থাকবে।

প্রশ্ন: আমার সবচেয়ে বড় দুঃখের সংখ্যা প্রায় শখানেক হবে।তার মধ্যে অন্যতম দুঃখটা হলো আমার কোনো গল্পের বইপড়ুয়া বন্ধু নেই। তারা সবাই শুধু ‘পাঠ্যপুস্তক’ পড়ে। স্কুলে পুরস্কার পাওয়া বই আর জন্মদিনে পাওয়া বই ছাড়া আর কোনো গল্পের বই পড়েনি। আমি যখন ওদেরকে কোনো বইয়ের কথা বলতে যাই তখন ওদের মুখগুলো দেখে মনে হয় বিজ্ঞান স্যারের লেকচার শুনছে! গল্পের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করার জন্য আমি তাদেরকে আমার হীরার চেয়েও মূল্যবান বইগুলো ধার পর্যন্ত দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা নেয়নি! (আমার হাড়কিপটে বান্ধবীগুলো ফ্রীতে পাওয়া জিনিস এভাবে রিফিউজ করতে পারে আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না) এদের গল্পের বইয়ের প্রতি কীভাবে আগ্রহী করা যায়?(আপনি হয়তো বলবেন দরকার কী আগ্রহী করার, কিন্তু দরকার আছে! আমি গল্পের বইয়ের গল্প করবো কার সঙ্গে?) আফরিদাহ আহসান, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: শুনে খুবই দুঃখ পেলাম। যারা এই বয়সেও বই পড়া শিখেনি তাদের বইয়ে আগ্রহী করার কাজটা মোটেও সহজ না! তোমার কাছে যদি এমন কোন মজার বই থাকে যেটা তুমি মনে করো একজনকে জোর করে পড়ালে বইয়ে আগ্রহী হবে তাহলে সেটা পড়িয়ে দেখতে পার!

প্রশ্ন: আচ্ছা আপনার কাছে যদি তিনটা অপশন থাকে যে : ১) Class 7 ২) class 10 ৩) college কোনটা নেবেন? কেন? রিমি (ঢাকা)
উত্তর: হুমম, ব্যাপারটা এরকম হল যে আমার ফেবারিট হচ্ছে আলু আর তুমি জিজ্ঞেস করেছ আপনাকে করলা, ঢেঁড়স কিংবা চিচিংগা দেয়া হল, আপনি কোনটা খাবেন?

প্রশ্ন: আচ্ছা যেগুলা আম্মুর সাথে শেয়ার করা যায় না সেই সবই কি খারাপ??? আমি জানি বেশিরভাগই খারাপ। কিন্তু সব!!!?? এই যেমন আম্মু সব সময় বলে ভালো স্টুডেন্টরা কখনো ক্লাসে চিল্লাপাল্লা করে না, কেউ কখনো ফ্রেন্ডদের “পাগল”” শয়তান ” বলেনা। সব সময় ক্লাসে চুপচাপ বসে খালি পড়ে। কিন্তু আমি তো সুযোগ পেলেই ফ্রেন্ডসদের ব্যাগের চেন খুলে দেই, ওদের যত ইচ্ছা মার দেই আবার মার খাইও। এগুলা তো সব মজা। ওরা কিছ্ছু মনে করে না,আমিও না। আবার বলে যে ভালো স্টুডেন্টরা সবার সাথে বসে না। ঠিক আছে খারাপদের সাথে আমি বসিনা। কিন্তু যারা পড়ায় ভালো না তাদের সাথে একটু কথা বললে কি এমন হয়? আবার ধরেন হঠাৎ মনে হলো আজকে এই রাস্তা দিয়ে না গিয়ে ঐ রাস্তা দিয়ে যাই। কোনো কারণ ছাড়াই এটা চরি। বিশ্বাস করেন এমনিই। ব্যস মনে হলো তাই। এটা আম্মু জানলে একশ বার জেরা করবে। তাই বলে কি লাভ? আমি নিজে তো জানি তাইনা? তাহলে? এসব আম্মুকে বললেই পরেরদিন দেখতে যাবে আমি কি করি না করি। আচ্ছা আমি নিজে তো জানি আমি এসব শুধু মজা করেই করি। এগুলা শেয়ার করলেই বাসায় ঝামেলা বাজবে। তাহলে এগুলা কি খারাপ??আমি চিন্তায় আছি। ( **** নামটা আবার লেইখেন না কিন্তু। তখন আবার বাসায় সত্যিই ঝড় শুরু হবে। প্লিজ…… seriously বললাম )
উত্তর: তুমি যে কাজগুলার কথা বলেছ–তোমার আম্মু সেগুলো জানলে বড়জোর তোমার কান ধরে একটা টান দিতে পারেন। কিন্তু অনেক কাজ আছে সেগুলো করলে তোমার আম্মুর মনটা খারাপ হয়ে যাবে, রীতিমত হতাশ হয়ে যাবেন, আমি সেগুলো বুঝিয়েছিলাম। কমন সেন্স দিয়ে বুঝতে হয় কোনটা দুষ্টুমি আর কোনটা অন্যায়। বাচ্চারা তো দুষ্টুমি করবেই, তা না হলে বাচ্চা হবে কেন?

প্রশ্ন: স্যার,আমাদের স্কুলে একজন স্যার আছেন। স্কুলের সবাই তার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। তিনি অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ক্লাসে এসএস সির পড়া পড়ান, দশম শ্রেণির ক্লাসে এইচ এস সির পড়া পড়ান।ক্লাস নেওয়ার সময় পাঠ্যবই পড়ান না, এমনকি পরিক্ষার আগে বলে দেন, পাঠ্যবই পড়ে লাভ নেই,ওখান থেকে কিচ্ছু আসবে না,উপরের ক্লাসের বই পড়। পরিক্ষার সময়ও অধিকাংশ প্রশ্ন বই এর বাহির থেকেই করেন। এখন আমরা কয়েকজন চাচ্ছি এমন কিছু করতে যাতে তিনি উপরের ক্লাসের পড়া না পড়িয়ে পাঠ্য বইয়ের পড়া পড়ান।কিন্তু কি করবো বুঝতে পারছি না। আপনার বই পড়ে যা যা উপায় জেনেছি তার কোনোটাই করতে সাহস পাচ্ছি না আমরা।সহজ কোনো উপায় বলে দিন না,প্লিজ। স্যারের বিরুদ্ধে বিদ্রহ ঘোষনাকারী দলের একজন সদস্যা,———(নাম বললাম না, যদি স্যার কোনোভাবে বুঝতে পারেন তাহলে বিদ্রোহ শুরুর আগেই শহিদ হতে হবে,হাহাহা)
উত্তর: প্রকাশ্যে তোমাদের এই ধরনের প্রজেক্টের বুদ্ধি দেওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে মনে হয় না। তাছাড়া এডভান্স পড়ালে ক্ষতি কী? ভালোই তো! আমি তো সারা জীবন বেশি পড়িয়ে এসেছি, যেটা পড়াইনি সেটা পরীক্ষায় দিয়ে এসেছি। তাইতো করার কথা।

প্রশ্ন: স্যার এটা কী সত্যি যে ডিপ্রেশনের মত মানসিক রোগ একবার হয়্র গেলে সেরে উঠতে অনেক বেশি সময় লাগে? কেন এত সময় লাগে? আমি নিজে ডিপ্রেশনে ভুগি, ডক্টরদের কাছে গিয়েও ডিপ্রেশন কমে না, ৮ বছর ধরে একি অবস্থা। আমার জন্যে আপনার উপদেশ কি, স্যার? সুমাইয়া, বরিশাল
উত্তর: আমি কমন সেন্স দিয়ে যেটুকু বুঝি সেটার উপর নির্ভর করে কিছু বলা কী ঠিক হবে? আমি তো বিশেষজ্ঞ নই তাই আসলে আমার মতামতের কোন গুরুত্ব নেই। সবচেয়ে বড় কথা সত্যিকারের ডিপ্রেশনে ব্যাপারটা কি রকম আমি সেটা বুঝতেও পারি না। আমাদের সবার জীবনেই তো আনন্দ থাকে, দুঃখ থাকে— সবকিছু নিয়েই তো আমরা বেঁচে থাকি! এটাই তো জীবন। আমার জীবনেও তো অনেক বড় বড় ধাক্কা এসেছে, মন খারাপ হয়েছে— তখন কি ভবিষ্যতের কথা ভেবে গা ঝাড়া দিয়ে উঠিনি? এটা কি খুব কঠিন?

প্রশ্ন: স্যার আপনি তো এখন অনেক ব্যস্ত মানুষ। ছোটবেলার মত বই নিশ্চয়ই পড়তে পারেন না। এখন ব্যস্ততার মাঝে কীভাবে বই পড়েন? ছোটবেলার সময়টা কি মিস করেন? রাবেয়া, মিরপুর
উত্তর: এখন খুব কষ্ট করে সময় বের করে বই পড়তে হয়। এক সাথে তিন চারটা বই পড়ি। মজার মজার বইগুলোর দিকে লোভ নিয়ে তাকিয়ে থাকি—কখন পড়ব—কখন পড়ব! হ্যাঁ, ছোটবেলা খুব মিস করি। কে না করে?

প্রশ্ন: আপনি বলেছিলেন আমরা বাঘ ভালুক দেখে যে জন্য ভয় পাই আপনি একই কারণে…..। আচ্ছা আমরা ভয় পাই কারণ বাঘ ভালুক ধরলে জীবন নিয়ে বাচার উপায় নাই অথবা খুব কম। কিন্তু নিরিহ মাকড়শা আপনার কী করবে? কিছু মাকড়শা হয়তো ভয়ংকর… কিন্তু তাই বলে ওদের সবাইকে ভয় পান কেন? দেখবেন যেন আপনার বার্থডেটে সব পরিবার নিয়ে হাজির না হয় আপনার বাসায়… হা হা হা ( বাঁধন, class 8 টাঙ্গাইল )
উত্তর: ঠিক আছে, ঠিক আছে মাকড়শাকে ভয় পাওয়া খুবই গাধামোর মত একটা কাজ! কিন্তু কে বলেছে আমি বুদ্ধিমান? সারাজীবনই আমি এরকম নির্বুদ্ধিতা করেই এসেছি, এখনও না হয় করলাম! তোমাদের ঘুম কেন নষ্ট হচ্ছে? আমাকে শান্তিমত একটু ভয় পেতে দাও!

প্রশ্ন: স্যার,সবাইক অটোগ্রাফ দিবার লাগছেন, মোক ও একনা দেন ক্যা।মুই ম্যালা বছর থাকি তোমার একনা অটোগ্রাফের আশাত আছং।না হইলেও ৫বছর থাকি অপেক্ষা করবার লাগছং। দেও ক্যা মোক একনা অটোগ্রাফ ? (স্যার … … … … … দিন না।) লালমনিরহাটের ভাষায় লিখলাম,বোঝার সুবিধার জন্য পরেরটা লিখেছি।।মিশকাতুল জান্নাত হৃদিতা, লালমনিরহাট। পুনশ্চঃঅটোগ্রাফে হৃদিতা নামটা দিবেন প্লিজ।
উত্তর: দিলাম অটোগ্রাফ! লালমনিরহাটের ভাষাটি কি সুইট! তুমি প্রমিত বাংলায় অনুবাদ না করলেও আমি বুঝতে পারতাম। আমরা বেশ কয়েক বছর বগুড়া ছিলাম। এত সুন্দর ভাষাটা ভুলে যেও না যেন। আমাদের আঞ্চলিক ভাষাগুলো যে আমাদের সম্পদ সেটা কি তোমরা জান?

প্রশ্ন: স্যার আপনি ২০২২ সালের বইমেলার জন্য কি কি বই লিখেছেন জানতে পারি? অনন্ত আহমেদ, ষষ্ঠ শ্রেণি,ঢাকা ।
উত্তর: আমি এখন আর বই মেলার জন্য লিখি না— আগেই লেখি। আমার “ডেঞ্জেরাস মামী’’ বইটা বের হয়ে গেছে। ‘‘আমি পরমানব’’ নামে সায়েন্স ফিকশন ছাপার কাজ হচ্ছে। “সহজ ইলেকট্রনিক্স’’ লেখা শেষ এখন ফাইন টিউনিং হচ্ছে। অন্যগুলো এখনো মগজে কুট কুট করছে।

প্রশ্ন: আচ্ছা আমি কি সত্যিই আপনার সাথে কথা বলছি? যেই মানুষটার সাথে কথা বলা ছিল শুধুই একটা স্বপ্ন, তার সাথে কথা বলছি? ব্যাপারটা যতই ভাবছি ততোই অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। আসলে আমি অনেক বেশি এক্সাইটেড হয়ে পড়েছিলাম।(দেখছেন না দেড়-দুমাসে কতো প্রশ্ন করে ফেলেছি) আর আপনি যে আমার এক কথায় অটোগ্রাফ দিয়েছেন(দুবার!), সেটা তো আমার কল্পনারও বাইরে ছিল। আমি কখনো এতোটা আশা করিনি, সত্যি। আসলে আমি আপনাকে যে কতোখানি শ্রদ্ধা করি, বিশ্বাস করি, মানি, ভালোবাসি, সেটা কখনোই বলে বোঝাতে পারবোনা। আমি গুছিয়ে কিছু বলতে পারিনা, কী উল্টাপাল্টা লিখছি নিজেই জানিনা। তবে একটা কথা বলতে চাই, থ্যাংক ইউ সো মাচ আমি যতটা আশা করিনি তার চেয়েও বেশি দেওয়ার জন্য। আপনি হয়তো ভাবছেন কীইবা দিয়েছেন? কিন্তু আপনি জানেননা এই বারো বছরের মেয়েটার কাছে এটা কতো বড়। আমি হয়তো বাড়াবাড়ি করছি, কিন্তু আমি মনের কথাটাই বলছি। আফরিদাহ আহসান, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: হা হা হা! তোমাদের খুশি করা কতো সোজা! দেখেছ? সেজন্যই তো আমি বড়দের ধারে কাছে যেতে চাই না— তোমাদের কাছে ঘুরঘুর করি!

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা বড়ুয়া। আমি চট্টগ্রামে থাকি। স্যার,,,বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়া কি খারাপ যখন কেউ কলেজে বা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে এই সময়?? আর আপনার তিন্নি ও বন্যা নামে যে বইটি আছে সেটির নাম আপনার মাথায় এলো কিভাবে?? আসলে আমার নামও বন্যা তো তাই বললাম।ভালো থাকবেন।
উত্তর: না বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়া মোটেই খারাপ না, তবে কোন বন্ধুদের সাথে কোথায় যাচ্ছ, কোথায় থাকবে কী করবে সেটা একটুখানি জানতে চাই। বিশেষ করে তোমার গ্রুপে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো মেম্বার আছে কিনা, কিংবা পকেটে গাঁজার পুরিয়া থাকে এরকম কেউ আছ কিনা সেটা বিশেষ করে জানা দরকার! বড়রা ছোটদের সেফটি নিয়ে একটু বেশি দুশ্চিন্তা করতেই পারেন সেজন্য অনেক সময় নিজেরা নিজেরা ঘুরতে যেতে দেন না! (বন্যা নামটা আমার পছন্দের নাম সে জন্য লিখেছিলাম। তুমি কি জান, শুধু আমদের দেশে বন্যা নামটি মানুষ ভালবেসে দেয়— পৃথিবীর অন্য সব দেশে বন্যা মানেই দুর্যোগ— ভয়াবহ ব্যাপার!)

প্রশ্ন: স্যার, আপনি বলেছিলেন penguin এ আপনার একটি বই প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু penguin দের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখলাম ওরা সব উলটা পালটা কথা লিখে বসে আছে। বলেছে rasha বইটার লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল কিন্তু তিনি ভিন্ন মানুষ। স্যার ওরা তো আপনার উলটা পালটা জীবনী লিখেছে! কিছু করুন স্যার! আমি আপনাকে লিংকটা দিলাম। আপনি পড়ে নিশ্চয় ব্যথিত হবেন( কারণটা আপনি বের করে নিন) https://penguin.co.in/book_author/muhammed-zafar-iqbal/ রাইয়ান তাওসীফ,অষ্টম, ঢাকা
উত্তর: হা হা হা! তোমাদের কারণে আমি এতো মজার একটা বিষয়টা দেখতে পারলাম! থ্যাংকু থ্যাংকু থ্যাংকু! আমার বইয়ের অনুবাদককে লিংকটা পাঠিয়েছিলাম, সে দেখে তো রেগেমেগে ফায়ার! Penguin কে বলে তক্ষুনি ঠিক করতে চাইছিল, আমি অনেক কষ্টে তাকে থামিয়েছি। আমি এখন সবাইকে এটা দেখাচ্ছি, সবাই খুবই মজা পাচ্ছে! কতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান আহাম্মকের মত কতো মারাত্মক ভুল করে বসে থাকে দেখেছ?

প্রশ্ন: স্যার আমার ভাগ্য এত খারাপ কেন? উঁহু, ভাগ্যের দোষ দিয়ে লাভ নেই। দোষ হলো আমার সাহসের। তাহলে প্রশ্নটা সঠিকভাবে করলে দাঁড়ায় এমন: আমি এত ভীতু কেন? একসাথে পুরো শিশিটা ফাঁকা করলেই হয় কিন্তু আমি দুইটা পর্যন্ত খেয়ে থেমে যাই।
… … … … …
জানেন স্যার, মৃত্যুকে আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি। তখন আমার বয়স মনেহয় বারো, ডেঙ্গু হয়ে হসপিটালে ভর্তি ছিলাম বহুদিন। আমাকে লাইফসাপোর্ট দিতে হয়েছিল! কীভাবে বেঁচে ফিরেছি জানি না, দাদা বলেছে আমি নাকি আমার পাপের ফল ভোগ করছি! অসুস্থ ছিলাম বলে পড়ালেখা ঠিকমতো করতে পারেনি। তবু সেই বছর পিইসিতে বৃত্তি পাই নি দেখে বাবার বকা আমাকে ঠিকই শুনতে হয়েছে। 600 মার্কসের মধ্যে 591 পেয়েছিলাম কিন্তু বাবা তাতে বিন্দুমাত্র খুশি হয়নি! আমি আমার মা, বাবা কিংবা দাদা কাউকেই অপরাধী বানাচ্ছি না। আমি কারোর বিরুদ্ধে নালিশও জানাচ্ছি না। শুধু বলতে চাইছি আমি তাদেরকে অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক বেশি ভালোবাসি। কিন্তু তাদের ব্যবহার, আমার বিরুদ্ধে সমালোচনা আমি কিছুতেই সহ্য করতে পারি না। আজ সকালবেলা ঘুম ভেঙেছে বাবার ধমক শুনে। মনেহয় রাতে ঘুমানোর সময়ও ধমক শুনতে হবে!
… … … … … … … …
***, ঢাকা (নামটা ভুলেও প্রকাশ করবেন না!)
উত্তর: শোন— তোমার লেখাটা পড়ে আমার খুব মন খারাপ হয়েছে। দেখতেই পাচ্ছ আমি তোমার লেখার প্রায় পুরোটা কেটে ফেলেছি, অল্প একটু রেখেছি, পুরোটা দেখলে অন্যদের মন খারাপ হবে সেজন্য। তুমি যেহেতু আমাকে এটা লিখেছ আমি ধরে নিচ্ছি আমাকে তুমি একটুখানি হলেও বিশ্বাস করো। কাজেই আমি তোমাকে বলছি, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। তুমি একা নও এই দেশের অসংখ্য অসংখ্য বাচ্চা তোমার মত, কিন্তু সবাইকে টিকে থাকতে হবে। এইখানে আমি কিছু লিখতে চাই না, তুমি কি m.z.iqbal@mzi.rocks এ আমাকে একটা ইমেইল পাঠাবে প্লিজ? আমি যেটা বলতে চাই সেখানে বলব। (কিন্তু তুমি কী জান, তুমি কী সুন্দর করে লিখতে পার? কী ভয়ানক কথা কী সহজে হালকা করে লিখে ফেল? বড় হয়ে তোমাকে লেখক হতে হব, মনে থাকে যেন।)

প্রশ্ন: স্যার, ছোটবেলায় কি আপনার গোঁফ রাখার শখ ছিল অনেক….?? মানে স্যার আপনার কি গোঁফ অনেক ভালো লাগত??? নুহা, মগবাজার ঢাকা
উত্তর: না—না—না— গোঁফের মাঝে ভালো লাগার কি আছে? নাকের নিচে ঝাড়ুর মত কী একটা ঝুলে আছে, ছিঃ!! তার উপর যদি সর্দি হয়— ইয়াক থু!

প্রশ্ন: স্যার, আপনি ‘বনবালিকা’ বইটার উপরে বড় করে লিখে দিয়েছেন, ‘বৈ জ্ঞা নি ক ক ল্প কা হি নী’। কিন্তু আমিতো বইটার মধ্যে এই সম্পর্কিত কিছুই পাইনি।আমার কাছে এটি কিশোর উপন্যাস এর মত লেগেছে।প্লিয উত্তর দিবেন। আলিফ,রিদিতা
উত্তর: উড়তে পারে মানুষ, পানির নিচে থাকতে পারে মানুষ এরকম বইগুলোকে যেহেতু আগে সায়েন্স ফিকশন বলেছি তাই পশুর কথা বুঝতে পারে মানুষের বইকেও সায়েন্স ফিকশন বলেছি! তুমি যদি এটাকে কিশোর উপন্যাস বলতে চাও বল, তাতে আমার কোন আপত্তি নেই! রূপকথা বললেও আপত্তি নাই!

প্রশ্ন: স্যার আমি শুনেছি যে আপনি হুমায়ুন আহমেদ এর ভাই, সেটা কি সত্যি? আর আপনি কি হুমায়ূন আহমেদের বিভিন্ন ধারাবাহিক নাটক যেমন: ‘বহুব্রীহি’, ‘কোথাও কেউ নেই’ এ গুলো দেখেছেন? দেখে থাকলে এ নাটকগুলোর মধ্যে আপনার প্রিয় চরিত্র কোনগুলো? ওয়াসিফ, ঢাকা।
উত্তর: হ্যাঁ, আমি হুমায়ূন আহমেদের ভাই! হ্যাঁ আমি তার নাটকগুলো দেখছি। বাকের ভাই আমার একটা প্রিয় চরিত্র।

প্রশ্ন: স্যার আপনি একটা প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন যে আপনার “হিসাবে” এখন করোনা বাড়ার কথা না। এর মানে আপনার কি কোনো আলাদা হিসাব-নিকাশ বা থিওরি আছে করোনা সংক্রমণ সংক্রান্ত? ? হিসাবটা কী রকম?? আমাদের জানাবেন প্লিজ?? লাইবা তাফান্নুম, ঢাকা।
উত্তর: আমি গত প্রায় ৫০০ দিন করোনার ডাটা আমার নিজস্ব সফটওয়ারে প্লট করে আসছি, কাজেই বলতে পার আমার নিজস্ব একটা  হিসাব আছে! আমি যেহেতু বিশেষজ্ঞ না, তাই দশজনকে বলে বেড়াই না।

প্রশ্ন: স্যার, যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটা প্রশ্ন করি। “লাবু এলো শহরে” বইটিতে লেখা আছে যে বাংলাদেশে দুইশ পঞ্চাশটা চা-বাগানের মধ্যে মাত্র চার/পাঁচটা বাগানে স্কুল আছে। কথাটি কি সত্যি? আমার তো একদমই বিশ্বাস হচ্ছে না! (সাবা, ঢাকা)
উত্তর: বইটি যখন লিখেছি তখন অবশ্যই সত্যি ছিল। এত দিন পরে অবস্থার উন্নতি হয়েছে কি না জানি না। চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনটি খুবই কষ্টের। অবিশ্বাস্য।

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আমি সাদিক। বাগেরহাট থেকে বলছি। … … … … পরিক্ষায় যা লিখি তা সরাসরি বইয়ের মত হয় না, আমি যেমনটা বুঝছি ঠিক তেমনটা লিখি। আমার শিক্ষকেরা বলেছেন যে আমার লেখায় কোনো ভুল নাই, কিন্তু তারপরেও তারা বলেন যে বইয়ে যেমন আছে ঠিক তেমনটাই লিখতে হবে, না হলে ঠিকমতো মার্ক পাওয়া যাবে না।
… … … … … …
আমি বেশিরভাগ বায়োলজিক্যাল টার্মের ইংরেজি নামগুলো জানি, বাংলা টার্ম তেমন জানি না। বাংলা টার্মগুলা বেশ উদ্ভটও বটে, যেমনঃ উদ্ভিদের Gynoecium (স্ত্রীস্তবক) এর প্রধান অংশ Ovary/ডিম্বাশয় যার মধ্যে থাকে Ovule/ডিম্বক… … … বাংলায় ডিম্বাশয়, ডিম্বক, ডিম্বকরন্ধ্র, ডিম্বকনাভি ইত্যাদি টার্মগুলা আমি ঘোলায়ে ফেলি অথচ ইংরেজি টার্মগুলা কতই না চমৎকার। আর সবচেয়ে বড় কথা হল আমরা যখন আর দুই বছর পরে কলেজে পড়ব কিংবা মেডিকেলে কিংবা কোনো ভার্সিটিতে হায়ার স্টাডিজ করব তখন তো আমাদের ঠিকই ইংরেজি টার্মগুলা শিখতে হবে, বাংলা টার্মগুলার কোনো প্রয়োজনও পড়বে না, তাই খালি খালি এই দুইটা বছরের জন্য কয়েকটা উদ্ভট বাংলা শব্দ শেখার প্রয়োজনীয়তা আমি বুঝতে পারলাম না। … … … … তো আমার মুল কথাটা হচ্ছে, আপনি একবার বলেছিলেন, “আমার স্টুডেন্টরা A+ পাবে ঠিকই। কিন্তু তারা বুঝে A+ পাবে, মুখস্ত করে নয়।” আমি তখন থেকেই সবকিছু বুঝে পড়ার চেষ্টা করি এবং করে যাচ্ছি। A+ পাওয়া আমার উদ্দেশ্য না, তবে আমার বড্ড ভয় করে। যদি আমার এই নিজের মত লেখার কারণে কিংবা কিছু ইংরেজি টার্ম ব্যাবহার করার কারণে আমি A+ মিস করি, তখন কী হবে? … … … … আসলে আমি জানি না দিন শেষে আমি কী পাব, কিন্তু আমার শিক্ষকেরা আমার মধ্যে একটা ভীতি ঢুকায়ে দিছে যে আমি আমার মত বুঝে লিখলে কিংবা বায়োলজিতে কিছু ইংরেজি টার্ম ব্যাবহার করলে আমি ভালো মার্কস পাবো না। তাই ভয়ে ভয়ে জর্জরিত হয়ে আপনার শরণাপন্ন হইছি, আপনি আমাকে অন্তত এইখানে কিছু লিখে হেল্প করুন। প্লিজ।
উত্তর: বৈজ্ঞানিক ইংরেজি শব্দের প্রতিশব্দ বলে একটা কথা আছে, সেটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। তুমি যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যাবে তাই ইংরেজি প্রতিশব্দ না শিখে ইংরেজি শব্দগুলো শিখলে ক্ষতি নেই, কিন্তু সেটা সবার জন্য সত্যি নয়। যারা এসএসসি পর্যন্তই পড়বে তাদের জন্য বাংলা প্রতিশব্দ দিয়ে পড়া সহজ, তোমার কাছে সেটা যত হাস্যকরই মনে হোক। যতদিন তোমাদের পাঠ্য বইয়ে ইংরেজি শব্দগুলো ব্যবহার না করছে ততদিন তোমার শিক্ষকেরা বাংলা প্রতিশব্দে প্রশ্নোত্তর চাইতেই পারেন। তবে যদি কোন শিক্ষক বলেণ যে শুদ্ধ লেখা যথেষ্ট নয় অবশ্যই বইয়ের ভাষায় লিখতে হবে তাহলে সেটি মোটেও ঠিক নয়, রীতিমত অন্যায় একটি কথা। উল্টোটাই হওয়ার কথা, হুবহু বইয়ের ভাষায় লিখতে নিরুৎসাহিত করা উচিৎ। না বুঝে পড়াশুনাকে আমি পড়াশুনা হিসাবে ধরি না, কাজেই আমাকে জিজ্ঞাসা করলে এই উত্তর পাবে।
তবে লক্ষ করছি তোমরা প্রায় সময়েই লেখাপড়া পরীক্ষা, পরীক্ষার নম্বর এগুলো নিয়ে কথা বল, আমি এগুলো জানি না, জানতেও চাই না। আমি শুধু “শেখা এবং জানা” ব্যাপারটা বুঝি, অন্য কিছু বুঝি না কাজেই পরীক্ষা, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে আমার সাথে কথা বলে লাভ নেই। ( প্লিজ, লেখালেখির সময় “ঢুকায়ে দিছে” “হইছি” এভাবে না লিখে শুদ্ধ ভাষায় লিখো! আমি তোমাদের কাছে সুন্দর ভদ্র ভাষা আশা করতেই পারি।)

প্রশ্ন: হাসিন, ঢাকা। স্যার আপনার কি কখনো রাইটার্স ব্লক হয়েছে? হয়ে থাকলে তখন কেমন লাগছিল?
উত্তর: আসল লেখকদের রাইটার্স ব্লক হয়। আমি মনে হয় ভূয়া লেখক। আমার এইসব fancy বিষয়গুলো হয় না। অনেক কিছু লিখে পছন্দ হয় নাই বলে পুরোটা ফেলে দিই— এরকম মাঝেই মাঝেই হয়। জীবনে যত লিখেছি তার অর্ধেক মনে হয় ফেলে দিয়েছি।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি কি স্ট্রিং থিওরি বিষয়ে কোনো বই লিখেছেন? না লিখে থাকলে, আপনাকে অনুরোধ করব, এই বিষয়ে একটি বই লেখার জন্য। ইন্টারনেট থেকে কয়েকটা আর্টিকেল পড়ে, এ বিষয়ে আমার আরও জানার ইচ্ছে হয়েছে, তাই যদি কোনো বই/রিসোর্স বলেন, তবে খুবই খুশি হতাম আকিফ সামী মালিথা কুষ্টিয়া জিলা স্কুল
উত্তর: না লিখিনি। ‘একটুখানি বিজ্ঞান’ বইয়ে হয়তো একটু লিখেছিলাম। বড় বড় বিষয় লেখার আগে আমি কিছু জরুরী ছোট বিষয় লিখতে চাই।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার বইয়ে সব (প্রায়) খারাপ স্যারদের নাম রাজ্জাক হয় কেন??? (ইলা,নরসিংদী )
উত্তর: হয় নাকি? বইগুলোর নামগুলো বলবে প্লিজ?

প্রশ্ন: (***, ঢাকা) আসসালামু আলাইকুম স্যার। আশা করি ভালো আছেন। আজ মহাসপ্তমী, আমার বাসার পাশের গলিতেই ইয়া বড় মন্দির! একটু পরপরই ঢাকের আওয়াজ শোনা যায়, কী যে খুশি খুশি লাগে না! কত সুন্দর করে সবকিছু সাজায়, কত লাইটিং! মানুষ কী সুন্দর করে সাজগোজ করে হাসিহাসি মুখে মন্দিরে আসে! আর মেলার কথা না-ই বললাম! প্রতিবছরই তাই দুর্গাপূজা আসলে আমি ভীষণ আনন্দে থাকি। তবে এবছর ব্যতিক্রম, এবার আমি মন্দিরে যাব না বা যাওয়ার অনুমতি পাব না। আচ্ছা স্যার, বড়রা এমন অদ্ভুত কেন? আমি মুসলমান হয়ে দুর্গাপূজা দেখতে যাই- এই সহজ স্বাভাবিক কথাটা কোনো ‘বড়’ মানুষ (আম্মু ছাড়া) মানতেই পারে না! কেউ কেউ সরাসরি বলে, “পূজা দেখা হারাম, গুনাহ্ হয়।” আবার কেউ বলে, “হিন্দুরা তো মসজিদে আসে না, তাহলে তুমি কেন মন্দিরে যাবে?” অনেকে আবার নানারকম ইশারা-ইঙ্গিতে আমায় বুঝায় যে আমার মোটেও মন্দিরে যাওয়া উচিত না। আবার কেউ কেউ অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। এমনকি যদি দুর্গাপূজার সময় মন্দিরের সামনে দিয়ে কোনো কারণে যেতে হয়, তাহলে আব্বু কড়াভাবে নিষেধ করে দেয় যেন আমি ভিতরে না তাকাই! এত ঝামেলা সত্ত্বেও আম্মু আমাকে প্রতিবছর ঠিকই পূজা দেখিয়ে নিয়ে এসেছে, কিন্তু এবছর মনে হয় আর সম্ভব হবে না। তাই মনটা অ-নে-ক বেশি খারাপ। স্যার বড়রা এমন কেন? কী হয় আমি মন্দিরে গেলে? শুধু মন্দিরে গিয়ে পূজা দেখা না, বিকেলবেলা যদি পাশের বাসার হিন্দু প্রতিবেশী ধূপ জ্বালিয়ে মিষ্টি টুংটাং শব্দ করে পূজা করে তাতেও দেখি বড়রা (আবার বললাম আম্মু ছাড়া) কেমন জানি বিরক্তবোধ করেন! আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হিন্দু ধর্মের, ঈদের সময় তো ও আমাকে খুব ভালোমতো শুভেচ্ছা জানায়। এমনকি আযান দিলে তো ইসলাম ধর্মের মতো মাথায় ঘোমটাও দেয়! (আমি নিজেই দিতে ভুলে যাই!) আর রোজার সময় রোজা না রাখলেও ইফতারি ঠিকই খায়!!! বছরের শুরুতে নতুন বই পেলে অনেক ইনিয়ে-বিনিয়ে ইসলাম ধর্মের বই নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখে! উদাহরণগুলো দিলাম বলার জন্য যে আমার ফ্রেন্ড তো হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও আমাদের ধর্মকে যথেষ্ট সম্মান করে। তবে আমার আশেপাশের বড় মানুষরা কেন হিন্দু ধর্মীয় উৎসবে এত বিরক্তি প্রকাশ করে? আমি মন্দিরে গিয়ে মানুষের আনন্দ দেখে খুশি হচ্ছি, নিজের ধর্মকে তাতে নিশ্চয়ই অসম্মান করা হয় না! তাহলে কেন আমাকে বড়রা (আম্মু বাদে!) দুর্গাপূজা দেখতে দিবে না? এর মাধ্যমে কি হিন্দু সম্প্রদায়কে অশ্রদ্ধা করা হচ্ছে না? (পুনশ্চ: আমার নাম গোপন রাখবেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ!)
উত্তর: তোমার লেখাটা পড়ে একদিকে আমার খুব মন খারাপ হল অন্যদিকে তোমার নিজের ভাবনা গুলো জানতে পেরে মনটা ভালো হয়ে গেল। কবে যে সবাই তোমার মত করে বুঝতে পারবে ‘ভিন্ন’ মানে খারাপ নয়, ‘ভিন্ন’ মানে বৈচিত্র। আর পৃথিবীর সৌন্দর্য হচ্ছে বৈচিত্রে। যারা এই বৈচিত্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে না তারা পৃথিবীর সৌন্দর্যটাই উপভোগ করতে পারে না, তাদের কী নিরানন্দ একটি জীবন। তুমি সেরকম একজন নও দেখা খুব ভালো লাগল। শুধু এরকম থেকে যেও না, অন্যদেরও তোমার মতন করে তুলো। (এবারে বিজয়া দশমীর দিন সারা দেশে কী হল দেখেছ নিশ্চয়ই। দুবৃত্তরা যখন অপরাধ করে তার একটা সমাধান হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে, কিন্তু এই দেশের শিশুদের বাবা মায়েরা এরকম হলে তার সমাধান কী?)

প্রশ্ন: আমি শুধু আপনাকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই আপনার অসাধারণ সব বইগুলোর জন্য। বিজয় কুমার দাস বাসাবো,ঢাকা
উত্তর: থ্যাংকু বিজয়, আমার ছেলেমানুষি বইগুলোকে অসাধারণ বলার জন্য।

প্রশ্ন: আংকেল, আপনি কি খেয়াল করেছেন, এই ওয়েবসাইটের বয়স ৫ বছরের বেশি হয়ে গেছে! ইশতিয়াকের তো বিশ্বাসই হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, এই তো সেদিনের কথা! তবে ভালোও লাগছে প্রথম থেকে এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকতে পেরে। আপনি হয়তো বলবেন, এই ওয়েবসাইটে এসে বাচ্চাকাচ্চারা সময় নষ্ট করে। তবে আমি কিন্তু মোটেও সেটা বলবো না। বরং এই ওয়েবসাইট (আরো ভালো করে বললে, এই প্রশ্ন উত্তরের ব্যাপারটা) যে কত হেল্পফুল সেটা বুঝিয়ে কিংবা গুছিয়ে বলতে পারছি না। আমি অবশ্য কখনোই কথা গুছিয়ে বা সুন্দর করে বলতে পারি না। জানেন, মাঝেমধ্যে এমনও হয়, আমি হয়তো প্রশংসা করলাম, অথচ ভাবলো বদনাম করছি! হিহিহি। ঢাকা থেকে ইশতিয়াক
উত্তর: সত্যি? পাঁচ বছর থেকে আমি এই পাগলামো করছি? সবাই এটা সহ্য করছে এখনও? কী সর্বনাশ!

প্রশ্ন: স্যার, আমি জ্যামিতি একদমই পছন্দ করি না। কীভাবে আমি জ্যামিতিতে ভালো করতে পারি?স্যার আমাকে একটা অটোগ্রাফ দিবেন, Please? আফিফা, ফুলপুর, ময়মনসিংহ।
উত্তর: হায়! হায়! জ্যামিতি পছন্দ করো না? এটা কীভাবে সম্ভব? বুঝে বুঝে জ্যামিতি করলে এর থেকে মজা আর কোথায় আছে? যখনই একটা সম্পাদ্য কিংবা উপপাদ্য পাবে সেটার সমাধান না দেখে প্রথমে নিজে নিজে চিন্তা করে দেখ তার সমাধান বের করতে পার কিনা। দেখবে অনেক সময় পেয়ে যাবে, তখন তোমার কত মজা হবে দেখ। আর যদি সম্পাদ্য উপপাদ্য মুখস্ত করার চেষ্টা কর তাহলে এর থেকে নীরস জঘন্য জিনিস আর কী হতে পারে? (তুমি নিশ্চয়ই কম্পাস আর রুলার ব্যবহার করে যেকোনো কোণকে দুই ভাগ করতে পার। যেকোনো কোণকে তিনভাগ করতে পারবে? চেষ্টা করো দেখি! দেখবে জ্যামিতি কত মজা। এই নাও অটোগ্রাফ।)

প্রশ্ন: ১৫/১০/২০২১ রূপসা,খুলনা স্যার, আশা করি ভালো আছেন৷আজ কয়েকটা বিষয়ে সংক্ষেপে লিখব৷ ১৷আপনাকে নিয়ে অনেকে খারাপ মন্তব্য করে৷আপনার খারাপ না লাগলেও আমাদের খুব খারাপ লাগে৷তবে তারা আপনাকে ভুল বুঝে৷আমার দুলাভাইকে আমি তপু বইটা পড়ে বলেছে কি শুনবেন৷বলেছে,আপনি সেখানে রাজাকার স্যারের মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছেন ,মুসলমানরা হিন্দুদের পছন্দ করে না৷কিন্ত রাজাকার স্যার তো নিজেই হিন্দু ছিল তাই না৷যইহোক,বড়রা যেমন ছোটদের মন বুঝেনা তেমনি ছোটদের বইও বুঝে না৷বইটা পড়ে আমার রবীন্দ্রনাথের প্রতি যে ক্ষোভ ছিল তা ঘুচে গেছে৷… … … … ৷ ৫৷আমি আমার ডাইরির ২৩ ডিসেম্বর পৃষ্ঠা আপনার অটোগ্রাফের জন্য ফাঁকা রেখেছি৷যদি কোনোদিন সরাসরি দেখা হয় ,সেই আশাই আছি৷ওয়েবসাইটে অটোগ্রাফ নেয়া আমার কাছে মজার কিছু না৷ আজ আর না৷মনে এখনো অনেক কথা জমে আছে৷যাইহোক,ভালো থাকবেন,স্বুস্থ্য থাকবেন,নিজের খেয়াল রাখবেন৷ধন্যবাদ৷ ইতি জিয়াদ হোসেন
উত্তর: আমাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করলে তোমার কেন খারাপ লাগে? এমনি এমনি তো করে না, একটা কারণ আছে বলে তো করে-তাহলে সমস্যা কী? তোমার রবীন্দ্রনাথের উপর ক্ষোভ ছিল? কী সর্বনাশ! কেন? তোমার বয়সী বাচ্চাদের কেন রবীন্দ্রনাথের উপর ক্ষোভ? কারণটা একটু লিখবে? আমি জানতে চাই, বুঝতে চাই। যদি তোমার রবীন্দ্রনাথের উপর ক্ষোভ থাকে তাহলে তোমার দুলাভাইয়ের সাথে তোমার পার্থক্যটা কোথায়? (তোমার সাথে দেখা হলে অবশ্যই তোমার ডাইরিতে অটোগ্রাফ দিয়ে দেব)

প্রশ্ন: স্যার, আমার সালাম নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা বইটিতে লিখেছিলেন মিঠুন এসেছে অক্সব্রীজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছিল এই নামে আদোউ কোন স্কুল আছে নাকি। তবে, কালকে চট্টগ্রামের একটি রাস্তা দিয়ে আসার সময় দেখি বিশাল বড় সাইনবোর্ড লাগানো ” অক্সব্রীজ স্কুল, ইংলিশ মিডিয়াম, ভর্তি চলছে” আমি এত অবাক হয়েছি যে বলার মত না। আপনি কি এই স্কুলের কথাই লিখেছিলেন? আর, আমাকে অটোগ্রাফ দেয়ার জন্য 1 googolplex ধন্যবাদ! ঐন্দ্রী চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম,
উত্তর: আমি অনেক চিন্তা ভাবনা করে ‘অক্সব্রীজ’ নামটা বের করেছিলাম! ভেবেছিলাম এই নামে নিশ্চয়ই কোনো নাম থাকবে না— এখন তুমি বলছ সত্যি আছে? কী সর্বনাশ! স্কুল কতৃপক্ষ আমার নামে মানহানির মামলা না করে দেয়!

প্রশ্ন: Assalamualaikum sir. Amar proshno holo apni ki gaan gete paren? Maisha, address: Uposhohor, Rajshahi.
উত্তর: না—না—না— আমি গান গাইতে পারি না। আমার গলায় কোন সুর নাই! চেষ্টা করলে গানের মত না শুনিয়ে মেশিনগানের মত শোনাবে! (তবে হ্যাঁ, গান শুনতে খুব ভালো লাগে!)

প্রশ্ন: গতকাল আমি প্রথমবার একটা জোঁক দেখলাম। গল্পে যেরকম ভয়ংকরভাবে জোঁকের কার্যকলাপের বর্ণনা দেওয়া থাকে তাতে আমি ভেবেছিলাম এটার সাইজ নিশ্চয়ই অনেক বড়সড় হবে, কিন্তু আমি যেটা দেখলাম সেটা এইটুকুন।(মনে হয় বাচ্চা) অনায়াসে সুতা বলে ভুল করা যায়।(যখন কিলবিল করে উঠলো তখন আমি ঝেড়ে একটা দৌড় দিয়েছি) স্থানীয় ভাষায় এটাকে টিনা বলে। টিনাই যে জোঁক সেটাও আমি জানতাম না। আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: ইন্টারেস্টিং! জোঁককে টিনা বলে? একটা নূতন জিনিষ শিখলাম। সূতার মত জোঁক দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নাই— কিন্তু বাঘা বাঘা পানির জোঁক খুবই মারাত্মক। পানিতে কিলবিল করে সাঁতরায় তারপর কামড়ে ধরলে টেনে ছোটানো যায় না— টানলে রবারের মত লম্বা হতে থাকে। রক্ত খেয়ে ঢোল হয়ে যায়।

প্রশ্ন: Sir, i am humayra..i read in class 5..i almost read your all books…i like to read your books..i am your big fan.i wish i can meet with you one day..it’s a dream of my life…i hope you always be well like this inshallah…how can i meet with you sir…?Humayra Anjum, Dhaka
স্যার আমার একটা সমস্যা আছে সেটা হলো আমি যতো ভালো করেই পড়ি না কেনো আমি যখন ম্যাম/স্যার এর কাছে পড়া দেই তখন আমার অনেক ভয় করে এবং আমি সবকিছু ভুলে যাই এর কী কোনো সমাধান আছে?থাকলে আমাকে প্লিজ বলবেন,হুমায়রা আনজুম, ঢাকা
উত্তর: এই তো করোনা কমে যাচ্ছে আবার আমরা আগের জীবনে ফিরে যাব, তখন আবার সবার সাথে সবার দেখা হবে! আমি এর মাঝে নানা মিটিংয়ে যেতে শুরু করেছি। তোমার সাথেও নিশ্চয়ই একদিন দেখা হবে। ম্যাম/ স্যারের কাছে পড়া দিতে ভয় করে? আমাকে দিতে হলে আমারও নিশ্চয়ই ভয় করতো— কিন্তু পড়া দিতে হবে কেন? আমি পড়ব আমার নিজের জন্য সেটা নিয়ে স্যার ম্যাডামের মাথা ব্যথা কেন?

প্রশ্ন: আপনি আমার প্রশ্নের জবাবে জানতে চেয়েছিলেন, আমি কী করে রাজশেখর বসুর চমৎকার ছোটগল্পের সন্ধান পেলাম।প্রথমে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ‘কিশোর আনন্দ’ সিরিজে ওনার লেখা দুটো গল্প পড়েছিলাম।এরপর এতো মুগ্ধ হয়েছিলাম যে,নেট থেকে খুঁজে খুঁজে pdf আকারে রাজশেখর বসুর ‘পরশুরাম গল্পসমগ্র’ নামিয়ে পড়ে ফেলেছি।মাঝে মাঝেই গল্পগুলোয় চোখ বোলাই।এত্তো ভালো লাগে! ইতি, পিনাকী গুপ্ত,খুলনা।
উত্তর: চমৎকার! তুমি কী রাজশেখর বসুর অনুবাদ রামায়ণটি দেখেছ? পড়েছ? রাম সম্পর্কে যে বিশেষণগুলো আছে সেটা পড়ে হতবাক হয়ে গেছি। কোনো একদিন কোনো একটা বইয়ে আমি চেষ্টা করে দেখব আমি কারো সম্পর্কে এরকম বিশেষণ বানাতে পারি কিনা!

প্রশ্ন: স্যার, আয়না আর কাচের মধ্যে পার্থক্য কি?? আমি আমার বোনকে জিজ্ঞেস করলাম আয়না আর কাচের মধ্যে পার্থক কি… সে আমায় গম্ভীর গলায় বলল, ” তুই শুধু জেনে রাখ আয়না আর কাঁচ এক না ” । তারপর আমি বললাম, “আয়না আর কাচের পার্থক্য কি আমি সেটা জিজ্ঞেস করেছি আমি মোটেও বলি নাই আয়না আর কাঁচ এক নাকি এক না।” তারপর আমার বড় বোন আমায় হুঙ্কার দিয়ে বলল, “আমি জানি না তুই এখন ভাগ এখান থেকে। নিজের কাজ নিজে কর “। কলেজে পড়া একজন ছাত্রীর কাছে আমি মোটেও এরকম উত্তর আশা করি নি..। আচ্ছা স্যার বড়রা এত আজব হয় কেন? তাই বাধ্য হয়ে ই আপনার কাছে আসা। আপনি একটু প্লিজ বলবেন আয়না আর কাচের মধ্যে পার্থক্য টা কি??? নাকি আপনি আবার আমার আপুর মতো হুঙ্কার দিবেন?? নুহা, মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: আয়না হচ্ছে আয়না, কাচ হচ্ছে কাচ! (তুমি নিশ্চয়ই আয়নায় নিজের মুখ দেখেছ, কাচের জানালা দিয়ে বাইরের গাছপালা, পাখি দেখেছ— কাজেই দুটোর পার্থক্য জান না সেটা হতে পারে না!) প্রতিফলন হলে আমরা আয়না বলি অর্থাৎ চকচকে ধাতু দিয়েও আয়না হতে পারে। কাচ হচ্ছে SiO2 এর একটা রূপ। বালু আর সোডা গরম করে কাচ তৈরি করা যায়। (বড়রা আজব হয় দেখে কেন অবাক হচ্ছ? সবাই জানে বড়রা আজব, তুমি এখনও টের পাও নাই? তোমার কপালে দুঃখ আছে!)

প্রশ্ন: আমি আসলে প্ল্যানচ্যাটের ব্যাপারটা ঠিক বিশ্বাস করে উঠতে পারিনা। আচ্ছা সত্যি করে বলুন তো রঙিন চশমা বইয়ের ঘটনা দুইটা কি আসলেই সত্যি?? তাহলে তো বিশ্বাস করতেই হয়। ( বাঁধন, class 8 টাঙ্গাইল )
উত্তর: ‘রঙিন চশমা’ বইয়ের ঘটনাগুলো সত্যি— কিন্তু সেটা মোটেই অলৌকিক কোন ব্যাপার প্রমান করে না— self hypnotism এর মত কোন একটা ব্যাপার ঘটে!

প্রশ্ন: স্যার আশা করি আপনি ভালো আছেন। আমি আপনার একজন অনেক বড় ভক্ত। গতকাল আমি আপনার নতুন বই “আমার ডেঞ্জারাস মামী” পড়া শেষ করলাম। কিন্তু ১টা প্রশ্ন আমার মাথায় ঘুরছে টুলুর মতো। নিরা মামী টুলুকে “গণিতের মজার অংক”নামে একটি বই কিনে দেন যা দিয়ে টুলু গণিত ধ্বংস আন্দোলন করতে চেয়েছিলো। বইটিতে একটি অংক ছিল যে : দুটি সংখ্যা বের করো যে দুটি সংখ্যা যোগ করলেও ২ হবে, গুন্ করলেও ২ হবে। আমার প্রশ্ন হলো: এই ২ টি সংখ্যা কি কি ? নাম :- মেধা, ঠিকানা-মিরপুর,ঢাকা।
উত্তর: আমি এটা দিয়েছি যেন সমস্যাটা মাথায় ঘুরঘর করে। তাহলে তোমার মাথায় ঘুর ঘুর করতে শুরু করেছে? ভেরি গুড! চিন্তা করো দেখি বের করতে পার কী না!

প্রশ্ন: আসসালামুয়ালাইকুম আমার নাম ফাহিম ফয়সাল কানন। আমার বিদ্যালয়ের নাম হাতীমারা হাই স্কুল। আশা করি স্যার আপনি অনেক ভালো আছেন। নিম্নে আমার প্রশ্নটি দেয়া আছে-
বলই ত্বরণ সৃষ্টি করে! ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: সর্বনাশ! এখন তুমি আমার পরীক্ষা নেবে? কেন? আমি কী দোষ করেছি? এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য কত মার্কস? উত্তর লেখার জন্য কতক্ষন সময়?

প্রশ্ন: স্যার, অনেক অনেক শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। আমি মিহিরিমা আলম, চট্টগ্রামে থাকি। এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। আমার একটা সমস্যার কথা আপনাকে বলতে চাই। সমস্যাটা যদিও একটু বড় আর জটিল, তা-ও যদি আপনি কষ্ট করে পড়ে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন, আমি খুব খুশি হব। এই করোনাকালীন সময়ে প্রায় দেড় বছর ঘরে বন্দী ছিলাম। প্রায় একাই। আমার কোনো ভাইবোন নেই, আর মা ব্যাংকার, বাবা ডাক্তার। তাই পুরো করোনাকালেই তারা অফিস করেছেন, বাড়িতে কেউ ছিল না। শুধু রাতে আর সকালটুকু তাদের দেখা পেতাম। স্কুল খোলার পরে অনেক আশা নিয়ে স্কুলে গেছি, বন্ধুদের সাথে দেখা হবে, আবার আমরা পুরোনো জীবনে ফেরত যাবো, ঠিক যেখানটায় সবকিছু থেমে গেছিল, সেখান থেকে সব আবার নতুন উদ্যমে শুরু হবে। কিন্তু যেরকমটা ভাবলাম সেরকমটা হলো না।
আমি আগে প্রত্যেকদিন স্কুলে যেতাম। ঝড়-বাদল কোনো কিছুই আমাকে থামাতে পারত না। স্কুলে যেতে ভালবাসতাম খুউব। এমনও হয়েছে, খুব ঝড় চলছে, দেশজুড়ে ছয় কি সাত নম্বর সংকেত, তার মধ্যে ছাতা মাথায় আধাভিজে হয়ে আমি স্কুলে চলে গেছি। গোটা স্কুল শুনশান, শিক্ষার্থীরাও কেউ আসেনি, শিক্ষকেরাও না। অবশ্য পরে হেডমাস্টার স্যারের ঝাড়ি খেয়ে বাড়ি ফিরে এসেছি আবার! পুরো স্কুলে প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় কক্ষনো হইনি, কিন্তু সর্বোচ্চ উপস্থিতির পুরস্কারটা সবসময়েই বগলদাবা করে নিয়ে এসেছি।
স্যার, দুঃখিত, ভূমিকাটা সামান্য বড় করে ফেলেছি। এই কথাগুলো না বললে হয়তো আমার সমস্যাটা বুঝবেন না, তা-ই বলা। ক্ষমাসুন্দর দৃটিতে দেখবেন প্লিজ। এবার মূল সমস্যাটা বলি। আগে খুব ছটফটে আর চঞ্চল ছিলাম। হাসতাম, দৌঁড়ে বেড়াতাম, দুষ্টুমি করতাম, সবার সাথে কথা বলতাম, খোঁজ নিতাম, কেউ দুইতিনদিন স্কুলে না আসলে তার বাড়ি চলে যেতাম খবর নিতে। ক্লাসে সব্বার খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিলো আমার সাথে। এখন কেন জানি সেরকম নেই আমি। লকডাউনের ভেতরে কী কী করেছি, কী কী ঘটেছে- কিচ্ছু মনে করতে পারি না। মানে এই দেড় বছর পুরোটা আমার মাথায় কেমন জানি ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। এই পুরো সময়টার কোনো কিছুই মনে থাকে না। স্কুলে যেতে ভালো লাগে না, ঘর থেকে বের হতেই ইচ্ছে করে না। টানা তিন সপ্তাহ স্কুলে যাইনি আমি। কারও সাথে কথা বলতে খুব পরিশ্রম হয়, কথা বলতে ইচ্ছে করে না, কিছু পড়লে মনে থাকে না, গুছিয়ে লিখতে পারি না, ভাবতে পারি না। সারাক্ষণ ঝিম মেরে বসে থাকি। কেমন যেন চুপচাপ আর বিষন্ন হয়ে গেছি। নিজেকে নিজেই চিনতে পারি না।
আমি এরকম কেন হয়ে যাচ্ছি স্যার?
উত্তর: তোমার প্রশ্নটা অনেক বড়, তারপরেও আমি পুরোটা দিয়ে দিয়েছি তার দুটি কারণ। এক: তুমি যেটা বলতে চেয়েছ সেটা এত সুন্দর করে প্রকাশ করেছ যে তার তুলনা নেই! অন্যরা দেখুক কেমন করে কিছু একটা লিখতে হয়! দুই: তুমি যে সমস্যার কথা লিখেছ সেই সমস্যা হয়তো আরও অনেকেরই আছে।
যাই হোক, তোমাদের এই বয়সটা একটু অন্যরকম। বয়ঃসন্ধির সময় শরীরে নূতন নূতন হরমোন তৈরি হয়— মানসিক পরিবর্তন হতেই পারে। আমি মোটামুটি নিশ্চিত এটা সাময়িক। তুমি এটা নিয়ে দুর্ভাবনা করো না, আবার আগের মত ছটফট আর চঞ্চল হয়ে যাও। করোনার এই দীর্ঘ সময় অনেকের জীবনকে এলোমেলো করে দিয়েছে, আবার গুছিয়ে নাও। দরকার হলে একটু চেষ্টা করেই, আমি বলছি তুমি পারবে। (আবার বলছি, তুমি কী সুন্দর করে পুরোটা লিখেছ দেখেছ? আমি পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেছি। যে এত সুন্দর করে গুছিয়ে কোন একটা কিছু ব্যাখ্যা করতে পারে তাকে নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র দুর্ভাবনা নেই। দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে। আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি, তোমার নামটা খুব সুন্দর, মিহিরিমা!)

প্রশ্ন: … … … … (এই দাঁড়ি চিহ্ন পর্যন্ত আমার নাম-শ্রেণি সব গোপন রাখবেন প্লিজ) আমার বড় হয়ে গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষকতা করার ইচ্ছা। আমি শিক্ষকদের পর্যবেক্ষণ করে করে শিক্ষার্থীদের সাথে কী কী জিনিস করা উচিৎ আর কী কী করা উচিৎ নয় সেটা বের করার চেষ্টা করি। আপনি আপনার শিক্ষকজীবনের আলোকে আমাকে কিছু উপদেশ দিবেন প্লিজ ? আর হ্যাঁ, অনেকদিন আগে আমার করা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন, সেটার ধন্যবাদ জানানো হয়ে ওঠেনি। জানি আপনার মনে নেই, তবুও সেদিন আমার মন ভালো করে দেওয়ার জন্য আসলেই অনেক ধন্যবাদ!— আজ এটুকুই।।
উত্তর: তুমি শিক্ষক হতে চাও জেনে খুব খুশি হয়েছি। আমার ধারনা শিক্ষকতার মত আনন্দের কোনো কাজ নেই। ভালো শিক্ষক হওয়া খুব সহজ, তোমার ছাত্রছাত্রীদের ভালবাসতে হবে, এবং তার চেয়ে বড় কথা, তাদের সম্মান করতে হবে। তা ছাড়া তুমি যে তাদের পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছ, সেটা খুবই ভালো বুদ্ধি, চমৎকার! (তুমি তো এমন কিছু সিরিয়াস বিষয় লিখনি, তাহলে নিজের নাম পরিচয় গোপন রাখছ কেন? নিজের পরিচয় দিয়ে কথা বলা কী ভালো নয়?)

প্রশ্ন: স্যার, ভুলভাল বিজ্ঞানে কি সাইন্স ফিকশন লেখা যায়?! উত্তরটা জানা আমার জন্য অ—-নে—–ক বেশি জরুরি!! প্লিজ বলুন!!!! – সাবা, ঢাকা (নামটা কেটে দিয়েন প্লিজ)
উত্তর: যেহেতু ফিকশন তাই ভুলভাল লেখা যায়। যত ইচ্ছা ভুলভাল লেখ সমস্যা নাই। কেউ তোমার বিরুদ্ধে মামলা করবে না!

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা বড়ুয়া। আমি চট্টগ্রামে থাকি। স্যার,,আমি storyteller হতে চাই তাই আমাকে কি করতে হবে বা কি করলে আমি storyteller হতে পারবো???
উত্তর: ছোট বাচ্চাদের গল্প শুনিয়ে মুগ্ধ করে রাখো—তাহলেই ভালো story teller হয়ে যাবে!

প্রশ্ন: Sir amar bashay khub jhamela.basha theke palay jaite plan korlam. Shamner mash e jabo dowa koirren. Sakib Al Hasan. 14 green square Green road Dhaka 1205
উত্তর: না, তুমি বাসা থেকে পালাবে আমি সেজন্য দোয়া করব না। দোয়া করি তোমার ঝামেলা যেন মিটে যায়—কিংবা তুমি ঝামেলাটার মুখোমুখি হয়ে সেটা overcome করতে পার।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার প্রিয় খাবার কি? (তাসনিম আহমেদ, বগুড়া)
উত্তর: মুড়ি।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি এক বছরে সর্বোচ্চ কতগুলো বই পড়েছেন? ইমাম সোহরাওয়ার্দী, বনশ্রী, ঢাকা।
উত্তর: এখন আর সেরকম বেশি বই পড়া হয় না। ছেলেবেলায় অনেক পড়েছি সঠিক সংখ্যা তো বলতে পারব না। কলেজে থাকতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে প্রত্যেকদিন পাবলিক লাইব্রেরি গিয়ে বই পড়তাম!

প্রশ্ন: ইস্টিশন বই নিয়ে আমার কিছু কথা, স্যার আমার পড়া আপনার সেরা গল্পের বই হোল এই ইস্টিশন বইটি। আপনার অসাধারণ শব্দ চয়ন ও মায়া ভরা আবেগ দিয়ে লেখা বইটি খুব সুন্দর। বইটি আমার মত বাচ্চা যারা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে তাদের জন্য একটি নতুন চিন্তার খোরাক দিবে। আমাদের আশেপাশে আমাদের মতই কিছু ছেলে মেয়দের জীবন অনেক কষ্টের দুঃখের, সেখানে আমরা কত আরামে থেকেও আমাদের অনেক দুঃখ অনেক হতাশা, একটু বই কিনে নাহ দিলেই আমরা মন খারাপ করে বসে থাকি। কিন্তু আমাদের মতই বাচ্চারা রাস্তাই নাহ খেয়ে , জামা কাপর নাহ পড়েই দিনের পড় দিন কাটাই।এই কথা গুলো চিন্তা করলে মনে হয় আমাদের হতশা মন খারাপ হয়ার কথায় নাহ , রাদের তুলোনাই আমরা কত আরামে আছি, কতই নাহ ভালো আছি। স্যার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এরকম অসাধারণ বইটি লেখার জন্য। বইয়ের শেষ কথা পড়ে আপনার প্রতি আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আর কয়েকগুন বেরে গেল। স্যার একটা রিকুয়েস্ট ? আপনি ফেসবুকে নিয়মিত লেখেন নাহ। … … … ফেসবুকে আপনি নিয়মিত লেখলে খুব খুশি হব,… … …
উত্তর: ‘ইস্টিশন’ বইটা তোমার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হয়েছি। আমি বানিয়ে বানিয়ে ইস্টিশনের বাচ্চাগুলো সম্পর্কে ভালো ভালো কথা লিখেছি কিন্তু আসলে তো ছেলেমেয়েগুলোর জীবন হচ্ছে অসম্ভব কঠিন। নির্দয়। মমতাহীন। আমি আসলে কখনোই ফেসবুক জাতীয় ব্যাপারে মাথা ঘামাইনি, পৃথিবীতে যখন আসল মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যায় তাহলে কেন আমি ভারচুয়াল জগতে যোগাযোগ করব? যেসব কারনে এগুলো নিয়ে আমার এলার্জির মত আছে, মাত্র এখন অন্যরা সেটা টের পেতে শুরু করেছে। (আমার কাছে তো আমার বইয়ের পি ডি এফ নেই কোথা থেকে দেব? নেটে নিশ্চয়ই আছে, খুঁজে নাও প্লিজ।)

অক্টোবর ৫, ২০২১

ঈদের শুভেচ্ছা দিতে দেরি করেছিলাম, পূজার শুভেচ্ছা দিতেও দেরি হয়ে গেল। সবার জন্য বিলম্বিত পূজার শুভেচ্ছা। যারা অটোগ্রাফ চেয়েছ, প্রশ্ন-উত্তর শেষে সেগুলো দিয়ে রেখেছি, খুঁজে নাও প্লিজ।

প্রশ্ন: আসলে আমি বাংলায় লেখা বইয়ের কথা জানতে চাচ্ছিলাম। ইংরেজি বই পড়তে কিছুটা সমস্যা হবে (কিছুটা না অনেকটা! আর বাংলায় অনুবাদ করা বই আমারও ভালো লাগেনা) আপনার মতো মজার মজার গল্প আর কে কে লেখে?(আপনার মতো কি কেও পারে?) আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: তোমার কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে অনুমান করতে পারছি না বলে ঠিকঠাক ভাবে বইয়ের নাম বলতে পারছি না। সত্যজিৎ রায়ের বই গুলো কি পড়েছ? হুমায়ূন আহমেদ, সুনীল, শীর্ষেন্দু দিয়ে কম বয়সীরা সত্যিকারের পড়ার জগতে পা দেয়- সেদিকে যেতে চাও? (তুমি ঠিকই বলেছ বেশির ভাগ অনুবাদ জানি কেমন কটমটে)

প্রশ্ন: Sir, would you share in short your lifestyle about food, exercise and thought process so that we may be as healthy, productive and jolly as you are.
… … … … …
Zubair. Singapore.
উত্তর: হা হা হা এটা বাচ্চাদের ওয়েবসাইট তারা এই প্রশ্নের উত্তর দেখলে হাসতে হাসতে মারা যাবে। তুমি কি m.zafar.iqbal@mzi.rocks এখানে একটা ইমেইল পাঠাতে পারবে প্লিজ?

প্রশ্ন: “তুমি দুর্বল, সবল তোমাকে নিপীড়ন করার অধিকার রাখে। এতে বেচারা সবলের কোনো দোষ নেই।দোষ তোমার। কারণ, তুমি অসহায়।এটা তোমার ভাগ্য।” এই ধরণের কথাটা আপনার এখানে যে বলেছিল, সে কিভাবে এটা বলতে পারল, আমার মাথায় ঢুকছে না। সে যদি আমাদের বয়সি হয়ে থাকে তবে তা আরো ভয়াবহ কথা।এই বয়সি একটা বাচ্চা মানুষ হয়ে এরকম ভয়ংকর কথা কেমন করে চিন্তা করল? সে কি নিজেকে খুব যুক্তিবাদী প্রমাণ করতে চাইছে? যদি তাই হয়ে থাকে, তবে সেই অসহায় মানুষটার পক্ষের অকাট্য যুক্তিগুলো কেন তার চোখে পড়ল না? এধরণের আধামাধা কথা তো আজকালকার বড় মানুষেরা নিজেদের সুবিধামতো বলে। ও কেন বলবে? ছিঃ! ওই মেয়েটার কথাগুলো শুনে আমার প্রায় হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাচ্ছিল! “কী সহজে হয়ে গেল বলা, কাঁপল না গলা” টাইপের মতো শোনালো। সবচেয়ে বড় কথা এ ধরণের চিন্তাধারার মানুষ এখানে কী করছে শুনি? ভালোবাসার কথা বাদ দিলাম, ও কি আদৌ আপনার কোন বই পড়েছে? ছিঃ, ছিঃ, ছিঃ, ছিঃ,ছিঃ! -সাদিয়া,ঢাকা।
উত্তর: হা হা হা এটা নিয়ে বেশি বিচলিত হয়ো না। এরকম বয়সে এরকম কথা বলা হয় অন্যদের বিচলিত করার জন্য। সত্যিই কি এই কথাগুলো জিজ্ঞেস করা সম্ভব? অন্যদের বিচলিত করে এক ধরনের আনন্দ।

প্রশ্ন: আমি সাদিক। বাগেরহাট থেকে। স্যার, কোনো একটা বিষয় (যেমন পদার্থবিজ্ঞান) পড়া শেষে সেই সম্পর্কিত প্রশ্ন সলভ করা উচিত কি?? যদি উচিত হয় তাহলে প্রশ্ন সলভ করার জন্য গাইড বইয়ের শরণাপন্ন না হওয়া ছাড়া তো আর কোনো উপায় নাই কারন গাইড বইয়েই কেবল অনেক প্রশ্ন থাকে। তাই শুধুমাত্র প্রশ্ন সলভ করার উদ্দেশ্যে গাইড বই ব্যবহার করতে পারব কি??

উত্তর: অবশ্যই প্রশ্ন সলভ করা উচিত। প্রশ্ন সলভ না করে শুধু শুধু পড়ে লাভ কি? কোনো কিছুর প্রশ্ন সমাধান করতে পারার অর্থ হচ্ছে সেটা জানা।

প্রশ্ন: আমার নাম মো: তাসীন আলম। স্যার, দয়া করে আমাকে আপনার একটি অটোগ্রাফ দেবেন। ধন্যবাদ। ঠিকানা: ধানমন্ডি, ঢাকা
উত্তর: এই যে দিলাম। খুশি?

প্রশ্ন: স্যার, আপনার কাছে আমার বেশ কিছু প্রশ্ন ছিল।
*রাজনীতি ও ইতিহাস বিষয়ক: ১. স্যার, শাহবাগ আন্দোলনে কি আপনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?
… … … … …
**পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক: ১. আইনস্টাইনের সময় প্রসারণ, দৈর্ঘ্য সংকোচন বা ভর বৃদ্ধি সূত্রে √1-v2/c2 দিয়ে একটা রাশি আছে। এখন, এই রাশির মান তো মাইনাসেও আসতে পারে।যেমন, যদি আমরা বলি, √25 তাহলে এর মান যেমন 5 হতে পারে আবার -5 ও হতে পারে।তাহলে ব্যাপারটা কেমন হল?
… … … … …
***রসাসন বিষয়ক: ১.তেজস্ক্রিয়তার জন্য মেরি ক্যুরির মৃত্যু হয়েছিল কিন্তু তেজস্ক্রিয়তা মানুষের কি ক্ষতি করে?
… … … … …
** জীববিজ্ঞান বিষয়ক: ২. আপনি পৃথিবীর সব বড় বড় বিজ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় তত্ত্ব কোনটি? তারা জেনারেল রিলেটিভিটি কেন বললেন না?
… … … … …
উত্তর: তুমি যত প্রশ্ন করেছ তার সবগুলোর উত্তর দিতে হলে একটা বই লিখে ফেলতে হবে ! ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের একটা একটা করে উত্তর দিচ্ছি, কিন্তু এগুলোর উত্তর ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। এর পরের বার প্রথমেই ইন্টারনেটে উত্তর খুঁজে নিবে। (ক) না, শাহবাগে আমি নেতৃত্ব দেইনি। একদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে শুধু একটা বক্তৃতা দিয়েছিলাম। (খ) বর্গমূল নেওয়া হলে শুধু পজিটিভটাকে উত্তর নেওয়া হয়। যদিও বর্গ করার সময় পজেটিভ নেগেটিভ দুটোই একই উত্তর দেয়। (গ) মানুষের কোষ গুলোকে ধ্বংস করে, কিছুদিনেই ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে। (ঘ) না, আমি নিজে বিজ্ঞানীদের জিজ্ঞেস করিনি। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান জরিপ নিয়েছিল। বিজ্ঞানীদের কাছে যেটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে তারা সেটা বলেছেন।

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা বড়ুয়া। আমি চট্টগ্রামে থাকি। স্যার,আপনি প্রতি বছর কি কি বই পড়লেন কিংবা কি কি বই পড়তে চান সেটা লিখে রাখেন?? আর আপনি কি ছোটদের কিছু ইংরেজি গল্পের বইয়ের নাম বলতে পারেন??
উত্তর: না, আমি কি কি বই পড়েছি লিখে রাখি না। কিন্তু তোমরা লিখে রাখতে পার। যখন অনেকগুলো হবে তখন দেখে ভালো লাগবে। ছোটদের মজার ইংরেজি বই হচ্ছে রোল্ড ডালের বই এবং হ্যারি পটার।

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আমার জন্ম ২০০৮ সালের ১৭ই আগষ্ট। কিন্তু স্যার এই মাসেই মারা যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম,শামসুর রহমান এবং আরো অনেক গুণী মানুষ। এই নিয়ে আমার বন্ধুরা আমাকে অনেক হাসি ঠাট্টা করে । এই বিষয়ে আমি কি করতে পারি? অনন্ত আহমেদ, ঢাকা
উত্তর: তোমার বন্ধুরা তোমার সাথে ঠাট্টা করে এতে সমস্যা কি? বন্ধুরা আছে ঠাট্টা-তামাশা, মজা করার জন্য সেটা নিয়ে এত বিচলিত হচ্ছ কেন? তাদের ঠাট্টা করতে দাও! বছরের প্রত্যেক মাসেই কোনো না কোনো গুরুত্বপূর্ণ মানুষের জন্ম হয়েছে, আবার মৃত্যুও হয়েছে সেটাই তো স্বাভাবিক!

প্রশ্ন: স্যার কেউ যদি অটোগ্রাফ চায় তাহলে আপনি লেখেন, “এই দিলাম অটোগ্রাফ ” কিন্তু সেটা দেখা যায় না কেন???আপনি একজনকে বলছেন কেন দেখা যায় না সেটা নিজে খুজে বের করতে।কিন্তু আমার মাথায় অতো বুদ্ধি নেই।তাই আপনাকেই বলতে হবে কেন সেটা দেখা যায় না। প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ…… বলুন।আশা করি আপনি বলবেন। নাহিদ, সিলেট।
উত্তর: সেটা দেখা যায় না কারণ তুমি কোনদিন ধৈর্য ধরে সেটা খুঁজে দেখো নি। প্রশ্নের উত্তরের একেবারে শেষ পর্যন্ত গিয়ে খুঁজে দেখো।

প্রশ্ন: আমি কি একটা অটোগ্রাফ পেতে পারি স্যাঁর। তাসনীম, নরসিংদী
উত্তর: অবশ্যই পেতে পার- এই নাও!

প্রশ্ন: ও দাদু , দেখলাম “কিশোর আলো”তে তোমার লেখা কবিতা বের হয়েছে। দারুণ , ফাটাফাটি, ভীষণ সুন্দর তোমার কবিতা। আমরা এখানে পড়তে পারি যেন তোমার কবিতা , তাই এখানেও গল্প বিভাগের মতো একটা কবিতা বিভাগ খুলে ফেলো তোমার লেখা ও আমাদের লেখা কবিতা থাকবে শুধু কেমন ? দাদু। _কিয়াস _নীলফামারী
উত্তর: আমার লেখা কবিতা? আমি তো কবিতা লিখি না, শুধু বহু আগে একটা ছড়ার বই লিখেছিলাম! “কিশোর আলো”তে আমি কিছু পাঠাইনি। কে এখন আমার নামে কবিতা লিখল?

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আমি গতকাল A Child Called It বইটা পড়ে শেষ করলাম।বইটা পড়ে আমি ভীষণভাবে চমকে উঠেছি, একজন মা তার সন্তানের প্রতি এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে তা আমি সপ্নেও ভাবতে পারি নি।রাতের বেলা খেতে খুব কষ্ট হয়েছে, বারবার মনে হচ্ছিল আমার বয়সী কত ছেলে মেয়ে হয়তো না খেয়ে আছে।খুবই আপসেট লাগছে।এখন এমন কোনও একটা বই সাজেস্ট করুন জাতে আমার মনটা একটু ভালো হয়।( বিঃদ্রঃ আমি Roald Dahl আর Harry Potter সিরিজের বইগুলো পড়ে ফেলেছি,এগুলো ছাড়া!)শ্রেয়া সাহা,নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: কেন A Child Called It পড়তে গেলে? ওটা খুবই মন খারাপ করা বই। এই বইটি পড়েই আমি ‘আমি তপু’ লেখার সাহস পেয়েছিলাম। দুঃখ কি জানো ‘আমি তপু’ পড়ে অনেক ছেলে মেয়ে লিখেছে তাদের জীবন নাকি ‘আমি তপু’র মত। কি ভয়ঙ্কর কথা। লরা ইঙ্গলস ওয়াইন্ডার পড়েছ? এরিক মারিয়া রিমার্ক? স্টেইনবেকের Tortilla Flats সিরিজের বই? পড়ে মন খারাপ হবে না, আনন্দ পাবে।

প্রশ্ন: স্যার, ২৬ শে সেপ্টেম্বর আমার জন্মদিন… আমাকে একটু জন্ম দিনের শুবেচ্ছা জানাবেন প্লিজ? ( আমি জানি আপনার শুবেচ্ছা জানাতে জানাতে আমার জন্মদিন পার হয়ে যাবে!!!) নুহা, মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: আহারে! আরেকটু আগে জানলে তো আমি ঠিক সময় তোমাকে জন্মদিনের ভালোবাসা জানাতে পারতাম। ঠিক আছে দেরি করেই জানাই, জন্মদিনের অনেক অনেক ভালোবাসা!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম, স্যার। আশা করি আপনি ভালো আছেন।আমি অনেকদিন ধরে আপনার অটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। ২১শে ফেব্রুয়ারির বইমেলায় ও আমার যাওয়া সম্ভব না কারণ আমি ফেনী তে থাকি। অবশেষে আমার আম্মুর মাধ্যমে আমি আপনার এই ওয়েবসাইট এর কথা জানতে পারি।এখানে অনেকেই আপনার কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন এবং অটোগ্রাফ চেয়ে চিঠি পাঠায়। তাই আমিও পাঠালাম। স্যার প্লিজ প্লিজ আমাকে ১টা অটোগ্রাফ দেবেন। ফেনী সদর,ফেনী।
উত্তর: এই যে দিচ্ছি, কিন্তু তুমিতো নাম লিখনি! কাজেই নাম না লেখা অটোগ্রাফটা তোমার- প্রশ্নোত্তর শেষে দেখ।

প্রশ্ন: (তোহুরা ইসলাম বাঁধন, class : eight , টাঙ্গাইল ) আমি আসলে কীভাবে বিষয়টা শুরু করবো বুঝতে পারছি না। আমি এতদিন স্বাভাবিক ভাবেই জীবন যাপন করেছি। স্কুলে গিয়েছি, পরীক্ষা দিয়েছি ভালো রেজাল্ট করেছি, ফ্রেন্ডসদের সাথে গল্প করেছি, খেলেছি, প্রচুর গল্পের বই পড়েছি, নিজে কবিতা, গল্প লেখালেখি করেছি, আর সবাই যা করে আরকি। কিন্তু কয়েক মাস ধরে আমি একটা বিষয় খেয়াল করছি যে বড়দের সব চিন্তা ভাবনা অধিকাংশই বাচ্চাদের নিয়ে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে মানে আমাদের নিয়ে ।
… … … … …
তাই আমার আপনার হেল্প দরকার। Please……. আমি চাই না বুড়ো বয়সে এটা ভাবতে ” ইশ যদি আবার ছোট হতে পারতাম তাহলে এটা করতাম ওটা করতাম ” বরং আমি ভাবতে চাই, ” আর ছোট হয়ে কি হবে? কিছু তো করার বাকি রাখি নাই আমার হিসাবে” তাই আমি আপনার কাছে জানতে চাই আপনার কী কী মনে হয়? আপনি আবার ছোট হলে কী কী করতেন? ( এটা বলে এড়িয়ে যাবেন না যে সব মানুষ আলাদা!) শুধু আপনার না আপনার family members দেরকেও ask করবেন “যদি আবার ছোট হয়ে যেতে পারতেন এবং আপনার আগের জীবনের সব মনে থাকতো তবে কি কি করতেন?” আমি কখনোই regret করতে চাইনাআআআআআ! please…………… আমি এটা
কখনোইইই ভাবতে চাইনা,” কী করলাম জীবনে?”
উত্তর: আমি শুনে খুবই খুশি হলাম যে তুমি বুঝতে পারছ যে মানুষের শৈশবকালটা হচ্ছে সত্যিকারের আনন্দের এবং কোনভাবেই এই আনন্দের সময়টা আনন্দ না করে নষ্ট করতে চাও না। শুধু তাই না তুমি প্রত্যেকদিন ডায়েরি লিখে যেতে চাও যেন বড় হয়ে এই ডাইরি পড়ে তোমার শৈশবের দিনগুলিতে কি কি আনন্দ করেছে সেগুলো মনে পড়ে যায়। তবে তুমি আমার কাছে জানতে চেয়েছো আমি এখন ছোট হলে কি কি করতাম! এটাই হচ্ছে মুশকিল! আমি ছোটবেলায় খুবই ভ্যাবলা টাইপের ছিলাম- এতই ভ্যাবলা না হওয়া ছাড়া আর কিছুই চিন্তা করে পাচ্ছি না।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন।আমি আপনার লেখা আমার সাইন্টিস্ট মামা বইটি পড়েছি।স্যার আপনার কি এই বছর এ যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু ছাড়া আর কোনো বই প্রকাশিত হয়েছে? ইপসিতা নাথ, চট্টগ্রাম।
উত্তর: এই ওয়েবসাইটে আমার প্রকাশিত বইয়ের তালিকা আছে, সেটা দেখে নেবে প্লিজ!

প্রশ্ন: অনেক চেষ্টা করেও আমি অটোগ্রাফের রহস্য টা বুঝতে পারিনি। অন্নেক অন্নেক চেষ্টা করেছি।প্লিজ বলে দিন না,প্লিজ প্লিজ প্লিজ।। মেঘলা, ঢাকা
উত্তর: বোঝাই যাচ্ছে তুমি কোনদিন অটোগ্রাফের খোঁযে একেবারে শেষ পর্যন্ত শেষ পর্যন্ত যাওনি! একবার যেয়ে দেখ।

প্রশ্ন: কাল ঘামটা কেমন ঘাম?(আপনি লিখেছেন কালো ঘাম, কিন্তু আমি শুনেছি কাল ঘাম। কোনটা সঠিক জানিনা) আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: কালো ঘাম মনে হয় কালো রঙের ঘাম! কঠিন কিছু করতে গিয়ে যখন জীবন বের হয়ে যেতে চায় তখন মনে হয় এই ঘাম বের হয়। চেষ্টা করে দেখো, সত্যি সত্যি বের করতে পারলে আমাকে জানিও!

প্রশ্ন: আমি রোশনি। আপনার এখানে যারা সাধারণতঃ লেখে তাদের থেকে বয়েসে অনেকটাই বড়। মিল একটাই। আমিও তাদের মতোই আপনার মুগ্ধ ভক্ত। শুধু আপনার লেখার নয়, আপনার লেখার মধ্যে যে মানুষটাকে চিনেছি, তাঁরও। আমি বড় হয়েছি কলকাতায়, সেখানে আপনার লেখা কোন বই কখনো পাইনি। আপনার লেখা প্রথম পড়ি আমেরিকাতে পি এইচ ডি করার সময়ে, মূর্ছনা (ডট )কম বলে একটি ওয়েবসাইটের সৌজন্যে। আজ অবধি আপনার যতগুলি লেখা যেখান থেকে পেয়েছি নিয়ে পড়েছি, আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবকে ডেকে ডেকে পড়িয়েছি, বাংলাদেশী বন্ধুদেরকে দিয়ে আপনার বই আনিয়ে সংগ্রহে রেখেছি। আমি বাংলাদেশ কখনো যাইনি। তবে আমার মা আর বাবা দুজনেই বাংলাদেশের। বাবার ১৯৪৭ এ ঢাকা ছেড়ে কলকাতা চলে আসে, আর মায়েরা ১৯৭১ এ বরিশাল ছেড়ে কলকাতা। আমার খুব ইচ্ছে একবার বাংলাদেশে যাবো আর তখন আপনার সঙ্গে দেখা করবো। আপনি যদি কখনো নিউ ইয়র্কে আসেন প্লিজ জানাবেন। আমার খুব ইচ্ছে একবার আপনার সাথে দেখা করি.
আরও একটি কারণে লিখলাম। আপনার এখানে আসা প্রশ্নোত্তরগুলি পড়ছিলাম একটু আগে। দেখলাম তাহমিদ জামান চৌধুরী নামের একজন বিবর্তনবাদের প্রমান নিয়ে প্রশ্ন করেছে। সম্ভব হলে তাকে Jonathan Weiner এর লেখা The Beak of Finch বইটি পড়তে বলবেন। এক বিজ্ঞানী দম্পতি কিভাবে চল্লিশ বছর ধরে গবেষণা করে “real-time” এ কিভাবে বিবর্তন হয় দেখিয়েছেন, সেই ঘটনাকে নিয়েই লেখা পপুলার সায়েন্সের বই। বাচ্চারাও বুঝতে পারবে।
রোশনি ঘোষ, নিউ ইয়র্ক, আমেরিকা।
উত্তর: তোমার চিঠি পড়ে ভাল লাগল। সব সময় বাচ্চা কাচ্চাদের ক্যাচ ম্যাচের মাঝে হঠাৎ একজন একটু বড় মানুষের কথা শুনতে ভালো লাগে! হ্যাঁ, তুমি বাংলাদেশে এলে তোমার ভালোই লাগবে, পারলে বই মেলার সময় এসো, তাহলে এই দেশের মানুষ কেমন পাগল সেটা দেখতে পাবে!
‘The Beak Of Finch’ বইটা এইমাত্র কিনেছি আমার নিজের জন্য। যারা বিবর্তন নিয়ে কথা বলে তাদের আসলে বিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো কৌতুহল নেই- পৃথিবীর অনেক মানুষের মতো তারাও বিশ্বাস করে এটা ভুয়া! যেহেত তারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত তাই এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার জন্য তাদের কোনো আগ্রহ নেই। আমি কখনো তাদের পিছনে সময় নষ্ট করি না। তুমি পারলে m.zafar.iqbal@mzi.rocks এইখানে একটা মেইল দিয়ে রেখ।

প্রশ্ন: স্যার, (এক) আপনি কি জানেন, আপনাকে আড়ালে- অন্তরালে- অগোচরে ‘মুজাই’ বলে ডাকা হয় ! (দুই) আপনার ফেসবুক পেজের আগের সবগুলো পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছেন কেন ? (তিন) এবারের চিল্ড্রেন সায়েন্স কংগ্রেস যেন অফলাইনে হয়, মনে থাকে যেন, আর আপনাকে আসতেই হবে। ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: শুধু আড়ালে অন্তরালে নয়-যথেষ্ট সামনাসামনিও অনেকে ডাকে! আমি ফেসবুকে বিশ্বাস করি না- এই যন্ত্রণাটা রাখতে হয়েছে যেন কেউ আমার নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে না পারে সেজন্য। কেমন করে দেখতে হয় জানি না বলে দেখতেও পারছি না। ঠিক আছে সাইন্স কংগ্রেস অফলাইনে হলে অবশ্যই আসবো।

প্রশ্ন: আপনি একটা গল্প লিখেছেন এই ওয়েবসাইটে। “এক মাছের গল্প”।এটা কি বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে?আর, আমার ডেঞ্জারাস মামি, বইটা এ বছর বের হবে?টুকি এবং ঝায়ের( প্রায়) দুঃসাহসিক অভিযান, এই বইটার প্রচ্ছদ আপনি বদলিয়েছেন এটার গল্পও কি বদলে গেছে? রিদিতা,ঢাকা
উত্তর: না, এই গল্পটা এখনো বাচ্চাদের বই হিসেবে বের হয়নি। আমার ‘ডেঞ্জারাস মামি’ বের হয়ে গেছে! না না, বইয়ের প্রচ্ছদ বদলালেও বইয়ের কাহিনী বদলায় না।

প্রশ্ন: হ্যালো স্যার-কেমন আছেন? আমি অন্তরীক্ষ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস এইটে পড়ালেখা করছি। স্যার আমার প্রশ্ন হলো “নিউরনে অনুরণন” এর মতো পদার্থবিজ্ঞানের উপর একটা প্রব্লেম সল্ভিং সিরিজ বের করতে পারবেন? আমি পদার্থবিজ্ঞানে বেশ আগ্রহী, কিন্তু অলিম্পিয়াড যাত্রায় কেনো জানি কোনো সুনির্দিষ্ট পথ খুঁজে পাচ্ছি না। আমি ইংলিশ ভার্সনের ছাত্র; “বাংলিশে” লেখা তেমন কোনো ভালো বই পাচ্ছি না আমার অলিম্পিয়াড যাত্রাটাকে একটা “কিকস্টার্ট” দেবার জন্য। আমাদের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের ওপর “নিউরনে অনুরণন” টাইপের একটা প্রব্লেম সল্ভিং ইন্সপাইরেশনাল সিরিজ বের করলে খুবই ভালো হয়। ইতি, অন্তরীক্ষ মহাজন অষ্টম শ্রেণি ঢাকা
উত্তর: তোমার আইডিয়াটা খুব ভাল। গণিতের একটা অনেক বড় সুবিধা আছে যদি কেউ কোনো গণিত নাও জানে, অর্থাৎ যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ ছাড়া কিছুই জানে না তার জন্যও গণিতের খুব মজার সমস্যা তৈরি করা যায়। পদার্থবিজ্ঞানের বেলায় সেটা সত্যি না, এর সমস্যা করতে হলে পদার্থবিজ্ঞান একটু হলেও জানতে হবে। তারপরও সম্ভব, সময় পেলে নিশ্চয়ই চেষ্টা করব। বাচ্চাদের জন্য টুনটুনির বই লিখতে লিখতে আর সময় পাইনা! তোমার নামটা খুবই সুন্দর।

প্রশ্ন: আতিয়া, বয়স-২৫, ঢাকা। স্যার আমার একটা প্রশ্ন । এখন আমরা যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ যেতে চাই তারা বিভিন্ন দেশ, বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রফেসরদের খোঁজ নেটে পেয়ে যাই। স্যাট, জিয়ারই, জিম্যাট, আইইএলটিএস, টোয়েফেল এইসব পরীক্ষা কবে কিভাবে দিতে হয়, কিভাবে ঘরে থেকে নিজেই প্রিপারেশন নিতে হয় তা জানি, আশেপাশে পরিচিত অনেক সোর্স আছে সাহায্য করার। আমার প্রশ্ন আপনার বা হুমায়ুন আহমেদ স্যারের বিদেশে পড়তে যাওয়ার প্রথম ইচ্ছাটা বা চিন্তাটা কিভাবে এসেছিলো? তখন ইন্টারনেট ছাড়া কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রফেসর খোঁজা হতো? জানতে চাচ্ছিলাম স্যার।
উত্তর: আমার বিদেশ যাওয়ার কাহিনী খুবই বিচিত্র! আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন আমেরিকা থেকে দুইজন প্রফেসর সারা দুনিয়া ঘুরে বেড়াতো, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে গিয়ে গিয়ে ছেলেমেয়েদের ধরে ইন্টারভিউ নিতো। সেভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেও তারা আমাদের ইন্টারভিউ নিয়েছে। যাদের ইন্টারভিউ পছন্দ হতো তাদের নাম-ঠিকানা তারা আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে পাঠিয়ে দিত। সেই ভাবে হঠাৎ করে আমার কাছে কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠি এসে হাজির, তারা আমাকে পি এইচ ডি করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমি মোটামুটি গাধা, আমেরিকার ইউনিভার্সিটির কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ জানি না। যাদের প্যাডের কাগজটা সুন্দর সেটা পছন্দ করে যেতে রাজি হয়ে গেলাম। মোটকথা আমি একটা এপ্লিকেশনও করি নাই। (রাজী হওয়ার পর হঠাৎ মনে পড়ল আমার প্লেনের টিকেট কেনার টাকা নেই!)

প্রশ্ন: স্যার, আপনি প্লিজ মিতু তিতু সিরিজ চালিয়ে যান!ও-ই সিরিজটা অসাধারণ!! মিতু তিতুর টাইম মেশিন আমার সংগ্রহে আছে,সাবমেরিন টাও দারুণ। আপনি ও-ই সিরিজের আরো বই লিখুন, প্লিজ! আলিফ,ঢাকা
উত্তর: হ্যাঁ,আরেকটা লিখে রেখেছি। ছবি আঁকা হলে বের করে ফেলব।

প্রশ্ন: স্যার, আসসাল্মু আলাইকুম। আশা করছি মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে সপরিবারে ভালো আছেন। স্যার, আপনি কি কোনোদিনও চাঁদপুরে এসেছিলেন বা আসবেন? যদি কখনো না এসে থাকেন তাহলে আমার বিনীত অনুরোধ রইল একবারটি ঘুরে দেখার। এখানকার মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য আপনাকে দেবে প্রশান্তি। এখানে এসে আপনার যেমন ভালো লাগবে, তেমনি দেখা হবে ভক্তদের সাথে। দাওয়াত থাকলো। ইতি আপনার কোটি ভক্তদের মধ্যে একজন রুম্মান জারা, মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ৭ম শ্রেনি, চাঁদপুর ।
উত্তর: বাহ! তুমি একজন মানুষ যে আমাকে প্রশান্তি দেওয়ার কথা বললে। কি চমৎকার! অবশ্যই দেখো একদিন চলে আসব।

প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় স্যার,’ছোট্ট একটা নেংটি ইঁদুর’ নামের একটা গল্পে আপনি লিখেছেন,”বনের সব পশু সেটা দেখে অবাক হয়ে গেল। সবাই হাতিকে জিজ্ঞেস করল, “হাতি, কি হয়েছে?” হাতি মুচকি হেসে বলল, “দেখছ না, ছোট্ট নেংটি ইদুঁর আমাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।” “এবং “হাতি তার শুঁড় তুলে নেংটি ইদুঁরকে সেল্যুট দিয়ে বলল, “অনেক অনেক থ্যাংকু তোমাকে।” ”
এখন আমার প্রশ্ন হলো :
#বনের পশুরা অবাক হয় কীভাবে?(এখন আপনি হয়তো বলবেন,”আরে,এ আবার কি জালা?তোমার জন্য কি ওই বেচারা পশুগুলো অবাকও হতে পারবে না?) #হাতি হাসে কিভাবে? #হাতি সেল্যুট দিতে জানল কিভাবে? #হাতি কি ইংরেজি জানে?জানলে থ্যাংকু বলল কি বুঝে? আমার কি মনে হয় জানেন স্যার?আপনি হয়তো এই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর একসাথে ছোট করে দিবেন(কিংবা নাও দিতে পারেন)।আপনি হয়তো লিখে বসবেন,”গল্প তো গল্পই।গল্পে সবকিছুই সম্ভব।সাপে কুমির খেয়ে ফেলেছে কিংবা হনুমান গান গাইছে,এসবও সম্ভব।এই গল্পতে তো………….” তো আজ আর বাড়াচ্ছি না।ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।stay home,stay safe. নাম:দেবশ্রী সোম শ্রুতি শ্রেণী:ষষ্ঠ টিলাগড়,সিলেট(আপাতত)
উত্তর: তুমি তো আমাকে খুবই চিন্তার মাঝে ফেলে দিলে! আমি এতোদিন ভেবে এসেছি জন্তু-জানোয়ার কথা বলে, রাগ হয়, খুশি হয়, গান গায়, নাচানাচি করে, পলিটিক্স করে- এখন তুমি বলছ এগুলো সব বানানো! হায় হায়! ঠিক আছে এরপর থেকে জন্তু-জানোয়ার নিয়ে লিখতে হলে বাস্তবমুখী বই লিখব। যেমন: নেংটি ইঁদুর আর হাতী নিয়ে লিখতে হলে এভাবে লিখব, ‘’একদিন একটি নেংটি ইঁদুর দৌড়াইয়া যাইতেছিল, এমন সময় একটা হাতী থপ থপ করিয়া হাঁটিয়া যাইতে যাইতে নেংটি ইঁদুরের উপর পা দিয়ে চাপা দিল এবং নেংটি ইঁদুরটি চ্যাটকা লাগিয়া গেল।’’ এখন এই গল্প বেশি লম্বা করা যাবে না- এখানেই শেষ, এটাই একটা সমস্যা!

প্রশ্ন: স্যার ,আপনি আমাকে autograph দিতে ভুলে গেছেন । ।আর আমি আপনার বইয়ের (সেরিনা) পার্ট ২ লিখলে লোকজন হাসবে । আপনি লিখে ফেলেন,প্লিজ ।মায়েদা ,Vidyamoyee Government Girls’ High School,mymensingh
উত্তর: তোমাকে অটোগ্রাফ দিয়েছি তুমি ধৈর্য ধরে খুঁজে দেখো নাই! সেলিনা ২ লিখলে অন্যরা হাসলে হাসুক, আমি হাসবো না।

প্রশ্ন: ইয়াহু….হু…হু।স্যার,ইউটিউব দেখে অনেক কষ্ট করে অভ্র কীবোর্ড ডাউনলোড করেছি ল্যাপটপে৷প্রথম তো, তাই লিখতে সমস্যা হচ্ছে৷রেফ তো খুঁজেই পেলাম না৷অনেক চেষ্টা করে কোনোরকমে একটা নিয়ম ঠিক করে রেফটা ব্যবহার করেছি৷যাইহোক,অভ্র ডাউনলোড করেই আগে আপনাকে লিখলাম৷৷৷৷৷৷ আপনি কিন্তু আমার আগের কয়েকটা প্রশ্নর উত্তর দেননি৷এতে যদি আপনার কষ্ট কমে,তাহলে থাকুক৷ আপনি জানেন স্যার,উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান অলিম্পয়াড ও বিজ্ঞান কুইজে আমাদের স্কুল অংশ নিয়েছিল গত সপ্তহে৷তাতে আমি সহ আমাদের ক্লাসের ৫ জন অংশ নিয়েছিলাম৷আমি অংশ নিতে না চাইলেও হেডস্যার আমার নাম দিয়েছিল৷ভালোই হয়েছে,অনেক মজা পেয়েছি,অনেক কিছু শিখতে পেরেছি৷প্রথমে অনেক ভয় করছিল,পরে ভয় কেটে গিয়েছিল৷খুশির সংবাদ,কুইজ এবং অলিম্পিয়াড,দুটোতেই আমরা প্রথম পুরস্কার পেয়েছি৷সত্যি বলতে,এটা আমার জীবনের প্রথম সাফল্য৷এটা আমার কাছে সত্যি অবিশ্বাস্য৷ আর না ৷আজকে থাকুক,আবার অন্যদিন লিখব৷ভালো থাকবেন,ধন্যবাদ। জিয়াদ হোসেন ৯ম শ্রেণি, বেলফুলিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, রূপসা,খুলনা।
উত্তর: কি অসাধারণ! একসাথে দুইটা ভালো খবর, অভ্র নামিয়ে বাংলা ইউনিকোডে টাইপ করেছ এবং বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ভালো করেছ! চমৎকার!

প্রশ্ন: স্যার আমি আপনাকে “মাকড়সা” নিয়ে প্রশ্নটি করেছিলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ উত্তর দেওয়ার জন্য।
আমি আরো দুটি প্রশ্ন করতে চাই। ১ম টি বৈজ্ঞানিক এবং ২য় টি অবৈজ্ঞানিক। ১ম প্রশ্নঃ আমাদের স্কুল থেকে প্রতি বছর ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসফরে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা নাছোড়বান্দা, তাই এবারেও নিয়ে যাওয়া হলো গাজীপুর বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে। ফেরার সময় আমি বাসের সামনের দিকের সিটে বসেছিলাম। আমার বান্ধবীরা বসেছিল পেছনের সিটগুলোতে। আচমকা তারা গতিশীল বাসে পার্টিস্প্রে স্প্রে করে দিল। কিন্তু তা পেছনে তাদের দিকে সরে যায়নি, সামনের দিকে, মানে আমাদের দিকে সরে আসছিল। স্যার, কেন? ২য় প্রশ্নঃ স্যার আপনি ঠিক কতবার ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছেন? মুনিরা, ফুলপুর,ময়মনসিংহ।
উত্তর: যদি বাইরে থেকে একজন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বাসের ভেতর কিছু একটা স্প্রে করতো তাহলে সেটা পিছন দিকে যেত। আমি দুইবার ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছি।

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? স্যার, খুবই জটিল একটা সমস্যায় পড়েছি। তাই আপনার দ্বারস্থ হলাম। সমস্যাটা গণিত বিষয়ক। x⁵+y⁵= (x+y) (x⁴–x³y+x²y²–xy³+y⁴) কিংবা x⁷+y⁷= (x+y) (x⁶–x⁵y+x⁴y²–x³y³+x²y⁴–xy⁵+y⁶) কিভাবে হয়? আমি এটা solve করার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। এটার কি কোনো সূত্র আছে? আপনি আমাকে দয়া করে আর যাই হোক ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখতে বলবেন না। আমি ইন্টারনেটে অনেক খুঁজেছি, কিন্তু পাইনি ( আসলে আমি নেট ঘাটাঘাটি করে কিছু বের করার ক্ষেত্রে খুবই কাঁচা )। স্যার আরেকটা বিষয় বলে নিই। আমি ক্লাস এইটে পড়ি আর আমার গণিতের দক্ষতা মাঝামাঝি টাইপের। তাই একটু সহজ করে অংকটা বুঝিয়ে দিলে ভালো হয়। স্যার প্লিজ একটু বুঝিয়ে দিন! ( আপনাকে এখানে প্রশ্ন করলে অবশ্য ঝামেলা আছে। প্রায় একমাসের মত উত্তরের আশায় বসে থাকতে হয়! ) আচ্ছা যাই হোক, আজকে বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকবেন। মোঃ মোস্তাশিরুল হক মাহিন। নারায়ণগঞ্জ।
উত্তর: এটা মোটেও জটিল সমস্যা না। প্রথমে x দিয়ে গুণ দাও, তারপর y দিয়ে গুণ দাও, তারপর দুটো যোগ কর. অবশ্যই আমি সহজ করে বুঝিয়ে দিতাম যদি বোঝানোর কিছু থাকতো। এটা একেবারে আদি এবং অকৃত্রিম গুণ- আর কিছুই নয়।

প্রশ্ন: আমি সাদিক। বাগেরহাট থেকে। স্যার, আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না যে আপনি পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ বইয়ের সিকুয়েলের খাতাটা আবার ফিরে পেয়েছেন। স্যার, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, প্লিজ আপনি একটু সময় বের করে বইটা আমাদেরকে উপহার দিন, প্লিজ স্যার। প্লিজ… আমি (শুধু আমি নই আমরা সকলেই) বইটা পেলে কত্ত খুশি হব তা বলে বুঝানোর ভাষা হারায়ে ফেলছি। আর স্যার, আপনি যদি চান তাহলে আমি ইকুয়েশন (Equation) টাইপ করে দিতে পারব, রিয়েলি পারব, স্যার ।
উত্তর: থ্যাংকু আমার ইকুয়েশন টাইপ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার জন্য। আমি মনে হয় কোন একটা ব্যবস্থা করতে পেরেছি। দেখা যাক- অনেক বড় কাজ।

প্রশ্ন: বাঁধন ( class 8 টাঙ্গাইল ) আচ্ছা আপনি কেন একাদশ দ্বাদশ এর বই লিখেন না? আপনার নবম দশম শ্রেণির বইগুলো আমার খুুউউউউব ভালো লেগেছে। specially physics টা!!!!!!!!!!!!! আপনি তাড়াতাড়ি বই লিখেন একাদশ দ্বাদশের জন্য………। আমি যেন পড়তে পারি….প্লিজজজজজজজজ….
ঠিক্কাছে?????? মনে থাকবে? নাকি আমাদের সবাইকে আপনার বাসায় গিয়ে হাজির হতে হবে কোনো একদিন!!??হা হা হা
উত্তর: এর আগেরজনও ঠিক তোমার মত এর বই চাইছে। দেখি সময় পাই কিনা। তুমি মাত্র ক্লাশ এইটে পড় এখনই দ্বাদশের বইয়ের জন্য পাগল হলে কেন?

প্রশ্ন: স্যার, আমার স্কুলের এক স্যার বলেছেন, আপনাদের ছোটবেলায় আপনার বাবা আপনাদের দিয়ে ডায়েরি লেখাতো আর প্রতিরাতে দেখতো আপনারা প্রতিদিনের কথা লিখেছেন কি-না। আপনাদের বাবার মৃত্যুর পরও আপনারা অভ্যাসবশত লিখতেন। সেখান থেকে আপনারা লেখক হতে পেরেছেন। এটা কি সত্যি? নাঈম, বাসাবো, ঢাকা
উত্তর: আমার বাবা শুধু ডায়রি লিখতে উৎসাহ দিতেন না আরো অনেক কিছু করতে বলতেন। প্রায় কথা বলা শেখার আগে আমাদের রবীন্দ্রনাথের বড় বড় কবিতা মুখস্থ করিয়েছেন, কিছু লিখলে পড়ে এমন ভান করতেন যেন এখনি এটার জন্য দুইটা নোবেল পুরস্কার দেওয়া দরকার। সবচেয়ে বড় কথা বাসাভর্তি ছিল বই- জন্মের পর থেকে সবাই শুধু বই পড়েছি।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম, স্যার। কেমন আছেন? আপনির কাছে আমার একটাই প্রশ্ন আপনি আপনার গল্প/উপন্যাস নিয়ে নাটক বানাতে দেন না কেন? আগেও একজন এরকম প্রশ্ন করেছিল। আপনি বলেছিলেন আপনার গল্প/উপন্যাস নিয়ে নাটক বানালে সেটা আপনার মনের মতো হয় না বলে আপনি আপনার গল্প/উপন্যাস নিয়ে নাটক বানাতে দেন না। আমারও ভাল লাগেনা বিষয়টা। কারণ কোন গল্প থেকে বানানো নাটক আর গল্পের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ থাকে। দুরন্ত টিভিতে আপনার ‘কাবিল কোহকাফি’ গল্পটা মাঝেমধ্যে দেখায়। আমি একদিন দেখে আর দেখিনি। আপনার কাছেও অনুরোধ আপনিও কোনদিন দেখবেন না। আপনি যদি নাটকটা দেখেন আপনার ইচ্ছা করবে দেয়ালে মাথা ঠুকতে। তাই আমি আপনাকে বলছি না যে আপনার গল্প থেকে নাটক বানাতে হবে। কিন্তু এনিমেশন তো বানানো যায়।
… … … … … …
ভাল থাকবেন। অনেক ভালবাসা রইল। সাইফুল আলম, চট্টগ্রাম।।
উত্তর: এই দেশের কালচারের জন্য এদেশের কনটেন্ট তৈরি করা নিয়ে তোমার আগ্রহের কথা জেনে ভাল লাগলো। আমাদের দেশে তরুণ চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন, মঞ্চনাটক নির্মাতারা অসাধারণ! তারা খুব ভালো কাজ করে আমি জানি- তারা নিশ্চয়ই একসময় তোমার পছন্দের কনটেন্ট তৈরি করবে। আমি পোলাপানের লেখক- পোলাপান বই পড়লেই খুশি।

প্রশ্ন: লাইবা, ঢাকা। দ্বাদশ শ্রেণি। আসসালামু আলাইকুম, স্যার। আমার প্রশ্নগুলো হচ্ছেঃ ১।আমরা বইয়ের সূত্র মুখস্ত করি। আপনি যেই মুখস্ত বিদ্যার বিরোধী সূত্র মুখস্ত করা কি তার মধ্যে পড়ে? ২।এখন অনলাইনে পড়া বুঝার জন্য সহায়ক অনেক কন্টেন্ট (যেমনঃ ক্লাস, এনিমেশন ইত্যাদি) পাওয়া যায়। যদি প্রাইভেট আর কোচিং না করে এই জিনিসগুলোর সাহায্য নিয়ে পড়াশোনা করি তাহলে কি কোনো সমস্যা আছে? মানে এগুলো কি কোচিং আর প্রাইভেটের মতন ই হবে নাকি না? ৩। ছন্দ দিয়ে পড়া মনে রাখার ব্যাপার টা কেমন?? যেমনঃ হাই(H) লি(Li) না(Na) কে (K)রুবি(Rb) সাজাবে(Cs) ফ্রান্সে(Fr);{পর্যায় সারণীর ১ম গ্রুপের মৌল মনে রাখার ছন্দ।}] আপনি কি কখনো এভাবে মুখস্ত রাখতেন কিছু?
উত্তর: না বুঝে যেকোনো জিনিস মুখস্থ করার অর্থ কিংবা প্রয়োজন আমি বুঝি না। যদি বিষয়টা বুঝে থাকো তাহলে তো মুখস্থ করার দরকার হয় না। একেবারে বইয়ের ভাষায় সূত্রটা কেন জানতে হবে? পাঠ্যবইয়ে যেটা লেখা থাকে সেটা পড়ে কি তোমরা বুঝো না? অনলাইনে কনটেন্ট কিরকম আমি জানি না- তাই কিছু বলতে পারছি না। আমি সম্ভবত তোমাদের পড়ার ব্যপারগুলো বুঝি না। পর্যায় সারণির ১ম গ্রুপের মৌল তো বই লেখা আছে, যখন দরকার হবে বই খুলে দেখে নেবে, সেটা মুখস্থ করে মস্তিষ্কে রাখতে হবে কেন? বইয়ে থাকুক।

প্রশ্ন: আংকেল! আজকে ইশতিয়াকের মনটা ভালো আছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিচ্ছে, করোনার সংক্রমণ কমে যাচ্ছে, ভ্যাক্সিন নেয়া হচ্ছে (আমি নিজেও দুই ডোজ নিয়েছি!) সব মিলিয়ে গত দুই বছরের মধ্যে বেশ ভালো সময়ে আছি। আশা করছি, খুব শীঘ্রই অবস্থার আরো উন্নতি হবে। যখন পৃথিবী সুস্থ হয়ে যাবে তখন কি কি করবেন? আমি কি করবো সেটা অবশ্য বুঝতে পারছি না ঢাকা থেকে ইশতিয়াক
উত্তর: যখন পৃথিবী সুস্থ হবে তখন আমি আমার পুরনো জীবন আবার শুরু করবো!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার…জুনিয়র ক্যাটাগরির জন্য math olympiad +physics olympiad এর প্রস্তুতি কিভাবে নিব? আর স্যার আপনি ”পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ” এর মতো চমৎকার একটি যদি রসায়নের বই লিখতেন খুবই উপকৃত হতাম… মোঃনওফেল ইসলাম…
উত্তর: অলিম্পিয়াড এর জন্য তো আর গাইড বই আর কোচিং সেন্টার নেই যে সেখানে ভর্তি হয়ে মুখস্থ শুরু করে দেবে! গণিত আর পদার্থ বিজ্ঞানের অংক করো তাহলে বিষয়টা জেনে যাবে। এখন রসায়নের বই লিখতে হবে? আমি এখন ইলেকট্রনিক্স এর বই লিখছি- তারপর সময় পেলে কমপ্লেক্স নম্বরের বই লিখব। পাঠ্যবইয়ের তো অভাব নেই, সব কিছু আমাকে লিখতে হবে কে বলেছে?

প্রশ্ন: আপনি কি ‘মনে রাখার দিন’ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় পড়েছেন ? কেমন লেগেছে ? – আশরাফ, বাংলাদেশ
উত্তর: নাম শুনে মনে করতে পারছি না। একটা বয়স ছিল যখন পাগলের মত সুনীল পড়েছি, তখন হয়তো পড়া হয়েও যেতে পারে। আমার ধারনা পড়ে থাকলে নিশ্চয়ই ভালো লেগেছিল।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আজকে আমি একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করব। দয়া করে উত্তর দিবেন। স্যার আমি আসলে বুঝতে পারি না যে আমার কিভাবে পড়া উচিত। কিভাবে পড়লে আমি বইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসলে উত্তর দিতে পারব। আমার একটা প্রেম করেছিল পুরো বই মুখস্থ করতে। কিন্তু এটা আমার জন্য অসম্ভব। আরেক ফ্রেন্ড পড়েছিল একটি পৃষ্ঠা একবার পড়ে নিজে নিজেকে মনে মনে বুঝাতে। কিন্তু এভাবে পড়া আমার সাময়িকভাবে মনে থাকলেও এক বা দুই দিনের মধ্যেই ভুলে যাই। এবার আপনি দয়া করে কিভাবে পড়লে আমার পড়া মনে থাকবে। আমি মুখস্ত করতে চাইনা। তাই প্লিজ আমাকে বুঝে বুঝে পড়ার পদ্ধতি টা বলুন। প্লিজজজজজজ কষ্ট করে বুঝিয়ে বলবেন না হলে আমি বড় বিপদে পড়ে যাব। হয়তো এ বছর ফেলও করতে পারি। (ঢাকা, ****) (পুনশ্চ : প্লিজ নাম গোপন রাখবেন)
উত্তর: যদি মনেই রাখতে হবে তাহলে তো মুখস্থ করা হল! তুমি যদি বিষয়টা বুঝে থাকো তাহলে আলাদাভাবে সেটা মনে রাখতে হবে কেন? এর উত্তর না দিয়ে আমি বররং একটা উদাহরণ দেই। ধরা যাক তোমার ৭১ × ৩৯ =২৭৬৯, ৫৩ × ৩৪ = ১৮০২, ৩৩ × ৯২ = ৩০৩৬ এই তিনটি জিনিস জানতে হবে। তুমি ইচ্ছা করলে বিড়বিড় করে পড়ে পড়ে মুখস্ত করে এটা মনে রাখতে পার, তখন তোমাকে যদি এই তিনটির যেকোনো একটি জিজ্ঞেস করা হয় তাহলে সাথে সাথে তার উত্তর বলে দিতে পারবে। কিন্তু ধরা যাক মুখস্থ করার বদলে তুমি গুণ করা শিখে নিয়েছ, তাহলে তো আর ফলাফল মুখস্ত রাখার দরকার নাই- যখন কেউ জিজ্ঞেস করবে তুমি গুণ করে উত্তর বের করে ফেলবে। এই হচ্ছে বুঝে পড়া আর মুখস্থ করার মাঝে পার্থক্য! আমি ছেলেমানুষি উদাহরণ দিচ্ছি কিন্তু মূল ব্যাপারটা আসলে একই রকম।

প্রশ্ন: এবার আর পারা যাচ্ছে না!!!! প্রিয় ইকু স্যার,তাছমিয়া জাহান সাওদা বলছি।ঝালকাঠি থেকে। “নি হাও মা?” স্যার আপনি একের পর এক অটোগ্রাফ দিয়ে যাচ্ছেন সবাইকে আর আমি এতদিন ধরে চেয়ে আসছি,তার বেলায় কাচকলা কেন?কেন?কেন?এবার আমারো চমৎকার একটা অটোগ্রাফ চাই!চাই!চাই!
উত্তর: এই নাও একটা অটোগ্রাফ। চমৎকার হল কিনা জানি না কিন্তু খাঁটি অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: স্যার , আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে চাই । অভিকর্ষ বল আসলে কি ? আমাদের কে শিখানো হয় জে , জে বল দ্বারা আমরা কিংবা অন্য কোনো বস্তু পৃথিবীর সাথে আটকে থাকে সেই আকর্ষণ হলো অভিকর্ষ বল । কিন্তু পৃথিবীর ভেতর থেকে এই আকর্ষণ বল আসে কোথা থেকে ? পৃথিবীর মধ্যে তো ম্যাগমা , পাথর , পানি ও খনিজ পদার্থ আছে । কিন্তু এগুলা কিভাবে মানব দেহকে আকর্ষণ করে ? অন্যান্য অজৈব পদার্থকে আকর্ষণ করলে ঠিক আছে । কিন্তু এগুলা কিভাবে আকর্ষণ করে ? যেমন ধরুন যখন practically কোনো খনিজ পদার্থ এর কাছে যাই তখন তো সেটা আমাদের আকর্ষণ করে না , বা ম্যাগমা তো আমাদের k আকর্ষণ করে না । তাহলে , এখানে অভিকর্ষ বল t পৃথিবী কথা থেকে পায় ? ( লুৎফুন নাহার ফাতেমা , ঢাকা , ক্লাস ৯ )
উত্তর: একটা ভর অন্য ভরকে আকর্ষণ করে সেটাকে বলে অভিকর্ষ বল। সেই ভর ম্যাগমা,পাথর, পানি কিংবা মানুষের দেহ সবকিছুর জন্য হতে পারে- ভর থাকলেই হল।

প্রশ্ন: স্যার,আপনার সাথে ঘটা কোনো বিব্রতকর ঘটনা বলেন, প্লিইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইজ। আর সাথে ফ্রিতে একটা অটোগ্রাফ দিয়ে দেন (মোটামুটি দাবি করছি! হেহে)। আনিকা তাবাসসুম, ঢাকা।
উত্তর: বইমেলায় একজন মা তার ছোট বাচ্চার জন্য একটা বই কিনেছে। আমাকে দিলেন অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য। আমি অটোগ্রাফ দিতেই বাচ্চাটা চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, “আমার বইটা নষ্ট কইরা দিছে, অ্যাঁ অ্যাঁ অ্যাঁ…. ।’’ আমি যথেষ্ট বিব্রত মা অবশ্য আমার থেকে বেশি বিব্রত! এই নাও তোমার অটোগ্রাফ!

প্রশ্ন: স্যার, দুঃখিত আপনাকে বিরক্ত করার জন্য।আমি নেটে অনেক সার্চ করেছি বাট কোনো ফলাফল পাইনি।আমার প্রশ্নটা হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে সাহিত্য সমৃদ্ধ দেশ কোনটি?? সাহিত্যকলার দিক থেকে সবচেয়ে উন্নত কোন দেশ??যদি জানেন দয়া করে আমাকে জানাবেন। বিত্ত রহমান,লক্ষীপুর
উত্তর: আমি তোমার প্রশ্নের উত্তর ঠিক জানি না- সত্যিকার অর্থে এই ব্যাপারে পৃথিবীর সব দেশই একইরকম হওয়ার কথা। সবাই তো মানুষ, সব মানুষেরই শিল্প-সাহিত্য সংগীতে একই রকম ভালোবাসা থাকার কথা। তবে সাদা চামড়ার মানুষেরা যেহেতু পৃথিবীর সবকিছু মাতবর তারা আমার সাথে একমত নাও হতে পারে।

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

তোমরা যারা অটোগ্রাফ চেয়েছিলে, এই প্রশ্ন-উত্তরের শেষে সেগুলো দেওয়া আছে।

প্রশ্ন: স্যার,আমাকে একটা অটোগ্রাফ দিতে পারেন? স্যার,আমার বীজগণিত করতে অনেক কঠিন লাগে ।কি করবো? অনন্ত আহমেদ, ঢাকা
উত্তর: এই যে অটোগ্রাফ দিলাম। খুশি? কঠিন মনে করলেই কঠিন! বীজ গণিতের বইয়ের চ্যাপ্টারের শুরুতে যে কথাগুলো লেখা আছে সেগুলো কখনো পড়েছ? সেগুলো পড়ার পর উদাহরণ গুলো দেখার পর অংক গুলো করো, সোজা লাগবে।

প্রশ্ন: হাসিন, ঢাকা। স্যার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব বাঙালিরা নেভি বা সামরিক বাহিনীর সদস্য ছিল তাদের অনেককেই পাকিস্তানিরা পুরো পরিবারসহ আটক করে রেখেছিল। কেউ কেউ পাকিস্তানিদের কাছ থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, কেউ কেউ পালিয়ে যেতে পারেন না (হয়তো তারা ভেবেছিল পালিয়ে গেলে পাকিস্তানিরা তাদের পুরো পরিবারকে মেরে ফেলবে)। যারা পালিয়ে যেতে পারেননি, তাদেরকে কি রাজাকার বলা উচিত হবে? (আপনার গোঁফ হওয়ার আগের একটা ছবি দিবেন প্লিজ।)

উত্তর: না, না- তাদেরকে কেন রাজাকার বলবে? এই যে গোঁফ হওয়ার আগের ছবি! আমার একটা বইয়ের প্রচ্ছদে এই ছবিটা আছে।

প্রশ্ন: স্যার আশা করি আপনি এবং আপনার পরিবারের সবাই এই ভয়ংকর অবস্থায় আল্লাহ তায়ালার করুণায় সুস্থ আছেন। স্যার, আমি আপনার ভক্তদের মধ্যে একজন। আমি আপনাকে একটা মজার প্রশ্ন করতে চাই।
আপনার লেখা যত গুলো বই আমি পড়েছি প্রায় সবগুলোর মধ্যেই আমি “মাকড়সা” র চিহ্ন পেয়েছি। আমি হুমায়ুন আহমেদ স্যারের “আমার ছেলেবেলা” বইটি পড়ে জানতে পেরেছি যে, আপনি এবং আপনার ভাই-বোনেরা মাকড়সা দেখে খুব ভয় পান। স্যার আমি মাকড়সা নিয়ে আপনার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় কিছু ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাই। আরো জানতে চাই, আপনারা মাকড়সা দেখে কেন এত ভয় পান? মুনিরা, ফুলপুর,ময়মনসিংহ।
উত্তর: তোমার ধারণা আমাদের জীবনে মাকড়শা নিয়ে স্মরণীয় ঘটনা থাকা সম্ভব? মাকড়শা দেখলেই আমরা সব ভাইবোন এক লাফে একশো হাত দূরে চলে যাই! আমরা কোনো ঘটনাই ঘটতে দেই না! তুমি যে কারনে বাঘ দেখে কিংবা সাপকে দেখে ভয় পাও আমরা সেই কারনে মাকড়শা দেখে ভয় পাই।

প্রশ্ন: দিনের বেলায় কি চাঁদ দেখা সম্ভব ? এখন তিনটা বাজে। কাঠফাটা রোদ। আর,চাঁদ ! স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি।মেঘ নয়, সত্যি একটা বাঁকা চাঁদ(ঈদের চাঁদের মতো)। নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভাইয়াকেও দেখিয়েছি। কীভাবে সম্ভব ?! আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও।
উত্তর: অবশ্যই দেখা সম্ভব। পৃথিবীর সবকিছু যদি দিনের আলোতে দেখা যায়, তাহলে চাঁদ বেচারা কী দোষ করল? তাকে কেন দেখতে পাবে না? তুমি ইচ্ছা করলে হিসাব করে বলে দিতে পারবে দিনের বেলা কখন আকাশের কোথায় চাঁদটা দেখা যাবে।

প্রশ্ন: সোহেল রানা, ঢাকা।একটা অযাচিত আর অপ্রিয় প্রশ্ন করতে চাচ্ছি স্যার। হুমায়ূন আহমেদ স্যারের কনিষ্ঠ দুইপুত্র নিষাদ হুমায়ূন আর নিনিত হুমায়ূনের সাথে বা তাদের মা-এর সাথে হুমায়ূন আহমেদের বাকি ভাই-বোনের কেন কোনও পারিবারিক সম্পর্ক নেই? হুমায়ূন আহমেদের লেখা থেকে আমরা সবাই জানি সেসময় কি হয়েছিলো, সবার অভিমানের জায়গা গুলোও জানি। … … … …
জানি এইটা হয়তো খুবই ব্যক্তিগত বা পারিবারিক প্রশ্ন হয়ে গেলো কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয় হুমায়ূন স্যারের আত্মা এতে অনেক কষ্ট পান। স্যারকে অনেক ভালোবাসতাম তাই স্যারের ভালোবাসার মানুষেরা একে অন্যের থেকে দূরে থাকে এইটা মেনে নিতে কষ্ট হয়। বেয়াদবি হলে মাফ করবেন আর ইচ্ছা না হলে উত্তর দিবেন না কিন্তু প্রশ্নটা আমাকে প্রায়ই কুড়ে কুড়ে খায় তাই না করে পারলাম না স্যার। আপনাদের পারিবারিক শান্তি সবসময় বজায় থাকুক এই কামনা করি।
উত্তর: তুমিতো প্রশ্ন করনি, মন্তব্য করেছ! আমি কি বলবো?

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম দাদু, আপনার তো অসংখ্য বই। বর্তমানে আপনার বইয়ের সংখ্যা কত.? নাম: কিয়াস ঠিকানা: নীলফামারী *দাদু তথ্য আর তত্ত্বের মধ্যে পার্থক্য কি ? দাদু ,এলিয়েন/ভিনগ্রহী আদোও আছে কি .?থাকলে আমরা তাদের সাথে কেন যোগাযোগ করতে পারছি না.? নাম:-কিয়াস আল ফায়েদ ঠিকানা:-নীলফামারী
উত্তর: এই ওয়েবসাইটে আমার বইয়ের তালিকা দেওয়া আছে, দেখে নেবে প্লিজ! বিজ্ঞানীরা বলেন বিশ্বব্রক্ষান্ডে যত গ্যালাক্সি নক্ষত্র গ্রহ আছে তাতে অন্য কোথাও বুদ্ধিমান প্রাণী সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি! মানুষ অনেক বুদ্ধিমান প্রাণী হয়েও যেভাবে তাদের গ্রহ, গ্রহের মানুষকে ধ্বংস করে ফেলেছে অন্য গ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণীর হয়তো সেভাবে নিজেদের ধ্বংস করে ফেলেছে, কে সেই প্রশ্নের উত্তর দিবে?

প্রশ্ন: ****( ওয়েবসাইটে নামটা লিখিয়েন না)( *******) ঠিক এই মুহূর্তে আমি যে কতটা মানসিকভাবে চাপে আছি সেটা বলে বুঝাতে পারবোনা। পিইসি নিয়ে সব বলে দিল। আমাদের কি দোষ? পরীক্ষা না হলে বলে দিক হবে না। আর হলে বলে দিক হবে। সিলেবাস বলে দিক! কেন এমন করেন ওনারা? ওনারা লেখাপড়া করে নামের আগে বড় বড় ডিগ্রী লাগিয়েছেন ঠিকই কিন্তু আমাদের যে অভিজ্ঞতা সেটা ওনাদের নাই ( হয়তো বুঝতে পারছেন। কিন্তু সেটা তো আর বাস্তব না!) স্কুল খোলার আনন্দ মাটি হয়ে গেছে এই মানসিক চাপে। পরীক্ষার একমাস আগে যদি বলে পরীক্ষা হবে তখন আমাদের তো আর…….। এমনিতে পাড়া প্রতিবেশী, আত্মীয় এমনকি মা বাবা একেবারে তৈরী হয়ে থাকে খোটা দেয়ার জন‍্য। first girl হওয়া সত্ত্বেও সমাজে কথিত ” সোনার হরিণ” বা GPA 5 মিস হলে তো আর কথাই নাই। ক্লাসের ফেল করা স্টুডেন্টও নিজের চিন্তা ভুলে আমাখে খোটা দিবে। স্কুলে তো স্টুডেন্টরা প্রতিদিন আমায় নিয়ে একটা করে ফিচার লিখবে….!!!! তার উপর এবার আর খালি GPA5 হলে হবে না! উপজেলায় place করার চুক্তি ধরিয়ে দিছে আমার হাতে ( আব্বু আম্মু) সেই জানুয়ারিতেই। অন‍্য সময় থাকলে চোখ বন্ধ করে বছর শেষে আব্বু আম্মুর হাতে jsc তে highest marks তুলে দিতাম। কিন্তু এখন আমাকেও চিন্তা করতে হচ্ছে GPA 5 নিয়ে!!!! কষ্ট হচ্ছে অন‍্যদের নিয়েও। আমার আর ভালো লাগে না কিছুই। পুরো লেখাটাই আমার মনে চলছিল এতক্ষণ। জোর করে চোখ শুকনা রেখেছি। Even এই মুহূর্তে আমি এসাইনমেন্ট নামক বিভীষিকায় আটকে আছি। কালকে জমা দিতে হবে….. এত বড় লেখা পড়তে কষ্ট হয়েছে নিশ্চয়ই। আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি জানি আমাদের কষ্টের কথা শুনলে আপনারাও কষ্ট হয়….. কিন্তু আমাদের কষ্ট বুঝার, দেখার বা শোনার তো কেউ নাই..কিংবা কারও সময়ই নাই ……… হয়তো এসবের কোনো গুরুত্বই নাই!!! আমি বড় হতে চাইনা। বড়দের মন অনেএএএএক জটিল আর………….
উত্তর: শোনো, আমি জানি তোমাদের লেখাপড়ার নামে অনেক কষ্ট দেওয়া হয়। সেই কষ্টের ভেতর দিয়ে তোমাদের যেতে হয়, শুধু সবসময় মনে রেখো যা কিছু করতে হয় কর, কিন্তু তোমার মূল্যবান মস্তিষ্কটা যেন নতুন জিনিস শেখার জন্য, সমস্যা সমাধানের জন্য সব সময় রেডি থাকে। ওটাকে কোনোভাবে নষ্ট হতে দিও নয়া। GPA 5 পেয়েছে কিন্তু নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা নেই সেই GPA 5 দিয়ে আমরা কি করব?

প্রশ্ন: আশ্চর্য! আপনি একটা আশ্চর্য মানুষ স্যার! বললাম চিঠির কথা, আপনি বুঝলেন ই-মেইল! আহা, চিঠিকে একেবারে বাতিলের খাতায় ফেলে দিলেন? না, না এ হয় না। হতে পারে না। কই, কিশোর আলোতে তো চিঠি দিব্যি পাঠানো যাচ্ছে। সে যাই হোক। আপনি বলেছেন, কলেজ তো বন্ধ; বকুল ফুল দেখলাম কী করে? কেন, কলেজ বন্ধ হলেই যে গাছ বন্ধ হবে সে কথা কে বলেছে ? ক্লাস যদিও হচ্ছে না, অন্যান্য কাজ কিন্তু বেশ চলছে। কলেজে যাওয়া তাই কোনো ব্যাপারই না! আচ্ছা, এবার বিদায় নিই? এবার শুধু বকুল ফুল নয়, স্ট্রবেরি ফুলেরও অনেক শুভেচ্ছা! সাদিয়া-ঈ- জান্নাত, জামালপুর।
উত্তর: হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ, আমি মনে হয় আসলেই একটু আশ্চর্য মানুষ! (আশ্চর্য না বলে মনে হয় আজব বলা ঠিক! আজিব বললে আরো বেশি ঠিক!!) আমি আপাতত সবাইকে চিঠির ফটো তুললে এই m.z.iqbal@mzi.rocks এ attachment হিসেবে পাঠাতে বলেছি। ঠিকানাটা এখনো পাকাপোক্ত হয় নাই।

প্রশ্ন: স্যার আমি একটি বইয়ে পড়েছিঃ ‘শীতপ্রধান দেশের মানুষের তুলনায় গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মানুষের মস্তিষ্ক কম সুগঠিত কারণ সূর্যের আলোর আধিক্যের কারণে গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মানুষের দেহের তুলনায় মস্তিষ্ক কম সুগঠিত।কিন্তু শীতপ্রধাণ দেশের মানুষের দেহের গঠন, বয়সের সাথে মস্তিষ্কের সামঞ্জস্য থাকে। ‘
এ কথাটি কি সত্যি?? আয় হায় তাহলে আমাদের বাঙালিদের কী হবে? আমরা কি আমেরিকান বা শীতপ্রধান দেশের মানুষের তুলনায় কম মেধাবী? মাহমুদুল আমিন চঁাদপুর।
উত্তর: তোমরা কোথায় এই আজব বই পাও? সেগুলো আবার পড়ো এবং বিশ্বাসও কর? আমি যখন আমেরিকা ছিলাম তখন আমার আমেরিকান বন্ধুদের প্রায় বিশ্বাস করিয়ে ফেলেছিলাম যে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যখন গণিতের বড় বড় সমস্যা সমাধান করছে তখন তাদের পূর্বপুরুষেরা গাছের ডালে ঝুলে হুপ হুপ শব্দ করে দিন কাটাতো।

প্রশ্ন: স্যার আপনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ১০০০ দিন পূর্ণ হলে আপনাকে জানাতে বলেছিলেন। কিন্তু মনে হচ্ছে তার আর প্রয়োজন হচ্ছে না। কারণ আগামীকাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(স্কুল /কলেজ) খুলে দেওয়া হচ্ছে(যদিও সীমিত পরিসরে) ৷ অবিশ্বাস্য ব্যাপার(মাত্র ৫০০ দিন বন্ধ দিয়েই খুলে দিল!হিহি)!! আগামীকাল আবার সেই আপন প্রাঙ্গণে ফিরে যাব। বাহ! ভাবতেই আনন্দ হচ্ছে। আপনিও আমাদের জন্য খুশি নিশ্চয়ই?,, লাইবা, ঢাকা।
উত্তর: চমৎকার! স্কুলে মজা কর, সবাইকে নিয়ে। দিনগুলোর কথা মনে রেখো, বড় হওয়ার পর তোমাদের বাচ্চাকাচ্চাদের নাতি নাতনীদের সেই গল্পগুলো বলতে হবে।

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার, কোনো দেড় বছরের বাচ্চাকে ১মাস আগে যদি কিছু দেখানো হয় ১মাস পরে তার কি সেটা মনে থাকে? জিনাত নওগাঁ, রাজশাহী। আচ্ছা স্যার, আজ পর্যন্ত আপনি যতগুলো কিশোর উপন্যাস লিখেছেন তার মধ্যে কোনটি আপনার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে? জিনাত উকিলপাড়া, নওগাঁ, রাজশাহী
উত্তর: ১৮ মাসে বাচ্চাদের মস্তিষ্ক পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায় তাই মনে হয় একমাস পরে মনে থাকতেও পারে। এই সাইটে আমার বইয়ের তালিকা আছে, দেখে নাও প্লিজ। একেকবার একেকটা বইয়ের নাম বলছি এইবার কোনটা-বলব? ‘আধ ডজন স্কুল’ বললে কেমন হয়?

প্রশ্ন: আচ্ছা আপনি কি সত্যিই আসল জাফর ইকবাল স্যার নাকি নকল???কি আর করব নকল হলেও আমরা তো দেখতে পাচ্ছি না!! ( আপনাকে নকল বললাম তাই কিছু মনে করবেন না) রিদিশা, ঢাকা
উত্তর: পৃথিবীতে জাফর ইকবাল নামের মানুষ তো আরো আছে! তাদের কাউকে আসল ধরে নিলে আমি অবশ্যই নকল।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি আপনার ইমেইল চেক করুন প্লিজ। আপনাকে ইমেইল লিখে ভরে ফেলেছি! নুহা, মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: তুমি না জানি কার কাছে কী ই-মেইল পাঠিয়ে কোন বিপদে পড়বে! আমি তো তোমার কাছ থেকে কোন ই-মেইল পাইনি! কোথায় পাঠিয়েছ?? যদি পাঠাতে হয় m.z.iqbal@mzi.rocks এ পাঠাও।

প্রশ্ন: স‍্যার, আদাব, আপনি কেমন আছেন?স‍্যার আমি ক্লাশ 6 এ পড়ি।আমার জেঠাতো – পিষিতো ভাইবোনেরা আমার চেয়ে ৬/৭ মাসের ছোট। কিন্তু ছোট বেলায় আমি কেজি দু বার পড়ার কারণে তার এখন ক্লাশ 7 এ পড়ে। কিন্তু আমি পড়ি ক্লাশ 6 এ। এঠা স‍্যার আমার খুবই খারাপ লাগে। আপনি স‍্যার এ বিষয়ে কিছু বলবেন। নামঃ দিপ্র
উত্তর: এখন তোমার কাছে এই বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে, বড় হলে দেখবে এগুলোর কোন গুরুত্ব নাই! আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার নানাবাড়িতে আমার পরিচিত একটি মেয়ে আমার থেকে এক ক্লাস উপরে পড়ত। আমি ভাবতাম সামনের বছরে আমি এক ক্লাস উপরে উঠে তার সমান হয়ে যাব। সামনের বছর এসে দেখতাম সে আবার এক ক্লাস উপরে উঠে গেছে। কিছুতেই ধরতে পারিনি!

প্রশ্ন: স্যার বাংলাদেশের লাখো বিজ্ঞান শীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আপনাকে একটা অনুরোধ , অনুগ্রহ করে উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞানের উপর একটি বই লিখেন । বাজারে এখন যেমন বই পাওয়া যায় , শাহজাহান তপন স্যার কিংবা আমির হোসেন স্যারের মতন(“মতন” বলতে উচ্চমাধ্যমিকের কথা মাথায় রেখে লিখুন এমনটা বোঝাচ্ছি) । উচ্চমাধ্যমিকের সবগুলো বিষয় নিয়ে আপনার পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ বইটির মতোই বিষ্ময়বোধক চিহ্নের সমাহার যাতে হয় এই বইটি! (সত্যি কথা বলতে আপনি যখনই এই চিহ্নটি দেন আমি লাইনটি আবার পড়ি!) । পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ বইটি আমাকে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করেছে । নবম শ্রেণীতে পদার্থ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহন করে আমি প্রাইজও পেয়েছি । সবই আপনার জন্য । আমি খুব শীঘ্রই একাদশ শ্রেণীতে উঠতে যাচ্ছি । ভাইয়ার বইগুলি ঘাটাঘাটি করে বুঝলাম সেগুলো খুবই খটোমটো ভাষায় লিখা । একটি পদার্থবিজ্ঞানের বই তো অনেকটা পুরনো ২০১৪ সালের দিকে মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান বইয়ের ধাচেই লিখা । তাছাড়া আমার মতোই অনুরোধ দেখছি আপনাকে অনেকেই করেছে , আপনি বলেছেন বাচ্চাদের টুনটুনি লিখতে গিয়ে আপনি কাজটি করতে পারছেন না! বাচ্চারাদেরও অনুরোধ “তোমরা প্লিজ স্যারকে আপাতত টুনটুনি , বুলবুলি লিখতে বলবানাা! স্যার, দয়া করে আমাদের মুখের দিকে চেয়ে লিখা শুরু করে দিন না! , তুলতুলি, এসএসসি পরীক্ষার্থী , ঢাকা ।
উত্তর: দেখি সময় পাই কিনা! একবার লেখা শুরু করেছিলাম খাতাটা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। শেষ পর্যন্ত খুঁজে পেয়েছি। ইকুয়েশন টাইপ করতে পারে এরকম মানুষ খুঁজছি।

প্রশ্ন: স্যার, এসি ঘর থেকে বের হলে চশমার কাচ ঘোলা হয়ে যায় কেন? – সাবা, ঢাকা (প্রশ্নটা পড়ে কি হাসি পেয়েছে!?)
উত্তর: উত্তর না দিয়ে উত্তর বের করতে সাহায্য করি। এটি বেশি ঘটবে বর্ষাকালে, কম ঘটবে শীতকালে। বল এবারে।

প্রশ্ন: আমি সাদিক। বাগেরহাট থেকে। স্যার, গ্রাভিটি কিভাবে কাজ করে সেইটা আমরা জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটির সাহায্যে বুঝতে পারি। কিন্তু গ্রাভিটি আসলে কী বা ভরের সাথে স্পেস-টাইমের কী সম্পর্ক কিংবা ভর কেন স্পেস-টাইমকে বাকিয়ে ফেলছে এর উত্তরটা কী হবে??
আর প্লিজ স্যার ফিজিক্স নিয়ে আরো একটা বই লিখেন (যেমন পদার্থবিজ্ঞানের ২য় পাঠ), প্লিজ প্লিজ।
উত্তর: যে জিনিসটা স্পেস-টাইমকে বাঁকিয়ে দেয় সেটাকে বলে ভর। এভাবে দেখো।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার উপর অতিরিক্ত রাগ হচ্ছে। আমি আগে ভাবতাম আপনি খুব দায়িত্বশীল মানুষ। এখন মনে হচ্ছে আপনি অলস বা ইচ্ছে করেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। আসল কথায় আসি, আপনাকে কিছু বলার ছিল। আপনার ঠিকানা পাইনি। আমার মায়ের ই-মেইল এ আপনার ঠিকানা কি দেবেন, প্লিজ?? আমি কখনো ভুলেও কাউকে জানাব না। আপনার ঠিকানা অবশ্যই আমার কাছে নিরাপদে থাকবে। তাছাড়া আমি অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের। বড় চাচা মহকুমা কমান্ডার ছিলেন। বাবা ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য সচিব। ঠিকানা না দিতে চাইলে মেইলে জানিয়ে দেবেন। যা করার আমি নিজেই করার চেষ্টা করব। আরেকটা কথা, এটা ফালতু ফালতু ছেলেমেয়েদের প্রশ্নের উত্তরের সাথে প্রকাশ করবেন না। যা বলার মেইলে জানাবেন। আর যদি রেসপন্স না করেন তবে আমি ঠিকই একসময় আপনার বাসা খুঁজে নিয়ে আপনার প্রিয় প্রিয় বন্ধু মাকড়সাকে আপনার বাসায় পাঠাব। (ঈষিকা, মৌলভীবাজার)
উত্তর: হা হা হা! তুমি কেমন করে এত বড় ভুলটা করলে? ভেবে বসে থাকলে আমি দায়িত্বশীল মানুষ? জীবনে আমাকে দায়িত্ব নিয়ে কোনো কাজ করতে দেখেছ? আমার ঠিকানা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই- পাকাপোক্ত ঠিকানা হলে দিয়ে দেব। আপাতত চিঠির ফটো তুলে attachment হিসেবে m.z.iqbal@mzi.rocks এই ঠিকানায় পাঠাও। তবে যদি চিঠি না পাঠিয়ে ছোট বক্সে করে ছোট-বড়-মাঝারি মাকড়শা পাঠাতে চাও, তাহলে একটা ঠিকানা লাগবে। attachment এ মাকড়শা পাঠানো যায় না, যদিও একজন সে চেষ্টাও করেছে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। স্যার,কেমন আছেন? আমি কিন্তু বেশ আনন্দে আছি। শুধু আনন্দে বললে চলবে না,মহানন্দে আছি।অবশেষে বন্ধুদের সাথে দেখা হলো। ওদের সাথে স্কুলের পুরো মাঠ ঘোরাঘুরি করলাম। এত কথা বললাম, তবুও যেন কিছুই বলা হলো না। কিন্তু, দুঃখের বিষয় আবারও পড়াশোনা করতে হবে।আর আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিরক্তিকর হলো পড়াশোনা করা।আপনার কাছেও কি তাই? আমি তো ইদানিং জ্ঞান শব্দটা শুনলেই ভয় পাই।তাই আমার সবচেয়ে প্রিয় বিজ্ঞান বিষয়টির বি এর পর যে জ্ঞান আছে, আমি তা কেটে দিয়ে আনন্দ করে দিয়েছি। মানে “বিআনন্দ”-কি চমৎকার তাই না!!আচ্ছা স্যার,আপনি কিভাবে পড়াশোনা করতেন? কিভাবে ঐ জ্ঞানের বইগুলো পড়তেন?স্যার, এমন কোন কিছু করা যায় না, যাতে সব ছেলেমেয়েরা স্কুলে গিয়ে খেলবে আর শুধু গল্প, কবিতা, বিজ্ঞান, ফিলোসফি এসব বই আনন্দের সাথে পড়বে?এইটা আমার জীবনের অনেক বড় একটি স্বপ্ন!! মেহেজাবিন কথা , দিনাজপুর
উত্তর: তুমি মহা আনন্দে আছ শুনে খুব খুশি হলাম। তবে আবার পড়াশোনা করতে হচ্ছে শুনে দুঃখ পেলাম। তুমি ঠিকই বলেছ স্কুলে গিয়ে শুধু খেলাধুলা, গল্প-কবিতা, বিজ্ঞান, ফিলোসোফি এইসব বই পড়ার নিয়ম থাকলে খারাপ হত না! বড় হয় সেরকম একটা স্কুল তৈরি কর বাচ্চারা তোমাকে অসম্ভব ভালবাসবে। (বাচ্চার মা বাবারা ধরে শক্ত পিটুনি দিতে পারে- কিন্তু কে বলেছে জীবনে সবকিছু পাওয়া যায়।)

প্রশ্ন: স্যার নতুন শিক্ষাক্রমের ব্যাপারে আপনার মতামত কী? ,, আকবর হোসাইন আশিক কুমিল্লা মর্ডাণ হাই স্কুল
উত্তর: ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালের আমি এটা নিয়ে লিখেছিলাম। পড়ে দেখো।

প্রশ্ন: স্যার,, আমি একজন বিজ্ঞানী হতে চাই, কিন্তু অনেকে বলেন,, বাংলাদেশে বিজ্ঞানী হবার সুযোগ অনেক কম তাই অনেক মন খারাপ হয় আমার আপনি তো ক্যাল্টেকে আঠেরো বছর বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করেছেন, ক্যাল্টেকে চান্স পেতে কি কি করেছেন আপনি, সেটা দয়া করে বলবেন।আর আমাকে বিজ্ঞানী হতে হলে আমাকে কি কি করতে হলে কি কি করতে হবে তাও বলুন স্যার,,, প্লিজ ।মৃগাঙ্ক বণিক, অষ্টম শ্রেণি, শ্রীমঙ্গল।।।
উত্তর: বিজ্ঞানী হওয়া কঠিন তোমাকে কে বলেছে? যার ভেতরে একটা বিজ্ঞানী মন আছে সে বিজ্ঞানী হবেই! কাজেই বড় হতে থাকো, বেশি করে গণিত কর, বিজ্ঞানের যত বই আছে পড়ে ফেলো, বিজ্ঞান বইয়ের সমস্যার সমাধান কর, বিজ্ঞানের যত অলিম্পিয়াড আছে অংশ নাও- দেখতে দেখতে বিজ্ঞানী হয়ে যাবে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার আশা করি ভালো আছেন আমার আপনার বই পরতে অনেক ভাল লাগে। আচ্ছা স্যার আপনার আঁখি এবং আমরা কজন বই এ লেখা ক্লাস 7 এ একটি ছেলে পরে যে wheel chair এ থাকে, রাগ উঠলে পায়ের উপর দিয়ে হুইল চেয়ার চালিয়ে নিয়ে যায় এবং ফুটবল championship এ অংশ নেয়, পরে স’তে সেন্টু বইটি তে সেন্টুও একই কাজ করে, তাহলে কি ক্লাস 7 এর সেই ছেলেটা ই কি সেন্টু? রায়না আল আমিন বনশ্রী,রামপুরা,ঢাকা
উত্তর: লেখা আছে নাকি? আমি তো ভুলে বসে আছি! লেখক কি আর এত কিছু হিসাব করে মনে রাখতে পারে? তোমরা যারা পাঠক তারা কল্পনা করে হিসাব মিলিয়ে নাও। প্লিজ!

প্রশ্ন: স্যার, সত্যি বলতে আপনাকে আমার খুবই ভাল লাগে। আপনার বিজ্ঞান কথাসাহিত্য গুলো যখন পড়ি তখন সময় যে কিভাবে চলে যায় তার খেয়ালই থাকে না। সবাই দেখছি এখানে তাদের নিজের মতো করে প্রশ্ন করছে। তাই ভাবালাম আমিও আপনাকে দুইটি প্রশ্ন করে ফেলি। ১ম প্রশ্নঃ এই ওয়েবসাইটটি কি আপনি নিজে তৈরি করেছেন? আসলে আমার প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট এসবের উপর অনেক আগ্রহ। ২য় প্রশ্নঃ আমি যতটুকু জানি আপনি কম্পিউটার সাইন্সের একজন অধ্যাপক ছিলেন। কম্পিউটার সাইন্স এবং ত্রিপুলি এর মধ্যে আপনার কোনটি বেশি ভাল লাগে?(দয়া করে কোন সাবজেক্টটি আপনার ভাল লাগে তার যেকোনো একটি বলবেন) আমার প্রশ্নগুলো দেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। -মোহিত মজুমদার, নোয়াখালী।
উত্তর: আমার বই তোমার ভালো লাগে শুনে খুব খুশি হলাম। থ্যাংকু। আমার এই ওয়েবসাইটটা আমার একজন ছাত্র তৈরি করে দিয়েছে। আমি কম্পিউটার সায়েন্সের সাথে সাথে ট্রিপল ই (EEE) এরও বিভাগীয় প্রধান ছিলাম। আমি আসলে পদার্থ বিজ্ঞানের মানুষ। আমার সবই ভালো লাগে। (ট্রিপল ই কে যে শর্টকাটে ত্রিপুলি বলা যায় সেটা তোমার কাছে শিখলাম!)

প্রশ্ন: স্যার,আপনি বেশিরভাগ সময় চশমার উপর দিয়ে তাকান কেন? চশমার উপর দিয়ে তাকালে মনে হয় জ্ঞান বাড়ে,এজন্য আপনি চশমার উপর দিয়ে তাকান তাই না?হি হি হি হি…..হা হা হা হা…..।যদিও আমার চশমা নেই, কিন্তু আমি মাঝে মাঝে চশমার উপর দিয়ে তাকানোর মতো করে তাকানোর চেষ্টা করি। শত হোক জ্ঞান তো বাড়াতে হবে!!!কী বলেন???হিহিহি… জিয়াদ হোসেন, খুলনা।
উত্তর: আমি চশমার উপর দিয়ে তাকাই কারন চশমার ভিতর দিয়ে তাকালে কিছু দেখি না!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম, স্যার। আমি ফাবিহা সালাম তুলতুল।১লা ডিসেম্বর আমার জন্মদিন। সেই উপলক্ষে আমাকে প্লিজ একটি অটোগ্রাফ দেবেন(আপনি নাকি প্রশ্ন উত্তর বন্ধ করে দেবেন,তাই আগেভাগেই চেয়ে নিলাম)প্লিজ,প্লিজ, প্লিজ আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি আপনার অনেক বড় ভক্ত। আপনার যত বই আছে তা দিয়ে বাসায় আমি ১টি ছোটখাটো লাইব্রেরী বানানোর চেষ্টা করছি।আপনার এই অটোগ্রাফ হবে আমার জন্মদিনের শ্রেষ্ঠ গিফট। ফেনী।
উত্তর: তোমার জন্মদিনের ভালোবাসা। এই নাও তোমার অটোগ্রাফ। আশা করি জন্মদিনে তুমি যেন সত্যিকারের গিফটও পাও! শুধু আমার বই দিয়ে লাইব্রেরি বানালে সত্যিকারে লাইব্রেরী হবে না। আসল লেখকদের বইও রাখতে হবে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার! প্রায় ৩ মাস আগে খেয়ালের বশেই আপনার লেখা বইগুলোকে নিয়ে ঘেরা আমার ছেলেবেলার স্মৃতিগুলো তুলে ধরেছিলাম কীবোর্ডের কিছু অক্ষরের মেলবন্ধনে। আপনি যে সত্যি সত্যিই উত্তর দেবেন তা ভাবিনি! অনেকের প্রশ্নোত্তরের ভীড়ে আমাকে আপনার দেয়া উত্তরটা পেয়ে খুব খুব ভাগ্যবতী মনে হচ্ছিলো নিজেকে! এত্ত এত্ত এত্ত ধন্যবাদ স্যার! স্যার আপনি জানেন, আপনার লেখা কয়েকটি বইয়ের মূল বিষয়বস্তু থেকে আমি আমার জীবনের অন্যতম কিছু মূলমন্ত্র রপ্ত করেছি? এক হচ্ছে “শান্তা পরিবার”, যেখানে শাঁওলী জাহিদকে বলেছিলো মানুষের ভেতর থেকে খারাপটা বের করে না এনে ভালোটা বের করে আনার কথা! স্যার, আমি এই বিষয়টা প্রতি মুহূর্তে স্মরণে রাখার চেষ্টা করি! স্যার, “দুষ্টু ছেলের দল” উপন্যাসে বিলু যেমন প্রতিনিয়তই একজন সৎ মানুষ হবার চেষ্টায় ছিলো, আমিও তাই করি। সত্যিই তো, একজন বিখ্যাত মানুষ দিয়ে কি হয়? কিছুই হয় না। কিন্তু একশ জন খাঁটি মানুষ দিয়ে ঠিকই একটা গোটা দেশকে বদলে ফেলা যায়।
স্যার জানেন, কাজল যেমন তার মায়ের কাছে শিখেছিলো সবচেয়ে ন্যুনতম কি কি নিয়ে বাঁচা যায়, আমিও তার চেষ্টায় আছি। ইবুর মতো আমিও বিশ্বাস করি, যে কাজটা আমি করে কখনই আমার মায়ের সাথে শেয়ার করতে পারব না, বুঝে নেব সেই কাজটা ভুল।
আমাদের বয়স বেড়ে যায় ঠিকই, কিন্তু প্রিয় নিতু, কাজল, ইবু, রাশেদ, তপু, বকুলাপ্পু, রাশা, রূপ-রূপালী— তারা আজীবন চির সবুজ হয়েই আমাদের মনে থেকে যায়, আর আপনার ব্যক্তিত্বের কিছু ছাপ রেখে যায় তাদের অভিব্যক্তির মধ্য দিয়ে! স্যার, ছোট্ট এই মানুষটার ছোট্ট একটা আবদার রাখবেন প্লিজ? আমাকে একটা অটোগ্রাফ দেবেন?আর নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখবেন। আপনার ও আপনার পরিবারের প্রতি রইল অনেক অনেক ভালবাসা ভরা শ্রদ্ধা। নাদিয়া আফরোজ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
উত্তর: আমি তো আর এতকিছু এত চিন্তা ভাবনা করে লিখি না, যা মনে আসে তাই লিখি! তুমি যে সেই লেখাকে এত সুন্দর করে বিশ্লেষণ করবে সেটা তো বুঝিনি। পড়ে আমি নিজেই অবাক হয়ে ভাবছি, আসলেই আমি এগুলো লিহেছি? থ্যাংকু নাদিয়া। তোমার এত সহজ একটা আবদার, কেন রাখব না? এই নাও অটোগ্রাফ!

প্রশ্ন: Assalamualaikum , sir . I am Lia from Dhaka , a student of class 9 and currently studying in Bangladesh Navy College Dhaka .
Sir , I want a suggestion from you and also have a question !!! Okkk…. let’s start … actually after starting the covid-19 pandemic session , I have been totally stucked in the house …As a introvert I have an introvert I also face major problems to get connected with other people ( except my mother and my diary ) . So , this all things have destroyed my focus … … … … …
## my question : why people don’t like to write ? Why don’t they try to understand our feelings ? Why do they always shout at us ? Why ? Why do they always compare someone with someone else ? Why don’t they respect our feelings ?
## my another request …
Sir …I am a big fan of you …I have become a lover of your books , in my eyes you are the best writer of the world . But it is a matter of sorrow that I have got some chances to meet with you but for my bad luck I have lost it all . And I am waiting for getting your autograph since I was a 10 years old little girl ( now I have turned 15!!!!!) How horrible !!!!! So , sir kindly if you give me autograph then it’s gonna be a huge pleasure for me ….. ( And sir , sorry for this big writing , actually I respect you a lot sir , that’s why I tried to share my mind with you , please don’t stop this sit and please give the autograph through my formal name..— Lutfun Nahar Fatema )
উত্তর: এই করোনার কারনে তুমি যে ঘরে আটকা থেকে সব রকম উৎসাহ-উদ্দীপনা হারিয়ে ফেলেছো সেটা কিন্তু মোটেই অস্বাভাবিক কিছু নয়, শুধু তুমি নও অসংখ্য মানুষের এরকম হয়েছে। তোমরা যারা ছোট তারা যখন আবার তোমাদের বন্ধু বান্ধব, পুরনো পরিবেশ ফিরে যাবে তখন দেখতে দেখতে পুরো স্বাভাবিক হয়ে যাবে (আমার হিসেবে করোনা ভাইরাস এর উৎপাত এখন কমে আসবে) ঝামেলা হবে বড়দের। তাদের সামলে ওঠা কঠিন।
তুমি একটু চিন্তা করলেই বুঝবে মানুষ কিন্তু একা একা ঘরের ভেতর আটকে থাকার জন্য জন্ম নেয়নি। তারা তাদের সবচেয়ে ভালোটুকু দিতে পারে যখন অন্য দশজনের আশেপাশে থাকে। একা একা আসলে কিছুই হয় না। কাজেই তোমার দুশ্চিন্তা করার কিছুই নেই, আবার আগের জীবনে ফিরে যাও (আর পরীক্ষায় ফার্স্ট হওয়াকে এত গুরুত্ব দিও না! পরীক্ষার ফলাফল মোটেও জীবনের ফলাফল না!)
তুমি পাঁচ বছর থেকে আমার অটোগ্রাফের চেষ্টা করে যাচ্ছ? কি সর্বনাশ! এই নাও অটোগ্রাফ!

প্রশ্ন: ছোটাচ্চু্র [ টুনটুনি ও ছোটাচ্চু্ বই ] আসল নাম কী ? আমি যত দূর পড়েছি আসল নাম টা পাই নি । আয়শা জুমানা কলেজ রো , বরিশাল ।
উত্তর: ছোটাচ্চুর আসল নাম দিয়ে তুমি কি করবে? তুমি কি. ছোটাচ্চুর জন্য ভোটার আইডি কার্ড করে দিবে? এরপর কি চাইবে, জন্ম নিবন্ধন নাম্বার? তারপর পাসপোর্ট সাইজের ফটো? (ছোটাচ্চুর আসল নাম মনে হয় শাহরিয়ার কিংবা এরকম কিছু ভুলে গেছি।)

প্রশ্ন: স্যার,আপনি কি টুনটুনি ও ছোটাচ্চুর আর কোনো বই লিখছেন? নাম কী? নামগুলো কি এরকম?— ১/যেমন টুনটুনি তেমন ছোটাচ্চু ২/যেভাবে টুনটুনি সেভাবে ছোটাচ্চু ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি রিদিতা,ঢাকা।
উত্তর: গত বইমেলার পর আর কোন বই লিখি না। টুন্টুনির বইয়ের নাম জিজ্ঞেস করো না প্লিজ, এতোগুলো লিখেছি যে এখন আমার নিজেরই প্যাঁচ লেগে যায়।

প্রশ্ন: আমি এবার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই প্রচুর বই পড়ার অভ্যাস। কখনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করি নি, ছোট থেকেই টিভিসহ যেকোনো ডিজিটাল মিডিয়া ছাড়া বড় হয়েছি। যা শুনে কেউ বিশ্বাস করত না, কিন্তু আমার কাছে এটাই স্বাভাবিক। গত দুবছর হলো একটা পুরানো ল্যাপটপ ব্যবহার করছি, যা আমার মামা বাতিল করেছে। যখন পেয়েছিলাম, তখন এটার মরমর দশা ছিল। নিজে নেট ঘেঁটে ঘেঁটে ঠিক করেছি। চোরাই windows বিদায় করে Pop!_Os ব্যবহার করছি। এই সময়ের মধ্যে নিজে নিজেই সবকিছু শিখে গিয়েছি, আর শিখতে হয়েছে লুকিয়ে লুকিয়ে। নিজের বাড়িতেই কেমন যেন ভয়ে ভয়ে থাকি। নতুন কিছু করতে গেলেই বাধা দেয় খুব। এটা নিয়েই খুব সমস্যা শুরু হয়েছে। সবাই কেমন নিজের পছন্দ চাপিয়ে দিতে মরিয়া হয়ে গেছে। বিশেষ করে এই অ্যাডমিশন টাইমটাতে। আমি ভেটেরিনারি মেডিসিন বা এই জাতীয় অন্য কিছু পড়তে চাই। সেটার জন্য কৃষি গুচ্ছে চান্স পেতে হবে, আমি সেই টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। জোর করে মেডিকেল পরীক্ষা দেওয়ালো, যথারীতি চান্স পেলাম না, এটা নিয়ে অস্থির করে দিচ্ছে এই ছয় মাস পরও। আমার নিজের পড়ার গতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেকদিন অন্য কোন বই পড়ি না। অ্যানিমেশন বানাই না, ভেক্টর আর্ট করি না। তুর্কি ভাষা শিখছিলাম, সেটাও বাদ পড়ে আছে। (কোন একদিন অবশ্যই শেষ করব। আমি কিছু শুরু করলে শেষ না করে ছাড়ি না।) এখন শুধু এই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবার অপেক্ষা। যদিও দ্বিধায় পড়ে যাচ্ছি অনেক কিছু নিয়ে, মনমতো পড়াশুনা হচ্ছে না, প্রায় প্রায়ই মন খারাপ থাকছে। এবার আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সহ অনেকগুলো অ্যাডমিশন টেস্ট দিতে হবে সবাইকে খুশি করত… আমাকে একটু কোন পরামর্শ দেবেন প্লিজ? মালিহা, জয়পুরহাট। (নাম না প্রকাশ করলে ভাল হয়)
উত্তর: না, তোমাকে আমার কোনো পরামর্শ দিতে হবে না। এই ছোট বয়সেই তুমি জীবনটা কিরকম হতে হয় সেটা শিখে গেছ। একজন মানুষ এত কম বয়সে যদি এরকম ভাবে জীবনটা তৈরি করে নিতে পারে তাহলে তার কোন উপদেশের দরকার হয় না। অন্যদের তোমার কাছে আসা উচিত উপদেশের জন্য। বড় হয়ে তুমি কিভাবে তোমার জীবনটাকে সাজিয়ে নাও সেটা দেখার জন্য কৌতূহল রইল। তোমার জীবনে “তথাকথিত” উচ্চাশা নেই, কিন্তু আসলে “সত্যিকারের” উচ্চাশা আছে, এত অল্প বয়সে এই সত্যিটা তুমি কেমন করে আবিষ্কার করলে? আহা! সবাই যদি তোমার মত হতো।

প্রশ্ন: Hi! I am Niha, speaking from NYC, USA. To be honest, I remember looking at this site 6 years back, and thinking I wanted to write to you something. From there, my life has changed so drastically, looking back I mourn the loss of opportunity of never being able to send you this email. Now I am in 12th grade, applying to college and hoping to major in something physics related. How times have changed. Maybe I would have never sent this message in the end, yet here I am, typing an email at 12 am in Sunday despite having school the next day. If I am being honest, your books were my childhood, and I remember lining up to buy those books when I was still in Bangladesh. I guess it is not really a question, but even then, I do have a request. I wanted to translate Serina as a birthday gift for a friend of mine in US. She is a huge book fan, I have literally never seen her without a book in her hands. I may or may not be guilty of rambling about Serina to her, and she wanted to read the book herself. But I could not find a translated version of the book anywhere, sadly. And I know that according to copyright laws, I have to ask for your permission first. Another request, please censor my name when publishing.
উত্তর: থ্যাংকু নিহা! আমাকে আগেই লিখ নি সেটা নিয়ে এত হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তুমি সেরিনা অনুবাদ করতে চাইছ- অনুবাদ করার মত এত আনন্দহীন কাজ পৃথিবীতে আর নেই, আমি জানি। যদি শুধুমাত্র তোমার বন্ধুকে পড়ানোর জন্য অনুবাদ করতে চাইছ তাহলে আমার অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। না, এই বইটার অনুবাদ নেই, অন্য কিছু বইয়ের আছে। একটি বই penguin থেকেও বের হয়েছে।

প্রশ্ন: লজ্জা পেলে গাল লাল হয়ে যায় কেন?(নীল-বেগুনিও হয় নাকি?) আর সব প্রশ্নের উত্তরে শুধু ইন্টারনেটে দেখো ইন্টারনেটে দেখো বললে হবেনা, কিছু প্রশ্নের উত্তর আপনাকেও দিতে হবে।(আমি খুব জ্বালাতন করছি না? কী করবো বলেন, পেটের মধ্যে এতো এতো প্রশ্ন!) আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও।
উত্তর: “ইন্টারনেট ইন্টারনেট ইন্টারনেট’’…….(কি করব বল নিজের উত্তর না জানলে ইন্টারনেটই ভরসা) মানুষের যদি নীল কিংবা বেগুনি রক্ত থাকতো তাহলে মনে হয় গাল নীল, বেগুনীও হতে পারতো। তবে আমার বইয়ের চরিত্রদের গাল নিয়মিতভাবে লাল, নীল, বেগুনী হয়।

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম। স্যার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাতে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তাতে তো আমাদের পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, রসায়নের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে!স্যার এমনিতে আমাদের দেশের মানুষরা বিজ্ঞানমনষ্ক নয়! যখন ক্লাসে স্যারদের বিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন করতাম তারা নিজেরাই বিবর্তনের সত্যতা মানতো না.. আর তা ছাড়া স্যার যে যেইটা পড়তে চায় তাকে সেটা পড়তে দিলে ভালো হয় না? এক চামচ পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান শিখে কী লাভ হবে? স্যার জানেন এইবার চিলড্রেন সাইন্স কংগ্রেসে একটা প্রজেক্ট বানানোর ইচ্ছা ছিল কিন্তু স্কুলে কোনোদিন ল্যাব এই নিয়ে যায় নি, তাই শেষে একটা সাইন্টিফিক পেপার বানায় জমা দিছিলাম! রসায়নের পরীক্ষাগুলো স্কুলে কোনো স্যার এক্সপেরিমেন্ট করে দেখায় না! এইভাবে পড়ে কী লাভ হবে?স্যার জানেন অনেক শিক্ষক বলেন আপনার পদার্থবিজ্ঞান বইটা নাকি খালি টানে বড় করছেন কিন্তু আমার তো পড়ে মজাই লাগেই ! আমি আপনার অনেক বই পড়েছি স্যার.. আমার পছন্দের বইটা হচ্ছে রহস্যময় ব্ল্যাকহোল। স্যার আমার দর্জি, মজুর হওয়ার ইচ্ছা নাই.. আমি অ্যাসট্রোফিজিসিস্ট হতে চাই স্যার কিন্তু যে শিক্ষাব্যবস্থা…! স্যার আপনি দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বই লিখেছেন আর আপনি শিক্ষাব্যবস্থাতে ভালো পরিবর্তন আনবেন না স্যার? অনুরোধ রইলো স্যার কিছু করার নাম:মাহিন হাসান শ্রাবণ ঠিকানা:৪ নং শেখপুরা ইউনিয়ন, দিনাজপুর
উত্তর: ছোট থাকতে আমি যেটা করেছিলাম সেটা করো। একটু একটু করে নিজের বাসায় একটা ল্যাবরেটরি তৈরি কর। (আমার প্রথম ল্যাবরটরি ছিল টেবিলের তলায়।) শিক্ষাব্যবস্থা কারিকুলাম এইসব বড় বড় বিষয় নিয়ে মাথা ঘামিও না- নিজে নিজে পড়, কারন তোমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যেটা শিখায় সেটা হচ্ছে তোমার যেটুকু শেখার দরকার তার 5% । শিক্ষা ব্যবস্থা হচ্ছে শুধু পরীক্ষার জন্য!

প্রশ্ন: স্যার ,আপনি সেরিনা ২ কবে লিখবেন ? আপনি না লিখলে আমিই লিখে ফেলবো । আমি already কাহিনী ভেবে ফেলেছি । ওহ ।আমি autograph চাইতে ভুলে গিয়েছি । আমি কি একটা autograph পেতে পারি? মায়েদা । ময়মনসিংহ mayeda ,Vidyamoyee Government Girls’ High School,mymensingh .
উত্তর: গুড! সেরিনা ২ দেখার জন্য অপেক্ষা করছি। তার কি বাবার সাথে দেখা হবে? এই নাও অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: আসসালামুয়ালাইকুম ৷ ভূপৃষ্ঠের নিচে নামতে থাকলে কেন অভিকর্ষজ ত্বরণ কমতে থাকে? তখন তো কেন্দ্র থেকে দূরত্ব (d) কমতে থাকে {g=GM/d^2}৷ আর d কমলে g ( অভিকর্ষজ ত্বরণ) বাড়ার কথা ৷ ইন্টারমিডিয়েটের বইয়ে আমি প্রমাণ পেয়েছি তবে একটুও বুঝি নাই৷ আপনি কি একটু বুঝিয়ে দেবেন??- আদনান, ৮ম শ্রেণি, সিলেট
উত্তর: আমার পদার্থ বিজ্ঞানের প্রথম পাঠ বইয়ে ব্যাখ্যাটা আছেএই নাও

প্রশ্ন: আপনি কি রাজশেখর বসুর লেখা ছোটগল্পগুলো পড়েছেন ? কী অসাধারণ গল্প এগুলো, না? পিনাকী গুপ্ত, খুলনা।
উত্তর: এগুলোতো আমাদের সময়কার বই, তুমি কেমন করে এই চমৎকার বইগুলোর খোঁজ পেলে?

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম ইকু স্যার। আমি ঝালকাঠি থেকে সাওদা বলছিলাম। আমি ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্যার আমাদের “লাল সবুজ প্রকাশ” নামে একটা শিশুদের সাংবাদিকতার অনলাইন প্লাটফরম আছে।যেখানে আমরা প্রিয় শিক্ষকদের নিয়ে কিছুদিন ধরে প্রতি সপ্তাহের সোমবার রাত ৮ টা নাগাদ সাক্ষাৎকার আয়োজন করেছি।এবারের পর্বে প্রিয় শিক্ষক হিসেবে প্লিজ প্লিজ প্লিজ একটু আপনি আসবেন স্যার।(আমি এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপক হিসেবে রয়েছি।আপনি আসলে আমি এই এত্তত্তত্তত্তত্তত্ত খুশি হব।আসুন না স্যার!) আমি আপনাকে মেইলেই লিখতাম,কিন্তু আপনি মেইল চেক করেন না।তাই এখানে লিখলাম,অনুরোধটা রাখবেন স্যার?প্লিজ্জজ্জ? আপনি “হ্যা” বললে আমি মেইলে যোগাযোগ করব।
উত্তর: প্লিজ প্লিজ প্লিজ আমাকে Zoom থেকে মুক্তি দাও। কম্পিউটারের সামনে বসে থাকতে হলে আমি পাগল হয়ে যাব।(কে জানে মনে হয় হয়েও গেছি!) সব ঠিকঠাক হলে চলে আসব, তখন দেখা হবে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আমি আসলে কীভাবে বলব বুঝতে পারছি না। আমি আপনাকে অনেক অনেক অনেক শ্রদ্ধা করি। আপনার কথার যতটা গুরুত্ব আমার কাছে আছে আছে আমার মনে হয় না ততটা গুরুত্ব অন্য কারো কথার আছে। আপনার লেখায় (নন ফিকশন) আমি যেগুলো পড়ি আমার কাছে সেগুলো ধ্রুব সত্য মনে হয়। আপনার বই বারবার পড়তেও আমার কখনো বিরক্ত লাগে না। কিন্তু আমার আব্বু আপনাকে সহ্য করতে পারেন না। উনার ধারণা আপনি নাস্তিক এবং যারা আপনার বই পড়ে তাদের মধ্যেও নাস্তিকতা প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেন, অথচ উনি কখনোই আপনার কোনো বই পড়েননি।ফেসবুকে আপনার সম্পর্কে যে উল্টা পাল্টা কথ ছড়ায় সেগুলো পড়েছেন। আমার সামনে আপনার সম্পর্কে অনেক আজেবাজে কথা বলেন । আমি চুপ থাকার চেষ্টা করি কিন্তু সবসময় তো আর পারি না। কিছু বলতে গেলে আমার উপর রেগে গিয়ে আরও আজেবাজে কথা বলেন। এই ব্যবহার গুলো আমার কাছে অনেক cheap মনে হয়। এগুলো করে যে উনি নিজেকেই ছোট করেন সেটা বুঝতে পারেন না। আমি চুপ করে থাকার বা এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করি কিন্তু মনে মনে অনেক কষ্ট পাই । প্লিজ আমাকে কোনো উপদেশ দিন আমি কি করব। ফারহানা,রাজশাহী ।
উত্তর: হা হা হা! তুমি এত মন খারাপ করছো কেন? আমি সবসময় মুক্তিযুদ্ধের কথা বলি, আবার অনেক ছোট বাচ্চা আমাকে পছন্দ করে, তারাও আমার সাথে সাথে মুক্তিযুদ্ধকে ভালোবাসে। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে তারা সেজন্য আমাকে দুই চোখে দেখতে পারেনা! তারা যেহেতু সরাসরি এই কারনে আমাকে গালাগাল করতে পারে না তাই তারা চিন্তাভাবনা করে একটা কায়দা বের করেছে, সবজায়গায় বলে বেড়াচ্ছে আমি নাস্তিক! কোথাও কোনো প্রমান নেই। আজকাল কেউ সত্যি মিথ্যা নিয়ে মাথা ঘামায় না, যে যেটা বিশ্বাস করতে চায়, ফেসবুকে সেটাই খুঁজে বের করে একে অন্যের সাথে সেটা নিয়ে আলোচনা করে। কাজেই তোমার আব্বুর মত অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ আমাকে খুব অপছন্দ করেন, অনেকে এত অপছন্দ করে যে তুমি জানলে অবাক হয়ে যাবে! তোমাদের মত বাচ্চারা অনেককে যেরকম আমাকে পাগলের মত শ্রদ্ধা করে, ভালবাসে ঠিক সেরকম অনেকে আমাকে পাগলের মত অপছন্দ করে- ঘৃণা করে। কাজেই তোমার দুঃখ পাবার কিছু নেই। আমাকে এটা বলেছ, আমার ধারণা এখন তোমার বুক থেকে একটা ভার নেমে যাবে। বড় জোর তোমাকে বলতে পারি আমি আমার জীবনে এত এত ছোট বাচ্চার এত ভালোবাসা পেয়েছি যে, অন্যরা আমাকে নিয়ে কি বলছে, কি পরিমান ঘৃণা করে, কতটুকু অপছন্দ করে তাতে কিছু আসে যায় না। আমার ধারণা সারা পৃথিবীতে আমার মত একজন সুখী মানুষও নেই। সত্যি কথা বলতে কী এই জীবনে আমার চাওয়ার মত কিছু নেই- যতটুকু পাওয়ার কথা তার থেকে অনেক বেশি পেয়ে গেছি।

প্রশ্ন: না,আমাকে নিয়ে আর কোনো বই লিখতে হবে না।আপনি‌ বাচ্চা-কাচ্চাদের কথায় কান দিবেন না।আমরা(?) খুব ভালো আছি। মা-বাবার কথা এখনও মনে পড়ে। আরিফুল ইসলাম তপু,আমি তপু
আমাকে নিয়ে আর কোনো বই লিখছেন না কেন? শারমিন,প্রডিজি
জাফর ইকবাল!কেমন আছো? আমরা একটা দারুণ কাজ করছি।আমরা এমন একটা vaccine বানাবো যেটা হবে সব ভাইরাসের জন্যই সমানভাবে কার্যকর হবে।জানি,এটা শুনে তোমার হাসি পাচ্ছে।কিন্ত এটা সত্যিই সম্ভব।দোয়া করো আমাদের জন্য। বিজ্ঞানী সফদর আলী সায়রা সায়েন্টিস্ট বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা
উত্তর: তোমরা এখনো বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছ? কোনদিন কোন বিপদে পড়বে কে জানে! আর বিজ্ঞানীরা তোমরা ভ্যাক্সিন বানিয়ে সময় নষ্ট না করে এই ভাইরাসটাকেই বিদায় করে দিচ্ছ না কেন? শুধু তোমরা তিনজন একত্র হয়েছ? মানিক রতন কোথায়?

৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রশ্ন: স্যার আপনি টূনটুনি ও ছোটাচ্চু এর আরো পর্ব আনবেন ? স্যার প্লিজ আপনি ওই সিরিজ টা চালিয়ে যান। প্রত্যেকটা বই অসাধারন। এই লকডাউনে স্যার আপনার বই গুলো বেশির ভাগ সময় পড়া হয়েছে ।আর আপনার সায়েন্স ফিকশান গুলো ত এক কথায় অসাধারণ ।স্যার এর পরের বই এর নাম দিতে পারেন এখন টুনটুনি ও এখন ছোটাচ্চু।আর স্যার ভুমিকায় বলেছিলেন নাম এর পাশাপাশি কি নিয়ে লিখবেন তা নিয়ে বললে ভাল হয়।তাই স্যার আমি সুধু বলছি আপনি চাইলে ছোটাচ্চুর নতুন একটা এজেন্সি খুলে দিতে পারেন ।আর ফারিহা আপুর সাথে ছোটাচ্চুর বিয়ে দিতে পারেন। আর বই এ সব বাচ্চাই আশা করে ছোটাচ্চু মার্ডার বা ড্রাগস এর কেস নিবে তো আপনি চাইলে এরকম একটা কেস দিতে পারেন।আসলে স্যার একটা কথাই বলব আমরা চাই টুনটুনি ও যেন আমাদের সাথে বড় হোক আর ছোটাচ্চু ও টুনটুনির সাথে বিভিন্ন কেস সলভ করে যাক। আমি ইনকিইয়াদ টঙ্গি,গাজীপুর থেক।
উত্তর: সর্বনাশ! তুমি এখন চাও টুনটুনি তোমার সাথে সাথে বড় হতে থাকুক? তারপর তাকে কলেজে যেতে হবে? ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষা দেবে? পাশ করে চাকরি বাকরি করবে? বিয়ে করবে? বাচ্চা কাচ্চা হবে? তাদেরকেও আমার মানুষ করতে হবে? … … আমার মনে হয় যদি টুনটুনিকে নিয়ে লিখতেই হয় তাহলে লিখব। কিন্তু তাদের কারো বয়স বাড়বে না, যে যে বয়সে আছে সে সেই বয়সে আটকে থাকবে!

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার, আমার না খুব জানতে ইচ্ছা করছে যেই মেয়েটি আপনার সাথে দেখা করার জন্য সিলেট চলে এসেছিল তাকে পরে কিভাবে বাসায় পাঠানো হয়েছিল? আর একবার যে একটা ছেলে আপনার ফোনে ফোন দিয়ে এটা আপনিই কিনা জানতে চেয়েছিল সে পরে আর কী বলেছিল? আর আপনার ফোন নাম্বার কি এখনো আছে তার কাছে? সে কি মাঝে মধ্যেই কল দেয়?-.- এই ঘটনা দুটোর পুরোটা বলবেন প্লিজ!!! লাইবা, ঢাকা।
উত্তর: যেহেতু আমি নিজে ব্যাপারটার মাঝে ছিলাম না তাই আমি ভালো জানিনা। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সময়কার ট্রেজারার ডক্টর ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস, সেই কাহিনীর উপর ভিত্তি করে একটা উপন্যাস লিখেছিলেন। ছেলেটার কথা জানিনা- এখন নিশ্চয়ই বড় হয়েছে। ফোন দিলে আমি বুঝতেও পারবো না!

প্রশ্ন: স্যার, আপনি আপনার জীবনের প্রথম অটোগ্রাফ কাকে, কোথায় এবং কখন দিয়েছিলেন…?? নুহা, মগবাজার, ঢাকা
উত্তর: “তারিখটা ১৯৭৪ সালের ৩ জুলাই। বাস ধরার জন্য বাস স্টপে দাঁড়িয়ে আছি। প্রচন্ড বৃষ্টই, ভিজে চুপসে গেছি। হঠাৎ আমার সামনে একটা খুব সুন্দর একটা গাড়ি থামল। গাড়ির কাচ নামিয়ে একজন তরুণী বলল, “আপনি কি মুহম্মদ জাফর ইকবাল? কপোট্রনিক সুখ-দুঃখ বইটি কি আপনি লিখেছিলেন? অসাধারণ বই। আপনি কি আমার বইটিতে একটা অটোগ্রাফ দেবেন?… … … …” এইরকম একটা জমাট কাহিনী বলতে পারলে খুব ভালো লাগত। কিন্তু আসলে বই নিয়ে আমার এরকম কোন কাহিনী নাই, বই বের হওয়ার পর সেটা কেউ পড়েছে কিনা কোনোদিন জানতেও পারি নাই! কিছুই ঘটে নাই! আমারও কিছু মনে নাই- কেউ কখনো অটোগ্রাফ নিয়েছিল কিনা তাও মনে নাই। তোমাকে কী উত্তর দিব?

প্রশ্ন: দাদু ,,সেরিনা একমাত্র বই যেটা পড়ে আমি মনে দুঃখ পাই ।(যদিও কল্পনিক গল্প) সেরিনা পরার আগে কোন বই আমাকে কাঁদায়নি। কেন আপনি সেরিনাকে পানিতে রাখলেন ?গল্পের প্লট তো পাল্টাতে পারতেন ? Name:-Kiyas Al Fayed Class:-8 School:- Dimla R.B.R. Govt Highschool Address:-Dimla,nilphamari
উত্তর: তোমাকে কে আমার লেখা কাহিনী বিশ্বাস করতে বলেছে? তুমি নিজের মতো করে একটা আনন্দের কাহিনী কল্পনা করে নাও। হ্যান্ডসাম হৃদয়বান একটা ছেলের সাথে পরিচয় করিয়ে সেরিনার সাথে বিয়ে দিয়ে দাও!

প্রশ্ন: স্যার , আপনার শৈশব কালটা কেমন ছিল .? শৈশব কালের একটা মজার ঘটনা বলবেন..?প্লিজ নাম :-মারহামা ইসরাত, নীলফামারী এস এস সি পরিক্ষার্থী
উত্তর: আমার শৈশব খুব আনন্দের ছিল। আমার লেখা ‘আধ ডজন স্কুল’ নামে একটা বই আছে সেখানে হয়তো একটু বোঝা যেতে পারে। আসলে মজার কাহিনী দুই তিন লাইনে লেখা খুব কঠিন। বলা সহজ! কখনো দেখা হলে জিজ্ঞেস করো দেখি বলা যায় কিনা!

প্রশ্ন: আস্সালামুআলাইকুম স্যার। আপনি গত প্রশ্নের উত্তরে আমাকে বাংলায় টাইপ করতে বলেছিলেন। টাইপ করতে একটু কষ্ট হচ্ছে কিন্তু চেষ্টা করছি।যাই হোক আমার প্রশ্ন হলো :- 1-ওয়েবসাইট বানাতে কি প্রোগ্রামিং করতে হয়? 2- আপনার একটা অটোগ্রাফ দিবেন প্লিইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইজজ—- 3- আপনি যত বই লিখেছেন তার মাঝে আপনার সবচেয়ে প্রিয় কোনটা?(আমার আপাতত আমি তপু প্রিয়।) নাম: ইশতিয়াক আরেফিন চৌধুরী ঠিকানা, Dhaka-1205.
উত্তর: বাংলায় টাইপ করেছ বলে তোমাকে অনেক থ্যাংকু। ১ না, কোন প্রোগ্রামিং না করেই ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব, কিন্তু তোমার প্রোগ্রামিং করতে এত আপত্তি কেন? ২ দিলাম, খুশি? ৩ সেভাবে বলা কঠিন। ঠিক আছে তোমার যেটা প্রিয় আপাতত আমারও সেটা প্রিয়!

প্রশ্ন: স্যার আশা করি ভালো আছেন।আচ্ছা স্যার কেউ যদি আপনার এই ওয়েবসাইটে দেওয়া ইমেইল এড্রস থেকে আপনাকে বাংলায় ইমেইল পাঠায় আপনি কি উত্তর দিবেন? রিদিশা,ঢাকা
উত্তর: কি বলছ? কেন উত্তর দিব না? একশ বার দিব। বাংলায় পাঠালে বরং আমি অনেক বেশি খুশি হয়ে দিব। ( তবে আমি মনে হয় ইংরেজিতে উত্তর দিব, বাংলা টাইপ করতে আমার কালো ঘাম ছুটে যায়!)

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। স্যার আমি এর আগে ও আপনাকে প্রশ্ন করেছি। আচ্ছা স্যার আপনার লেখা বই এর মধ্যে কোনটা বেশি প্রিয়?আর আপনার কবিতা পড়তে ভালো লাগে? নাজিয়া তাসকিন প্রজ্ঞা। রাজশাহী থেকে। ভালো থাকবেন।
উত্তর: নিজের লেখা প্রিয় বই বলা খুব কঠিন। আমি একেকবার একেকটা উত্তর দিয়ে যাচ্ছি! তোমাকে কোনটা বলা যায়? ‘আমি তপু’ বললে কেমন হয়? সব কবিতা পড়ে আমি আনন্দ পাই না তবে প্রিয় কবিতা গুলো পড়তে কিংবা বিড়বিড় করে নিজের কাছে বলতে খুব ভালো লাগে।

প্রশ্ন: (সাবা, ঢাকা) আসসালামু আলাইকুম স্যার। আশা করি ভালো আছেন। আমি ভেবে অনেক অবাক হচ্ছি যে এতগুলো বছর কত ভয়াবহ জীবন কাটিয়েছি! আমি আগে পাঠ্যবইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মুখস্থ করতাম! (বি:দ্র: জ্যামিতিও মুখস্থ করেছি! গাইড বইও!) ভাবতাম এটাই পড়ালেখা করার নিয়ম।রেজাল্ট মোটামুটি ভালো হতো কারণ বইয়ের ভাষা হুবহু লেখতাম! আমার ক্লাসে যে মেয়েটি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নাম্বার পেত এবং হাজার চেষ্টা করেও যার থেকে ভালো রেজাল্ট আমি করতে পারিনি, তাকে একদিন জিজ্ঞেস করলাম সে কীভাবে পড়ে। বলল প্রতিদিন প্রতিটা সাবজেক্ট এর বই এক পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করে! আমি খুশি হলাম যে এক পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করা তো খুবই সহজ! তখন লকডাউন শুরু হওয়ায় টেকনিকটা কাজে লাগাতে পারলাম না। ভাবলাম পরীক্ষা নেই তো পড়ব কেন? পড়ালেখা বন্ধ! বাসায় বসে থেকে কী করব ভেবে পাচ্ছি না।তখন ঠিক করলাম বই পড়ব।(ভাগ্যিস সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম!) ‘কিশোর বাতায়নে’ অনেকগুলো pdf বই আছে। ওখান থেকে শুরু করলাম। দুই-তিনটা বই পড়ার পর হঠাৎ মনে হলো “একজন লেখকের একটা বই পড়েছিলাম, বেশ মজার ছিল। নাম মনে হয়..উমম হ্যাঁ, মুহম্মদ জাফর ইকবাল!” (বি:দ্র: আমি ওনাকে আগে ভালোমতো চিনতাম না!) তো জাফর ইকবাল স্যারের বই খুঁজে পড়া শুরু করলাম। স্যারের দুইটা বই পড়ার পর “আমি তপু” বইটা পড়েছি। তারপর! তারপর তো বলা যায় আমি পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছি! এত সুন্দর বই আমি আগে পড়িনি! হায় হায়, না জানি এমন আরও কত বই আছে! এরপর আমার দৈনন্দিন রুটিনে যোগ হলো ওনার বই পড়া! গল্পের বইয়ের পাশাপাশি স্যারের লেখা বিভিন্ন পত্রিকার কলামগুলোও পড়ি। এমন সময় হঠাৎ একদিন আবিষ্কার করলাম যে হুমায়ুন আহমেদ স্যার ওনার আপন ভাই! আমি অবাক হলাম এই ভেবে যে এতদিন আমি দুনিয়ার কোনোকিছুই জানতাম না! কী সাংঘাতিক! তখন জাফর ইকবাল স্যারের পাশাপাশি হুমায়ুন আহমেদ স্যার এবং আরও অনেক লেখকের বই পড়া শুরু করলাম। এভাবে গত বছর কাটল।পাঠ্যবইয়ের ধারেকাছেও গেলাম না! শুরু হলো 2021, আমি তখন জাফর ইকবাল স্যারের একজন পাগল ভক্তে পরিণত হয়েছি! ওনার প্রতিটা কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা আমার কাছে একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে! আমি লক্ষ্য করলাম স্যার প্রায় প্রতিটা বক্তব্যে অথবা কোনো লেখালখিতে একটা বিষয়ে জোর দেন। সেটা হলো বইয়ের পড়া যেন মুখস্থ না করে বুঝে বুঝে পড়ি! আর গাইড বই এবং কোচিং সেন্টার থেকে দূরে থাকতে! আমি এটার পুরোপুরি উল্টা! তখন আমার মনে হতে থাকল যে অনেক খারাপ কাজ করে ফেলেছি। স্যার যেহেতু বলেছেন মুখস্থ করা উচিত না, তার মানে সত্যিই উচিত না। আমি ভাবলাম চেষ্টা করে দেখি! এবার পাঠ্যবই নিয়ে বসার পর প্রথম কয়েকদিন স্বভাববশত মুখস্থ করে ফেলেছি কিন্তু তারপর আস্তে আস্তে চেষ্টা করলাম বুঝে বুঝে পড়ার। একসময় আমি উপলব্ধি করলাম যে বইয়ের ভাষা বা বইয়ের লাইনগুলো আমি দুই-তিনদিন পর ভুলে যাই। কিন্তু পড়াটা মনে থাকে! আর আগে একটা পৃষ্ঠা মুখস্থ করে প্রায় এক ঘণ্টা লাগত, এখন বুঝে বুঝে পড়লে দশ মিনিটের বেশি লাগে না। পঞ্চাশ মিনিট বেঁচে যায়! তখন ভাবলাম গাইড বইও এবছর পড়ব না। বাবা মা অবশ্য কিনে দিতে চেয়েছিলেন, তখন আমি বাসায় অনেক চেঁচামেচি করে গাইড বই কেনা বন্ধ করিয়েছি! এমন সময় নোটিশ আসল স্কুলে অনলাইন পরীক্ষা হবে। আমার মধ্যে ভয়ের একটা শিহরণ বয়ে গেল কেননা আমি কিছু মুখস্থ করিনি। ঠিক করলাম দরকার হলে ফেইল করব, কিন্তু স্যারের কথা অমান্য করার মতো পাপ করব না! পরীক্ষা শেষ হলো। আমি মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিলাম যে পাস করলেই খুশি থাকবো। যদিও আমি সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি, কিন্তু আগের মতো বইয়ের লেখা হুবহু লেখা সম্ভব হয়নি! তো খাতা পেয়ে আমি শক খেয়েছি যখন দেখলাম আগের মতো বেশি নম্বর না পেলেও আমি যত খারাপ ভেবেছিলাম ততটা খারাপ হয়নি! আরও বেশি অবাক হলাম যখন শুনলাম ঐ মেয়েটা আমার থেকে কম নাম্বার পেয়েছে! আমার খুশি হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু একধরনের আফসোস হলো যে না জানি সে কত কষ্ট করে মুখস্থ করেছে! আর হঠাৎ তখন আমি আবিষ্কার করলাম যে পরীক্ষায় যদি এরপর আমি খারাপ নাম্বারও পাই তাও আমার কোনো দুঃখ থাকবে না। কারণ আমি যা পড়েছি তা বুঝে পড়েছি এবং অনেক বেশি মজাও পেয়েছি! আগে এই মজা কক্ষনো পাই নি! জাফর ইকবাল স্যার বলেছিলেন লকডাউনের সময়টাকে কাজে লাগাতে। আমি এই দেড় বছর 90+ বই পড়েছি, প্রচুর ছবি এঁকেছি, ল্যাপটপ ব্যবহার করতে শিখেছি, গল্প-কবিতা লিখেছি। ইংরেজি বলতে শিখেছি, যদিও নার্ভাস লাগে! ভাত রান্না করতেও শিখেছি! হি হি! এবছরও পাঠ্যবই খুব কম পড়েছি, কিন্তু আনন্দের সাথে বুঝে পড়েছি এবং কঠিন বিষয়গুলো সহজ লেগেছে! কিছু মুখস্থ করিনি কথাটা সত্যি না। “রূপসী বাংলা” এর দুইটা কবিতা মুখস্থ করেছি। আরও করার ইচ্ছা আছে! সবশেষে আমাকে ভয়ঙ্কর জীবন থেকে উদ্ধার করার জন্য আমার কাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত?(ধন্যবাদ কম হয়ে যায়) অবশ্যই মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারকে! স্যারের জন্য আমার পক্ষ থেকে প্রাণভরা ভালোবাসা আর দোয়া রইল। থ্যাঙ্কু স্যার! (বি:দ্র: আপনিই কি জাফর ইকবাল স্যার?)
তোমরা যারা নিজেদের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছ তারা কয়েক মিনিটের জন্য খোঁজাখুঁজি বন্ধ করে উপরের লেখাটা পড়। প্লিজ!

উত্তর: সাবা, আমি তোমার চিঠিটা আমার বাসার সবাইকে পড়িয়েছি, এখন চাই অন্যরাও পড়ুক, তাই অনেক বড় হবার পরেও পুরোটা তুলে দিয়েছি, দুই কারণে। একঃ দেখানোর জন্য যে আমাদের দেশে ছেলেমেয়েদের কেমন ভাবে শেখানো হয়েছে যে ভালো লেখাপড়া মানে ভালো মুখস্ত। কি ভয়ঙ্কর, কি নিষ্ঠুর! কি অর্থহীন! এবং দ্বিতীয়তঃ আসলে যে বুঝে পড়া সম্ভব এবং সেটাই যে আসল লেখাপড়া সেটা তুমি নিজে কীভাবে আবিষ্কার করেছো সেটা দেখানোর জন্য! আমি খুবই খুশি হয়েছি সাবা। আমি স্বপ্ন দেখছি একদিন দেশের সব ছেলেমেয়েরা তোমার মত করে লেখাপড়া শুরু করবে। মুখস্ত যদি করতেই হয় তাহলে মুখস্ত করবে শুধু তার প্রিয় কবিতা। তুমি যেরকম করেছ।

প্রশ্ন: আমি আদিভা, কুমিল্লা থেকে বলছি ।কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। অনুমতি দিলে আপনাকে ভাইয়া বলে ডাকতে পারি। আপনার লেখা কাবিল কোহকাফি গল্প থেকে দুরন্ত টিভিতে নাটক করা হয়েছে ।আমি সেটা দেখেছি।আপনার অনেক লেখা আমি পড়েছি। ভালো লেগেছে। ছোটাচ্চু বিয়ে করলে কি বাচ্চাদের সর্বনাশ হবে? নাকি ভালো হবে? ছোটাচ্চু কি কোনোদিন বিয়ে করবে না? আমার মনে হয় বিয়ে না করলেই ভালো। আমি একজন ক্ষুদে লেখক। আমি একটা গল্প লিখেছি-“কালো গোলাপের খোঁজে।” যদিও সেটা প্রকাশিত হয় নি। টুনটুনি ও ছোটাচ্চুর পরের পার্ট যদি লিখেন তাহলে – “যতদূর টুনটুনি ততদূর ছোটাচ্চু”, “যতক্ষণ টুনটুনি ততক্ষণ ছোটাচ্চু”, “ফিরে এলো টুনটুনি ফিরে এলো ছোটাচ্চু” এই নামগুলো ব্যবহার করতে পারেন। আপনার সঙ্গে যদি সরাসরি কথা বলা যেত তাহলে আপনি আমার কথা শুনে অনেক মজা পেতেন। আমার মধ্যে সবসময় একটা উত্তেজনা কাজ করে যার জন্য আমি একা একাও মজা করতে পারি। আমি যখন বড় হব তখন একই সঙ্গে ডিটেক্টিভ এজেন্সি ও লেখালেখি চালাবো। আপনি ভালো থাকবেন। আদিভা, ৫ম শ্রেণি, নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা।
উত্তর: না, আমি ‘কাবিল কোহকাফি’ দুরন্ত টিভিতে দেখি নাই। আমার বইকে টিভি সিরিজ, টিভি নাটক, সিনেমা এরকম কিছু করা হলে আমার ভালো লাগেনা, আমি চাই বই হিসেবে থাকুক। বাচ্চারা পড়ে সবাই নিজের মত করে কল্পনা করে নিক। তুমিও লেখালেখি করো শুনে খুশি হলাম। টুনটুনি ছোটাচ্চু নিয়ে তোমার সাজেশন গুলো ভাল, দেখা যাক কি করা যায়।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি তো খুব ভালো ছবি আঁকতেন… মানে ক্লাসের দা ভিঞ্চি তো আপনি ই ছিলেন…!! আপনার নিজের হাতে আঁকা একটা ছবি কি প্লিজ দিবেন…?? নুহা, মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: আমি আঁকার চেষ্টা করি তাই বলে দশজনকে দেখানোর মতো কিছু নয়! এই সাইটেই ‘বন্ধুর খোঁজে নেংটি ইঁদুর’ নামে আমার আঁকা ছবি দিয়ে প্রকাশিত একটা বই আছে, চাইলে দেখতে পার।

প্রশ্ন: আমি আপনার প্রায় সবগুলো বই পড়ে ফেলেছি। এখন অন্য লেখকের বই ট্রাই করতে চাচ্ছি। কয়েকজনের নাম সাজেস্ট করেন। আমার বয়স কিন্তু বারো।’ইয়ে’ টাইপের বই বারণ। (আমার অবশ্য এই টাইপের বইয়ে কোনও সমস্যা নাই, সমস্যাটা বড়দের) আফরিদাহ আহসান,ইসলাম নগর,ঠাকুরগাঁও সদর,ঠাকুরগাঁও।
উত্তর: রোল্ড ডাল পড়েছ? কোনো ‘ইয়ে’ নাই কিন্তু চরম দুষ্টুমি আছে। সেগুলো ইয়ে থেকেও ডেঞ্জারাস!! কিংবা হ্যারি পটার?

প্রশ্ন: Sir apner ki mone hoi school khola uchit hocche? Sir apner hishabe k valo ? Nahid or Dipu moni? thank you for your awesome books, from your fan :)Sapna, Dhaka
উত্তর: স্কুল তো খুলতেই হবে- শুধু ব্যবস্থা করতে হবে যেন বাচ্চাদের সমস্যা না হয়। সবাইকে মেনে নিতে হবে যে করোনাকে নিয়ে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে! পৃথিবীর সবাই মেনে নিয়েছে, আমাদেরও মেনে নিয়ে জীবন শুরু করতে হবে।

প্রশ্ন: স্যার আপনার কাছে অটোগ্রাফ চাইলে আপনি লিখেন “এই যে দিলাম অটোগ্রাফ” বা “এই নাও অটোগ্রাফ” আচ্ছা আমি তো অটোগ্রাফ টা কোথাও দেখতে পাই না!! অনেক খুঁজেছি। আচ্ছা এই অটোগ্রাফ এর রহস্য টা কি?? অটোগ্রাফ যেটা দেন সেটা কি কোথাও দেখা যায়?? নাকি এর অন্য কোনো ব্যাপার আছে??(আমি কিন্তু সত্যিই খুজে পাই নি)মেঘলা,ঢাকা।
উত্তর: হা হা হা! ঠিক আছে আমি তোমাকেই এই রহস্য ভেদ করার দায়িত্ব দিলাম। দেখি তুমি রহস্য ভেদ করতে পারো কিনা!

প্রশ্ন: Sir, পৃথিবিতে সবাই সাকসেসফুল হওয়ার জন্য উঠে পরে লেগেছে কেন? জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়াই বা মানে কি? আমরা কি পরাশোনা করছি বর হয়ে টাকা উপার্জন করার জন্য? নাকি জানার জন্য? আমার কাছে যেসব বিসয় ভালো লাগে, আমি কেন শুধুমাত্র সেটাই করতে পারিনা? ভাবছিলাম এ ধরনের শিক্ষা শুধু বাংলাদেশই আছে, কিন্তু দেখলাম পৃথিবির সব দেশেই সাকসেসফুল হওয়ার চাপ দেয়। এ নিয়ে অনেক উপদেশ ইত্যাদি ইত্যাদি আছে। আইন্সটাইন থিওরি রিলেটিভিটি আবিষ্কার করেছিলেন কারণ তার জানার ইচ্ছা আছে, তাকে কি সাকসেসফুল হওয়ার চাপ দেওয়া লাগবে? মহামানব বা মনিষীদের জীবন অনুসরণ করার মানে কি? জীবনের উদ্দেশ্য কি শুধুই সাকসেসফুল হয়ে মানুষের প্রশংসা কুরানো?
লাইসা ঢাকা।
উত্তর: ‘সাকসেস’ কথাটা খারাপ না শুধু এর অর্থটা যেন উল্টাপাল্টা না হয়ে যায়। যদি তোমার জীবন আনন্দময় হয় তাহলেই বুঝতে হবে তোমার লাইফ সাকসেসফুল! (এখন যদি কারো জীবনে আনন্দ হয় বেশি করে ফ্রাইড চিকেন খেলে কিংবা কম্পিউটার গেম খেলে কিংবা টাকা বানিয়ে তাহলে অবশ্য মুশকিল!) আমি অনেক “সাকসেসফুল” মানুষ দেখেছি, তাদের দেখে করুণা হয়েছে- মনে হয়েছে আহা বেচারা (কিংবা বেচারী)।

প্রশ্ন: Sir, 1.Insecurities সম্বন্ধে আপনার ধারণা কি? 2.সেলফিশ হওয়া খারাপ কেন? 3. সতে সেন্তু বইয়ে যেমন আলকিত শৈশব এর কথা বলা হয়েছে, এদেশে কি এমন কিছু আছে? 4. এ ধরনের argument এর কি উত্তর দেওয়া যায়? If I have an A bomb and I nuke a city cuz I like it, what’s wrong with that? Survival for the fittest. Those who dies will Just die, they’re too weak for me. Vice versa, if I get killed by a nuke which was dropped to satisfy someone, I Won’t mind. I’ll just blame myself for Being too weak.
Moni, Rangpur.
উত্তর: অনুমান করছি তুমি টিন এজার- এই বয়সে অনেক ছেলেমেয়ে এভাবে কথা বলে কারণ তখন সবাই তার দিকে মাথা ঘুরিয়ে তাকায়, তাতে তাদের একধরনের আনন্দ হয়। আজ থেকে দশ কিংবা পনের বছর পর তুমি যখন তোমার ছোট শিশু ছেলে বা মেয়েটিকে কোলে নিয়ে তার দুষ্টু হাসি দেখে হেসে কুটিকুটি হবে তখনও যদি এভাবে কথা বলো তাহলে আমি দুশ্চিন্তা করব। এখন করছি না! তবে পৃথিবীর যে মানুষগুলো যুদ্ধ বিগ্রহ নির্যাতন হত্যাকান্ড দুর্ভিক্ষ রোগ শোকের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে তাদের কাছে গিয়ে যদি তুমি বল, “এগুলো যারা করছে তাদের কোনো দোষ নেই, দোষ তোমার কারণ তুমি দুর্বল”, তখন সে অবাক হয়ে তোমার দিকে তাকিয়ে থাকবে।

প্রশ্ন: স্যার।আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন।স্যার অনেক অনেক থ্যাংক ইউ আপনি আমাকে আপনার অটোগ্রাফ দিয়েছেন।আচ্ছা স্যার আপনি কি এই ওএবসাইট এর প্রশ্ন ও উত্তর এর সিস্টেম টা বন্ধ করে দিবেন।প্লিজ বন্ধ করবেন না।ইপসিতা নাথ,চট্টগ্রাম।
উত্তর: এই মুহূর্তে বন্ধ করছি না, কিন্তু যদি ম্যানেজ করতে না পারি তাহলে কি হবে? তুমিই বল।

প্রশ্ন: স্যার আমি ইফাত জুবায়ের।আমি এই বছর প্রথম বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছি। কিন্তু নানা জনে জিজ্ঞাসা করেছেন যে এই প্রতিযোগিতা আমার কী কাজে লাগবে। আমি গুছিয়ে উত্তর দিতে পারিনি। প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম। আর হ্যাঁ সামনের প্রতিযোগিতাগুলো যেন সরাসরি হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ।
উত্তর: হা হা হা! তুমি বলবে যে, “এটা আমার কোন কাজে লাগবে না- সত্যি কথা বলতে কি অনেক সময় ‘নষ্ট’ হবে। কিন্তু আমি এটা করতে চাই কারন এটা করতে আমার অনেক অনেক ভালো লাগে!”

প্রশ্ন: স্যার, এখন আপনার বয়স কত? আমার ১৩। নুহা,মগবাজার ঢাকা।
উত্তর: আমার বয়স মনে হয় দুইশ আড়াইশো হবে! জন্ম ১৯৫২ সালের ২৩শে ডিসেম্বর। এখন তুমি যোগ বিয়োগ করে বের করে নাও!

প্রশ্ন: তোহুরা ইসলাম বাধন( Class 8 টাঙ্গাইল ) আর মাত্র দুইদিন পর স্কুল খুলবে!!!!! এই মুহূর্তে আমার কী যে খুশি লাগছে যদি আপনাকে দেখাতে পারতাম!!!! উফ!!!!! চিন্তা করিয়েন না নিয়ম মেনেই চলব( friend দের দেখলে হুশ থাকবে কিনা কে যানে । আমাকে জ্ঞান দিয়া লাভ নাই। আপনি আমাদের জায়গায় থাকলে একই কাজ করতেন )। আপনি হয়তো বাচ্চাদের স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবছেন। আর বাচ্চারা প্ল‍্যানিং এ ব‍্যস্ত । এতদিন শুধু paragraph শিখতাম first day at school আসলে কিন্তু কারোরই ঐদিনের কিছুই মনে নাই । কিন্তু এবার মনে হচ্ছে এটাও বুঝি first day at school …. প্ল‍্যান করেছি সারাদিন ডায়েরিতে লিখে রাখবো। এবার আর ভুললে চলবে না। আচ্ছা আপনি যদি আমার জায়গায় থাকতেন তাহলে কি করতেন?
উত্তর: ইশ! পৃথিবীটা কি হয়ে গেল! স্কুল খুললে বাচ্চারা খুশিতে লাফায়! না আমি মোটেও তোমাদের নিয়ে দুশ্চিন্তা করছি না। যেহেতু এই নতুন বিদঘুটে পৃথিবীতে এই ভাইরাসকে নিয়ে বেঁচে থাকা শিখতে হবে, সবাই মিলে শুরু করে দেওয়া যাক!

প্রশ্ন: আজকে আমি আপনাকে বিবর্তনবাদ নিয়ে কিছু প্রশ্ন করব। আশা করি উত্তর দিবেন। (১) পৃথিবীতে কোটি কোটি প্রানী রয়েছে। এই প্রানীগুলো যে বিবর্তিত হয়েছে নিশ্চয়ই হঠাৎ করে এক প্রানী থেকে এক লাফে অন্য প্রানী হয়ে যায়নি। মাঝখানে আরো কয়েক লক্ষ প্রজাতি ধীরে ধীরে মিউটেশনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে। তাহলে এই কোটি কোটি প্রানীর ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন মধ্যবর্তী প্রানীগুলোর ফসিল কেন পাওয়া যাচ্ছে না?(স্বয়ং চার্লস্ ডারউইনও এটা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। যা উল্লেখ করেন নিজের বইয়ে)। (২) বর্তমানে বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে জানা গেছে যে পৃথিবীতে প্রানের আগমন ধীরে ধীরে হয়নি। হঠাৎ করেই হয়েছে। তাই বিবর্তনবাদিরা এখন বলছেন যে মিউটেশন হঠাৎ করেই খুব তাড়াতাড়িই হয়েছিল।
যেহেতু প্রানের আগমন হঠাৎ করে হয়েছিল তাই ধরা যায় যে এসব কিছুর একজন ডিজাইনার (অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তা) রয়েছেন। (৩) বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও বিবর্তনবাদকে ধ্রুব সত্য হিসেবে ধরা হয়। এর কারণ প্রভাবশালী বস্তুবাদী দুনিয়া। কোনো বিজ্ঞানি যদি বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে তাহলে তাকে বিজ্ঞানীমহলে আবর্জনা হিসেবে ধরা হয়, গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এজন্যই বেশিরভাগ বিজ্ঞানী বলেন যে এটা সঠিক। (৪) আপনি কি আরিফ আজাদকে (লেখক) চিনেন? তার বই পড়েছেন? উনার বইয়েই সর্বপ্রথম আপনার পরিচয় পাই আর আজ পর্যন্ত আপনার ৭০+ বই পড়ে ফেলেছি। (৫) শুনলাম এই ওয়েবসাইট নাকি বন্ধ করবেন বলেছেন। প্লিজ বন্ধ করবেন না। কারণ এই ওয়েবসাইট-টাই অনেকের জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করার একমাত্র পথ। আর আপনার সাথে যোগাযোগ করা আমাদের কাছে কত আনন্দের তা আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না। প্লিজ বন্ধ করবেন না। *তাহমিদ জামান চৌধুরী, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ*
উত্তর: না, তুমি আমাকে এরকম বিতর্কে টেনে আনতে পারবে না। বিবর্তনবাদ তো ফিলোসোফি না, এটা হচ্ছে বিজ্ঞান বা সায়েন্স। সত্যি কথা বলতে কী পৃথিবীর বৈজ্ঞানিকদের মতে এটি বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থিওরির একটি। বিজ্ঞান নিয়ে কেউ তর্ক বিতর্ক করে না, এটা নিয়ে গবেষণা করে। যে বিষয়গুলো এখনো পুরোপুরি জানা হয়নি সেটা জানার চেষ্টা করে। যদি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে কোনোদিন দেখেন এটি ভুল, তারা সেদিন বিবর্তনবাদকে ফেলে দেবেন (যেভাবে ইথার থিওরি ফেলে দেওয়া হয়েছে কিংবা Geocentic থিউরি ফেলে দেওয়া হয়েছে) তাদের ইগো নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। সেদিন হয়তো আমি তাদের গবেষণাগুলো একটু বোঝার চেষ্টা করব। কিন্তু পৃথিবীটা যেহেতু মজার- অনেক মানুষ বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির সুবিধাগুলো ভোগ করে, কিন্তু পিছনের বিজ্ঞানটুকু বিশ্বাস করে না, অন্য কিছু বিশ্বাস করে। আমি তাদেরকে তাদের মত বিশ্বাস নিয়ে আনন্দে থাকতে দেই।

প্রশ্ন: স্যার, আস সালামু আলাইকুম। আমি প্রথম শেণীতে পড়ি। আমি আপনাকে একটা চিঠি লিখেছি। কিন্তু আপনার ঠিকানা জানি না, তাই পাঠাতে পারছি না। আপনার কাছে চিঠি পাঠানোর ঠিকানাটা আর আপনার ই-মেইল এড্রেসটা আমাকে দিবেন প্লিজ। আয়েশা ইশতিয়াক তিতলি  চুয়াডাঙ্গা।
উত্তর: আমার কাছে চিঠি পাঠানোর ঠিকানাটা এখনো পাকাপোক্ত হয়নি-তুমি কি আপাতত কষ্ট করে তোমার লেখা চিঠিটা ছবি তুলে m.z.iqbal@mzi.rocks এইখানে attachment হিসাবে email করে দিতে পারবে? তুমি প্রথম শ্রেনিতে পড়, এখনই চিঠি লিখে ফেলেছ, আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না।

প্রশ্ন: স্যার, ‘পিশাচিনী’ বইয়ে একটি গল্প আছে, নাম হলো ‘বন্ধ ঘর’। সেই গল্পের প্রথম লাইনটি হলো – “আমাকে একবার কিছুদিনের জন্য পচাগর যেতে হয়েছিল।” আমার প্রশ্ন হলো পচাগর নামটা কি আপনার বানানো নাকি সত্যিই এই নামে কোনো জায়গা আছে। কৌতুহল থেকে জিজ্ঞেস করলাম! আসলে…আমার নামটা খুব মজার লেগেছে! বাস্তবে এই নামে কোনো জায়গা থাকলে আমি অবশ্যই যেতে চাই! সাবা, ঢাকা
উত্তর: আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন পঞ্চগড়কে বলতো পচাগড়- মনে হয় সেখান থেকে এসেছে। এত সুন্দর জায়গা, ভোরে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যেতো, অথচ তার নাম নাকি ছিল, পচাগড়! চিন্তা করতে পার?

প্রশ্ন: স্যার, আপনার এক বইয়ে পড়েছিলাম আপনাকে কেউ ‘নানা’ ডাকেনাই.. তাই এই ডাকটা আপনি মিস করেন.. কিন্তু কয়দিন আগে একটি ‘(বিশ্বস্ত?!)’ সূত্রে খবর পেলাম আপনি নাকি বছরখানিক আগে সত্যি সত্যিই নানা হয়েছেন? কথাটা কি সত্যি? আপনার সত্যিকারের নাতির ছবি কি দেখাবেন আমাদের?! -শর্মিষ্ঠা পাল, দেবিদ্বার, কুমিল্লা
উত্তর: তোমার বিশ্বস্ত সূত্র সঠিক। কিন্তু তার ছবি এরকম পাবলিক জায়গায় দেওয়া ঠিক হবে না, যদি কোনদিন তোমার সাথে দেখা হয় তখন বল, তোমাকে দেখাব! এখন তাকে টানাটানি করা ঠিক হবে নয়া।

প্রশ্ন: আপনার প্রিয় কাব্যগ্রন্থ কোনটি?আমার ধারণা আপনি বলবেন “রূপসী বাংলা”।এটা আমারও প্রিয় কাব্যগ্রন্থ।তবে মজার ব্যাপার হলো:আমার প্রিয় কবিতা হচ্ছে নজরুলের “বিদ্রোহী”!আপনার প্রিয় কবিতা কোনটি?(যেকোনো একটির নাম বলবেন।) আকিফ,জামালপুর
উত্তর: একজনের কিন্তু একাধিক প্রিয় জিনিস থাকতে পারে- একটাই থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। হ্যাঁ, ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি আসলেই অসাধারণ! কখনো আবৃত্তি করেছ?

প্রশ্ন: স্যার,আমরা তো জানি পরমাণু নিউক্লিয়াস, ইলেকট্রন নিয়ে গঠিত। আবার প্রোটন কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি,কোয়ার্ক আবার স্ট্রিংয়ের কম্পনের ফলে তৈরি।আমার প্রশ্ন হলো এই কম্পনটা কোথা থেকে সৃষ্টি হয়?…আর স্যার আপনি নাকি অসুস্থ?আপনার চোখের সমস্যা বাড়ায় নাকি এই ওয়েবসাইট বন্ধ হতে পারে?বন্ধ হলে আমরা আমাদের মনে জমে থাকা প্রশ্নগুলো নির্দ্বিধায় কাকে জিজ্ঞেস করব?আপনি হয়তো বলবেন ইন্টারনেট থেকে জানতে। কিন্তু আমাদের তো ইন্টারনেট থেকে জানলে চলবেনা!আপনার কাছ থেকেই জানতে হবে।ইন্টারনেট আর মানুষ তো এক নয়,তাই না?আর ইন্টারনেট তো আমাদের সবার প্রিয়ও না।এখন আপনার ইচ্ছা আপনি এই সাইটের মাধ্যমে আপনার সাথে আমাদের যোগাযোগের ব্যবস্থাটা রাখবেন কী না? ভালো থাকবেন।ফিহা,নরসিংদী।
উত্তর: কোয়ার্কের কম্পন তার শক্তির পরিমাণ নির্ধারণ করে। মনে রেখো পদার্থ বিজ্ঞানের চোখে ভর আর শক্তি কিন্তু একই জিনিষ। না না না আমি অসুস্থ নই! অসুস্থ নই ! কম্পিউটারের স্ক্রিন দেখতে বিরক্ত লাগে এটা কোন অসুস্থতা না! যে জিনিষগুলো ইন্টারনেট থেকে জানা যায়, সেটা তোমাদের কিন্তু ইন্টারনেট থেকেই জানতে হবে!

রাশেদ, বন্যা, টুটুল: আমার বইয়ের চরিত্ররা মোটামুটি নিয়মিতভাবে এখনে এসে আমাকে প্রশ্ন করে যাচ্ছ! ভালো আছ নিশ্চয়ই। সবাইকে এক জায়গায় উত্তর দিই। তোমাদের জীবনকে নিয়ে ছিনিমিনি করার জন্য একটু খারাপ লাগছে, কিন্তু এখন অনেকেই তোমাদের চিনে। জানতে পারলে নিশ্চয়ই তোমাদের সাথে সেলফি তুলে ফেলবে। সাবধানে থেকো।

৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমি একটা জিনিষ লক্ষ করছি, কথ্য ইংরেজি ভাষায় যেহেতু খুব সহজ স্বাভাবিক ভাবে অনেক আজে বাজে এবং অশালীন শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাই ইংরেজিতে লেখার সময় তোমরাও অনেকে আমার কাছে এরকম শব্দ ব্যবহার করে কিছু একটা লিখে ফেলে কিছু একটা জানতে চাও। সেগুলো পড়ে আমি আহত হই, প্লিজ প্লিজ তোমাদের জানতে হবে বাইরের কালচার মানেই ভালো কালচার নয়। তুমি কার সাথে কথা বলছ, কোন ভাষায় তার সাথে কথা বলা শোভন সেটা জানতে হবে। না জানলে শিখতে হবে।
যেহেতু নিয়ম করেছি যে নাম ঠিকানা লিখতে হবে, তাই যারা নাম ঠিকানা লিখনি তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় নি, যদিও অনেক সময় খুব উত্তর দেওয়ার ইচ্ছা করছিল। আবার কোনো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমি জানতে চাইছিলাম, শেষ পর্যন্ত লিখেছ কিন্তু নাম ঠিকানা দেওনি দেখে আমি উত্তর দিতে পারিনি। কেন তোমরা নিজের নাম পরিচয় দিয়ে আত্মসম্মান নিয়ে কথা বলতে চাও না?

প্রশ্ন: স্যার ,আপনি ফিজিসিস্ট মিচিও কাকুকে চিনেন? উনার কিছুৃ লেকচার দেখেছি আমি । ফিউচার সম্পর্কে উনার বক্তব্যগুলি সবগুলো তো ভেরিফায়েড নয় । উনি সেগুলোর খারাপ দিকগুলিও সেখানে বলেন না । একজন বিজ্ঞানী হয়ে উনার কথা কেন প্রযুক্তিবিদদের মতন শোনায় ? এই যেমন সেদিন শুনলাম উনি এক লেকচারে বলছেন মৃগি রোগীর করর্পাস ক্যালুসাম কেটে ফেলার পর সে ব্যাক্তির নাকী ডুয়েল পারসোনালিটি দেখা যাচ্ছে । এটা কী সত্য স্যার? শান্ততু , বারিধারা ।
উত্তর: না চিনি না, তবে তার বইগুলো পড়েছি। খুব মজার বই লেখেন। যেহেতু পদার্থবিজ্ঞানী তাই বানিয়ে বানিয়ে গুলপট্টি ছাড়বেন মনে হয় না। আমি যেহেতু তার ভিডিওটা দেখি নি তাই বলতে পারছি না।

প্রশ্ন: স্যার, আমার জীবন আর ঘাসফড়িঙ এর জিবনে বেশি পার্থক্য নাই। লকডাউনে আমি শুধু খাই আর ঘুমাই। আমি কোন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড করি না। এরুপ অবস্থায় আমার কি করা উচিত…?? নুহা, মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: যেহেতু ঘাস ফড়িঙের মত জীবন তাদের মতো তিড়িং বিড়িং লাফ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারো। আশেপাশে গোবদা পাখিরা তোমাকে ধরে গিলে ফেলার চেষ্টা করলে লাফ দিয়ে সরে যেতে পারবে।

প্রশ্ন: স্যার,,আমার দুটি প্রশ্ন,, আপনি “দেশের বাইরে দেশ”বইয়ে ব্রিজিত নামে একটা মেয়ের কথা বলেছেন। আপনি বলেছেন,” যে ছাত্রটি আমার সাথে তার পিএইচডি র জন্য কাজ করছে, আমি আবিষ্কার করলাম,সে অত্যন্ত কোমল স্বভাবের মায়াবতী মেয়ে,সে অবলীলায় কুড়ি মাইল দৌড়ে যেতে পারে।আয়ারল্যান্ড থেকে এসেছে বলে তার ইংরেজি উচ্চারণ খুব মজার, সে অসম্ভব খাটতে পারে কিন্তু পিএইচডি করার জন্য যে গবেষণা করার একটা ক্ষমতা থাকতে হয় সেটি তার একেবারেই নেই।” আমার প্রথম প্রশ্ন,,তার গবেষণা করার ক্ষমতা কি আপনার, মানে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটন থেকে পিএইচডি করে ক্যালটেকে গবেষণা করা একজনের হিসেবে নেই,, না আমাদের মতো সাধারণ ছাত্র—ছাত্রীদের হিসেবে নেই??? দ্বিতীয় প্রশ্ন,, যদি আমাদের হিসেবে তার গবেষণার ক্ষমতা না থেকে থাকে তবে সে ক্যালটেকের মতো একটা প্রতিষ্ঠানে পিএইচডি করার সুযোগ পেল কীভাবে??? (ইলা,,,নরসিংদী)
উত্তর: আসলেই ব্রিজিত সম্পর্কে এভাবে লেখা আমার ঠিক হয়নি। এখন হলে আমি কখনোই লিখতাম না। তোমার সাথে যদি কখনো দেখা হয় তখন আমাকে জিজ্ঞেস করো— আমি ঠিকভাবে উত্তরটা দেবো। এখানে লিখতে চাই না।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার লেখা “পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ” বইটা খুব সুন্দর ও বুঝার মত ।তাই আপনি যদি “পদার্থবিজ্ঞানের দ্বিতীয় পাঠ” বই লিখতেন, তাহলে ভালো হতো।আপনি বলতে পারেন, অন্য অনেকের বই ইন্টার এ তো আছেই, সেখান থেকে খুঁজে নাও।কিন্তু আপনাকে কি একটা সত্যি কথা বলবো?সেটা হলো:আপনার পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ বই এর মত বই আসলেও নেই।আর HSC র পদার্থবিজ্ঞানের টেক্সট বই যা প্রচলিত, সেটা ও কখনো আপনার বই এর মত হবে না, যদি আপনি আমাদের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের দ্বিতীয় পাঠ বই লিখেন। আশা করি, বিষয়টি গুরুত্ব দিবেন MD. TAHSAN ISLAM NAZIM SSC EXAMINEE 2021 ADDRESS:TONGI, GAZIPUR
উত্তর: আমারও ইচ্ছা আছে। লেখা শুরু করেছিলাম কিন্তু কাগজগুলো যে কোথায় আছে! তার উপর টুনটুনির বই লিখতে লিখতে নিঃশ্বাস ফেলার সময় পাই না।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার, আপনি কেমন আছেন?আজ প্রথম আপনার উদ্দেশ্যে কিছু লিখছি।আমার একটা প্রশ্ন আছে।দিয়াশলাই কাঠি জ্বালানোর পরে বারুদের অংশটুকুতে অনেকগুলো ছোট ছোট ছিদ্র তৈরি হয়।কিন্তু একটা ছিদ্র একটু বড় হয়।বড় ছিদ্র শুধু একটাই কেন হয়, অনেকগুলো হয় না কেন? লতিফা দাপা—ইদ্রাকপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।
উত্তর: তোমার প্রশ্নটা যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং! আমি পরপর ছয়টা ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে দেখলাম কিন্তু কোনোটাতে বড় ছিদ্র পেলাম না। কিছু একটা ভুল দেখেছি? তবে আমি খুব খুশি হয়েছি যে তুমি এরকম একটা বিষয় লক্ষ করেছ এবং সেটার কারণ জানার জন্য চেষ্টা করছ। ভেরি গুড! তোমার প্রশ্নের কারণে এখন থেকে যখনই আমি ম্যাচের কাঠি জ্বালাই পরে তাকিয়ে দেখি একটা বড় গর্ত আছে কিনা!

প্রশ্ন: MZI গো! চিনতে পারছো আমাকে? আমি সেই মহান বিজ্ঞানী! আমার ভূতটিপিটা তোমার কাছে রয়ে গেছে। ঐটা পাঁচ টাকা দিয়ে সদরগাটে গিয়ে আমার বানরকে দিও কেমন…। আরো পাঁচ টাকা নিয়ে যেও। সেটা দিয়ে ওকে একটা গেঞ্জি কিনে দিতে ভুলনা কিন্তু…. নাম— সফদার আলী ঠিকানা— বাংলাদেশ
উত্তর: তোমার বানর চল্লিশ বছর পরেও বহাল তবিয়তে আছে? ইন্টারেস্টিং! সাধারন বানর তো ২০-২৫ বছর বাঁচে, এটার আয়ু ডাবল করে দিলে কীভাবে?

প্রশ্ন: স্যার আমাকে আমার আব্বুর সাথে দেখা করিয়ে দিলে এমন কি ক্ষতি হতো ? – সেরিনা
উত্তর: ব্যাপারটা কী! হঠাৎ করে সবাই বই থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেছে! তুমি সেরিনা বের হয়ে এসেছ ঠিক আছে, ভুত-প্রেত দানবগুলো বের হবে নাতো?

প্রশ্ন: Sir kmn achen? ami prai 4years por ei site e ashlam. 1 jon k site ta share korte giye.. onek valo thakun. ami apnar class korar iccha chilo. sust e porar shujug hoyni. kintu apnar discrete math class ta youtube thk korechi.. Onk valo legechilo. onk din beche thakun sir. onk shustho thakhun..
উত্তর: কোথায় সামনা সামনি ক্লাশ আর কোথায় ইউটিউবের ক্লাশ! এতো দেখি দুধের সাধ আলকাতরা দিয়ে মেটানো থেকেও খারাপ!

প্রশ্ন: ১১ বছর ধরে অপেক্ষা করতেসি স্যার আপনার একটা অটোগ্রাফ এর জন্য।খুব সাবধানে থাকবেন স্যার।আপনার একটা অটোগ্রাফ আর সাথে একটা সেলফি চাই ই চাই। সাইফ ঢাকা
উত্তর: এক অটোগ্রাফের জন্য এগারো বছর? নাও নাও, তাড়াতাড়ি নাও! একযুগ হয়ে গেলে বেইজ্জতি হয়ে যাবে। কিন্তু সেলফিটা তুলবেকেমন করে ?

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম স্যার। আমি তানজিলা ইসলাম। পহেলা সেপ্টেম্বর আমার জন্মদিন। সেই উপলক্ষে আমাকে আমার জন্মদিনের তারিখের ডবল ভালোবাসা দিয়ে একটা উইস অটোগ্রাফ দিন। প্লী—জ। ভেবেছিলাম আপনার সাথে দেখা হলে আপনার আসল ভাষার অটোগ্রাফ নেবো। তার সাথে একটা ছবি। কিন্তু তা মনে হয় আর হবে না। আর সবাই যখন নিচ্ছে তখন আমিই বা বাদ পরি কেনো। আর আমার জন্মদিনে আপনার দাওয়াত রইলো। ঠিকানা : চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলার দেওয়ান হাট এলাকার *** *** *** *** ফ্ল্যাট (ঠিকানা গোপন রাখবেন) সেপ্টেম্বর এর এক তারিখ সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে চলে আসবেন (জানি কখনো আসবেন না তবুও বলছি আসতেই হবে)। আপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো। ভালো থাকবেন।
উত্তর: জন্মদিনের অনেক ভালোবাসা। আসলেই জন্মদিনের সময় হঠাৎ যদি তোমার বাসায় হাজির হতে পারতাম তাহলে কত মজা হতো। জন্মদিনের দাওয়াত দেওয়ার জন্য অনেক থ্যাংকু।

প্রশ্ন: আপনার বাবা কি কোনো বই লিখেছেন ? যদি লিখে থাকেন তাহলে বইটির (বা বইগুলোর) নাম কি ? আফরিদাহ আহসান ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও জেলা, রংপুর
উত্তর: হ্যাঁ। আমার বাবা বেশ কয়েকটা বই লিখেছিলেন। মাত্র একটা রক্ষা পেয়েছে, অন্যগুলো একাত্তরে পাকিস্তানি মিলিটারি আমাদের বাসা লুট করার সময় হারিয়ে গেছে। রক্ষা পাওয়া বাবার লেখা বইটার নাম “দীপ নেভা যায় ঘরে”।

প্রশ্ন: আচ্ছা আপনি কি এখনো মাকড়শা ভয় পান( )? হুমায়ুন স‍‍্যারের “আমার ছেলেবেলা”তে পড়েছি। আপনার আব্বু নাকি বলেছিলেন আপনি ৮০ বছর বাঁচবেন( আপনি নাকি কেঁদে দিয়েছিলেনকল্পনা করছি আপনার চেহারাটা)। আচ্ছা আপনার আব্বুর কথা যদি সত্যি হয় তাহলে আমাদের কি হবে? হুমায়ুন স‍্যারও চলে গেলেন। আপনার লেখাও যদি পড়তে না পাড়ি তাহলে কেমন হবে? তার চেয়ে বরং এত লেখা লেখেন যাতে আমরা বুড়ো হলেও সব পড়ে শেষ না করতে পারি। আপনার সাথে দেখা করার ইচ্ছা ছিল। করোনাটা চলে গেলে দেখে আসতে পারতাম । আমার আসলেই অনেক ভয় করে ( হাইসেন না খবরদার। seriously বললাম।)।৮০ বছর মানে তো 2032। তোহুরা ইসলাম বাঁধন( আমার birth cirtificate এ ঁ উঠে নাই বলে officially কোথাও লিখতে পারিনাধুর। এখানে লিখলাম) class :08,টাঙ্গাইল।(আপনি যাইয়েন না প্লিজ। আমি কিছুই করতে পারবোনা sorry )
উত্তর: সারাজীবন আমার বই পড়ে কাটাবে ঠিক করে রাখলে তো হবে না–তাহলে তো আর বয়স বাড়বে না! দুশ্চিন্তা করো না, যখন বড় হবে তখন দেখবে আরও অনেক লেখকের অনেক বই পড়তে চাইবে। হ্যাঁ,  আমি এখনো মাকড়শা অনেক ভয় পাই। Birth certificate এ চন্দ্রবিন্দু উঠে নাই? ঠিক করে নেওয়া যায় না— তোমার যেহেতু চন্দ্রবিন্দুর জন্য এত ভালোবাসা! আর অফিসিয়ালি ঠিক না হলেই কী? পৃথিবীতে আর কয়টা অফিসিয়াল কাজ? আমার অফিসিয়াল নাম আর লেখালেখির নামে মিল নাই তাতে কোন সমস্যা হয়েছে? নাও অনেকগুলো চন্দ্রবিন্দু সহ নাম দিচ্ছি: বাঁধন বাঁধন বাঁধন বাঁধন বাঁধন … …

প্রশ্ন: স্যার, আমি পূর্ণতা বলছি। জানি আপনি আমাকে চিনবেন না। শুধু নাম দিয়ে কাউকে চেনা যায় না। চেনার জন্য কিছু স্মৃতি থাকতে হয়। কিন্তু স্যার আমি মনে হয় আপনাকে খানিকটা চিনি। আপনার বইগুলির মাধ্যমে। একটি বই কতোটা উচু মানের তা কী দিয়ে ঠিক করা হয় জানি না। কিন্তু পাঠকের ভালোবাসার পরিমাণ যদি এর মাপকাঠি হতো, আপনার এই বইগুলো যে সেরাদের একটি হতো তাতে কোনো সন্দেহ নেই। স্যার, আপনি হয়তো আপনার লেখালেখি নিয়ে ভালো খারাপ অনেক সমালোচনা শুনে থাকেন। কখনও আপনার কষ্ট হয়, কখনও আনন্দ। কিন্তু একটা ব্যাপারে আপনার মতো ভাগ্যবান লেখক আর কেউ আছে কিনা সন্দেহ। অগণিত শিশু কিশোরের ভালোবাসা আপনার জন্য। আর বাচ্চাদের ভালোবাসা পাওয়া কিন্তু খুবই কঠিন! অনেকে হয়তো বাঁকা চোখে বলবে, বাচ্চাদের আবার ভালোবাসা! ওরা কিছু বুঝে নাকি? আমারও তাদের প্রতি বাঁকা একটি হাসি দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই! ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি থেকে বই আনার দিনগুলোর কথা মনে পড়ে। আপনার নতুন একটি বইএর জন্য কেমন চাতক পাখির মত অপেক্ষা করতাম। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, এই লেখকটি ভালো মানুষ না হয়ে যায় না! বড় মায়ায় ভরা এই মানুষটি। কোনোদিন দেখা হয়নি আপনার সাথে। দেখা হওয়ার কোনো প্রয়োজন আছে বলেও মনে হয় না! কী—ই বা বলব দেখা হলে! বলার আছে তো একটাই— স্যার আপনাকে ভালোবাসি খুব! আর কিছু? হ্যাঁ, আরো আছে। স্যার, আপনার ঐ সাদাসিধে অপূর্ব বইগুলো যে আমার ছেলেবেলা। আমার হীরকের মত ঝকঝকে স্মৃতিগুলো অদ্ভুত সুন্দর করে তোলার জন্য আপনার কাছে আমি অশেষ কৃতজ্ঞ।
উত্তর: পূর্ণতা! কি সুন্দর করে লিখেছ। পড়েই বুকটা ভরে গেল মনে হল সত্যি মিথ্যা যাই হোক আমার জন্য বাচ্চাদের এই মায়াটি তুমি হয়তো ঠিক ঠিক প্রকাশ করেছ। মজার কথা কি জানো, বইগুলো লিখতে গিয়েও কিন্তু আমার অনেক অনেক মজা হয়েছে। থ্যাংকু আমার দিনটি সুন্দর করে দেওয়ার জন্য।

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম। আপনি কি যেরকম টুনটুনি সেরকম ছোটাচ্চু ও যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু বইটি এই ওএবসাইট এ দিবেন? ইপসিতা নাথ,চট্টগ্রাম
উত্তর: কেমন করে দিব? আমার কাছে তো নেই। খুঁজতে থাকো পেয়ে যাবে।

প্রশ্ন: আংকেল, দেশের অর্থনীতির চাকা বন্ধ হয়ে যাবে বলে কলকারখানা খোলা রাখা হয়েছিল। তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ, শিক্ষার চাকা এখনো কীভাবে চলছে?! এদিকে সারাদিন অনলাইন ক্লাস করতে করতে আমার চোখ আর মাথা দুইটাই গেল। অথচ তেমন কিছু শিখতেও পারছি না। অনেকে তো ক্লাসই করতে পারে না। মজার ব্যাপার কি জানেন? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতে যেতে না পারলেও ঘোরাঘুরির জন্য ঠিকই যাওয়া যায়! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি তো এখন একটা পার্ক হয়ে গেছে! একজন ছাত্র দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াতে পারবে কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে পড়ালেখা করতে পারবে না! ঢাকা থেকে ইশতিয়াক
উত্তর: তোমার যন্ত্রনাটা বুঝতে পারছি। আমারও কেন জানি মনে হচ্ছে এই দেশে লেখাপড়ার বিষয়টা ঠিক করে ম্যানেজ করা হলো না। কি করবে বল, মেনে নাও। মনে কর একটা বিশ্বযুদ্ধ চলছে, পুরো পৃথিবী তাই ছারখার হয়ে যাচ্ছে।

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা বড়ুয়া।আমি চট্টগ্রামে থাকি।আচ্ছা স্যার, যারা বেশি বেশি বই পড়ে তারা আস্তে আস্তে চোখে কম দেখতে শুরু করে,,যার কারণে তাদের অনেক পাওয়ার এর চশমা পড়তে হয়।আমি বই পড়তে পছন্দ করি কিন্তু স্যার আমার চশমা পড়তে একদম ভালো লাগে না কিংবা আমার চশমা দেওয়ার কোনো ইচ্ছাও নাই।আবার আমার চশমার পরিবর্তে লেন্সও পড়ার ইচ্ছে নেই।চশমা ছাড়া আমরা যেভাবে স্বাভাবিকভাবে দেখি সেভাবেই আমার দেখার ইচ্ছা। এখন উপায়টা কি স্যার???আমার কি করা উচিত?? এমন করা যায় না স্যার,,আমি বেশি বেশি বই পড়বো কিন্তু আমাকে চশমা বা লেন্স কিছুই পড়তে হবে না অথবা আমার দৃষ্টি শক্তিও কমে যাবে না???
উত্তর: প্রথমত দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া কথাটি ঠিক নয়— দৃষ্টিশক্তি কমবে কেন? চোখে লেন্স মোটা হয়ে যায়, চশমা পড়ে সেটা ঠিক করতে হয়। আর না হয় কন্টাক্ট লেন্স। যদি বই পড়ার সময় একটু পরে পরে হিসাব করে চোখের ব্যায়াম কর তাহলে কাজ হতে পারে। আমি চোখের ডাক্তার না তাই উপদেশ দেওয়া ঠিক হবে না— কিন্তু আমি জানি এর উপায় আছে। নেটে ঘাঁটলেই পেয়ে যাবে।

প্রশ্ন: স্যার,আমি ইংরেজি বই পড়া শুরু করতে চাই। কিন্তু ইংরেজি বইয়ের দাম অনেক বেশি।কি করতে পারি? (প্লিজ পিডিএফ বলবেন না।পিডিএফএ ইক্টুও মজা নাই) আর তাছাড়া একটা বই পড়তে শুরু করে দেখি বেশিরভাগ ইংরেজিই বুঝি না।কি করব তাহলে? স্মরণ, জামালপুর।
উত্তর: আমি সবসময়ই বলি কেউ যদি মনে করে সে বই কিনে পড়বে তার মানে সে বেশি বই পড়ে না! লাইব্রেরী থেকে নিয়ে বই পড়, সমস্যা কি?

প্রশ্ন: স্যার,একটা প্রশ্ন পড়ে জানতে পারলাম আপনি বলেছেন আমাদেরকে MCQ আকারে প্রশ্ন করতে।এটি পড়েই বুঝতে পারলাম আপনি প্রতিবার অনেক প্রশ্ন পান এবং এগুলোর উত্তর দিতে গিয়ে আপনি অনেকটাই কষ্ট করেন।আপনাকে আগেও প্রশ্ন করেছিলাম তখন আপনার ছোট উত্তর দেখে কষ্ট পেয়েছিলাম কিন্তু এখন বুঝলাম আপনিই উল্টো কষ্ট করে আমাদেরকে এত এত প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন! এজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ স্যার!এতগুলো ছেলেমেয়ের আবদার রক্ষা করার জন্য।ভাল থাকবেন মাইশা মারুফ,চট্টগ্রাম।
উত্তর: কি সর্বনাশ! আমি তো ভেবেছিলাম উত্তর দিলেই হল। কখনো বুঝি নাই বড় উত্তর দিতে হবে। থ্যাংকু শেষ পর্যন্ত আমার দিকটাও বোঝার জন্য।

প্রশ্ন: অতীত বোঝাতে কেন ‘ভূত’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়? বাবর, নোয়াখালী
উত্তর: খুবই ভালো প্রশ্ন, উত্তরটা আমি জানি না! উত্তরটা খুঁজতে থাকো, পেয়ে গেলে আমাকে জানিও।

প্রশ্ন: স্যার কেমন আছেন ? আমি পয়মন্তী । চট্টগ্রাম থেকে বলছি । করোনা ভাইরাস চলাকালীন আমি বাতিঘর যাইনা বই কিনতে । আগে আমি বাতিঘরে বই পড়ে আপনার বই কিনতাম । তাই এখন আমি পড়ে বই কিনতে পারছিনা । আমার মা আমার জন্য বই কিনতে বাতিঘর যাবে । আমার প্রিয় বই হল = ‘বাচ্চা ভয়ঙ্কর কাচ্চা ভয়ঙ্কর ‘ , ‘তিন্নি ও বন্যা’ , ‘ আমার বন্ধু রাশেদ’ , ‘মেকু কাহিনী’ প্রভৃতি । আমি আমার মাকে এবারে কী বই আনতে বলব , বুঝছিনা । আপনি সাহায্য করবেন ???
উত্তর: বই হচ্ছে ব্যক্তিগত পছন্দের ব্যাপার, তোমার কোনটা ভাল লাগবে আমি কেমন করে বলব, বল! এই সাইটে আমার বইয়ের তালিকা দেওয়া আছে সেটা দেখে একটু আন্দাজ করার চেষ্টা করে দেখো কোনটা তোমার ভালো লাগবে!

প্রশ্ন: স্যার, এবারে আমি বললাম আপনি লোভী। নিন, এবার গলায় দড়ি দিন। (মজা করিতেছিলাম স্যার। সিরিয়াসলি নেবেন না প্লিজ। আপনার কিছু হলে নিজেও জানি না কি করব…) স্বর্ণালী, কুড়িগ্রাম।
উত্তর: কেউ আমাকে বলবে আর তখন আমি নিজের সম্পর্কে জানবো সেটা তো কখনো হয়না। আমি কী, সেটা আমার থেকে ভালো করে কে জানে? না, তোমরা কেউ জান না!

প্রশ্ন: আপনার বড়দের জন্য লেখা গল্পগুলো এরকম মন খারাপ করে দেওয়া কেন ? (আমি লুকিয়ে লুকিয়ে গল্পগুলো পড়ে ফেলেছি (!) ) *****, ঠাকুরগাঁও (নামটা না বললেই ভালো হয়। আম্মু যদি দেখে ফেলে !)
উত্তর: আমার লেখা বড়দের বই কি এতোই ভয়ানক যে লুকিয়ে পড়তে হবে? আম্মু জানলে বিপদ হবে? (আমি জানি আমার লেখা বাচ্চারা পড়ে ফেলে— লেখার সময় সেটা আমার মাথায় থাকে সবসময়।)

প্রশ্ন: সমুদ্র সৈকতে বালি থাকে কেন ? (নেটে উত্তরটা পাইনি) আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: সমুদ্রসৈকতে বালি থাকে কেন আমি নিজেও জানতাম না— এই মাত্র নেটে দেখে শিখে এসেছি। আমি শিখে এসে তোমাকে শেখানোর থেকে তুমি যদি নিজে নেট থেকে উত্তরটা বের করে আনো, সেটা কি ভালো না?

প্রশ্ন: স্যার সবসময় শুনেছি যে,পারদের নিকট সোনা নিলে সোনা তার ধর্ম হারায়।এই ব্যাপারটি কেন ঘটে? নামঃঅর্ণব সাহা ঠিকানাঃরথখোলা,ফরিদপুর।
উত্তর: সোনা এমনিতেই খুব বেশি বিক্রিয়া করে না কিন্তু পারদের সাথে পাগলের মত বিক্রিয়া করে। নেট নেট……… নেটে দেখো প্লিজ, মজার ভিডিও পর্যন্ত পেয়ে যাবে!

প্রশ্ন: হাসিন, ঢাকা। স্যার, আমি আপনার উপন্যাসের একটা জিনিস লক্ষ করেছি। আপনার উপন্যাসগুলো ছোট ছোট। আপনার বেশির ভাগ উপন্যাসগুলি ১০০—১১০—১২০ পৃষ্ঠায় শেষ হয়ে যায়। কিছু কিছু উপন্যাস ১৪০ পৃষ্ঠার কাছাকাছি হয়। আবার কিছু কিছু উপন্যাস ২০০ পৃষ্ঠারও বেশি হয়। কিন্তু এরপরও আমার কাছে আপনার উপন্যাসগুলো বেশ ছোট লাগে। স্যার এর কারণ কী? আপনি বড় উপন্যাস (যেমন ধরুন ৪০০—৪৫০ পৃষ্ঠার উপন্যাস) লিখেন না কেন? আমার প্রশ্নে কিছু মনে করবেন না। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আজকে এখানেই বিদায় নিচ্ছি।
উত্তর: তুমি ঠিকই বলেছ। কিন্তু তুমি কী জান, পৃথিবীর যারা সত্যিকারের লেখক তারা চার পাঁচ বছরে একটা বই লিখে। আর আমি প্রতি বছরে চার পাঁচটা বই লিখি— তাহলে তুমিই বল আমি কেমন করে ৪০০-৪৫০ পৃষ্ঠার বই লিখব? আমি মেনে নিয়েছি আমি সত্যিকারের লেখক না, কিন্তু যেহেতু বাচ্চা-কাচ্চারা আমার বই এখনো পড়ছে আমি কিছু একটা লিখে যাচ্ছি!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার।আশা করি আপনি ভালো আছেন।স্যার আপনি কি The diary of a wimpy kid পড়েছেন? আর পড়ে থাকলে কেমন লেগেছে? আমি আপনার খুব ভক্ত। আপনার বই আমার খুব ভাল লাগে।আপনার একটা অটোগ্রাফ দিবেন প্লিজ। আমি নাজিয়া তাসকিন প্রজ্ঞা রাজশাহী তে থাকি। আর আমি অশ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
উত্তর: না পড়িনি। কেন? বইটা কি ভালো? এই যে অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: না না না না না না না না না না না না না না না ! এখানকার প্রশ্ন—উত্তরের সিস্টেমটা প্লিজ বন্ধ করবেন না ! ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা … … আচ্ছা আচ্ছা এখনই বন্ধ করছি না, কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে বলা যাচ্ছে না।

প্রশ্ন: স্যার, আমার মন খুবই খারাপ ! আমি গত আট মাসে আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য ছয়বার সুযোগ পেয়েছি, ছয়বার ! কিন্তু করোনার জন্য সব অনলাইনে হওয়ার কারণে একবারও দেখা করতে পারিনি। দুইবার সায়েন্স অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্বে, একবার গণিত অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্বে, একবার ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্বে, একবার সায়েন্স কংগ্রেসে ও একবার বইমেলায় ! সামনে বছর যেন এগুলো অনলাইনে না হয়, একটু দেখবেন স্যার। প্লিজ ! ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: দেখা হয় নাই তাতে কি হয়েছে? দেখা হবে— বাংলাদেশে এইটুকুন দেশ এখানে সবার সাথে সবার দেখা হবে। না চাইলেও দেখা হবে!

প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যার, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভাল আছেন। স্যার, স্কুল তো খুলে দেবে শুনলাম। কি মজা! ( মজাটা আসলে পড়ালেখা করার জন্য নয়; খেলার জন্য, বন্ধুদের জন্য ) যদিও এত খুশি হয়ে লাভ নেই। কারণ আগেও স্কুল খুলে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেউ কথা রাখেনি। আচ্ছা আসল কথায় আসি। স্যার, ছোটবেলায় “ আমার জীবনের লক্ষ্য ” রচনা পড়েছেন নিশ্চই। আপনারা পড়েছেন কিনা জানিনা। কিন্তু আমাদের পড়তে হয়েছে। মানে মুখস্ত করতে হয়েছে! বইয়ে লেখা ছিল শিক্ষক হওয়ার কথা। কিন্তু আমি কখনোই শিক্ষক হতে চাইতাম না। মুখ বুজে শুধু মুখস্ত করেছি।
… … … … … … … …
পৃথিবীটা সম্পর্কে জানতে চাই। এজন্যই সবজায়গায় বিচরণ করতে চাই কিন্তু সেটা সৎ ভাবে। পৃথিবীটাতে জন্মেছি, তার সম্পর্কে জানতে না পারলে হবে? কিছু জানতে না পারলে তো বেঁচে থাকাটাই অর্থহীন হয়ে পড়বে। ছোট থেকে মানুষ প্রকৃতির অদৃশ্য ঐশ্বর্য্যকে অনুভব করতে না পারলে বড় হয়ে অর্থ—যশ—মান —খ্যাতি নিয়ে পড়ে থাকে। আমি ওরকম হতে চাই না। বেঁচে থাকার মত বেঁচে থাকতে চাই। এজন্য সময় পেলেই গল্পের বই পড়ি। কারণ বইয়ের চেয়ে ‘জানতে চাওয়ার’ মত বড় উৎস এই পৃথিবীতে বোধ হয় আর একটিও নেই! আচ্ছা যা হোক, লেখাটা অনেক বড় গিয়েছে। আর বড় করতে চাই না। নাহলে আপনি বিরক্ত হয়ে পড়বেন। আমি মোটেই আপনার বিরক্তির কারণ হতে চাই না। ভালো থাকবেন। স্যার আরেকটা কথা, আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আপনার চোখের ক্ষতি করবেন না। অল্প অল্প করে উত্তর দেবেন। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বন্ধ করবেন না, প্লিজ! আপনার মতামতের অপেক্ষায় আমি, মোঃ মোস্তাশিরুল হক মাহিন। ঠিকানা: ভুইগড় , নারায়ণগঞ্জ।
উত্তর: তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও সেটা ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে দেখে মজা লাগল! আমারও এরকম হয়েছে, ছোটবেলায় অনেক কিছু হতে চেয়েছি তবে কখনোই অভিনেতা হতে চাই নাই। কাজেই চেষ্টা করে যাও— শিশু অভিনেতা হওয়ার সুযোগ কতটুকু জানি না। বড় হয়ে নাটকের গ্রুপে যোগ দিয়ে অভিনয় করতে পারো, সেটা মনে হয় সহজ।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার চোখের ডাক্তারের পরামর্শ শুনে খুবই মন খারাপ হয়েছে। আপনার চোখের অবস্থা কি সত্যিই খুব খারাপ?? যদি আসলেই গুরুতর সমস্যা থেকে থাকে তাহলে উত্তর দিতে বলাটা আমাদের অনুচিত হবে। কিন্তু যদি সুযোগ থাকে তাহলে প্লিইইইইইইজ প্লিইইইইইজ প্লিইইইইইজ প্রশ্ন—উত্তর কে বন্ধ করবেন না! আমাদের প্রয়োজন আপনাকে। তথ্য ভিত্তিক প্রশ্ন ইন্টারনেট থেকে পাওয়া যায় কিন্তু জীবন ভিত্তিক প্রশ্নগুলো ন। গুগলের সার্চ বাটন তো বুঝবেই না! আর আপনি বলেছেন খুব বেশি কেউ প্রশ্ন করে না, কিন্তু এটা তো আসলে ভালোই আপনার জন্য। অনেক অনেক প্রশ্ন হলে ঝামেলা ছিল, যেহেতু প্রশ্ন সংখ্যা কম তাই আপনি কম সময় ব্যয়েই উত্তরগুলো দিতে পারছেন। তাই আপনাকে অনুরোধ করব প্রশ্ন—উত্তর বন্ধ করে দেওয়ার আগে প্লিজ একটু ভেবে দেখবেন আমাদের কথা। আপনার হয়তো দরকার নেই কিন্তু আমাদের জন্য আসলেই অপ্রয়োজনীয় কিনা আমাদের দিক থেকে একটু ভাববেন। আপনার চোখের জন্য দোয়া রইল। লাইবা,ঢাকা।
উত্তর: কেন? মন খারাপ হয়েছে কেন? না— আমার চোখের কোন সমস্যা নেই শুধু কম্পিউটার স্ক্রিন দেখলে বিরক্ত লাগে!

প্রশ্ন: Sir, I hate my parents to guts. They are toxic and selfish, my father is a pure narcist, and my mother is useless, she lets him be in fear of retaliation. Up until now, I have followed them thinking they want the best for me. Because of that, I never got along with people. I became as toxic as they are. Now I want to change myself. and I need to help myself as soon as I can. how do I know I am following the right path? ***, class 9, dhaka. PS: Why do people like poems? What’s their speciality?
উত্তর: তোমার লেখাটি তোমার বাবা-মায়ের জন্য খুবই কঠিন হয়ে গেল। এই বয়সে বাবা মায়ের সাথে একজনের দূরত্ব হয়, সেরকম কিছু হয়নি তো? তবে তোমার একটা কথা সত্যি তোমার জীবনটা তোমাকেই তৈরি করতে হবে— সেটার জন্য কাজ করতে হবে।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি বলেছিলেন ব্ল্যাক হোলের বইটিতে আমি না দেখার আলো কত প্রকার সে সম্পর্কে জানতে পারবো। কিন্তু সেখানে না দেখার আলো সম্পর্কে কিছুই নেই।প্লিজ আপনি কি আমাকে না দেখার আলো কত প্রকার তা একটু বলবেন? অভ্রনীল দাশ মুগ্ধ ঠিকানা:বাড়ি নং—৭১২/১৭,রোড—১০, ফজর আলি গার্ডেন,বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি, আদাবর, ঢাকা। বিদ্যালয়:মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শ্রেণী:চতুর্থ শ্রেণী
উত্তর: বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় একটা ছবিতে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাথে সাথে আলোর বিভিন্ন নাম দেওয়া আছে। এখানে আমি এক লাইনে কিছু একটা উত্তর না দিলাম। নেটে সার্চ দাও দেখবে কত সুন্দর করে লেখা আছে।

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম, আমার খুব জানার ইচ্ছা— যাদের চশমা থাকে তাদের বেশিরভাগই কেন ছবি তোলার সময় বা যেকোনো সময় চশমার ফাঁক দিয়ে বা উপরের দিক থেকে তাকায়? (এর মধ্যে আপনিও আছেন)— আদনান,সিলেট
উত্তর: অন্যদের কথা জানি না, আমারটা বলতে পারি। বেশিরভাগ সময়ে চশমার পাওয়ার ভুল, না হয় লেন্স ময়লা— ভেতর দিয়ে তাকালে ঝাপসা দেখি তাই উপর উপর দিয়ে দেখি।

প্রশ্ন: class 7 e pore emon student er dine koto ghonta pora uchit? momo, bd
উত্তর: ক্লাস সেভেনের বই এত সোজা— করতে তো সময় লাগার কথা না।

প্রশ্ন: প্রশ্ন উত্তর দেওয়া বন্ধ করবেন কেন!! তাহলে আমরা আপনার সাথে কথা কিভাবে বলব!আপনাকে তো ফেইসবুক টুইটার কোথাও পাওয়া যায় নাহ! আর গেলেই বাহ কি আপনি তো আর সবার ইনবক্স ঘেটে উত্তর দিবেন নাহ।প্লিজ স্যার বন্ধ করবেন নাহ! স্যার এই ভিডিও কলের যুগে আপনার এই ওয়েব সাইটটা থাকায় আমরা অনেকটা প্রাচীন চিঠি আদান প্রদানের স্বাদ পাচ্ছি। আগের দিনের চিঠি লিখলে অপর পক্ষ যেমন অনেক দেরিতে পায় এবং রিপ্লেও অনেক দেরি আসতো।একটা অপেক্ষা আকুলতা কাজ করতো(শোনা কথা) আপনাকে প্রশ্ন লেখার পর কবে উত্তর পাবো কবে উত্তর —সেই রকম একটা আকুলতা কাজ করে।আপনি হয়ত প্রশ্ন সাথে সাথেই পান আমরা কিন্তু সেই চিঠির উত্তরের মতো, উত্তর দেরিতে পাই।ফলে এটা একটা চিঠি চিঠি ফিল আনে।আর চিঠি লেখা হতো কলমে আর এখানে লিখি কিবোর্ড এ —এই যা পার্থক্য। যদি ব্যাপার টা দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানোর মতো।তারপরও আমার মনে হয় এই প্রশ্ন উত্তরের মাঝে আপনি একটা বিলুপ্ত ব্যাপারকে টিকিয়ে রেখেছেন। প্রশ্ন করার অনেকে ওয়েব সাইট কিন্তু উত্তর পাব এমন একটা বিশ্বাস একমাত্র আপনাকেই করি।প্লিজ স্যার বন্ধ করবেন না।আমাদের মতো বাচ্চাকাচ্চাদের প্রশ্নের উত্তর এত সিরিয়াস লি কেউ দেয় না আর যারা দেন তারা এত এত এত সিরিয়াসলি দেন যে আমরা সেটা বুঝিই না! আর কোনো লেখক আমাদের মতো বাচ্চাদের পাত্তা দেবেন বলে মনে হয় না! আপনি তো শুধু লেখকই নন একজন শিক্ষিকও আমাদের।আর প্রশ্ন করে বেশ প্রশস্তি পাই যে উত্তর যাই আসুক সেটা মঙ্গলজনকই হবে।প্লিজ স্যার বন্ধ করবে না।স্যার আপনি এমন করবেন না।করলে আমরা কান্নাকাটি শুরু করব কিন্তু! বন্ধ করে কি করবেন শুনি!সারা মাসের মাঝে মাত্রা কয়েক ঘন্টা আমাদের জন্য বরাদ্দ রাখলে কি হয়! প্লিজ প্লিজ প্লিজ স্যার বন্ধ করবেন না। বিত্ত রহমান
উত্তর: এভাবে বললে তো আর এখনই এটা বন্ধ করতে পারি না। ঠিক আছে থাকুক আরো কিছুদিন!

প্রশ্ন: স্যার, আপনি কি আমাকে গণিত শেখার জন্য ক্লাসিক কিছু বইয়ের নাম বলে দিবেন প্লিজ?আমি এখন ক্লাস টেন—এ। কিন্তু পাঠ্যবইয়ের বাইরের গণিত খুব একটা পারি না।স্যার আমি গণিতের অধ্যাপক হতে চাই। স্মরণ, শেরপুর।
উত্তর: গণিত অলিম্পিয়াডের ওয়েবসাইটের ঢুঁ মারো। সেখানে অনেক গুছিয়ে এই কাজটা করা আছে। সহজ একটা উপায় হচ্ছে O level এর গণিতের বই— যথেষ্ট ভালো। pure math টা খুবই চমৎকার!

প্রশ্ন: Oh my God !! আপনি আমার ২টা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ! সাথে একটা অটোগ্রাফ ! আমার বিশ্বাস হচ্ছে না ! মনে হচ্ছে এখনি হার্টফেল করব আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর,ঠাকুরগাঁও
উত্তর: আস্তে আস্তে বল— কেউ যেনো শুনতে না পায়। আমার একটা করে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথা— দুইটা দিয়ে ফেলেছি।

প্রশ্ন: স্যার, PhD করতে, ক্যালটেক/বেলে আপনি যতটা effort দিয়েছিলেন সেই effort টুকু দিতে কি আপনাকে অনুপ্রাণিত করত? আসলে আমিও ৯০% মানুষের দলেই। স্বপ্ন দেখি, কোন কোন ক্ষেত্রে কিছুটা চেষ্টাও করি সেটা পূরণ করতে। কিন্তু হোঁচট খেলেই মনে হয়, আরেহ এর চেয়ে সহজ পথ তো আছে জীবন চালানোর। একসময় অনেক বই পড়া হতো, লেখালেখিও শুরু করে দিলাম। একটা বইও প্রকাশিত হলো। কেন যেন থেমে গেল! নতুন কিছু লেখা হয়েই উঠছে না! খানিক শুরু করলেও একসময় থেমে যাই, আগ্রহ হারিয়ে ফেলি।
… … … … … … …
মোটিভেশনাল স্পিচ ধাঁচের অনেকের অনেক কিছু শুনেছি। কাজ হয় না। আপনার কাছ থেকে পরামর্শ চাই। বিশ্বাস করি আপনি হয়তো, “ছু মন্তর ছু” ধরনের কিছু বলে দিবেন, আর যাদুর মতো বদলে যাবো আমি।(সহজ সরল ভাষায় মনের কথা বলে ফেললাম, বানান ভুল মাফ করে দিয়েন স্যার) পূনশ্চঃ দেখলাম আপনি ভাবছেন, প্রশ্ন/উত্তর বন্ধ করার কথা। এই প্রশ্ন/উত্তর ব্যাপারটা আমার খুব ভালো লাগে। চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হলে অন্যদের মতোই আমিও খুব খুশি হব। Microsoft Editor extension টা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। বানান নিয়ে খুব একটা চিন্তা করতে হবে না। ধন্যবাদ, স্যার। ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন। অর্ক, উইনিপেগ, কানাডা।
উত্তর: তোমার সবকিছু বুঝতে পেরেছি শুধুমাত্র CSE PHYSICS ছেড়ে ফাইন্যান্স পড়াটা বুঝতে পারিনি। যদি শুধু সহজে চাকরি পাওয়ার জন্য তুমি শখের পড়া ছেড়ে দিতে পারো তাহলে বুঝতে হবে আসলে তোমার শখ খাঁটি ছিল না! আগে তোমার খাঁটি শখ খুঁজে বের করো— তখন সবকিছু সহজ হয়ে যাবে।

প্রশ্ন: Sir bhalo achen?Sir apnar website —e notun golpo dien to.Ghore boshe bhalo lage na! Name:Bivore.Rainbow School.Jhiltuly,Faridpur
উত্তর: গল্প দিতে হলে তো আগে লিখতে হবে! দেখি টুনটুনির কিছু গল্প লিখতে পারি কিনা তখন দিতে থাকব!

প্রশ্ন: আপনি কি “ব্যোমকেশ সমগ্র”(লেখক—শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়)বইটি পড়েছেন ? শ্রুতি, সিলেট ।
উত্তর: এগুলো তো আমাদের সময়ের লেখা, পড়ে পড়ে বড় হয়েছি! তুমি কোথা থেকে জানলে?

প্রশ্ন: আসসালামুয়ালাইকুম স্যার আমি রায়না ঢাকায় থাকি।আমি আপনার লেখা অনেক বই পড়েছি।যে সিরিজটি আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় তা হলো ছোটাচচু ও টুনটুনি। স্যার যদি সিরিজের পরের অংশ লিখতেন তাহলে অনেক ভালো লাগত
উত্তর: আমি কখনো চিন্তা করিনি আমার টুনটুনির গল্প গুলোকে একদিন সিরিজ বলা হবে। যাই হোক সিরিজ পরিচয় যখন পেয়েই গেছে কি আর করা! দেখি লিখতে পারি কিনা!

প্রশ্ন: নমস্কার স্যার । আমি একজন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী । আমার আপনার লেখা বই পড়তে এবং প্রোগ্রামিং করতে খুবই ভালো লাগে। স্যার আপনার লেখা শর্টকাট প্রোগ্রামিং বইটি পড়ে আমার খুব ভালো লেগেছে । প্রোগ্রামিং বিষয়ক আরও বই লেখার অনুরোধ রইল । ধন্যবাদ । নবনিতা সরকার মেধা , নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: আমি শুনে খুব খুশি হলাম যে তুমি মাত্র ক্লাস সিক্সে পড় এবং আমার শর্টকাট প্রোগ্রামিং বইটা পড়ে ফেলেছ। শুধু তাই না তোমার প্রোগ্রামিং করতে ভালো লাগে। কি অসাধারণ! শর্টকাট প্রোগ্রামিং বইটা পড়ে নিশ্চয়ই তুমি বুঝতে পেরেছ আমি আসলে সত্যিকার প্রোগ্রামার না। আমি সবাইকে ফাঁকিবাজি প্রোগ্রামিং শেখাই। আমার মনে হয় আমার প্রোগ্রামিং এর উপর আরো বই লেখা ঠিক হবে না। আসল প্রোগ্রামাররা আমার মাথা চিবিয়ে খেয়ে ফেলবে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলায়কুম স্যার, আমি আগে আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম, আপনি কোনো কারণে উত্তর দেননি, উত্তরটা পরে ইন্টারনেটে খুঁজে পেয়েছি। আমি আজ আপনার লেখ ‘নিউরনে আলোড়ন’ বইটির সবগুলো সমস্যার সমাধান শেষ করতে পেরেছি, কারো সাহায্য ছাড়াই। ৮ মাস ১৬ দিন আগে আমি ব‌ইটি সমাধান করব বলে শপথ করেছিলাম, আজ কি যে ভালো লাগছে স্যার! এজন্য কি আমি পুরষ্কার হিসেবে আপনার অটোগ্রাফ পেতে পারি? নাম : মাজুজা বিনতি নূন ১০ম শ্রেণি, বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল, বগুড়া।
উত্তর: অবশ্যই তুমি একটা পুরস্কার পেতে পার। সবগুলো প্রশ্নের সমাধান করা একটা অসাধারণ ব্যাপার, তোমাকে অটোগ্রাফ থেকে ভালো পুরস্কার দেওয়া উচিত। তোমার কি গণিতের জন্য একটা তীব্র ভালোবাসার জন্ম হয়েছে—যেটা আমাদের আসল উদ্দেশ্য!

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার, সাধারণ কোনো মানুষ আর একজন বিজ্ঞানীর মাঝে পার্থক্য ঠিক কোন জায়গায়।তারা কীভাবে ভাবে?সেটা আমরা পারিনা কেন।এটা কী সবসময় গড গিফটেড টাইপের নাকি নিজ চেষ্টাতেও বিজ্ঞানী হওয়া যায়। স্যার, আপনার অটোগ্রাফ পেতে পারি! মেহেরুন,রংপুর।
উত্তর: বিজ্ঞানী আর সাধারন মানুষের মাঝে বড় কোন পার্থক্য নাই। বিজ্ঞানী হতে হলে সব কিছু যাচাই করে বশ্বাস করতে হয়। যাচাই করার উপায়ও আছে, সেগুলো হতে পারে যুক্তিতর্ক, পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা পর্যবেক্ষণ। “কেউ একজন বলেছে সে জন্য মেনে নিলাম” এটা বৈজ্ঞানিক এর মত কাজ না। এই যে অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম। আমি এর আগের বার প্রশ্নে লিখেছিলাম আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দেননি কিন্তু এখন দেখছি আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। বেয়াদবি নিবেন না।বেয়াদবি করে থাকলে ক্ষমা করবেন। আমি এই পর্যন্ত এটা সহ ৩ বার আপনাকে এই প্রশ্ন টা করলাম।এর প্রশ্ন: আগে যখন একই কথা লিখেছি তখন নাম ঠিকানা দিতে ভুলে গেছি।স্যার আপনি আমাকে আপনার নিজের হাতে লেখা একটা অটোগ্রাফ আমাকে ছবি তুলে দেবেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ!!!! ইপসিতা নাথ,চট্টগ্রাম।
উত্তর: এই যে আমার নিজের হাতে লেখা অটোগ্রাফ। খুশি? (তোমার মনে কি সন্দেহ আছে যে আমি কাউকে বেতন দিয়ে রেখে দিয়েছি যে আমার হয়ে অটোগ্রাফ দেয়?)

প্রশ্ন: ও নানু, আমাকে নানু বলার এবং একই সাথে তুমি করে বলার অনুমতি দিয়েছো বলে আমি যে কি খুশি হয়েছি কি বলবো। নানু মারা যাওয়ার পর আবার কাউকে নানু বললাম আজ। যাহোক আমি আজ কোনো প্রশ্ন করছি না , শুধু একটা কথা বলি, অনেক দিন থেকেই বলতে চাচ্ছি এটা।আচ্ছা তুমি কি আমাদের জন্য এখানে প্রশ্ন—উত্তরের মতো একটা চিঠিপত্র বিভাগ খুলবে??অবশ্য তোমাকে আমাদের এতো প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়,এটা আমার মোটামুটি বেশ কষ্টকর বলে মনে হয়। তাও বলছি,কারন নানুর কাছে আবদার করতে তো মানা নেই।(এবার বুঝতে পারছো তো নানু বলার অনুমতি দিয়ে কি ভুল করেছো!!) মিশকাত, লালমনিরহাট
উত্তর: মনে করো এটাই তোমার চিঠিপত্র বিভাগ! তোমরা যেটা লিখ সেটা হচ্ছে চিঠি আর আমি যেটা লিখি সেটা হচ্ছে পত্র! দুইয়ে মিলে চিঠিপত্র।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি এই ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছেন। আমারও ধারণা সেটা ভালো বৈ খারাপ হবে না। একটা জিনিসের ভালো খারাপ দুটো দিকই থাকে। সেটা একজন কিভাবে ব্যবহার করছে তার উপর নির্ভর করে এর ফলাফল। তবে ভালো কিছুর জন্য নিজের উপর নিয়ন্ত্রন থাকাটা সবসময়ই খুব দরকার যেটা আজকালকার ছেলেমেয়েদের মাঝে একটু কমতি আছে বলেই মনে হয়! আপনারও বোধ হয় একটু সমস্যা হচ্ছে । যাই হোক, বন্ধই করে দিন এই টা। একটু খারাপ তো লাগছেই, মায়া পড়ে গেছে যে।কিন্তু কী আর করা!বৃহত্তর ভালোর খাতিরে এইটুকু ত্যাগ তো করা যেতেই পারে, তাই না? তবে এক কাজ কিন্তু করা যায়। আমরা চিঠি লিখতে পারি! আপনি এক কাজ করুন। একটা ঠিকানা এখানে লিখে দিন যাতে আমরা লিখতে পারি। কেমন হয় বলুন তো? আচ্ছা যাই হোক। আমাদের কলেজে একটি বকুল ফুলের গাছ আছে। মাঝারি গাছটা চারদিকে চমৎকার করে বাঁধাই করা। খুব সুন্দর গন্ধ গাছের নিচটাতে। ফুল ধরেছে কিনা! সেই বকুল ফুলের অনেজ অনেক শুভেচ্ছা আপনার জন্য। সাদিয়া—ঈ— জান্নাত, জামাল্পুর।
উত্তর: চমৎকার! তোমার মত আরো কয়েকজন বললেই এটা কোনো অপরাধ বোধ ছাড়াই বন্ধ করে দেওয়া যাবে। তবে এখানে উত্তর না দিয়ে যদি ই মেইলে একই জিনিস লিখতে হয় তাহলে পার্থক্য কি হলো বুঝতে পারলাম না। তোমাদের কলেজ তো বন্ধ— সেখানে গাছে ফুল ধরেছে কেমন করে জানতে পারলে?

প্রশ্ন: স্যার, আমার বই পড়তে ততেটা ভালো লাগতো না আজ দুপুর পর্যন্ত।আমি কয়েকদিনের জন্য আমার ছোট বোনের বাসায় বেড়াতে এসেছি। হৃদিতা(আমার ছোট বোনটা) আপনার অনেক বড় পাগল ভক্ত।ও আজ জোড় করে আমাকে আপনার লেখা “আমি তপু”বইটা পরতে দিয়েছে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ওর জোড়াজুড়ি তে বইটা পড়েছি।বইটা যে কি ভালো লেগেছে কি বলবো।আমি সত্যি আপনার ভক্ত হয়ে গেছি বইটা পড়ে।আমি এখন আর আগের মতো সময় নস্ট না করে বেশি বেশি করে বই পড়বো। শেখ ফারিসা তাছনিম স্নেহা,
উত্তর: তুমি এখন থেকে বই পড়বে শুনে খুব খুশি হলাম। আমার বই পড়েই তুমি মুগ্ধ হয়েছে আর আমি হচ্ছি একেবারেই সাধাসিধে লেখক। তার মানে চিন্তা কর, পৃথিবীতে আরো কত অসাধারণ লেখকের  কত অবিশ্বাস্য সুন্দর সব বই আছে!

প্রশ্ন: স্যার আমি এই ওয়েবসাইটের ছবিগুলো দেখছিলাম।ওখানে আপনি শূকুরের পেটের চর্বিদিয়ে তৈরি ভাস্কর্যের ছবি দিয়ে বলেছেন যে ওটা কেন বিখ্যাত তা বলা যাবে না।প্লিজ বলুন না ওটা কেন বিখ্যাত???প্লিজ প্লিজ ফারিসা তাসনিম স্নেহা,cpscl, মহেন্দ্রনগর,লালমনিরহাট
উত্তর: আমি ঠিক করে ক্যাপশনটা লিখতে পারিনি— আমি বুঝিয়েছিলাম এই অতি সাধারন এক টুকরা পাথরকে নিয়ে মাতামাতি করার কি আছে আমি জানি না— আমার কাছে জানতে চেও না।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার অধিকাংশ বইয়ে গল্পটা যে বলে তার নাম ইবু বা টোপন কেন হয়? নাম: অনন্ত আহমেদ
উত্তর: তার কারণ আমার ভেতরে সৃজনশীল মালমশলা খুবই কম! ভালো নাম খুঁজে বের করার ক্ষমতা নেই! একটা পছন্দ হলে সেটাই বারবার ব্যবহার করতে থাকি!

প্রশ্ন: Sir, I am Ananto. I from class 6.I am your big fan. I almost read your all books. I want to meet you .But how will i meet you? Ananto Ahmed, Dhaka
উত্তর: করোনাকে একটু নিয়ন্ত্রণের মাঝে আসতে দাও, তখন তোমাদের সাথে অবশ্যই দেখা হবে।

প্রশ্ন: আমার নাম সিয়াম আমি বগুড়া থেকে লিখছি স্যার। আমার খুব ইচ্ছে আমি যেন কোন বিষয় সম্পর্কে সুন্দর ভাবে লিখতে বা বলতে পারি।অনেক কেই দেখি কোনো বিষয় সম্পর্কে যথেষ্ট না যেনেও সুন্দর সৃজনশীল মানসম্মত শব্দ এবং বাক্যের মাধ্যমে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে। কিন্তু আমার মধ্যে লেখার জন্য বা বলার জন্য যে সুন্দর সৃজনশীল ভাবের দরকার সেটাই আসেনা। একটা বিষয়ে পরিপূর্ণ জেনেও সেই বিষয়ে সুন্দর ভাবে লিখতে বা বলতে পারি না। এমনকি আমি যদি আমার পড়ার টেবিল কিংবা ঘর সম্পর্কে লিখি তাহলেও আমার লেখা টা নিম্নমানের / সাধারন মানের হয়।স্যার, আমি আসলে কোনো বই লেখা বা বক্তব্য দেয়ার দক্ষতার কথা বলছি না। আমি সাধারন কোন বষয়ে বর্ণনা বা আমার র কোনো চাওয়া পাওয়া সুন্দরভাবে তুলে ধরার দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাচ্ছি। স্যার, কোন বিষয় সম্পর্কে সুন্দরভাবে লেখার জন্য যে সুন্দর মানসম্মত কল্পনার বা ভাবের দরকার হয় সেটাই আমার মনের মধ্যে আসেনা। এই একই কারণে আমি মানুষের সাথে ভালো ভাবে মিশতে পারি না। মানুষের সাথে কথা বলার সময় মানসম্মত কথা বলতে পারি না। আমার কল্পাতে শুধু একই ধরনের কথাই আসে।নতুন সৃজনশীল কথা খুব একটা কল্পনাতে আসেনা। এমনকি স্যার, আমি ছোট বচ্চাদের সাথেও ভালো করে কথা বলতে পারি না। তাদের সাথে খেলার সময় একই কথা বার বার বলি কারন নতুন কথা আমার মনে আসে না। মাঝে মাঝে আমার খুব খারাপ লাগে। এমন অবস্থায় আমি কি করতে পারি? আমার আর একটা প্রশ্ন আছে, স্যার আমি গনিত খুব ভালোবাসি, কিন্তু নতুন ধরনের কোনো সমস্যা আসলে সেটা সমধান করতে পারি না। মূলত নিয়ম মুখস্ত করার মাধ্যমেই অংক করি। কিন্তু আমি এই অবস্থা থেকে বের হয়ে সত্যি কারের গনিত শিখতে চাই। কিন্তু স্যার এই কাজটা কি ভাবে সম্ভব?স্যার দয়া করে আমার প্রশ্ন দুটোর উত্তর দিয়েন,প্লিজ প্লিজ। অনেক আশা নিয়ে প্রশ্ন গুলো করলাম।
উত্তর: আমার মনে হয় কোন একটা কারনে তুমি সব সময় আগে থেকে শেখা একটা জিনিস লিখে অভ্যাস করে ফেলেছ, এইজন্য নতুন জিনিস গুছিয়ে লিখতে একটু সমস্যা হচ্ছে। তুমি যেহেতু এটাকে সমস্যা মনে করছো নিজেই এখন থেকে বের হওয়ার চেষ্টা কর। তুমি বিচিত্র অস্বাভাবিক কিছু জিনিস লেখার চেষ্টা কর, আমি কয়েকটা topic দেই, নিউটনের একটা ল্যাপটপ থাকলে তিনি কি করতেন, মানুষের তিন নম্বর একটা চোখ থাকলে সেটা কোথায় থাকা দরকার এবং কেন, মানুষের লেজ থাকলে ফ্যাশন কিরকম হত— ইত্যাদি ইত্যাদি! তাহলে নিজে বানিয়ে বানিয়ে না লিখে তোমার উপায় থাকবে না! আর প্লিজ প্লিজ প্লিজ অংক করার সময় নিয়ম ভুলে যাও— যে অংক আগে কখনো করোনি সেই অংক নিজের মতো করে বের করার চেষ্টা কর।

প্রশ্ন: স্যার আমি জানি না লেখাটি আপনি দেখবেন কী না এবং দেখলেও উত্তরে কিছু একটা লিখবেন কী না!! আজ আমি অনেক খুশি কারণ আমি আজ বই পড়ায় Half Century করেছি।আমি আপনার লেখা ৫০ টি বই দুই মাসের ভিতরে শেষ করেছি। ( আপনি যেন ভাববেন না যে আমি সারাদিন শুধু বই পড়েছি।সব কাজ করে বই পড়েছি, কিন্তু একটু বেশি) স্যার আপনি কিন্তু আমার আগের লেখায় বলেননি যে আমি কীভাবে আপনার সাথে দেখা করতে পারি!! আশা করি বলবেন। আর আপনার শরীর ভালো আছে তো?? নুঝহাত,টাঙ্গাইল।
উত্তর: করোনাকে একটু কমতে দাও তখন নিশ্চয়ই দেখা হবে। আমার লেখা পঞ্চাশটি বই দুই মাসে শেষ করেছ শুনে খুব খুশি হয়েছি! শুধু আমার বই পড়লে কোনদিন বড় হবে না— তাই এখন অন্যদের বই পড়া শুরু কর।

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার, তেজস্ক্রীয় পরমাণু তো তৈরী করা যায়।সেক্ষেত্রে ফিশন বিক্রিয়াকে উল্টিয়ে পরামণুকে আগের মতো স্থিতিশীল অবস্থায় আনা যায় কী? স্যার আপনার অটোগ্রাফ পেতে পারি?প্লিজ…মেহেরুন,রংপুর।
উত্তর: ফিউশন হচ্ছে ফিশনের উল্টো। নিউক্লিয়াস না ভেঙ্গে জোড়া দেওয়া! শক্তির হিসেব মিলাতে পারলে সবই সম্ভব। দিয়েছি অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: স্যার, আমার এটেনশনস্প্যান অনেক কম৷ ননফিকশন এক প্যারা পড়তে না পড়তে আমি কোথা থেকে যে কোথায় চলে যাই নিজেও বুঝতে পারি না৷ জোর করে মনযোগ দেওয়ার চেষ্টা করলে বইটই রেখে উঠে যেতে ইচ্ছা করে৷ কখনো শুধুমাত্র একটা কাজ নিয়ে থাকতে পারি নাহ৷ এডিএইচডি খুব সম্ভবত৷ উল্লেখ্য একবার ডাক্তার দেখিয়েছি৷ ওই ওষুধে কিছু হয় নাই৷ আমি কী করতে পারি? অর্নব গাঙ্গুলি, সিলেট৷
উত্তর: এত সহজে এডিএইচডি বলে ফেল যে আমার খুব অবাক লাগে। এটেনশান স্প্যান কম হওয়ার বিষয়টি এখন সবার মাঝে। এর কারণ হচ্ছে ভয়াবহ সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। ফেসবুক না করে এক সপ্তাহ কাটাতে পারবে?

প্রশ্ন: স্যার, আশা করি ভালো আছেন। স্যার আমি আপনার কাছে চিঠি লিখতে চাই। কিন্তু আপনার ঠিকানা জানি না।আমি আপনার ওয়েবসাইটটি থেকে আপনার একটি ইমেইল এড্রেস পেয়েছি।আমি ইংরেজি ভালো পারি না, তাই ইমেইলও করতে পারছি না।আমার বন্ধুরা সবাই একজন অন্য জনের কাছে ইমেইল পাঠায়, শুধু আমি বাদে।স্যার, আমি এখন কীভাবে ইংরেজি শিখবো।(আমি ইংরেজি পারি কিন্তু গুছিয়ে ঠিক লিখতে পারি না)আশা করি কোনো পরামর্শ থাকলে দিবেন। মুবতাসিম, রাজবাড়ী। ( পরিচয় গোপন রাখবেন)
উত্তর: শোনো, কেউ যদি ঠিকভাবে ইংরেজি লিখতে না পারে তাতে লজ্জার কিছু নেই, ঠিকভাবে বাংলা না লিখতে পারলে একটু লজ্জা পাওয়া ঠিক আছে। ইংরেজি তোমার ভাষা না—কাজেই একটু কষ্ট করে শিখতে হবে। ইংরেজি শেখা কঠিন কিছু নয়— ইংরেজি বই পড়। যত পড়বে তত শিখবে। তা ছাড়া বাংলায় ই মেইল পাঠালে সমস্যা কি?

প্রশ্ন: স্যার, আপনি কি ম্যাজিক করতে পারেন…?? হুমায়ূন আহমেদ স্যার তো খুব ভাল ম্যাজিক করতে পারেন… নুহা, মগবাজার, ঢাকা।স্যার, আপনার জীবনে ঘটা একটি মজার ঘটনা বলুন প্লিজ… নুহা,মগবাজার ঢাকা
উত্তর: ম্যাজিকের অর্ধেকটা জানি। যেমন একটা ম্যাজিক আছে একটা হাতঘড়িকে রুমালে বেঁধে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুড়ো করে ফেলা হয়। তারপর ছুঃ মন্তর ছুঃ বললেই গুড়ো হয়ে যাওয়া ঘড়িটা জোড়া লেগে ঠিক হয়ে যায়। আমি এখন পর্যন্ত শুধু গুড়ো করতে পারি— জোড়া লাগাতে পারি না। (মজার গল্প বলা যায় মজা করে, কিন্তু লিখলে কেমন জানি ন্যাক ন্যাকা লাগে!)

প্রশ্ন: আস্সালামু ওয়া লাইকুম স্যার। আমি ইশরাক। বনশ্রী, ঢাকা থেকে। কথায় আছে “Early to bed and early to rise, makes a man healthy,wealthy and wise” কিন্তু আবার অনেক সাফল্য ব্যাক্তিদের মুখে বলতে শুনি তাঁরা রাত জেগে লেখা পড়াশোনা করতেন। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কি?
উত্তর: কথায় থাকলেই সেটা সত্যি হবে কে বলেছে? আমরা যদি বলি Late to bed and Late to rise, makes a man smart, strong and nice তাহলে তুমি কি করবে? (আমার ঘুমাতে অনেক দেরি হয়— তাতে সমস্যা কি?)

প্রশ্ন: এটা কি হলো, স্যার!!স্কুলের নাম পথচারী বইটা পুরোপুরি বানানো! আমি তো সবটা বিশ্বাস করে বসে আছি ! কয়েক দিন আগে ভাবলাম যে,আপনাকে বলবো পথচারী স্কুলের সবার একসাথে তোলা যে ছবিটার কথা বইয়ে বলেছেন সেটা আমাকে দেখাতে! আর এখন এই কথা বলছেন! ইফফাত ,গাইবান্ধা
উত্তর: আমি এতই আজব একটা কাহিনী লিখেছিলাম যে ভেবেছিলাম সবাই নিশ্চয়ই বুঝতে পারবে এটা বাস্তবে সম্ভব না, নিশ্চয়ই বানানো। কিন্তু বুঝতে পারছি মানুষজন আমার আজব কাহিনী থেকেও আজব ঘটনা দেখে অভ্যস্ত!

প্রশ্ন: Sir apnar likha Ami topu book ta onek valo legeche eta ekta book series er moto kore felen na tuntuni r chotachu er moto. (Sir amar ei ekta request rakhen please Ami r apnar kache theke jibone r kichu chaibo na) Aniqa Tasnim. Class six , viqarunnisa Noon School and College , Bashundhara R/A , Dhaka
উত্তর: তার চাইতে তুমি তপুর ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে কিছু একটা কল্পনা করে নাও প্লিজ! এই বইয়ের দ্বিতীয় খণ্ড লেখার ক্ষমতা আমার নাই। (একটা বই তোমাদের ভালো লাগলে তার সিরিজ কেন চাও কিছুতেই বুঝতে পারছি না?)

প্রশ্ন: Assalamualaikum sir. Sir ami ekta uponnash likhechi, ekhon ami eta apnake dekhate chai. Kibhabe dekhate pari? Istiaq Arefin Chowdhur 10 , College Street ground floor, Dhaka-1205
উত্তর: চমৎকার! ধারণা করছি লিখেছ বাংলায় এবং কম্পিউটারে। তাহলে আমার কাছে ইংরেজি অক্ষরে বাংলা কেন লিখেছ? আমার কাছে অনেকে তাদের লেখা পাঠায় আমি কারো মন খারাপ করতে চাই না বলে সব সময় বলি, খুব চমৎকার হয়েছে! তাছাড়া আমার নিজের এতকিছু পড়ার আছে যে ফরমায়েশি কিছু পড়ার সময় পাই না। তুমি যদি ভাল লিখে থাকো নিজেই বুঝতে পারবে।

প্রশ্ন: আপনি যে একসময় ‘গণকণ্ঠ’ পত্রিকায় ‘মহাকাশে মহাত্রাস’ নামে একটি কার্টুন স্ট্রিপ এঁকেছিলেন, সেটা কি কমিক আকারে কোথাও প্রকাশিত হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তবে কি সেটা প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া যায়? সাগর শর্মা, খুলনা
উত্তর: না, আমি তার কপি রাখিনি! ছেলেমানুষি কমিক স্ট্রিপ দেখার মত কিছু নয়! তবে আমার মনে হয় সেই সময়কার ওটা ছিল প্রথম বাংলা কমিক স্ট্রিপ! (তখন মাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে, টাকা পয়সার ভয়ংকর অভাব, টাকা রোজগারের জন্য এরকম কত কাজ যে করেছি!)

প্রশ্ন: স্যার, আপনাকে আমার অনেক অনেক ভালো লাগে। আমার চ্যানেলে আপনার লেখা একটা কবিতা আবৃত্তি করেছি। আপনি চাইলে দেখে আসতে পারেন স্যার https://youtu.be/bPLa6K14F28 স্যার প্লিজ প্লিজ প্লিজ দেখবেন,,,,, অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক খুশি হবো আর স্যার, আমি যখন বইয়ের বাইরে থেকে স্যারদের ফিজিক্সের কোনো প্রশ্ন করি, তাঁরা রেগে যানআমি আমার প্রশ্নের কোনো উত্তর পাই না, উলটে বকা খাই,,, এটার কি কোনো সমাধান দিতে পারবেন স্যার? — মৃগাঙ্ক বণিক, শ্রীমঙ্গল।
উত্তর: আমি দেখলাম। কি চমৎকার! আমি তো কবিতা ছড়া বলতে গেলে একেবারেই লিখিনা তাই নিজের লেখা কবিতা আবৃত্তি শুনে চমকে উঠেছি। থ্যাংকু! পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর শুনে স্যারদের বকা খাও শুনে খুব মন খারাপ হল। ইন্টারনেটে উত্তর খুঁজে দেখো— বেশিরভাগ সময়ই উত্তর পেয়ে যাবে।

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম। ধরুন নিউটন এবং আইন্সটাইন সাহেব বেচে আছেন। আপনাকে যেকোনো একজনের সাথে দেখা করতে হবে।তাহলে আপনি কার সাথে দেখা করবেন?কেন?(কোনোভাবেই দুজনের সনগে দেখা করা যাবে না)—আদনান, সিলেট
উত্তর: তারা নিশ্চয়ই খুবই ব্যস্ত মানুষ— দেখা করে তাদের সময় নষ্ট করা কি উচিৎ হবে? তাছাড়া একজন যদি জানতে পারেন আমি তাঁর সাথে দেখা করতে চাই নাই তিনি মন খারাপ করতে পারেন। এত বড় মানুষদের মন খারাপ করানো কি ঠিক হবে?

প্রশ্ন: হায় হায় স্যার এটা কী করলেন! আপনি আমাকে যে অটোগ্রাফ দিয়েছেন সেটাতে আমার নামটা ভুল লিখেছেন! আফরিদাহ আহসান না লিখে লিখেছেন আফরিদাহ হাসান! (আমি মাত্র কয়েকদিন আগে এটা আবিষ্কার করলাম) শেষে আপনিও আমার নামটা ভুল করলেন?! (অবশ্য আপনাকে দোষ দেওয়া যায়না, আমার নামটাই এতো খটমটে) এইবার ঠিক করে একটা অটোগ্রাফ দেবেন! নাহলে আপনাকে বিরক্ত করতে থাকবো। “আফরিদাহ আহসান” ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: ভুল বানানের অটোগ্রাফটা রেখে দাও— লোকজনকে দেখিয়ে বলতে পারবে “এই মানুষটা একটা নাম পর্যন্ত ঠিক করে লিখতে পারে না। (নাও আর একটা অটোগ্রাফ —কে জানে এবারে কি ভুল করেছি!)

প্রশ্ন: স্যার !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! কনগ্রাচুলেশন !!!! (কাকে দিচ্ছি জানি না!) উফফফফ! অবশেষে স্কুল খুলেই দিল! হায় আল্লাহ্! আমি কি বেঁচে আছি স্যার ??? উফফফ! এটা সত্যিই ঘটেছে!! আআআআআআআআআআ! আমি খুব খুব খুব খুব খুব…… (অসীম) খুশি! সাবা, ঢাকা
উত্তর: হায় হায়! পৃথিবীটার কি সর্বনাশ হয়ে গেল! এখন বাচ্চারা স্কুল খুললে খুশি হয়! এটা কিভাবে সম্ভব?

প্রশ্ন: Mentor, আমি যখন ছোটো ছিলাম তখন আমার কোন ধরনের বই পড়তেই ভালো লাগত না, বই মানেই দুই চক্ষের বিষ ছিলো। তারপর আমি কেন জানি “রাতুলের রাত রাতুলের দিন” বইটি পড়লাম, বইটি এত ভালো লাগল, যে তখন থেকে আমি গল্পের বই পড়া শুরু করি। তখন আমার বয়স ছিলো 9 বছর, এখন ১৩. 1.সার আপনি কি সৈয়দ মুজতবা আলীর শবনম বইটি পড়কছেন? কেমন লেগেছে? 2. মানুষ কবিতা কেন পরে? কবিতার কি বিশেষত? 3. আমার পড়ালেখা করতে একদমই ভালো লাগে না, জোর করে পড়তে হয়, আমি অপেক্ষা করছি কবে বড় হব, কিন্তু বড় হয়েও তো কাজ করতে হবে, আমাদের নিশ্চয় কাজ করতে ভালো লাগবে না। তাহলে কি চিরজীবনই এভাবে ভালো—না—লাগার ভাব নিয়ে থাকতে হবে? তাহলে জন্মালাম কেন? আমিতো জন্মাতে চাইনি। Laisa, Dhaka.
উত্তর: (১)হ্যাঁ পড়েছি। খুব সুন্দর বই, এই বইটার কারনে আমার সব ভাগ্নি ভাতিজির নাম শবনম। (২) জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলার কবিতা গুলো পড়ে দেখো তো তুমি বুঝতে পারো কিনা কবিতা কেন পড়ে (৩)পড়ালেখা করতে ভালো লাগে সেরকম বাচ্চা কি আছে পৃথিবীতে? কেন আগেই ধরে নিচ্ছ বড় হয়ে তুমি যে কাজ করবে সেটা ভালো লাগবে না? আমি তো অনেক কাজ করেছি জীবনে— ভালো লাগে না সেরকম কাজ তো একেবারও করতে হয় নাই!( তোমার মতন একজন মানুষ এর কথা জানি যে তাকে জন্ম দেওয়ার জন্য মা—বাবার বিরুদ্ধে মামলা করে দিয়েছিল। বড় হয়ে চেষ্টা করতে চাও?)

প্রশ্ন: স্যার, আমার মহাকাশ বিষয়ে পড়তে খুব ভালো লাগে কিন্তু আমাদের পদার্থ বিজ্ঞান ব্ই এ মহাকাশ নিয়ে কোনো অধ্যায় নেই কেন, শুধু কিছু সূত্র ও মহাকাশ এর মহাকর্ষ বিষয় ছাড়া? জিয়াদ হোসেন, খুলনা।
উত্তর: তুমি তোমার পছন্দের বিষয় পাঠ্য বইয়ে পাবে সেটা কেমন করে আশা করলে? পছন্দের বিষয়ে জন্য রাজ্যের বই পড়তে হয়! এর উপরে বইয়ের কি অভাব আছে?

৮ আগস্ট ২০২১

যেহেতু নিয়ম করেছি যে নাম ঠিকানা লিখতে হবে, তাই যারা নাম ঠিকানা লিখনি তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় নি, যদিও অনেক সময় খুব উত্তর দেওয়ার ইচ্ছা করছিল। কেন তোমরা নিজের নাম পরিচয় দিয়ে কথা বলতে চাও না?

প্রশ্ন: আমি মিডিয়ার উপর খুবই বিরক্ত! স্টিভেন ওয়াইনবর্গের মতো একজন বিজ্ঞানী মারা গেলেন , এ নিয়ে কোনো নিউজ হলো না! এ ব্যাপারে আপনার মত কি? – জিসান, গাজীপুর
উত্তর: হা হা হা তুমি ওয়াইনবার্গকে চিনো বলে তোমার ধারণা মিডিয়া ওয়াইনবার্গকে চিনে?

প্রশ্ন: স্যার, সম্মোহন করা মানে কি…? কাউকে কি আসলেই সম্মোহিত করা যায়…?? সম্মোহিত করা গেলে কিভাবে করে সেটা….? (আপনি কিন্তু ভয় পাবেন না..!! আমি কিন্তু মোটেও ব্যাংকের লোকদের সম্মোহিত করে ব্যাংক ডাকাতি করার কথা ভাবছি না…!!) আসলে আমি আপনার একটি বই পড়েছিলাম… বইটির নাম ছিল “দানব”… সেখানে সম্মোহন নামে একটি শব্দ উল্লেখ ছিল… তাই আমি কৌতুহল থেকে জিজ্ঞেস করলাম…!! তাছাড়া এই শব্দটি আমি আরো কয়েক জায়গায় দেখেছি… যাই হোক আপনার লেখা “দানব” বইটি অসাধারণ ছিল…!! অসাধারণ থেকেও অসাধারণ ছিল..!! আচ্ছা স্যার, আপনার প্রিয় বিরামচিহ্ন কোনটি…? আমার এটি (!)… মানে বিস্ময় সূচক চিহ্ন… অসাধারণ লাগে আমার এই বিরাম চিহ্ন টি..!! তাই সব জায়গায় খালি এটি ব্যবহার করতে মন চায়…!! (ব্যাপারটি অনেক হাস্যকর হলেও কিন্তু সত্য…!!) নুহা, মগবাজার, ঢাকা…
উত্তর: সম্মোহন নিয়ে আমারও খুব কৌতুহল, বিষয়টি জানার এবং বুঝার জন্য আমি অনেক বই কিনেছি, পড়ার চেষ্টাও করেছি। সম্মোহন করার জন্য কাউকে রাজি করাতে পারিনি বলে বিদ্যা বেশিদূর অগ্রসর হয়নি। তবে বিষয়টা মনে হয় ভূয়া না— খুবই রহস্যজনক। হ্যাঁ, আমারও “!” চিহ্নটি খুবই প্রিয়। যখন তখন ব্যবহার করি বলে গুরুগম্ভীর মানুষেরা আমার উপর খুবই বিরক্ত হয়!

প্রশ্ন: স্যার ,আপ্নার height কত ? ***** ময়মনসিংহ (নাম-ঠিকানা কেটে দিয়েন প্লিজ)
উত্তর: যখন তরতাজা বয়সী ছিলাম তখন পাঁচ ফুট সাড়ে দশ ইঞ্চি ছিল। এখন বয়স হওয়ার পর নিশ্চয়ই একটু কমেছে।

প্রশ্ন: হাসিন, ঢাকা। স্যার আপনার ৫০টি প্রিয় বইয়ের তালিকায় কোনো ভূতের গল্পের বই নেই। তাই আপনাকে জিজ্ঞেস করছি আপনার প্রিয় ভূতের গল্পের লেখক কে?
উত্তর: ঠিকই বলেছ। পরের পঞ্চাশটা বইয়ে ভূতের বইয়ের নাম থাকবে। আমার প্রিয় ভূতের গল্পের লেখক হুমায়ূন আহমেদ—সে অবশ্য তার লেখাকে ভূতের গল্প না বলে অতিপ্রাকৃতিক গল্প বলে।

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আগের প্রশ্নে আমি জানতে চেয়েছিলাম আমি তপু গল্পে তপুদের ক্লাসে ৪৮ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকলে প্রিয়াঙ্কার রোল ৫২ কিভাবে হলো। আপনি বলেছিলেন এর জন্য কিছু একটা ব্যখ্যা বানিয়ে নিতে। তো আমার বানানো ব্যখ্যাটা হচ্ছে – তাদের স্কুলে প্রিয়াঙ্কা যখন ভর্তি হয়েছে তখন তার সাথে আর ও কয়েকজন নতুন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়েছিল, তাদের মধ্যে প্রিয়াঙ্কা ছিল ৪ নম্বর স্টুডেন্ট। এ কারনেই তার রোল নম্বর হয়েছে ৫২।ব্যখ্যাটা কেমন লেগেছে?জানাবেন কিন্তু! শ্রেয়া সাহা, নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: ফ্যান্টাস্টিক! এখন যদি আর কেউ আমার এই ভুলটা নিয়ে প্রশ্ন করে তাহলে এটাই হবে আমার উত্তর। থ্যাংকু শ্রেয়া।

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার,,,আপনি আপনার নামের আগে “ড.” ব্যবহার করেন না কেন????( নাকি শুধু বইয়েই করে না……..)ইলা,,নরসিংদী
উত্তর: এটাতো আমার নাম না! নামের আগে এটা লাগিয়ে ঝামেলা করার দরকার আছে? পরে কেউ না কেউ সর্দি কাশি টাইফয়েডের চিকিৎসার জন্য আমার কাছে চলে আসবে!

প্রশ্ন: Assalamualaikum sir. Sir apnar lekha kishore upponnash “haat kata robin” amar onnek pochonder. Apnar lekha Emon funny,adventurous ekta boi suggest Koren please. Istiaq Arefin Chowdhury. 10,College Street Dhaka-1205
উত্তর: তোমার কোনটা পছন্দ হবে আমি কেমন করে বলি! এই ওয়েবসাইটে বইয়ের তালিকা দেওয়া আছে, সেটা দেখে কোন একটা বেছে নাও প্লিজ!

প্রশ্ন: Sir, assalamualaikum. Sir apni apnar fan der niea akta live zoom meeting Koren please Istiaq Arefin Chowdhury. 10,College Street Dhaka-1205
উত্তর: হা হা হা আমি Zoom এর যন্ত্রণা থেকে বের হতে চাচ্ছি আর তুমি বলছ আমি নিজে সেটা চালু করি? আমি মানুষকে সামনা সামনি দেখতে চাই, স্ক্রিনে নয়। প্লিজ প্লিজ প্লিজ!

প্রশ্ন: স্যার, আপনার ভাই-বোন, মা-বাবা, বন্ধু-বান্ধব, কাজিনরা আপনাকে কি বলে ডাকত…?? মানে… আপনার নামটা অনেক বড় তো জাফর ইকবাল… এটাকে শর্টকাটে কি ডাকতো…?? নুহা, মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: শুধু ইকবাল! (এটা জেনে তুমি কী করবে? তুমি জান, আমাকে নাম ধরে ডাকতে পারে এরকম মানুষ মনে হয় পৃথিবীতে হাতে গোনা অল্প কয়েক জন আছে!)

প্রশ্ন: আমি সাদিক। বাগেরহাট থেকে। স্যার, সূর্য প্রতিমুহূর্তে অকল্পনীয় পরিমান ভর হারাচ্ছে (আর এই হারানো ভরটা আইনস্টাইনের সূত্রমতে শক্তিতে রুপান্তরিত হচ্ছে)। কিন্তু একই সাথে সূর্য নাকি আকার আকৃতিতে বড় হচ্ছে, এইটা কিভাবে সম্ভব? সূর্যের তো আকারে ছোট হওয়ার কথা ছিল….
উত্তর: কেন? সূর্য তো আর ইলিশ মাছ না যে ওজন বেশি হলে সাইজ বড় হতেই হবে। এটা তাপ আর গ্র্যাভিটির একটা গ্যাসীয় equilibrium system!

প্রশ্ন: স্যার,কারেন্টের তার এ বাদুড় মারা যায় কিন্তু পাখি মারা যায় না কেন?স্যার আমি গ্লাসে গরম পানি নিয়ে দেখেছি কিন্তু গ্লাসটা ফাটেনি। কেন এমন হলো? ভুল হলে, ভুলটা কী? জিয়াদ হোসেন, রূপসা,খুলনা
উত্তর: বাদুর মাঝে মাঝে তার দুই পা দিয়ে ইলেক্ট্রিক তার ধরে ফেলে সার্কিট কমপ্লিট করে শরীরের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ফেলে। গ্লাসটা ফাটাতে চাইলে ফ্রিজের ভেতর রেখে একটু ঠান্ডা করে নিয়ে হঠাৎ করে বেশ খানিকটা ফুটন্ত গরম পানি ঢালতে হয়। (তবে আমি চাইনা তোমরা গরম পানি ঢালাঢালি করো, গ্লাশ ফাটানো এমন কিছু চমকপ্রদ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা না।)

প্রশ্ন: স্যার, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক এর মধ্যে পার্থক্য কী?, কোয়ান্টাম তত্ত্বটা কী?, মহাকাশে অন্ধকার কিন্তু পৃথিবীতে আলো কেন? ধন্যবাদ। জিয়াদ হোসেন, রূপসা, খুলনা।
উত্তর: ইন্টারনেট! ইন্টারনেট!! ইন্টারনেট!!! ইন্টারনেট আছেই এরকম প্রশ্নের উত্তরের জন্য। যদি সেখানে না থাকে তখন আমাকে প্রশ্ন করতে পার!

প্রশ্ন: স্যার, আসসালামু আলাইকুম, আমি জারা। হাজিমেমাশতে, ওয়াতাশি ওয়া জারা দেস (জাপানিজ)। আমার একটা প্রশ্ন আছে, সেটা হল, তেল কেনো কখনো শুকিয়ে যায় না? চাঁদপুর
উত্তর: গুজামাতো তাতাসসি মাকাবাতা (ভূয়া জাপানিজ!) তুমি কখনো শরীরে তেল মেখেছ? যদি মেখে থাকো তাহলে কী বাকী জীবন শরীর তেলতেলে থাকে নাকি একসময় শুকিয়ে যায়? তেলের boiling point অনেক বেশি, তাই পানির মত চট করে শুকিয়ে যায় না।

প্রশ্ন: Deae Sir, Greetings of the day, Assalamu Alaikum, I want to start research on electrical engineering along with my job. I am a BSc. in EEE. I have been working for twenty years on Electro-Mechanical. I need your advice. Regards, Ehsan
উত্তর: ২০ বছর তো অনেক সময়! তবে কোনো কিছুর সময়ই শেষ হয়ে যায় না। যদি এই দীর্ঘ সময় কেউ রিসার্চের বাইরে থাকে তখন নূতন করে সেটা শুরু করার জন্য একটু মানসিক প্রস্তুতি দরকার! এটা যেহেতু ছোট বাচ্চা কাচ্চাদের সাইট এখানে এই বিষয়টি নিয়ে আলাপের পরিবেশ নেই। আমাকে m.z.iqbal@mzi.rocks আরেক্টু তথ্য দিয়েএকটা ইমেইল পাঠালে চেষ্টা করতে পারি।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার, আপনাকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানিয়ে রাখি ; আপনার মধ্যে অহংকার ও লোভ এই দুইটা জিনিস ছিটেফোঁটাও নেই। আপনি খুবই ভালো আর সুইট একজন মানুষ । তাই আমার অনুরোধ হলো কেউ আপনাকে অহংকারী বা লোভী বললে প্লিজ বিশ্বাস করবেন না। – সাবা , ঢাকা
উত্তর: থ্যাংকু সাবা, বুঝতে পারছি তুমি যে আমার মন ভালো করার জন্য চেষ্টা করেছ! আসলে আমি যদি অহংকারি কিংবা লোভী হই তাহলে সেটা পৃথিবীর অন্য কেউ জানার আগে তো আমি জানব, তাই না? কাজেই তুমি আমার জন্য দুশ্চিন্তা করো না, আমি যদি আসলে একজন অহংকারী মানুষ হয়ে থাকি তাহলে আর কতোদিন একজন নিরহংকার মাটির মানুষের ভান করে যেতে পারব, আগে হোক পরে হোক ধরা তো পরেই যাব!

প্রশ্ন: স্যার আমি আপনার অনেক বড় ভক্ত।স্যার আমার জীবনের স্বপ্নগুলোর মধ্যে একটা বড় স্বপ্ন হলো আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাই। কিন্তু কীভাবে সেটা সম্ভব?? নুঝহাত টাঙ্গাইল।
উত্তর: হায় হায়! তোমার বড় স্বপ্ন আমার সাথে দেখা করা? দেখা হওয়ার পর যদি তুমি বল, এই আজব মানুষের সাথে দেখা করার জন্য আমি এত ব্যস্ত হয়েছিলাম? এই মানুষ হাসে না, কথা বলে না, মুখ ভোতা করে বসে থাকে! তখন কী হবে? (আগে অন্যদের সাথে এরকম হয়েছে বলে তোমাকে বলছি!)

প্রশ্ন: স্যার আমার প্রশ্ন হলো লেখাপড়া করতে কেন ভালো লাগে না?? আপনার কী লেখাপড়া করতে ভালো লাগতো???ভালো না লাগলে আপনি কী করতেন?? মুবতাসিম, রাজবাড়ী।
উত্তর: লেখাপড়া ভালো লাগার কোনো কারন আছে? দুনিয়ার কোনো বাচ্চা আছে যাদের লেখাপড়া ভালো লাগে? অনেকদিন আগে আমেরিকা থাকতে একবার আমি বাচ্চাদের স্কুলে গিয়ে তাদের অনেকগুলো মজার সায়েন্স এক্সপেরিমেন্ট দেখিয়েছিলাম। তারা খুব মজা পেয়েছিল। তারা পরে আমার কাছে চিঠি লিখেছিল, তার মাঝে কয়েকজন লিখেছে আমি যেন একটা বোমা তৈরি করে সেই বোমাটা দিয়ে তাদের স্কুলটা উড়িয়ে দিই, লেখাপড়া তাদের একেবারে ভালো লাগে না! ছেলেবেলায় লেখাপড়া ভালো না লাগলেও জোর করে লেখাপড়া করেছি, অন্য আর কী করব?

প্রশ্ন: *******, অষ্টম শ্রেণি, ময়মনসিংহ। ভালো আছেন তো স্যার? আমার আগের লেখাটার উত্তর এখনো দেননি, দেবেন কি না জানি না। তবে স্যার, এখন আমি যা বলব সেটার উত্তর দিতে হবে। একটু ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়বেন, স্যার।আমি দেখেছি আপনি শিশু কিশোরদের নিয়ে ভাবেন, তাদের সমস্যাগুলো দেখেন, এ নিয়ে বই লেখেন। এর জন্য আমরা সবাই আপনার কাছে আমাদের সমস্যাগুলো জানাতে সাহস পাই। আপনাকে খুব আপন মানুষ মনে করি, কারণ আপনি আমাদের বোঝেন। যেটা কেউ জানে না এমনও হয় সেরকম অনেক ঘটনা আপনি জানেন। তবে আমার সমস্যাটা একটু অন্যরকম, আমি জানি না এমন কোনো সমস্যার কথা আপনি শুনেছেন কি না। আমি এখনো দেখিনি এমন কোনো ধরণের সমস্যা সম্পর্কে আপনাকে কিছু লিখতে। সমস্যাটা বলছি। এমন অনেক কাহিনী আপনি শুনেছেন যে একজনের কোনো বন্ধু নেই। আমার স্কুলে বন্ধু নেই তা না, অনেক আছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তাদেরকে বন্ধুর মতো বন্ধু বলা যায় না! কারণ আমি কারো কাছ থেকেই কোনো পাত্তা পাই না।
… … … … … … … … … … … …
এর জন্য আমি বন্ধু বিষয়ে দুঃখটা ভুলে থাকার চেষ্টা করি। তবে স্কুল খোলা থাকা অবস্থায় সেটা মনে পড়েই যায়, আর আমি খুবই একা থাকি। বাসায়েও একা। আমার জীবনটাই একাকিত্বে ভরা। স্যার, আমি বলতে চাই বন্ধুদের বিষয়ে আপনি একটু পরামর্শ দেন, প্লিজ স্যার। কেন আমার বন্ধুরা আমাকে পছন্দ করে না, আমার সাথে এরকম ব্যবহার করে সেটাও একটু বলবেন। আর আমার একাকিত্বের মন খারাপটা বেশি করে ভুলে থাকার জন্য আমি কী করতে পারি স্যার? প্লিজ কিছু একটা বলবেন, আপনার উত্তরের অপেক্ষায় আছি। ভালো থাকবেন স্যার। (সরি স্যার, একটু বেশিই লম্বা হয়ে গেল!)
উত্তর: আমার মনে হচ্ছে তুমি একটু বেশী সেনসিটিভ! যে বিষয়গুলো অন্যদের চোখেও পড়ে না সেগুলো নিয়েও তুমি মাথা ঘামাও! আমার মনে হয় তুমি যে সমস্যার কথা বলছো সেটা কমবেশি সবারই আছে। একটা বয়সে সবাই এরকম দুর্ভাবনা করে। বন্ধুদের মন জয় করার চেষ্টা করার কোনো প্রয়োজন নেই, খোঁজ নিয়ে দেখ তোমার বন্ধুরাও দুর্ভাবনায় ভুগছে, অন্য বন্ধুর মন জয় করার চেষ্টা করছে। তুমি এইগুলো নিয়ে দুর্ভাবনা করো না, নিজের মতো আনন্দে থাকো। জীবনে যেটা ভালো লাগে সেটা করো— কোন সাংস্কৃতিক কাজে ব্যস্ত থাকো। সবচেয়ে ভালো কাজ হচ্ছে ভলেন্টিয়ার এর কাজ— অন্যের জন্য কিছু করা। দেখবে সেখানে কত মজা— তখন তোমার এই সমস্যাগুলো কোথায় উড়ে যাবে! আর কিছু না থাকলে সবারই তো একটা অসাধারণ বন্ধু আছে। সেটা হচ্ছে বই! সেই বন্ধুর সাথে যত বেশি পার সময় কাটাও।

প্রশ্ন: আমি আদিভা, কুমিল্লা থেকে বলছি ।কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। ঈদের দিন থেকে আমার জ্বর, সর্দি, কাশি। ঈদের ৩-৪ দিন পর কোভিড টেস্ট করাতে পজিটিভ আসে। এখন আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনার লেখা “টুনটুনি ও ছোটাচ্চু” – র সিরিজ গুলো খুব ভালো লেগেছে। আমি চাই আপনি যেন আরো গ্যাদা গ্যাদা বাচ্চাদের নিয়ে গল্প লিখেন। ইতি, আদিভা। ৫ম শ্রেণি, নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা।
উত্তর: হায় হায়! এত ছোট থাকতেই কোভিড! তবে তোমাদের কোভিড হলে তোমরা কিছু বোঝার আগেই ভাল হয়ে যাবে। আমি অবশ্যই দোয়া করছি এতদিনে নিশ্চয়ই ভাল হয়ে গেছো। অবশ্যই আমি তোমাদের মতো গ্যাদা গ্যাদা বাচ্চাদের জন্য লিখে যাব।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি জেনে নিশ্চয়ই কষ্ট পাবেন যে, আমি এখন কোচিং অনলাইনে করতেছি…!! আমি ক্যাডেট হওয়ার লক্ষে কোচিং করে যাচ্ছি…!! আমার ক্যাডেট হওয়ার কোন ইচ্ছা নাই…!! কিন্তু ক্যাডেট হওয়ার লক্ষ্যে আমার কোচিং করে যেতে হচ্ছে। … … … … … … স্যার, আপনাকে একটা Request করি আপনি আমাদের কোচিং সেন্টার এবং এই প্রতিষ্ঠানকে একটু টাইট দিয়ে দিবেন প্লিজ। স্যার আপনি শুনলে বিশ্বাস করবেন না ক্লাস শেষ হওয়ার পর সবার ধারনা বাংলাদেশ আসলে একটা ফালতু দেশ…!! তারা বড় হয়ে নাকি সবাই বিদেশ চলে যাবে…!! স্যার আপনি এদেরকে টাইট দিন না হলে আমাকে একটা বুদ্ধি দিন প্লিজ। নুহা,মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: আমি পারলে সত্যি সত্যি দেশের সব কোচিং সেন্টারকে টাইট দিতাম! যারা মনে করে বাংলাদেশ একটা ফালতু দেশ, বড় হয়ে বিদেশ চলে যাবে, তাদের টাইট দিতে হবে কেন? তারা তো টাইট হয়েই আছে এই জন্যই দেশ ছেড়ে বিদেশ যাওয়ার জন্য এত ব্যাস্ত। এদের যেতে দাও, ধাক্কা দিতে থাকো, ঠেলতে থাকো, গুতো দিতে থাকো, এরা যত তাড়াতাড়ি যাবে ততই মঙ্গল!

প্রশ্ন: আমি হৃদিতা। আমি আগেও আপনাকে কিছু প্রশ্ন করেছিলাম। কিন্তু উত্তর পায়নি। হয়তো আপনি দেখেননি প্রশ্নটা বা কোনো কারণে পৌঁছায়নি প্রশ্নটা আপনার কাছে। কিন্তু আমি প্রশ্ন করা বন্ধ করবো না,করেই যাবো প্রশ্ন।দেখি কতদিনে আমার প্রশ্নের উত্তর পাই আমি।যাক, আমার আজকের প্রশ্ন—আপনি আপনার বই এ লিখেছেন যে আপনার বাবা আপনার আয়ু ৮০ বছর বলায় আপনি যখন খুব কান্না করছিলেন তখন আপনার বাবা আপনার আয়ু ১০০ বছর বলে আপনাকে শান্ত করেছিলেন।কারণ আপনার কাছে ১০০ সংখ্যাটা অনেক বড় মনে হতো। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ স্যারের বই এ লেখা আছে যে আপনার বাবা আপনাকে শান্ত করতে বলেছিলেন যে আপনি ইচ্ছা মৃত্যু পাবেন।এখন কোনটি সঠিক???আর হ্যা স্যার আমাকে কি আপনি নিজের হাতে লিখে একটা অটোগ্রাফ দিতে পারবেন??(আগের প্রশ্ন করার সময় ও চেয়েছিলাম। প্রশ্নের উত্তর ও পাই নি আর অটোগ্রাফ ও পাই নি। এবার কি পেতে পারি??)
উত্তর: আমি তো একটি একটি করে প্রশ্ন গুলো দেখি, যারা নাম ঠিকানা লিখেছে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেই। তোমারটা কিভাবে মিস হলো বুঝতে পারলাম না। হুমায়ূন আহমেদ তার বইয়ে একটু অন্য রকম ভাবে লিখেছে, কিন্তু ঘটনাটা আমার মনে আছে আমি সেভাবে লিখেছি। এই যে তোমার অটোগ্রাফ!

প্রশ্ন: Sir, what should I do for my friend, if she wants to suicide ? – SABA, DHAKA ( Please keep my name secret )
উত্তর: সর্বনাশ! তার সাথে সময় কাটাও। কোনো উপদেশ দিতে হবেনা শুধু তাকে নিজের মতো করে কথা বলতে দাও। এই ব্যাপারে সাহায্য করার সবচেয়ে বড় এক্সপার্ট “কান পেতে রই”। তারা অনেককে সুইসাইড থেকে রক্ষা করেছে। পারলে তাদের ফোন করাও। তাদের একটা ফোন নাম্বার: 01779554391

প্রশ্ন: স্যার, আমি রামিম। আমি সাভার থাকি। আমি ৭ম শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী। আমি আমার জন্মের পর থেকে দেখেছি বিভিন্ন রাইটার যারা বিখ্যাত হয়েছেন ; তাদের বয়সটা একটু বেশি; একটু না অনেক বেশি। আমি মাঝে মাঝেই কবিতা এবং প্রায়ই আমি গল্প লিখি। আমি কি একজন লেখক হতে পারব না এখন, এ বয়সে?
উত্তর: তুমি যদি কবিতা গল্প লিখেই যাচ্ছ তাহলে তো লেখক হয়েই গেছো! এই বয়সী লেখক।

প্রশ্ন: স্যার, এই সাইটে সবাইকে আপনার দেয়া উত্তরের মধ্যে আমার পছন্দের উত্তরগুলো নিয়ে আমি আমার ব্লগে একটা পোস্ট করতে চাই। এই বিষয়ে আপনার অনুমতি চাচ্ছি। এরফলে আমি মনে করে অনেকের উপকার হবে। নাঈম, বাসাবো, ঢাকা
উত্তর: আমি বাচ্চাদের স্ক্রিন থেকে উদ্ধার করতে চাই! তুমি সেটা আবার বাড়াতে চাও? আমার হালকা প্রশ্নের উত্তর আলাদা ব্লগে দিয়ে কি হবে? এর মাঝে তো আলাদা ব্লগে থাকার মত গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই!

প্রশ্ন: একটু অস্বস্তিকর প্রশ্ন করি। আপনি কি পাকিস্তানের আমজনতার ওপর কোনোরূপ বিদ্বেষ রাখেন? আমার বেশ কজন পাকিস্তানি বন্ধু আছে যারা ৭১ এর ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে। তারা বলে যে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিকরা নাকি বেশিরভাগই যুদ্ধের বিপক্ষে ছিল। কিন্তু সামরিক শাসকের ভয়ে কিছু বলতে পারত না। আবার পূর্ব বাংলায় পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে নাকি সেখানে পত্র পত্রিকায় হাতে গোনা কিছু লেখালেখিও হয়েছে। আমি যেহেতু তখন ছিলাম না সত্য মিথ্যা কিছুই জানি না। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তানীদের ওপর কেমন যেন একটা অবিশ্বাস চেপে আছে। আপনার কি মত? বিশ্বাস করবেন না হয়ত, কিন্তু পাকিস্তানে এখন একটা অগ্রণী তরুণ সমাজ গড়ে উঠছে যারা গোঁড়ামির বিপক্ষে কথা বলে। পূর্বপুরষদের দোষ কি আজকের প্রজন্মকে দেয়া উচিত? কিন্তু তবু যেন একটা ক্ষত রয়ে গেছে। তাই দোটানায় আছি। মুশফিকুর রহমান, নিউইয়র্ক।
উত্তর: একাত্তরে পাকিস্তানের ‘আমজনতা’ যুদ্ধের বিপক্ষে ছিল, কিছুই জানত না এগুলো একেবারেই বাজে কথা। তোমার পাকিস্তানের বন্ধুরা এখন ভালো-ভালো কথা বলছে শুনে খুশি হলাম—আমি (এবং আমার প্রজম্ম) আমাদের জীবনে কখনো সেটা দেখিনি! আমি কখনো পাকিস্তানকে ক্ষমা করবে না— কিন্তু আমি চাই না তোমাদের প্রজন্ম আমার মত বুকের মাঝে ধিকি ধিকি ঘৃণা আর প্রতিহিংসা নিয়ে বড় হোক। ওদেরকে করুণা করো— ওরা ভালো নেই।

প্রশ্ন: Hello , sir . It’s Lutfun ….. I wanna ask you a question . The question is that the way the students are studying is totally wrong …they are just focusing on the mark …….and mostly there is no good library in our country . But if you notice other countries you will see that there are a lot of book shops and libraries by the road side …and there are a lot of green and clean field there …….the students of those countries are getting more opportunities than us ……why ? Why are we not trying to change the whole education system ? The education system of bangladesh is totally traditional .which is not enough useful ………so it have to be turned into useful and modern learning . What’s your opinion ? Lutfun Nahar Student of class 9 Dhaka
উত্তর: হ্যাঁ! তুমি ঠিকই বলেছ। এর মাঝে থেকে দেখি কতজন ঠিক শিক্ষা নিয়ে বের হয়ে আসতে পারে! (অন্য দেশে রাস্তার পাশে পাশে বইয়ের দোকান এই কথাটি কিন্তু এখন আর সত্য নয়। সারা পৃথিবী থেকে বইয়ের দোকান উঠে যাচ্ছে!)

প্রশ্ন: assalamualaikum. Asha kori valo acen. kalke khobore dekhlam 18 bochorer upor boyoshi mane college er teacher,student der corona er tika diye college khole dicce.ami class 7 e pori.sir to amader ki hobe.amader school ki kholbena.ami jubaida, cox’sbazar theke bolci
উত্তর: আমি যদি তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতাম তাহলে আমারও খুব ভাল লাগত। কিন্তু আমি তো তোমার প্রশ্নের উত্তর জানিনা। তোমাকে শুধু এইটুকু বলতে পারি ঘরে বসে সময়টা নষ্ট না করে ব্যবহার করো।

প্রশ্ন: প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার আমার সালাম নিবেন। স্যার আমার ছোট বেলা থেকে গল্পের বই পড়ার প্রতি আগ্রহ তেমন ছিল না। সেই ছোট্ট থেকে আমার নিজেকে খুব গাধা গাধা মনে হতো। আসলে আমার গল্পের বই পড়াটা শুরু হয়ে ছিল একজনের উপর খুব রাগের মাধ্যমে। এই করোনাকালীন সময়ে আমি আপনার অনেক বই পড়েছি।তার মধ্যে আপনার আমি তপু বইটি খুব ভালো লেগছে। স্যার যদিও আমি কম সংখ্যক লেখকের বই পড়েছি। তবুও আপনি আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে একজন। দয়া করে আপনার একটা অটোগ্রাফ দিবেন। স্যার কাল আপনার একটি বই পড়েছি । বইটির নাম অনিক লুম্বা। সেখানে আপনার যে চরিত্র ছিল সেটার সাথে কী বাস্তবের মিল রয়েছে? গাইবান্ধা জেলা থেকে আশরাফিয়াজ্জামান রিশা।
উত্তর: অনিক লুম্বায় কি লিখেছি এখন তো আর মনে নেই, গল্পের চরিত্র আর বাস্তব চরিত্রে খুব বেশি মিল থাকার কথা না। গল্পে আমি নিজেকে নিয়ে ইচ্ছা করে একটু ঠাট্টা তামাশা করি! হ্যাঁ, বই পড়ার অভ্যাস করে নাও তাহলে তোমার সামনে নতুন জগৎ খুলে যাবে। নাও অটোগ্রাফ!

প্রশ্ন: স্যার, এই মুহুর্তে একটি ছোট গল্প লিখে ফেলেন। তারপর ‘গল্প’ সেকশনে ছেড়ে দেন।( মামুন- ঢাকা) এটা প্রশ্ন না।
উত্তর: লিখলাম। ছেড়ে দিলাম। খুশি? (আসলে এটি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অনুরোধে বেশ অনেকদিন আগে লিখেছি। উপকূলের ছেলেমেয়েদের একটা বই হিসেবে পড়তে দেবে।)

প্রশ্ন: স্যার, আপনি প্রোগ্রামিং কত বছর বয়সে শিখেছিলেন? ক্যালকুলাস কত বছর বয়সে শিখেছিলেন? আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি, আমি যদি এখনই এই দুটো শিখে ফেলি, কোনো সমস্যা আছে? ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জেলা স্কুল।
উত্তর: আমি প্রোগ্রামিং শিখেছি ইউনিভার্সিটিতে, ক্যালকুলাস কলেজে। না তুমি যদি এখনই শিখে ফেলো কোন সমস্যা নেই। আমার সেই সুযোগ ছিল না। তোমাদের আছে। আমি নিজে বাচ্চাদের জন্য প্রোগ্রামিং আর ক্যালকুলাসের বই লিখেছি।

প্রশ্ন: স্যার আপনাকে একটা প্রশ্ন করেছিলাম। প্রশ্নটা অদ্ভুত দেখে নিজের নাম দিতে সংকোচ হচ্ছিল। তাই ভুল নাম দিয়েছি । কিন্তু এখন মনে হচ্ছে কাজটা ঠিক হয়নি। প্লিজ স্যার রাগ করবেন না । সরি! আমি এবার নিজের নাম দিয়ে প্রশ্নটা করছি…. কি কি লক্ষণ দেখে বুঝতে পারব যে মানুষটি কখনো আমাকে ছেড়ে চলে যাবে না। – *****, ঢাকা (পুনশ্চ: নাম গোপন রাখবেন, প্লিজ প্লিজ প্লিজ।)
উত্তর: নিজের পরিচয় দিয়ে কথা বলা খুব গুরুত্বপূর্ণ— কেন আড়ালে থেকে কথা বলবো? তোমার প্রশ্নটা খুবই জটিল। মানুষকে কি আর কিছু parameter দিয়ে বর্ণনা করা যায় যে সেই parameter দেখে কারো সম্পর্কে কিছু একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারবো? একজনকে দেখে একেবারেই কোনো কারণ ছাড়া ভালো লেগে যায়, একজনকে দেখে মনে হয় কতো পরিচিত, আবার একজনকে প্রথমবার দেখেই মেজাজ গরম হয়ে যায় সেগুলোকেই তুমি কেমন করে ব্যাখ্যা করবে? তবে আজকাল কিছু খবর দেখে আমি খুবই অবাক হই, মনে হয় অনেক সময়েই মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক পুরোটাই যেন একজনের কাছে আরেকজনের একধরনের ভান! আমি বুঝতে পারিনা— সম্পর্ক আন্তরিক না হলে সবকিছুই তো অর্থহীন।

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার, বিজ্ঞান এখনো যে জিনিসগুলো আবিষ্কার করে নাই আমাদের কি উচিত সেগুলো নাই বলে ধরে নেওয়া?? এলিয়েন আর ভূত কারোরই অস্তিত্ব বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত না! এলিয়ন থাকার সম্ভাবতা সম্পর্কে অবশ্য বিজ্ঞানের অনেক যুক্তি আছে, ভূত আছে কি নাই সেটার সম্ভাবতা সম্পর্কে বিজ্ঞান কি কিছু বলে? লাইবা, ঢাকা।
উত্তর: যে জিনিস আবিষ্কার হয় নাই সেই জিনিসের কথা বলতে গিয়ে ভূত আর এলিয়েনে থেমে গেলে কেন? কুচাল, ভুংচু, তুকা, গুর্গুর, মুকাল, ফ্যাংগা এগুলো কি দোষ করল? এগুলো তো আবিস্কার হয় নাই! (এগুলো কি আমিও জানিনা- আবিস্কার হয় নাই কেমন করে জানবো?)

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আমি এবং আমার ০৭ বছর বয়সী মেয়ে, আমরা দুজনেই আপনার লেখা বই খুব পছন্দ করি। গত বেশ কিছু দিন যাবত প্রায় প্রতিদিন রাতেই ঘুমানোর আগে তাকে আপনার বইয়ের কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে শোনাতে হয়। (নিজে নিজে পড়তে গেলে, এখনো পড়তে তার বেশ সময় লাগে, তাই সে শুনতেই বেশি পছন্দ করে) আমরা জানি আপনার লেখা সায়েন্স ফিকশন বইসমূহ এবং কিশোর উপন্যাসসমূহ সমগ্র আকারে (কয়েকটি খন্ডে) প্রকাশ করা হয়েছে। স্যার আপনার কাছে আমার অনুরোধ হচ্ছে একইভাবে শিশুতোষ বইসমূহও সমগ্র আকারে প্রকাশ করা যায় কিনা একটু বিবেচনা করে দেখবেন। তাহলে মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষদের জন্য একটু সাশ্রয়ী হবে। ধন্যবাদ মোঃ আল-আমিন, মতিঝিল, ঢাকা।
উত্তর: তোমার অনুরোধটি জেনে আমি আমার পাবলিশারকে কাজে লাগিয়ে দিয়েছি। সামনের বইমেলাতে বের করা যায় কি না দেখছি। (মাত্র সাত বছরের বাচ্চা তাই ধরে নিচ্ছি তোমার বয়স বেশি না— তুমি বললে রাগ হবে না!) সায়রাকে প্রতিরাতে বই পড়ে শোনানোটা খুবই চমৎকার একটা কাজ হচ্ছে।

প্রশ্ন: Hello sir I am Tadashi. I am from Dhaka, DL . Class Ten. Thank you very much for your awesome books. I have a question. 1. Sir, I am not good at writing I know that but still I love it and my parents are telling me to quit it because they think I am wasting my time in this . Should I really quit it? -TAslima DAmin SHima. In Short Tadashi. Assalamulaikum Sir .
উত্তর: আমি জানিনা বাবা-মায়েরা কেন ছেলে মেয়েদের এই ধরনের কাজে উৎসাহ দেন না। তুমি বলো, লেখালেখি কোনদিন সময় নষ্ট হতে পারে? বড় হয়ে তুমি হয়তো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হবেনা কিন্তু তুমি যে হুমায়ুন আহমেদ হবে না সেটা কেউ বলতে পারবে? তা ছাড়া লিখতে গিয়ে তুমি যে আনন্দ পাচ্ছো তার কি কোন মূল্য নেই? জীবনে যদি আনন্দের কাজ না করলে, শখের কাজ না করলাম তাহলে মানুষ হয়ে কেন জন্ম হলো? তেলাপোকা হয়ে জন্ম হলো না কেন? (আমি ভেবেছিলাম তাদাশি জাপানী নাম!)

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম স্যার। কেমন আছেন? আচ্ছা আপনি কি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন আমাদের দেশের মানুষ কেমন যেনো হয়ে যাচ্ছে। কেমন যেনো বলতে আমি বোঝাচ্ছি তাদের কাজ কর্ম আর মনোভাবকে। তারা সবসময় অন্যের ভুল ধরতে পছন্দ করে কিন্তু ভুলটাকে শুধরে দেয় না। খুলে বলা যাক
… … … … … … …
আমার কথা হলো তারা যদি নিজেদের দেশকে এতই ভালোবাসে তাহলে দেশের জন্য কিছু করে না কেনো? আমার বাসায় তো প্রায়ই এসব কথা হয়। আমার এসব শুনতে ভালো লাগে না বলে আমি এসব থেকে দূরে থাকি। কিন্তু ওইদিন আর না পেরে আমার মামার মুখের উপরে বলে ফেললাম, তুমি যদি এত ভালো রাজনীতি জানো তাহলে ব্যবসা কেনো করো? মন্ত্রী হয়ে দেশ চালালেই পারো। আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই মনে হলো আমাদের বাসায় কেউ বোমা মেরেছে কিংবা আমাদের বাসার ওপর দিয়ে কোনো টর্নেডো চলে গেল। যাই হোক আমার প্রশ্ন হলো কোনো কিছু করে কী আমাদের দেশের মানুষদের মন থেকে এই মনোভাব গুলো দুর করা যায় না? প্রশ্ন টা একটু বেশি বড় হয়ে গেছে তাই মনে হয় ফিল্টারে আটকে যাবে। কিন্তু আপনি এই প্রশ্নের উত্তর দিলে খু-উ-বি খুশি হব। ভালো থাকবেন। সাইফুল আলম রাশেদ। উত্তরা, ঢাকা।
উত্তর: হা হা হা তোমার ধারণা এখন এটি হয়েছে আগে সবকিছু ভালো ছিল? আসলেই তুমি যে মানুষগুলোর কথা বলছ তারা সবসময়ই ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমাদের দেশে যে রকম আছে অন্য দেশেও আছে। তবে পাকিস্তান আমলে আমাদের খুব শোষণ করা হয়েছিল বলে তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য দেশের রাজনীতিটা ছিল সত্যিকারে রাজনীতি সেই জন্যই তো আমরা বাংলাদেশে পেয়েছি। তবে অন্যদের দেখে তুমি মন খারাপ করো না। তুমি ঠিক থাকো, যেটা করার কথা সেটা করো। চোখ খুলে তাকিয়ে দেখো ভালো মানুষও আছে! (বাসায় বোমা কিংবা টর্নেডো শেষে বাসা ঠিক আছে তো?)

প্রশ্ন: Tadashi. Dhaka DL Class Ten. Sir one request Please Sir Please Please Write আমি তপু 2 Please sir!!!
উত্তর: আমি তপু পড়েই সবাই কান্নাকাটি করেছে। এখন আমি তপু ২ লিখে মাতম তৈরি করে দেব? তারপর আমি তপু ৩, একেবারে হাহাকার? (আসলে এরকম সিরিয়াস উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্ব লেখা সহজ না— তুমি বরং ভবিষ্যতের তপুর জন্য একটা সুন্দর জীবন কল্পনা করে নাও নিজের মতো করে, বেচারা অনেক কষ্ট করেছে এতো অল্প বয়সে)।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আশা করি আপনি ভাল আছেন। আপনি আমার খুব প্রিয়।আপনার লেখা অনেক বই আমার পছন্দ। তবে সবারই একটা অনেক প্রিয় থাকে,আমার সেই প্রিয় বই হছে রিটিন। আপনার বই পড়লে মনে পড়তেই থাকি। আমি অনেক চিন্তা করে আমার প্রিয় বই এর কথা লিখেছি। হঠাৎ করে কেউ এই কথা জিজ্ঞাসা করলে অনেক সময় নিতাম ভাবতে কারন আপনার সব বই আমার অনেক প্রিয়। অনুগ্রহ করে আপনি যদি একটা অটোগ্রাফ দিতেন তাহলে খুব খুশি হতাম। আর স্যার আমি কখনো চিঠি লিখিনি।আমি আপনাকে একটা চিঠি লিখতে চাই। প্লিজ বলবেন কিভাবে পাঠাব? আমার নাম নাজিয়া তাসকিন প্রজ্ঞা।আমি রাজশাহী থেকে বলছিলাম। আমি রাজশাহী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। ভাল থাকবেন স্যার।
উত্তর: থাংকু থ্যাংকু। হ্যাঁ রিটিন বইটা আমারও প্রিয়। আমার বই ভালো লাগে শুনে খুব খুশি হলাম। থ্যাংকু। তুমি আমাকে চিঠি  লিখতে চাও শুনে আরো খুশি হলাম। বহুদিন সত্যিকারের হাতের লেখা চিঠি পাই না।  করোনার সময়ে চিঠি মনে হয় এখনও ঠিক করে যাওয়া শুরু করে নাই। আমার একটা চিঠি যায় নাই। আপাতত চিঠি লিখে ফটো তুলে m.z.iqbal@mzi.rocks এই ঠিকানায় পাঠাতে পার। এই নাও অটোগ্রাফ, খুশি?

প্রশ্ন: Warp drive, warp drive, warp drive! বিজ্ঞানীরা তো বলছেন এটা থিওরিটিক্যালি সম্ভব। কিন্তু প্র্যাকটিক্যালি কি সম্ভব হবে? আর time dilation এর সাথে time travel এর কী সম্পর্ক? RAFI, RAJSHAHI
উত্তর: বাস্তবে কিছু হওয়ার আগে সেটা তো অন্তত থিওরিটিক্যালি সত্যি হতে হবে। না, Time dilation আর Time travel এর কোন সম্পর্ক নেই।

প্রশ্ন: আমি বাধন ( class 8, টাঙ্গাইল থেকে।) আগের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার জন‍্য অনেক thanks
উত্তর: সবাই সবসময় বলছে তারা প্রশ্ন করে উত্তর পাচ্ছে না, শেষ পর্যন্ত একজন পাওয়া গেল যে প্রশ্নের উত্তর পেয়েছে!! কী আনন্দ!

প্রশ্ন: স্যার ভালো আছেন? দেখি অনেক ছোটরাই আপনাকে সুখ-দুঃখের কথা বলে। আমি দেখে যাই কিন্তু বলার সাহস পাইনা। কারন আমি আর ছোট নেই, রাতুলের বয়সী হয়ে গেছি! তবে কিনা স্যার মানুষের অপমানসূচক কথাবার্তায় আমি বিরক্ত হয়ে গেছি। তাই আপনার একটু স্নেহার্দ্র কথাবার্তায় হয়তো সব উবে যাবে সেই আশায় কথাটা বলছি। আমি ময়সনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছি। তবে আমার বেশিরভাগ বন্ধুরাই পাব্লিকে, মেডিকেলে টিকেছে। আমি টিকিনাই। তাই তারা আমাকে নিয়ে পরিহাস করে। আমি মাঝে মাঝে বলি, মেডিকেলও তো কলেজ এবং সেটাও ভার্সিটির আন্ডারে। আমারটাতে প্রবলেম কী? তারা মুখ টিপে হাসে। আমি ছাত্র খারাপ না স্যার। আমার কম্পিউটার বিজ্ঞানী হবার ইচ্ছা। আত্নীয় স্বজনও যখন শুনে কলেজে পড়ি তখন কেমন করে যেন তাকায়! আমি খুব কষ্ট পাই। আমি যতটুকু পড়ি বুঝে বুঝে, সেটা পদার্থবিজ্ঞান হোক কিংবা গণিত হোক। বন্ধুরা এডমিশনের সময় জিকে পড়েছে, বাংলা মু্খস্থ করে আর্টসের অনুষদে টিকে গেছে যদিও তাদের তাতে ইচ্ছে ছিলনা! তারা বলে পাব্লিক হলেই হলো! আমি সে কথা শুনিনাই। বিজ্ঞান ইউনিটেই এক্সাম দিয়েছি। চাইলেই অন্য ইউনিটে দিতে পারতাম। আর আম্মু আব্বুও এখন নাকী মানুষকে বড় মুখ করে বলতে পারে া ছেলে পাব্লিকে পড়ে! কারন আমার ফ্যামিলিতে অনেক পাব্লিকিয়ান। সরি স্যার, খেয়াল করিনি এতো বড় লিখে ফেলেছি। আমার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমি খুব ছোটবেলায় আমার কোয়ান্টাম মেকানিক্স, একটুখানি বিজ্ঞান বইটি পড়ে আমার ফ্যান হয়ে গিয়েছিলাম। ভালো থাকবেন আর কিছু একটু বলবেন ধন্যবাদ। পরাগ, ময়মনসিংহ।
উত্তর: শোনো- আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পঁচিশ বছর ছিলাম। কাজেই আমি খুব ভালো করে জানি কোথায় কি ধরনের লেখা পড়া হয়। পড়াশোনাটা একশভাগ নিজের উপর! তুমি যেখানে আছো সেখানেই মন দিয়ে লেখাপড়া করো এবং মনে রাখবে যেহেতু কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তি হয়েছো প্রোগ্রামিংটা খুব ভালোভাবে শিখতে হবে। ধরে নাও তোমার বিভাগে তুমি যেটা শিখবে সেটা হচ্ছে তোমার প্রয়োজনীয় পড়াশোনার ৫% বাকি ৯৫% নিজে নিজে পড়তে হবে। আমি বাড়িয়ে বলছি না। প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে শুরু করো— কে কি বলছে এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করে দাও। নেটে অসংখ্য প্রোগ্রামিং প্রবলেম আছে— করতে শুরু করে দাও, দেখি কতগুলো করতে পারো। লেখাপড়া শেষে তুমি যে ডিগ্রিটা পাবে মনে রেখো সেটার বিশেষ কোন মূল্য নাই, তুমি যেটুকু জান সেটার অনেক মূল্য।

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা বড়ুয়া। আমি চট্টগ্রামে থাকি। স্যার, আপনার নামটা এতো বড় কেন???
উত্তর: খুশি থাকো যে নামের আগে ডক্টর এবং শেষে আমার গ্রামের নাম লাগিয়ে দেইনি। তাহলে নামটা আরো লম্বা হতো, ডক্টর মুহম্মদ জাফর ইকবাল কুতুবপুরী।

প্রশ্ন: স্যার আপনার লেখা উপন্যাস ‘আকাশ বাড়িয়ে দাও’ কি কোনো কাল্পনিক কাহিনী, নাকি সত্য ঘটনা?? এটা সত্য ঘটনা কিনা আমি জানি না কিন্ত কাহিনীটা পড়ার পরে অনেক খারাপ লাগছে! আশা করি আমার প্রশ্নের উত্তর পাব। নুহাশ, খুলনা।
উত্তর: হ্যাঁ কাল্পনিক। তবে এরকম ঘটনা তখন অহরহ ঘটতো।

প্রশ্ন: স্যার আসসালামুআলাইকুম ,আশা করি ভালো আছেন। আপনার সাথে একবার দেখা করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু করোনা…। যদি এখানে একটা অটোগ্রাফ দিতেন। আপনার অটোগ্রাফের অপেক্ষায় রইলাম। ইতি, ইনামুল হাশেম সাকিব কুতুবদিয়া, কক্সবাজার।
উত্তর: হবে, হবে, দেখা হবে। এই নাও অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: স্যার,বায়োলুমিনিসেন্স বা জীব দ্যুতি সত্যিই আছে তাই না? জিয়াদ,খুলনা।
উত্তর: ইন্টারনেট! ইন্টারনেট!! ইন্টারনেট!!! এই সব প্রশ্নের জন্য আছে ইন্টারনেট!

জুলাই ৩০ ২০২১

তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া দিনে দিনে কঠিন হয়ে যাচ্ছে! আমার বেশিরভাগ কাজ কম্পিউটারে, চোখের ডাক্তার বলেছে এক ঘন্টা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকলে ১৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে বসে থাকবেন। বাংলায় টাইপ করতে অনেক সময় লাগে, ভুলভাল তো হচ্ছেই! আর সবচেয়ে বড় কথা আমি আবিষ্কার করেছি আসলে তোমাদের বেশি প্রশ্ন নাই, যেগুলো আছে তাদের বেশিভাগের উত্তর ইন্টারনেটে খুব ভালো করে দেওয়া আছে। তাই ভাবছি এই প্রশ্ন উত্তরটা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার কী দরকার আছে? কী বল তোমরা? এক দুইজন অনেকগুলো প্রশ্ন করেছ আমি তার থেকে একটা করে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি!

প্রশ্ন: আপনি জানেন? আমার বই পড়তে অনেক অনেক অনেক ভালো লাগে। আমার সংগ্রহে প্রায় 400 টা বই আছে,তবে বাংলা।আমি ভাবলাম ইংলিশ বই টেস্ট করে দেখি। হ্যারি পটার 10 বছরের ছেলেমেয়েদের জন্য একটু কঠিন। আমি কি সেক্ষেত্রে geronimo stilton সিরিজ টা পড়তে পারি? রিদিতা, ঢাকা
উত্তর: অবশ্যই পড়তে পার। অল্প কিছু ইংরেজি বই পড়লেই তোমরা ইংরেজিতে বই পড়া শিখে যাবে, তখন তোমার সামনে একটা নূতন জগৎ খুলে যাবে।

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম, ভালো আছেন নিশ্চয়ই। আপনাকে অনেক অনেক ঈদের শুভেচ্ছা (যদিও আজকে ঈদের চতুর্থ দিন)। আপনাকে বলেছিলাম আমার লেখা একটা গল্প পাঠাবো। কিন্তু পাঠানো হয়নি। এর কারণটা খুবই দুঃখজনক। জানেন-ই তো, স্কুল বন্ধ থাকার কারণে আমাদের এখন ঘরে বসে ” কৃত্রিম ক্লাস ” ( অনলাইন ক্লাস ) করতে হয়। এজন্য সারা দিনে প্রায় দু ঘণ্টার মতো সময় মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়েই চলে যায়। তার ওপর আমি আবার কিছু দিন ধরে অনলাইনে ‘ Spoken English ‘ এর একটা কোর্স করছি।সেজন্য দৈনিক অন্তত আধা ঘন্টা সময় সেটার পেছনে ব্যায় করতে হয়। এরপর আবার একটা গল্প আপনাকে টাইপ করে পাঠাবো, সেটা আমার মন চাইলেও চোখ যেন মনের কথায় সাড়া দেয় না। চোখ দুটো যেন আর কোনো স্ক্রিনের দিকে তাকাতে চায় না, সে যেন প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে চায়। মাঝে মাঝে মনে হয় আপনাকে যদি কাগজের চিঠি পাঠাতে পারতাম! যা হোক, এই কদিন ঈদের কারণে অনলাইন ক্লাস বন্ধ। তাই আপনাকে লিখতে বসলাম। স্যার, অপরাজিত বইটা পড়েছেন নিশ্চয়ই। বইটাতে একেবারে শেষ থেকে দ্বিতীয় লাইনটি হলো: ” খোকার বাবা কিছুটা ভুল করিয়াছিল। “। মানে অপু কিছুটা ভুল করেছিল। কিন্তু সে কি ভুল করেছিল, সেটা বুঝতে পারলাম না। সেটা একটু বলে দেবেন? আর একটা কথা, যদি আমার গল্পটা টাইপ করে পাঠাতে না পারি, তবে ছবি তুলে পাঠাব। মোঃ মোস্তাশিরুল হক মাহিন ভুইগড় , নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: কয়দিন থেকে আমারও আর কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকাতে ইচ্ছা করে না, আমারও মনে হয় আবার পুরানা যুগের কাগজ কলমে ফিরে যাই। আমি সিরিয়াসলি চিন্তা করছি আসলেই সেটা করা যায় কি না। অপরাজিতা আমি পড়েছি প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে, অপু কী ভুল করেছিল এখন আর মনে নাই।

প্রশ্ন: লাইবা, ঢাকা স্যার আপনার কি কুরআন তেলাওয়াত শুনতে ভালো লাগে??
উত্তর: ছোট একটা গল্প বলি। একবার গণিত অলিম্পিয়াড কিংবা এই ধরনের কোনো একটা অনুষ্ঠানে আমি বাগেরহাট গিয়েছি। বাগের হাট থেকে পিরোজপুর খুব কাছে, সেখানে আমার বাবার কবর। আমি আয়োজকদের বললাম আমি চট করে আমার বাবার কবরটা একটু দেখে আসি। তখন একজন গণিতের প্রফেসর বললেন, আমিও আপনার সাথে আসি? আমি বললাম, অবশ্যই। পিরোজপুরে আমার বাবার কবরটা দেখে একাত্তুরের অনেক স্মৃতি মনে চলে আসে। আমার সাথে গণিতের যে প্রফেসর ছিলেন তিনি ধর্মপ্রাণ একজন মানুষ, তিনি সেখানে কোরান তেলাওয়াত শুরু করলেন, দীর্ঘ সময় নিয়ে, খুবই সুন্দর করে। আমি মুগ্ধ হয়ে শুনলাম। শেষ করার পর আমার বাবার জন্য দোয়া করলেন আমিও তার সাথে দোয়া করলাম। গোরস্তান থেকে বের হওয়ার সময় আমি তাকে জজ্ঞেস করলাম, আপনি কী তেলাওয়াত করেছেন? তিনি বললেন, সূরা ইয়াসিন। আমি অবাক হয়ে বললাম, এতো বড় সূরাটার পুরোটা আপনার মুখস্ত? কেমন করে মুখস্ত করলেন? তিনি বললেন, মুখস্ত করিনি, তেলাওয়াত করতে করতে মুখস্ত হয়ে গেছে। তখন আমার মনে হল, আহা আমিও যদি পারতাম!

প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় স্যার, আপনার প্রিয় ১।গানের নাম কী? ২।প্রিয় মানুষ? ৩।জায়গা? ৪।লেখক? ৫।স্মৃতি? ৬।ডিভাইস?
ধন্যবাদ, পূর্ণতা, দশম শ্রেণি, জামাল্পুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।
উত্তর: ১। আমার সোনার বাংলা (যতবার শুনি এখনও চোখ ভিজে আসে) ২। অনেকে ৩। অনেক ৪। অনেকে ৫। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ৬। কলম

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম। আমি বিত্ত রহমান। স্যার আপনি কোথায় বেশি থাকেন সিলেট না ঢাকা?? আপনার সাথে কি বইমেলা ছাড়া অন্য কোথাও দেখা করার সুযোগ আছে? আর স্যার এই মহামারির অবসরে আপনি কি করছেন?
উত্তর: আমি এখন আর সিলেটে থাকি না, ঢাকায় থাকি। মহামারির যন্ত্রণা শেষ হলে ঘুরে বেড়াব, তখন নিশ্চয়ই দেখা পাবে।

প্রশ্ন: https://www.youtube.com/watch?v=oKZFmPEEZeg ৫৫ সেকেন্ডের এই ছোট্ট ভিডিওতে পিথাগোরাসের উপপাদ্য এর তরল পদ্ধতিতে বাস্তবিক প্রমাণ দেখানো হয়েছে।তবে ভিডিওটি দেখার পর থেকে কেমন জানি খটকা লাগছে।আমরা জানি,a^2+b^2=c^2,যেখানে,c হচ্ছে সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ এবং a ও b অন্য দুটি বাহু।কিন্তু এ ভিডিওতে যে তিনটাকে যথক্রমে a^2,b^2 এবং c^2 বলা হচ্ছে সেগুলো তো কোনোভাবেই square বা বর্গ নয়।সেগুলোর তো উচ্চতা আছে। আকিফ,জামালপুর।
উত্তর: আমি আসলে ভিডিওটা দেখার সময় পাব না, অনুমান করছি সবগুলোর জন্য উচ্চতা (h) সমান তাই a^2+b^2=c^2 বলা যে কথা a^2h+b^2h=c^2h বলা একই কথা।

প্রশ্ন: আমি আপনার এক পাগল ভক্ত। আমার আপনাকে স্যার বলতে একদমই ইচ্ছা করে না ,আর আপনি করে বলতে তো ভালোই লাগে না।আমি কি আপনাকে নানু বলে ডাকতে পারি??যদি অনুমতি পাই তবে তুমি করেই বলব। আর হ্যা, আমাকে কি আপনি নিজের হাতে লিখে একটা অটোগ্রাফ দিয়ে তার ছবি দিতে পারবেন??প্লিজ প্লিজজ প্লিজজজ। আপনার অটোগ্রাফের আশায় বসে থাকা আপনার পাগল ভক্ত হৃদিতা, লালমনিরহাট।
উত্তর: হ্যাঁ, তুমি চাইলেই আমাকে নানু ডাকতে পার, তুমিও বলতে পার। এইযে নাও নিজের হাতে লেখা অটোগ্রাফ!

প্রশ্ন: আস্সালামুয়ালাইকম, আমি আবারও কাশফি বলছি সাভার থেকে।আশা করি আপনার আমার নাম টা মুখস্ত হয়েগিয়েছে, তাই না? আচ্ছা স্যার এবার আমার প্রশ্ন হলো, আপনার কাছে এমন কোনো math puzzle আছে কি, যার উত্তর আপনিও জানেন না বা খুজে পাননি?
উত্তর: হ্যাঁ আছে, “আমি মিথ্যা কথা বলছি” কথাটা কি মিথ্যা নাকি সত্যি?

প্রশ্ন: স্যার আমার সালাম নেবেন।স্যার আপনি কি যেরকম টুনটুনি সেরকম ছোটাচ্চু ও যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু বইটি এই ওএবসাইট এ দিবেন?ইপসিতা নাথ,চট্টগ্রাম।
উত্তর: আমি আসলে বই পিডিএফ করে ওয়েব সাইটে দিতে পারি না। খুঁজতে থাক, কেউ না কেউ দিয়ে দেবে।

প্রশ্ন: নাম= গুঞ্জন ঠিকানা = ৫নং গেট , চট্টগ্রাম আপনি কি টুনটুনি ও ছোটাচ্ছু নিয়ে আরেকটা বই লিখবেন ? সেখানে প্লিস ছোটাচ্ছুকে ওনার কোম্পানি ফিরিয়ে দিবেন । আর সেখানে যদি টুনি হারিয়ে যায় তাহলে বেশ মজাই হবে । আপনি কেমন আছেন ? উত্তরের অপেক্ষায়
উত্তর: দেখি ধুরন্ধর সরকরাজ কাফির কাছ থেকে উদ্ধার করে ডিটেকটিভ কোম্পানিটা ফিরিয়ে দেওয়া যায় কিনা।

প্রশ্ন: স্যার, কোন একটা কাজ অনেক চেষ্টা করে করার পরও ব্যর্থ হলে আমি প্রচন্ড রকম হতাশ হয়ে পড়ি। দু-তিন দিন মোটেই কোন কাজ/লেখাপড়া করতে পারি না। আপনার কি কখনো এমন হয়? কিভাবে সামলে ওঠেন? -মাশফিক, আমেরিকা।
উত্তর: আমার জীবনের বেশির ভাগ প্রজেক্ট হছে ব্যর্থ প্রজেক্ট। তার লিস্ট শুনলে তোমার চোখ কপালে উঠে যাবে। সামলে ওঠা খুবই সোজা, একটাতে ব্যর্থ হওয়ার সাথে সাথে আরেকটা শুরু করে দিতে হয়!

প্রশ্ন: স্যার, আমি আপনাকে স্বচক্ষে দেখতে চাই। আপনার অটোগ্রাফ নিতে চাই। সেলফিও তুলতে চাই। কিন্তু আমি আপনার সাথে দেখা করবো কীভাবে ? আমি বেশি বড় নই,(আমার বয়স বারো) নইলে আপনার বাড়িতেই চলে আসতাম ! কিন্তু সেটা সম্ভব হচ্ছেনা। আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাই ! কোনো উপায় কি নেই ? প্লিজ জবাব দিবেন। আফরিদাহ আহসান, ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও
উত্তর: করোনার যন্ত্রণা শেষ হোক তখন ঘুরে বেড়াব। সে সময় নিশ্চয়ই দেখা হবে। না, একা একা ঠাকুরগাঁও থেকে রওনা হয়ে যেও না। একবার একটা বাচ্চা মেয়ে আমার সাথে দেখা করার এইভাবে সিলেট এসে হাজির, আমি তখন ঢাকায়, তাকে ঠিকভাবে নিজের বাসায় পৌঁছাতে গিয়ে সবার কালোঘাম ছুটে গিয়েছিল।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি ও কায়কোবাদ স্যার এবং আর কিছু গুণী মানুষ মিলে যে নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের বই পুনর্সজ্জা করেছেন, সেটা আমার কাছে চমৎকার লাগে। কিন্তু স্যার, আপনি কী জানেন, ঠিক এই কাজটা করার জন্য আমার জেনারেশন আপনাকে meme, বা সোজা বাংলায় একটা ইন্টারনেটের হাসির পাত্রতে পরিণত করেছে?? সবচেয়ে বেশি meme হয় “তোমরা জেনে অবাক হবে যে…” এই কথাটা নিয়ে। রকমারি.কম ফেসবুকে যখন আপনার বই নিয়ে পোস্ট দেয়, তখন সেখানে হাহা রিঅ্যাক্টের ঝড় উঠে যায়। কেউ কেউ তো আপনাকে “জাফর ষাঁড়” নামেও ডেকে বসে। কারোও বা চুলকানি, আপনি কেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হয়ে এত শিশুসুলভ বই লিখেন, এটা নিয়ে। আপনাকে ঘিরে কিশোরসমাজেও যখন এতো বিরক্তি আর অশ্রদ্ধা, আমার খুবই রাগ উঠে যায় আর মনে হয়, “We don’t deserve you”. প্রিয় একজন মানুষকে এত অশ্রদ্ধার শিকার হতে দেখা সত্যিই আমার জন্য দুঃখজনক। Why did you choose this country filled with stupid people over America, sir? We don’t even have the 1% of smartness, intelligence and patriotism our freedom fighters had. We don’t even know how to respect our elders :”) – নারিনা, রাজশাহী।
উত্তর: শোনো, কেউ যদি আমাকে অশ্রদ্ধা করে সেটা হবে আমার মাথাব্যথা! তুমি সেটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছ কেন? কী মুশকিল! তুমি কী জান আমাকে কী পরিমান গালাগাল শুনতে হয়? তুমি কী জান, অনেকে আমাকে এতো অপছন্দ করে যে তারা আমাকে জানে মেরে ফেলার চেষ্টা করে? তাতে সমস্যাটা কী?

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আপনি কী চেরনোবিল মিনিসিরজটা দেখসেন? ওখান উকরেইনের চেরনোবিল বিস্ফোরণ আর সেই সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো দেখানো হয়। সেটা দেখার পর, আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। আমাদের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র কী- ১. এমনভাবে তৈরি হচ্ছে যাতে কোনরকম পারমাণবিক বিস্ফোরণের ঝুঁকি না থাকে? ২.চেরনোবিল দেখে মনে হয়েছে, বিস্ফোরণ পরবর্তী তেজস্ক্রিয়তা থেকে বাঁচতে পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রগুলো লোকালয় থেকে অনেক, অনেক দূরে হওয়া উচিত। কিন্তু রূপপুরের ক্ষেত্রে তা সত্যি না, কারণ তার পাশ দিয়ে ট্রেন চলাচল করে। এটা কী অনেক ঝুঁকিপূর্ণ না?? ৩. যদিওবা কখনো কোন বিস্ফোরণ ঘটে, জরুরি ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য আমাদের দেশে কী তেমন দক্ষ বিজ্ঞানীরা রয়েছেন???
চেরনোবিল দেখে আমি যদিও পারমাণবিক বিজ্ঞানে মোটেও মহাবিশেষজ্ঞ হইনি ,কিন্তু আমাদের দেশে একটা পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে, তাই বিষয়টা আমাকে বেশ চিন্তায় ফেলেছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর দিবেন স্যার, প্লিজ!!!! -তাপসী, রাজশাহী।
উত্তর: একটা দেশ যখন উন্নতির একটা পর্যায়ে পৌঁছায় তখন আরো উন্নত হওয়ার জন্য যে পরিমান বিদ্যুতের দরকার হয় সেটা সাধারণ উপায়ে পাওয়া এতো সহজ না। আমাদের দেশে হয়তো নিউক্লিয়ার ছাড়া সেটা সম্ভব না। চেরনোবিলের পর আরো অনেক দিন পার হয়েছে, টেকনোলজি আরো অনেক বেশি উন্নত হয়েছে। তাছাড়া চেরনোবিলের দুর্ঘটনা ঘটেছে অপারেটরদের বাড়াবাড়ির জন্য, সেটা সচরাচর হয় না। তবে দুর্ঘটনার উপরে হাত নেই, জাপানেও সবরকম সাবধানতা নিয়ে এর কাছাকাছি ঘটনা ঘটেছে। আমাদের দেশকে তুমি খাটো করে দেখছ, এই দেশে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানোর মানুষ থাকবে না কেন?

প্রশ্ন: কি হলো, আপনি আবার কোথায় ডুব দিলেন? বাবর, নোয়াখালী
উত্তর: কী আশ্চর্য! আমি এক আধবার ডুবও দিতে পারব না?

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা বড়ুয়া। আমি চট্টগ্রামে থাকি। স্যার, আপনি Harry Potter পড়েছেন?? যদি পড়ে থাকেন তাহলে আপনার কেমন লেগেছে পড়ে???
উত্তর: খুব ভালো। আসলে হ্যারি পটারের কাহিনীর মতই মজার কাহিনী হচ্ছে, এই বই প্রকাশের কাহিনী। জে কে রোলিং তার বইয়ের পান্ডুলিপি অনেক প্রকাশকের কাছে পাঠিয়েছেন, কেউ সেটা প্রকাশ করতে রাজী হয় না। একজন প্রকাশক পান্ডুলিপিটার খানিকটা বাসায় নিয়ে গেছে। প্রকাশক পড়ে সেটা বাতিল করে দিয়েছে। কিন্তু এর মাঝে তার বাচ্চা মেয়ে পান্ডুলিপিটা পড়তে শুরু করেছে। সে অংশ বিশেষ পড়ে এর পরে কী হয়েছে জানার জন্য পাগল হয়ে গেল। সেটা দেখে প্রকাশক বাবা ভাবল, বইটা হয়তো বাচ্চারা পছন্দও করতে পারে, সে শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করতে রাজী হল। কিন্তু একটা শর্ত জুড়ে দিয়েছে, কাউকে বলা যাবে না বইয়ের লেখক মহিলা, তাহলে কেউ এই বই পড়বে না! সে জন্য তার নামটা এমন ভাবে লেখা হবে কেউ যেন বুঝতে না পারে বইয়ের লেখক মহিলা, Joanne Kathleen Rowling না লিখে বইয়ে লেখা হল J. K. Rowling! বিশ্বাস হয়?

প্রশ্ন: স্যার, আমি পিদিম অনন্তরূপা, ময়মনসিংহ থেকে, অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি। আমাকে চিনতে পেরেছেন? আপনি আমার গত চিঠিটায় আমার নামটা খুব সুন্দর বলেছিলেন, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সে জন্য! আপনার মতো করে আমার নামটা কেউ এর আগে সুন্দর বলে নি। বরং খানিকটা বিরক্তই হয়ে থাকে! আপনি বলেছিলেন নামটা যে রেখেছে তাকে এই নামটা যে খুব সুন্দর সেটা বলতে। আমার নামটা আমার বাবা মা দুইজন মিলেই রেখেছে। তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম নামটা কার মাথা থেকে বের হয়েছিল কিন্তু তারা বলে মনে নাই! যাই হোক, তাদেরকে আমি আমার নাম বিষয়ে আপনার মন্তব্যটা দিয়েছি। তারা অনেক খুশি হয়েছে এবং আপনাকে ধন্যবাদ দিয়েছে। সেই উত্তরটা আপনি দিয়েছেন অনেক অনেক আগে কিন্তু আমি ঠিক আপনার মতোই আপনার ওয়েবসাইট থেকে ডুব দিয়েছিলাম! আমি খুবই দুঃখিত আপনার উত্তরের বহুদিন পরে একটা চিঠি লেখার অপরাধে। বেশি কথা বলে ফেলছি নাকি? আচ্ছা একটা কথা বলতেই হয়, আমার নাম নিয়ে আমার অনেক ঝামেলায় পড়তে হয় কারণ আমার নামটা কেউই প্রথমবারের মতো ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারে না! এমন অদ্ভুত অদ্ভুত উচ্চারণ করে যে তাদের নাম বোঝাতে বোঝাতেই আমার দম যায় যায় অবস্থা হয়ে ওঠে! তাদেরও কষ্ট, তারাও অনেক কষ্ট করে বোঝে। এর জন্য নাম সুন্দর সেটা বলার আর মুড থাকে না, খানিকটা বিরক্তই হয়! একটা বড় অংশ আছে বহু দিন পরিচিত হওয়ার পরেও নাম ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারে না। এই নামটাকে আপনি সুন্দর বলাতে যে আমার কত খুশি লেগেছে! আমি সবাইকে এটা দেখিয়েছি। আপনাকে কোনো প্রশ্ন করা হয়ে উঠছে না। আজকে একটা প্রশ্ন করি, আপনার “স্কুলের নাম পথচারী” বইটাতে আপনি বার বারই বলেছেন যে বইটা সত্য কাহিনী। স্যার, এটা কি আসলেই সত্য কাহিনী? আমার কিন্তু বিশ্বাস হয় না! আপনার দেখা পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। ভালো থাকবেন স্যার। (আরেকটা প্রশ্ন, আপনি কি কখনো নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলায় গিয়েছেন? হুমায়ুন আহমেদ স্যারের জন্ম তো সেখানে। আর সেখানে আমার দাদা বাড়ি। না গিয়ে থাকলে যাওয়ার নিমন্ত্রণ রইল। খুব সুন্দর জায়গা। সেখানে আমাদের বাড়িতেও যাওয়ার নিমন্ত্রণ।)
উত্তর: না, স্কুলের নাম পথচারী বইয়ের কাহিনী বানানো। আমি অনেকবার মোহনগঞ্জ গিয়েছি, সেটা আমার মামা বাড়ী!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। স্যার আপনি কি যেরকম টুনটুনি সেরকম ছোটাচ্চু ও যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু বইটি এই ওএবসাইট এ দিবেন। রিদিতা,কাপাসগোলা,চট্টগ্রাম।
উত্তর: কেমন করে দিব? কোথায় পাব তার পিডিএফ? খুঁজতে থাকো, কেউ না কেউ নিশ্চয়ই দিয়ে দেবে।

প্রশ্ন: এসএস-সি ও এইচ-এস-সি পরিক্ষার্থী দের জন্য এখন এসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে, এর সমস্যা গুলো কিছুটা ইন্টারেস্টিং, এটলিস্ট সমস্যা গুলো নিয়ে চিন্তা করতে হয় সমাধান করার জন্য। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ফেসবুক, ইউটিউব সহ প্রায় সবখানেই এর সমাধান এখন ছড়িয়ে আছে, এমনকি উদ্ভাস এর মত ১টি প্রতিষ্ঠান এসাইনমেন্ট নিয়ে ১টি কোর্স ও চালু করে দিয়েছে। কাজেই দিন শেষে সবাই সমাধান দেখে সেটি চোখ বন্ধ করে খাতায় তুলে জমা দিয়ে দিচ্ছে। তাহলে এই এসাইনমেন্ট করে কারো কি আদউ কোনো লাভ হচ্ছে? যারা পাব্লিকলি এরকম ভাবে সমাধান বের করছে তাদের বিরুদ্ধে কিছু কি করা যায় না? তারেক, ময়মনসিংহ
উত্তর: চাইলে নিশ্চয়ই করা যায়, কিন্তু সেটা চাইবে কে? যখন প্রশ্ন ফাঁস হতো তখন আমি এর বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম বলে সবাই আমার উপর কী রাগ! ছাত্র ছাত্রীরা রাগ তাদের এতো মজার পরীক্ষা দেওয়া বিরুদ্ধে কথা বলছি সেজন্য। বাবা মায়েরা রাগ তাদের ছেলেমেয়েদের জিপিএ ফাইভ বন্ধ হয়ে যাবে সেজন্য। সরকার রাগ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছি সেজন্য!

প্রশ্ন: Amar name Deeyapa Ahmed. Ami Chittagong e thaki .Sir Ami ‘টুনটুনি ও ছোটাচ্চু’ পুরো সমগ্র টা পড়তে চাই। এই website thake ki Porte parbo? Porte Parle kamne porbo aktu bolben please
উত্তর: কোথায় পাব তার পিডিএফ? কেমন করে দিব এখানে?

প্রশ্ন: I can’t study at all! I read and keep revising the chapters but can’t remember a thing after a day or two. This covid-19 destroyed my motivations and all and now the assignments. How can I expect to write anything when I don’t know anything? I hate to copy and I don’t want to copy. I’m so dead right now. Please help me!
Apel Mahmud, Chattogram.
উত্তর: অবস্থাটা মেনে নাও, শুধু তুমি না দেশের সব ছেলেমেয়েদের এক অবস্থা! আমি শুনে খুবই খুশি হলাম যে যাই হোক নয়া কেন, তুমি অন্য কোনোখান থেকে কিছু কপি করবে না। চমৎকার!

প্রশ্ন: স্যার,আমি পড়েছি মহাবিপদে। আমি সেই ২০১৯ সালে আপনাকে একটা প্রশ্ন করেছিলাম, এরপর অনেকদিন উত্তরের অপেক্ষা করে শেষমেশ হাল (প্রায়) ছেড়ে দিলাম।এরপর এই ২০২১ সালের জুলাই এ এসে check করে তো আমি পুরাই অবাক । এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে আমি কি প্রশ্ন করেছিলাম তাও ভুলে গেছি । সবমিলিয়ে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা খুঁজেছি ।তাও আমার উত্তর খুঁজে পাইনি । এখন আমি কি করি ?… … … (নাম-ঠিকানা গোপন রাখলে খুশি হব)
উত্তর: যে প্রশ্নটা তুমি মনেই করতে পারছ না সেটা নিয়ে এতো ব্যস্ত হচ্ছ কেন? ভুলে যাও, অন্য কিছু কর, পৃথিবীতে কী কাজের অভাব আছে?

প্রশ্ন: অনামিকা, ঢাকা। স্যার, আমরা যারা ছোট থেকে আপনার লেখা পড়েছি তারা অনেকেই এখন বড় হয়ে গেছি। অনেকেই মধ্যবয়সী। আমাদের স্যার আপনার লেখা বড়দের উপন্যাসও পড়তে ইচ্ছা করে। যেভাবে শিশু-কিশোরদের উপন্যাসে তাদের সমস্যাগুলোকে সমাধান করেন, তাদেরকে স্বপ্ন দেখান, যেভাবে সায়েন্স ফিকশনে ভবিষ্যতের পৃথিবীর সমস্যাগুলোরও সমাধান করেন, সেইভাবে আমাদের এডাল্ট লাইফের কোয়ার্টার লাইফ, মিড লাইফ ক্রাইসিস গুলোর সমাধানও যদি আপনার অন্তত দুয়েকটা লেখায় পেতাম স্যার খুব ভালো লাগতো। এই করোনাকালীন সময়ে যেরকম মানবিক বিপর্যয় হয়েছে স্যার আমার মনে হয় ইয়াং এডাল্টদের জন্য আশাব্যঞ্জক, মন ভালো করা কিছু দরকার। হুমায়ুন আহমেদ স্যার চলে যাওয়ার পর আমরা সত্যিই অনেক ক্ষুধার্ত থাকি ভালো লেখার অভাবে।
ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ আমি আপনার ‘কাচ সমুদ্র’, ‘বিবর্ণ তুষার’ আর ‘আকাশ বাড়িয়ে দাও’ কলেজ জীবনেই পড়ে শেষ করেছি। যতটুক জানি এরপর আর এরকম কিছু আপনি লেখেন নি। একটা বড় পরিসরে বড়দের উপন্যাস কি পেতে পারি স্যার?
উত্তর: আমারও লিখতে ইচ্ছা করে, কোনও এক সময়ে নিশ্চয়ই লিখব। তুমি যে তিনটি বইয়ের নাম লিখেছ তার বাইরে আরও বেশ কয়েকটা বই লিখেছি আমি। এই সাইটেই আমার বইয়ের তালিকাটা আছে, চাইলেই দেখে নিতে পারবে।

প্রশ্ন: Sir: What are you doing now/how do you pass your time nowadays? MFA, Canada
উত্তর: বই পড়ি, লেখা লেখি করি, ছবি আঁকি। কাজের তো অভাব নেই।

প্রশ্ন: স্যার আমি এর আগেও আপনাকে প্রশ্ন করেছি,কিন্তু আপনি উত্তর দেন নি।আমার আজকের প্রশ্ন হলোঃ যখন গ্যাসের চুলা অন করা হয় তখন আগুন কেন সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে না,কেন গোল হয়ে জ্বলে?? নুজহাত,টাঙ্গাইল।
উত্তর: সর্বনাশ! গ্যাস ছড়িয়ে পড়লেই আগুন ছড়িয়ে পড়বে। চূলায় খুবই নিয়ন্ত্রিত ভাবে যেটুকে জ্বলতে পারবে সেটুকু গ্যাস আসে। গোল হয়ে জ্বলে কারন বার্নারটা গোল।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার কাছে কি “সাস্টে ২২ বছর” বইটির PDF আছে…?? থাকলে আমাকে লিঙ্কটা দিবেন প্লিজ…?? আমার বইটি অনেক পড়তে মন চাইছে। আমি অনলাইনে শুধু বই এর রিভিউটা দেখেছি। দেখেই মনটা ভরে গেছে। করোনার কারণে বইটি পড়তে পারতেছি না। তাই অনলাইনে পাগলের মত খুঁজছি। কিন্তু পাই নাই…!! তাই আপনাকেই বলতেছি। স্যার আপনার কাছে এর পিডিএফ টা থাকলে আমাকে এর লিঙ্ক টা দিবেন প্লিজ…?? কি আর করবো স্যার লকডাউন এ কিছুই করার মত নাই। তাই অনলাইনে বই খুঁজে বেড়াই। আপনার কাছে এর পিডিএফ টা থাকলে এর লিঙ্ক টা … … … … … … … … … দিবেন। আচ্ছা স্যার আপনি কি আমার উপর রাগ করেছেন…?? কারন আমি এখানে প্লিজ লিখে ভরে ফেলেছি। এতাবার লিখেছি যে বাকি জিবনে কাওকে কোনো অনুরোধ করলে মনে হয় প্লিজ না বললেও চলবে। কি আর করবো বলুন…?? আমার যে বইটি পড়া চাই ই চাই…!! তাই স্যার আপনার কাছে পিডিএফটি থাকলে দিয়েন প্লিজ। ( এবার আর প্লিজ এর বন্যা বানালাম না। আপনি বিরক্ত হবেন তো তাই…!!) নুহা, মগবাজার, ঢাকা। ( স্যার, আমি এবার বুঝেছি আপনি আমাদের কেন নাম, ঠিকানা লিখতে উৎসাহী করেন। নাম ঠিকানা লিখলেই আমার কেমন জানি গর্ব বোধ হয়…!! থাক আপনাকে আর জালাচ্ছি না। আপনি হয়তো এখনও আমার প্লিজ এর ধাক্কাই সামলাতে পারেন নি…!!) স্যার, ভালো থাকবেন… অফুরন্তু ভালোবাসা রইল।
উত্তর: আমি ৪৪৮০টা প্লিজ লেখা তোমার প্রশ্নটা ইয়াসমীনকে দেখিয়েছি, যেহেতু বইটা তার লেখা। সে তোমার ইমেইলে উত্তরটা দিতে চায়, ইয়াসমীনকে (yasmeen@sust.edu) তুমি একটা মেইল কর।

প্রশ্ন: আপনি নাকি ভূতে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু ভূত নিয়ে আপনার কি কোনো কৌতুহল আছে ? (ভূত বিশ্বাস না করলে ভূত নিয়ে কৌতুহলও থাকবেনা এমন তো কোনো কথা নেই) আমার নিজের ভূত নিয়ে বেশ কৌতুহল। আপনারও কি ভূত নিয়ে কৌতুহল আছে বা ছিল ? আপনি কি ভূত দেখার কোনো চেষ্টা করেছেন ? কীভাবে চেষ্টা করেছেন ? আমাকেও একটা অটোগ্রাফ দেবেন প্লীইইইইইইজ ? আফরিদাহ আহসান (বয়স বারো) ইসলাম নগর, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর
উত্তর: ভূত নিয়ে আমার অনেক কৌতুহল, অপেক্ষা করে আছি কেউ একটা ভূত ধরে একটা বতলে করে আমাকে দেবে, আমি টিপেটুপে দেখব! অটোগ্রাফ দিলাম, খুশি?

প্রশ্ন: Sir, আমরা ইংরেজি বইগুলোর অনুবাদ পরব, না কি বইগুলো? আর, ইংরেজি বাদ দিয়ে অন্য সাহিত্য, যেমন, রুশ, ফফরাসি, ইত্যাদি বইগুলোর বাংলা অনুবাদ, না ইংরেজি অনুবাদ পরব? maxim Gorky এর বাংলা অনুবাদ বইগুলো খুউব ভালো। লুইজ, ঢাকা।
উত্তর: ইংরেজি পড়তে পারলে ভালো, ভাষাটার উপর দখল আরও বাড়বে। অন্য ভাষার বই পড়া তোমার ইচ্ছা। তবে আমি দেখেছি অনেক ভালো বইয়ের বাংলা অনুবাদ খুবই দায়সারা, পড়ে তৃপ্তি হয় না।

প্রশ্ন: স্যার আশা করি ভালো আছেন! কিন্তু আমি ভালো নেই! ভালো থাকতে চাচ্ছি, পারছিনা! কোথা থেকে শুরু করব বুঝতে পারছিনা।আমি কীসে ভুগছি তাও বলতে পারছিনা,কী যে ঝামেলা! মনে হয় দুইটাতেই – বাইপোলার ডিসঅর্ডার আর ডিপ্রেশন :(.. যখন থেকে ভুগছি তখন থেকে বুঝতে পারিনি,কিছুদিন হলো বুঝলাম মানে কয়েকমাস হলো বুঝলাম! ভুগবার কারণ অনেকককক আছে। গবেষণা করে তারপর কারণগুলো বের করেছি।বলি তাহলে- হঠাৎ পৃথিবী পাল্টে গেছে তো,মানিয়ে নিতে পারছিনা; এই সময়টা আমাদের মানে শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপযুক্ত একটা সময় নিজেদের বোঝার।আমি নিজেকে বুঝতে গিয়ে আরো সব গুলিয়ে ফেলেছি । মানে আমি হলাম গিয়ে introvert ,তাই অন্যদের সাথে মিশতে পারিনা,সামাজিক হতে পারিনা! তারপর আমার খুব প্রিয় একজন তারকা মারা গেছেন,ক্যারিয়ার সিলেকশন নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি,পারিবারিক সমস্যা,নেতিবাচক দিক দেখা সর্বদা.. আরো আছে হয়তো! আমি ইন্টারনেটের কল্যাণে এই সমস্যা থেকে মুক্ত হবার জন্য অনেক মোটিভেশনাল ভিডিও দেখেছি,বই পড়েছি,আর্টিকেল পড়েছি,কোনো কিছুতেই লাভ হচ্ছে না।আমি উদ্যমই হারিয়ে ফেলেছি।কী দুর্দশা যে হবে আমার।পরিবারের কাউকে বলতে বলবেন না দয়া করে,এমন কেউ নেই যে আমাকে বুঝবে,মাও না কারণ মানসিক সমস্যা কী ওরা এটা বুঝেনা।কোনো বন্ধুও নেই আমার এমন যাকে বললে বুঝবে।এগুলো সব আমারই ব্যর্থতা! কী যে করব, বুঝতে পারছিনা। আমার নাম নাফিজা,বয়স ১৪। ডাক্তার দেখাতেও বলবেন না দয়া করে!
উত্তর: আমরা যখন তোমাদের বয়সী ছিলাম তখন ইন্ট্রোভার্ট, ডিজর্ডার, ডিপ্রেশান এই কথাগুলো জানতাম না, তাই সেগুলো হলেও টের পেতাম না, তাকে পাত্তাও দিতাম না। আর বাই পোলারের মত ভয়ংকর শব্দ জানার তো প্রশ্নই আসে না, আর তোমরা কী অবলীলায় নিজের সম্পর্কে এই শব্দগুলো ব্যবহার করো। কী সর্বনাশ! আমি একশবার স্বীকার করি আমাদের থেকে তোমাদের জীবন অনেক জটিল, তোমাদের জীবনে আসলেই সমস্যা আছে কিন্তু আমার ধারনা, ভালো বন্ধু, ভালো পারিবারিক পরিবেশ, খেলাধূলা, একটুখানি উৎসাহ, অনেকখানি ভালবাসা জীবনকে অনেক সহজ করে দিতে পারে। আমার ধারনা মোটিভেশনাল ভিডিও কিংবা বই আসলে বিশাল scam! প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা, তার সমস্যা আলাদা, কেমন করে একটা ভিডিও লক্ষ মানুষের ভিন্ন ভিন্ন সমস্যা মিটিয়ে দেবে? পারলে এর থাকে দূরে থাকা ভালো, আসল জীবনে কমন সেন্সের বাইরে খুব বেশি কিছু নেই! ডাক্তার দেখানোর কথা না বলতে বলেছ, কিন্তু কেউ বাই পোল্র কথাটা উচ্চারণ করবে এঁর ডাক্তারের কাছে যাবে না সেটা তো হতে পারে না।

প্রশ্ন: স্যার, ঈদ-মোবারক( আপনি সবাইকে দেরি করে ঈদের শুভেচ্ছা দিয়েছেন।আমি প্রতিশোধ নিলাম।হা হা হা হা।) আমার দুটি আমপ্রশ্ন ছিল স্যার।১/আপনি কি বাংলাদেশে ক্রিকেট ম্যাচগুলো দেখেন?ODI,T20..(এটা বললাম কারণ হচ্ছে আপনাকে একটা দেশাত্মবোধক গানের মধ্যে দেখেছি বাংলাদেশের জার্সি পরে থাকতে।গানটা হলো-লাল-সবুজে বিজয়ী নিশান হাতে হাতে ছড়িয়ে যাক)। ২/২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বইমেলায় আমি আর আমার বোন আপনার সঙ্গে ছবি তুলেছিলাম।আমার বন্ধু রাশেদে অটোগ্রাফ নিয়েছিলাম।সেদিন আমার খুউব আনন্দ ও মজা লেগেছিল।আমার অনেক!আমার বোনেরও অনেক! সেই ছবি কি আপনার নূতন ইমেইলে পাঠাব আর আপনি সেটা এই ওয়েবসাইটে অ্যাটাচ করে দিবেন?প্লিজ…..!((রাইয়ান তাওসীফ,১৪,ঢাকা))
উত্তর: না, আমার খুব বেশি খেলা দেখা হয় না। কেউ যদি বলে অমুক দিন এতোটার সময় খেলা, এইভাবে খেলেটা দেখা যাবে এবং বাংলাদেশ খেলায় জিতে যাচ্ছে তাহলে মাঝে মাঝে দেখি। অবশ্যই তুমি ছবিটা পাঠাতে পার, কিন্তু এই ওয়েবসাইটে সেটা হয়তো এটাচ করা সম্ভব হবে না।

প্রশ্ন: স্যার আপনি আরো বেশি করে সাইন্স ফিকশন লিখবেন। সাজিদ, কুমিল্লা।
উত্তর: আচ্ছা, লিখব।

প্রশ্ন: Hello,sir.Hope you are well.Sir can you please tell me why we can’t grow too many plants in Mars and then after producing much oxygen we can live there??Another thing is 11th August is my birthday and please sir wish me.It will be my best birthday present.Meherun Khanom,Rangpur.
উত্তর: পৃথিবীতে আগে অক্সিজেন ছিল না, সবুজ উদ্ভিদের কারনে অক্সিজেন এসেছে, তার জন্য কত কোটি বছর সময় লেগেছে জান? সালোকসংশ্লেষন করার জন্য পানির দরকার। মঙ্গল গ্রহে পানি কোথায়? তোমার জন্য (একটু খানি বাসি) জন্মদিনের ভালোবাসা!

প্রশ্ন: Assalamualaikum sir. Hope you are well by the grace of almighty Allah. Again I am curious future scientist. Today’s question is – Why do we blink? And why we can’t stay without blinking? Will be waiting for your answer. Lots of love. Stay safe, stay home.
উত্তর: ইন্টারনেটে একটা সার্চ দাও। নিজে প্রশ্নের উত্তর বের করার আনন্দই অন্যরকম।

২৫ জুলাই ২০২১

এবারে অনেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে, তাদের সবাইকে আমার পক্ষ থেকে দেরি করে শুভেচ্ছা। বরাবরের মত এবারেও অনেকে অনেকগুলো করে প্রশ্ন করেছ, তার মাঝে এক দুইটির উত্তর দিয়েছি। কেউ কেউ ঠিক প্রশ্ন করনি কিছু একটা লিখে জানিয়েছ, আমি সেগুলি মন দিয়ে পড়েছি।

প্রশ্ন: প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার,আপনি কখনো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর লেখা শ্রীকান্ত বইটা পড়েছেন?এটা আমার ভীষণ পছন্দের একটা বই কিন্তু এই বইয়ে আমার সবচেয়ে মজার ব্যাপার কি লেগেছে জানেন?ইন্দ্র আর শ্রীকান্ত দের সময়টা এখনকার সময় থেকে এতটা ভিন্ন হলেও তারা ঠিক দুষ্টু ছেলের দল অথবা দস্যি কজন কিংবা দীপু আর তারেকের মতো এডভেঞ্চারের খোঁজে বেরিয়ে পড়ছে!শ্রেয়া সাহা, ***** ,নারায়ণগঞ্জ (ঠিকানাটা গোপন রাখবেন আর আমাকে একটা অটোগ্রাফ দেবেন প্লিজ?)


উত্তর: আমাদের সময় আমরা সবাই শরৎচন্দ্র পড়তাম, শ্রীকান্ত আমাদের সবার প্রিয় বই, ইন্দ্র প্রিয় চরিত্র এবং নতুনদা মজার চরিত্র! সেই বইয়ের অনেক ডায়ালগ এখনও আমাদের মুখস্ত! দিচ্ছি অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার , জানিনা আপনি এই প্রশ্ন দেখে ফেলার আগেই ঈদ চলে আসবে কিনা! তাই আপনাকে জানাই অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা।স্যার আমার একজন বেস্ট ফ্রেন্ড আছে ,ওর নাম মাশফির রিশান। ১ আগস্ট ওর জন্মদিন।তাই ওর জন্মদিনে আপনার দেয়া একটা অটোগ্রাফ দিয়ে রিশানকে সারপ্রাইজ দিতে চাচ্ছিলাম।প্লিজ স্যার আমার এই অনুরোধটি রাখুন। ভালো থাকবেন। আমি সানি , রংপুর থেকে…
উত্তর: আমি কিছু নিয়ম মেনে চলি, তার একটা হচ্ছে, কারো অনুরোধে আমি অন্য কারো জন্য কিছু করতে চাই না। যার যেটা প্রয়োজন সেটা কি তার নিজেরই কষ্ট করে পাওয়া উচিত না? তোমরা একজন আরেকজনকে সারপ্রাইজ করতে থাকো কিন্তু আমি সেটা করতে চাই না!

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা বড়ুয়া। আমি চট্টগ্রামে থাকি। স্যার, আপনার চশমার পাওয়ার কত??? মাইনাস নাকি প্লাস??? আপনি কখন থেকে চশমা পড়া শুরু করেন?? স্যার, আপনি কি কোনো বই অডিওবুকে শুনতে বা পিডিএফ এ পড়তে ভালো লাগে???
উত্তর: মাইনাস এবং প্লাস, সঠিক পাওয়ার ভুলে গেছআ, ২ থেকে ২.৫ হবে। অডিও বই শুনি নি, পিডিএফ পড়ার প্রয়োজন হয়নি, তবে kindle-এ নিয়মিত ই-বুক পড়ি।

প্রশ্ন: স্যার শুভেচ্ছা নিবেন। একটা কথা কি জানেন? আমি আমার জীবনে প্রথম বই পড়া শুরু করি আপনার লেখা বইঃ- ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ দিয়ে। বইটি আমাকে আমার স্যার আমার জন্মদিনে উপহার দিয়েছিলো। আর এখন আমি আপনার প্রায় অর্ধেক সতাংশ বই পড়ে ফেলেছি। আপনার যত বই আমি পড়েছি, তার মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় বই হলো ‘আমি তপু’। অনেকেই বলে বইটি পড়ে তাদের চোখে পানি চলে এসেছিলো। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই হয়েছে। আর বইটির বিশেষত্ব হলো বইটিতে আপানর অটোগ্রাফ আছে (কি মজা!)। আমি যে শুধু আপনারই বই পড়ি তা কিন্তু নয়। হুমায়ুন আহমেদ, জে. কে. রাওলিং, আহসান হাবীব, আনিসুল হক…ইত্যাদি লেখক দেরও বই পড়ি। আমি আমার জীবনে বই পড়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছি আপনার কাছ থেকে (আপনার লেখা বই থেকে)। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আর হ্যাঁ, আপনার লেখা ২০২১ বইমেলার বই গুলোর মধ্যে আমার ‘বনবালিকা’ টি সবচেয়ে পছন্দ হয়েছে। ভালো থাবেন। সুস্থ থাকবেন। মোঃ ইফাজ হোসেন নয়াপল্টন, ঢাকা।
উত্তর: আমার বই দিয়ে তোমার বই পড়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছ শুনে খুশি হলাম। বনবালিকা একটু অন্যরকম বই তবু পছন্দ করেছ জেনে স্বস্তি পেলাম।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার প্রিয় বইয়ের তালিকাতে সত্যজিত রায়ের বই নেই কেন? সত্যজিত রায় আমার দ্বিতীয় প্রিয় লেখক (আপনি প্রথম), আর আপনি তাঁর একটা বইও পছন্দ করেন না! আমি ভাবতাম, আমার আর আপনার মধ্যে অনেক মিল, এখন দেখছি তা ঠিক না! ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: আমি তার বইয়ের নাম দিইনি দেখে তুমি ধরে নিলে আমি তার বই পছন্দ করি না? কী আশ্চর্য! তুমি সত্যি ভাব এই পঞ্চাশটা বইয়ের বাইরে আমার প্রিয় লেখক নাই?

প্রশ্ন: স্যার, আমি ইফফাত গাইবান্ধা থেকে।আজকে আপনার কাছে আমার একটা রিকোয়েস্ট আছে যেটা আপনাকে রাখতেই হবে ।সেটা হচ্ছে এই পাজি করোনাটা kick the bucket করলে আপনি প্লিজ প্লিজ প্লিজ একবার গাইবান্ধায় আমাদের স্কুলে আসবেন।তাহলে আমি আর আমার বন্ধুরা সবাই সামনাসামনি আপনার অটোগ্রাফ নিতে পারব। আমার অনেক ইচ্ছা আপনার সাথে দেখা করার । আপনাকে কিন্তু আসতেই হবে। পুনশ্চ:অনলাইনে অটোগ্রাফের জন্য অনেক অনেক অনেক থ্যাংকু। অফলাইনে দিলে আরও অনেক থ্যাংকু দিব।
উত্তর: আমি দৃশ্যটা কল্পনা করছি: আমি গাইবান্ধায় গিয়ে তোমার স্কুলের গেটে ধাক্কাধাক্কি করছি, দারোয়ান গেট একটু ফাঁক করে জিজ্ঞেস করল, “কি চাই?” আমি বললাম, “এই স্কুলের ইফফাত আমাকে এই স্কুলে আসতে বলেছিল।” দারোয়ান বলল, “মশকরা করার আর জায়গা পান না?” তারপর দড়াম করে গেট বন্ধ করে দিয়ে বিড়বিড় করে বলল, “যত পাগল ছাগল সব এখানে এসে ডিস্টার্ব করে!”
কেমন লাগছে আমার কল্পনাটা? ভালো না?

প্রশ্ন: (****,রংপুর) শ্রদ্ধেয় স্যার, কেমন আছেন? আমি অনেক বড় একটি সমস্যায় পড়েছি।আমার খুব প্রিয় একজন বন্ধু আছে। আমাদের কয়েকজনের দলে সেই লিডার।তার স্নেহ ও ভালোবাসার বন্ধনে আমরা বন্দি।তার জীবন ও জগৎ সম্পর্কে গভীর ভাবনা আমাকে বার বার মুগ্ধ করে। ক্লাস এইট পড়ুয়া একটা স্টুডেন্ট হয়ে কী করে এত প্রাণ, এত শক্তি বুকের ভেতর তা সত্যিই আমাকে ভাবিয়ে তোলে। ওর সবার বিপদে ঝাপিয়ে পড়ার মানসিকতাই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে। খুব ভালো লেখতে পারে সে।কিন্তু তার সব লেখনীই অপ্রকাশিত থেকে যায়।কারণ, সে ছাপাই না। তার ইচ্ছা আপনি ওর লেখা একটা গল্প পড়ুন।তবেই সে ছাপানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু, আমার বা ওর বাবা মার কোন ইমেইল ঠিকানা নেই।খোলার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিছু কারণে তা হয়ে ওঠে নি।। তাই, ও সবসময় মনমরা হয়ে থাকে। ওকে আমরা সবাই অনেক বার বুঝিয়েছি।কিন্তু কিছুতেই ওকে বোঝানো যায় না।এখন, আমরা কি করব?( নাম গোপন রাখবেন প্লিজ)
উত্তর: তোমরা মাত্র ক্লাশ এইটে পড়, নিজেকে প্রকাশ করার জন্য পুরো জীবনটাই পড়ে রয়েছে কাজেই তোমাদের এতো দুর্ভাবনার কী আছে? সত্যি কথা বলতে কী এই বয়সে লেখালেখিতে তো সত্যিকারের ম্যাচুরিটি আসে না, আমি তাই চাই এই বয়সের ছেলেমেয়েরা নিজেকে প্রকাশ করা নিয়ে ব্যস্ত না হয়ে, নিজেকে সত্যিকারে জীবনের জন্য প্রস্তুত করুক। তুমি কী জান, হুমায়ুন আহমেদ এতো বড় লেখক কিন্তু ছোট থাকতে জীবনেও পত্রপত্রিকা ম্যাগাজিনে এসব জায়গায় লেখেলেখি করেনি? অথচ সে নিজে খুব ভালো করে জানতো চাইলেই সে অন্য যেকোনো মানুষ থেকে ভালো লিখতে পারে। কাজেই তোমাদের বয়সের বাচ্চাদের যেসব মজা করতে হয় সেগুলো কর, এখনই এতো সিরিয়াস হওয়ার কী আছে?

প্রশ্ন: salam niben. asha kori bhalo acen.ami kintu bhalo nei.lockdown er jonno kothao jete parina.goto 2 bocor dhore dadubari kinba nanubari jete parcina.sob kicu birokto lagce.porai o mon boshe na.porte ecce kore na.ami ekhon class 7 e.class 5 er P.E.C exam e ami higher mark peyeci.scholarship o paici.kintu ekhon porte ecce korena dekhe amar teacher ma baba sobai bolce ami faki dicci.to bolun porai ekgheyemi lagle ami ki korbo. keu amar kotha bujhteo chai na.bhalo thakben.ami alif cox’sbazar theke.
উত্তর: এতোদিন সহ্য করেছ,আর একটু সহ্য করো সব ঠিক হয়ে যাবে। লকডাউনে তোমার এতো অবসর তুমি কি ইংরেজি অক্ষরে বাংলা না লিখে বাংলায় টাইপ করতে শিখে নিতে পার না?

প্রশ্ন: হাসিন, ঢাকা। স্যার আপনি স্টিফেন কিংয়ের কি কি বই পড়েছেন? তাঁর কোন বইটি আপনার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে? (আমি আসলে স্টিফেন কিংয়ের অনেক নাম শুনেছি, তবে এখনো তাঁর কোনো বই পড়া শুরু করিনি। তাই জিজ্ঞেস করছিলাম।)
উত্তর: হ্যাঁ, যখন বয়স কম ছিল তখন পড়েছি। নাম মনে করতে পারছি না। তার কোনো একটা বই পড়ে আমার একটা ভৌতিক কাহিনী লেখার ইচ্ছা করেছিল এবং প্রেত নামে একটা উপন্যাস লিখেছিলাম।

প্রশ্ন: স্যার, আপনাকে এর আগে একটি ধাঁধা জিজ্ঞেস করেছিলাম আপনি তার উত্তরও দিয়েছিলেন। আপনাকে ধাঁধাটি আবার মনে করার জন্য নিচে লিখে দিচ্ছি … … … … উত্তরটি হবে “বাতাস”। কারণ বাতাস সবাই খায় …. নাম :নুহা। ঠিকানা: মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: তোমার সাথে যখন দেখা হবে তখন আমাকে এক গ্লাস বাতাস খেয়ে দেখিও তো বাতাস কেমন করে খায়!! খেলে হজম হয়?

প্রশ্ন: প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার, আগের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!আপনি আপনার ৫০টি প্রিয় বইয়ের লিস্টে লিখেছেন, আপনাদের পুরো পরিবারের প্রিয় লেখক মানিক বন্দোপাধ্যায় আর তার পেছনে নাকি একটা চমৎকার গল্পও আছে! গল্পটা জানতে আমি ভীষণ আগ্রহী, গল্পটা একটু (না,না শুধু একটু না,পুরোটা বলতে হবে কিন্তু!)বলবেন, প্লিজ প্লিজ প্লিজ ? শ্রেয়া সাহা, নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: নাও, এই সেই গল্প!

প্রশ্ন: স্যার, আপনি কিউব মেলাতে পারেন? এটা কি কোনো কাজের জিনিস, নাকি ফালতু টাইম নষ্ট? জাবির তানজীম, কুষ্টিয়া।
উত্তর: না, আমি কিউব মিলাতে পারি না। ব্রেনের কাজ কেমন করে “ফালতু টাইম নষ্ট” হয়?

প্রশ্ন: Assalamualaikum sir.I am MD.Tahmidul Islam Chowdhury from Uttara,Dhaka. I want your suggestion about which book should I read to learn python completely.
উত্তর: এসব জানার জন্য আছে নেট নেট নেট …

প্রশ্ন: আচ্ছা, ৬^২/২(৩)+৪=৫৮ কেন? আমাদের ৩য়-১০ম শ্রেণির পাঠ্যবই অনুযায়ী এটার উত্তর ১০ হওয়ার কথা।অনুগ্রহ করে একটু ব্যাখ্যা করবেন।- আদনান, সিলেট।
উত্তর: যদি উত্তর ১০ চাও তাহলে লিখবে, ৬^২/(২(৩))+৪ আর যদি উত্তর ৫৮ চাও লিখবে (৬^২/২)(৩)+৪, ব্যাস ঝামেলা মিটে গেল! কেন আধামাধা লিখে নিজের আর অন্যদের মাথা নষ্ট করছ? সারা জীবনে এতো গণিত করেছি, কখনো তো এটা নিয়ে সমস্যা হয় নাই!  তোমার সমস্যাটা তো গণিতের সমস্যা না, তোমার সমস্যা হচ্ছে উকিলের সমস্যা!

প্রশ্ন: আপনার টুনটুনি সিরিজের “যেরকম টুনটুনি সেরকম ছোটাচ্চু” এবং “যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু” বই দুটোর PDF ইন্টারনেটে এখনো আসেনি। তাই আপনি যদি ওগুলো আপনার ওয়েবসাইটে দিতেন অনেক সুবিধা হত। আমার একটি অদ্ভুত প্রশ্ন ছিল, পরে কখনো বলব। ভাল থাকবেন। স্বর্ণালী আক্তার, উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
উত্তর: একটা বই লেখা পর্যন্ত আমার দায়িত্ব, সেটা PDF করে নেটে দেওয়ার মত কঠিন দায়িত্ব আমি নিতে চাই না, প্লিজ।

প্রশ্ন: Sir, many many thanks for your answer.I was ill may be Covid positive.That’s why i can’t check your asnwer written for me.As i am requesting to do that just make a birthday wish for Meherun Khanom.Please sir write it by your hand.Please sir. Ahanaf Abir, Rangpur
উত্তর: আমি এই কাজগুলো করতে স্বস্তিবোধ করি না, একজনের অনুরোধে অন্য একজনের জন্য কিছু একটা করা। যার প্রয়োজন সরাসরি তাকেই আমার কাছে আসতে হবে। সেটাই ভদ্রতা।

প্রশ্ন: স্যার, আমি তপু গল্পে তপু বলেছিল তাদের ক্লাসে মোট ছেলে মেয়ের সংখ্যা ৪৮ জন,কিন্তু তাহলে প্রিয়াঙ্কার রোল ৫২ হল কিভাবে? তনুশ্রী সাহা,নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: হা হা হা! সত্যিই আমি তাই লিখেছি? যাই হোক তোমার আগে আর কারো চোখে এটা পড়েনি! আমার বইয়ে চরিত্রের নাম পর্যন্ত উলটা পালটা হয়ে যায় সেই তুলনায় এটা তত মারাত্মক ভুল না! কেমন করে এটা হতে পারে তার জন্য একটা ব্যাখ্যা বানিয়ে নাও।

প্রশ্ন: আমি বাঁধন( class 8, টাঙ্গাইল থেকে )(মেয়ে নাকি ছেলে??) আরেকটা বড় নাম আছে। কিন্তু আমার এই নামই প্রিয়। কেউ নাম জিজ্ঞাসা করলে যখন বলি বাধন তখন জিজ্ঞাসা করে ভালো নাম কী!!? আজব! বাধন কি ভালো নাম না??! আমার প্রশ্ন হলো আপনার কাছে যদি একটা টাইম মেশিন থাকতো আর আপনাকে বলা হতো যে এটা আপনি শুধু তিনবার use করতে পারবেন। তখন আপনি কোথায় কোথায় যেতেন???!!
উত্তর: বিগ ব্যাংটা নিজ চোখের সামনে ঘটতে দেখতে যেতে পারি। ডাইনোসর গুলিও দেখার খুব আগ্রহ, ইয়াহিয়া খানের মাথায় ডাণ্ডা দিয়ে একটা বাড়ি দেওয়ার জন্য আরেকবার…

প্রশ্ন: আমি বাঁধন( টাঙ্গাইল থেকে। )এখন পযর্ন্ত আপনার যত ছবি দেখেছি সব সাদা চুলের!! আচ্ছা আপনার কি কোনো ছোটবেলার ছবি নেই? আপনার কি একদম ছোট্টবেলার ছবি আছে? ক্লাস নাইন টেনের? হুমায়ুন স‍্যারের কি একদম ছোটবেলার ছবি নেই? এই website এর নাম mzi.rocks mzi তো বুঝলাম কিন্তু rocks কী?? rocks শুনলেই rock এর কথা মনে পরে
উত্তর: আছে আছে, এই সাইটেই আছে। ধৈর্য থাকলে খুঁজে দেখ। যখন এই ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য নাম খুঁজছিলাম তখন দেখি, mzi.com, mzi.org, mzi.net সব কেউ না কেউ নিয়ে রেখেছে শুধু mzi.rocksটা ফাঁকা আছে। সেটাই নিয়ে নিলাম, সবাই এই নামটা দেখে একটু হাসাহাসি করে, সমস্যা কী? আমার কতোকিছু নিয়েই তো কতজন কত হাসা হাসি করে! করুক।

প্রশ্ন: স্যার, আমার কেন জানি শুধু মনে হয়, আপনি বুঝি একটু অহংকারী টাইপের। আগে এটা মনে হতো না, এখন হয়। জানি না হয়তো আমার মনের ভুল হতে পারে। আপনি দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবেন না স্যার। মানুষের বাইরের ইমপ্রেশন তো আর সবসময় ঠিক নয়। সাবিল, ক্লাস টেন, জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
উত্তর: হায় হায়! এখন আরেকজন বলবে আমি লোভী, যে দুইটা জিনিষ আমি সবচেয়ে বেশি ভয় পাই। তখন আমার গলায় দড়ি দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না!

প্রশ্ন: সকাল, একাদশ শ্রেণি, হলিক্রস কলেজ। স্যার, আপনার কিছু বইয়ে দেখেছি আপনি হিন্দি ভাষাকে কেমন যেন ছোট করে দেখান। হয়তো এটি আপনার ইচ্ছাকৃত নয়, তবু এটি আমার কাছে দৃষ্টিকটু লাগে। না না, আমি হিন্দি ভাষার পক্ষে কোনো সাফাই গাইছি না, আমি আসলে টিভিই দেখি না। শুধু বলতে চাইছি, ওটা তো একটি ভাষা, তাই না? ঠিক বাংলা, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চের মতো। এখন সে ভাষা ব্যবহার করে যাই করা হোক না কেন, আমরা একটি ভাষাকে ছোট করব কেন? একটি ভাষার সাথে কত কাহিনী, স্মৃতি, আবেগ জড়িয়ে থাকে একটি জাতির।সেটা আমাদের মনে রাখা উচিত। আপনি হয়তো বলবেন, ঐভাবে লিখেন শুধু এদেশের কিছু মানুষের হিন্দি সিরিয়াল আসক্তির কথা ভেবে। আমি সেটি বুঝতে পেরেছি। কিন্তু তবু বলছি স্যার, কোন ভাষাতে এরকম হাস্যকর কন্টেট তৈরী হয় না, বলুন? যদিও অসব ভাষার কন্টেট এদেশে কম দেখা হয়। যদি আপনাকে না বুঝে কষ্ট দিয়ে থাকি, আমায় প্লিজ ক্ষমা করে দেবেন স্যার।
উত্তর: কোন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে (সরি, শব্দটা কঠিন হয়ে গেল!) আমি হিন্দী ভাষাকে “ছোট” করে দেখি তুমি যদি সেটা না জান তাহলে আমি তোমাকে সেটা বোঝাতে পারব না, চেষ্টাও করব না। ভাষা যখন শুধু ভাষা থাকে সেটা চমৎকার, ভাষা যখন আমার কালচারে আক্রমন করে তখন ভয় পাই। আমাদের দেশে যারা হিন্দী ভাষার ভক্ত তাদের প্রিয় হিন্দী কবি কে? হিন্দী সাহিত্যিক কে? আমাকে বলতে পারবে?

প্রশ্ন: এইযে এক দেশের সাথে অন্য দেশের বিভিন্ন কম্পিটিশন হয়, এটা কি ঠিক হচ্ছে? তারপর বিজয়ী দলগুলো খুব গর্বের সাথে বলে বেড়ায় যে তারা এই দেশকে হারিয়েছে, ঐদেশকে হারিয়েছে। তাদের যে তখন কতটা হাস্যকর লাগে সেটা তখন কেউ তাদের বলে না কেন? একে তো প্রতিযোগিতা নিজে হাস্যকর, তার উপর এই দেশের সাথে দেশের লড়াই। আমরা তো একই পৃথিবীর মানুষ নাকি? কেন একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতা করব শুনি? কেউ একটাতে দক্ষ হতেই পারে, অন্যটাতে গোল্লা মারতেই পারে, তার মানে এই নয় যে সেটা বড়াই করে বেড়াবার কিছু! কোন মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের কোন বিষয়ে দক্ষ মানুষ লাগলে সে তখন একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পারে, নতুবা নয়। আর সৃজনশীল বিষয়ে কোনো প্রতিযোগিতা হয় না স্যার, এটি আমি খুব ভালো করে জানি। একবার একটা লন্ডনের আর্ট কম্পিটিশন দেখেছিলাম। তিনজন খুব ভালো আর্টিস্ট অংশগ্রহণ করেছিলেন। একজন কে যখন বিজয়ী ঘোষনা করা হলো, বাকি দুজনের কেমন লেগেছে জানি না, কিন্তু আমার ভেতরটা ভেঙে যাচ্ছিল। কারণ আমিও আর্ট করতে ভালোবাসি। আর সেজন্যই জানি, আজ চালানোর মতো আর্ট শিখে গেলে সেখানে প্রতিযোগিতা চলে না। একেকজন একেকভাবে আর্ট করে মনের ভাব প্রকাশ করে। সবার নিজসব স্টাইল রয়েছে। সেখানে তুলনা করা একধরনের নির্বুদ্ধিতা। রুমি, নটরডেম কলেজ, ঢাকা।
উত্তর: তুমি ঠিকই বলেছ, আমিও প্রতিযোগিতা পছন্দ করি না। আমি যখন বিভিন্ন অলিম্পিয়াডে যাই সারাক্ষণ প্রতিযোগিতার বিপক্ষে কথা বলে যাই। তোমার লন্ডনের আর্ট কম্পিটিশন নিয়ে অবশ্য তোমার বিরক্ত হওয়ার কিছু নাই, যারা প্রতিযোগিতায় হেরে লজ্জা পেয়েছে, তারা জেনেশুনে সেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে, চড় খাওয়ার জন্য নিজেই গালটা বের করে রেখেছে। যাদের বিন্দুমাত্র আত্মসম্মান আছে তারা জন্মেও কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যায় না।

প্রশ্ন: স্যার , সালাম নিবেন। আমি আজকেই আপনার ‘আধ ডজন স্কুল ‘ বইটা পড়ে শেষ করেছি। বইটার কতখানি সত্যতা আর আদতেও কাল্পনিক কিছু আছে কিনা তা জানতে চাই। আফিয়া আজমাইন ,তেরোখাদিয়া রাজশাহী।
উত্তর: গল্প উপন্যাস আমি বানিয়ে বানিয়ে লিখি, তাই বলে আমি তো আমার জীবনের গল্প বানিয়ে লিখতে পারি না!

প্রশ্ন: আমি সাদিক। বাগেরহাট থেকে। ১০ম শ্রেনি। স্যার, একজন ডাক্তারের পক্ষে কি পদার্থবিদ হওয়া সম্ভব? আমার প্রচণ্ড ইচ্ছা ছিল (এখনও আছে) পদার্থবিদ হওয়ার। তবে আমার আম্মার ইচ্ছা আমি যেন ডাক্তার হই। আমার আম্মার ইচ্ছাকে ধ্বংস করে দেয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা আমার নাই। কিন্তু আমি আমার ইচ্ছাকেও নিঃশেষ করতে চাচ্ছি না। আমি কি করতে পারি, স্যার? পৃথিবীতে কি প্রথমে ডাক্তারি পড়ে তারপর একটা ভার্সিটি থেকে পিওর ফিজিক্‌সে পড়াশোনা করার কোনো সুযোগ নাই? স্যার, আমাকে একটু হেল্প করুন প্লিজ…
উত্তর: তোমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে একটা গল্প বলি। আমি যখন ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটনে আমার পিএইচডি করছি তখন একবার আমার শরীর খারাপ হল, আমি তাই আমাদের মেডিকেল সেন্টারে গেলাম। গিয়ে দেখি রীতিমত টেবিলে পা তুলে ডাক্তারের চেয়ারে রিচার্ড মুরহেড নামে আমার এক বন্ধু বসে আছে। আমরা একসাথে পিএইচডির লেখাপড়া করছি। আমি চোখ কপালে তুলে বললাম, “তুমি এখানে কী করছ?” সে বলল, “আমি ডাক্তার, ডাক্তারের ডিউটি করছি।” আমি বললাম, “তাহলে ফিজিক্স ক্লাসে কী কর?” সে আমাকে ঝাড়ি দিয়ে বলন, “ডাক্তার হয়েছি বলে ফিজিক্স পড়তে পারব না? তুমি এখানে কেন এসেছ বল।” আমি আমার সমস্যা বললাম, সে টিপে টুপে আমাকে দেখে বলল, “ধুর! তোমার কিছু হয় নাই! বাড়ি গিয়ে ঘুমাও!”
গল্পটা ভালো না?

প্রশ্ন: আতিয়া, ঢাকা। আসসালামু আলাইকুম, স্যার। আপনি আমার আগের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন যে আপনি আপনার গল্প/উপন্যাস নিয়ে নাটক বানাতে দেন না.. কিন্তু স্যার বাংলা ভাষায় শিশু/কিশোরদের জন্যে সুস্থ আর শিক্ষামূলক বিনোদনের এতো অভাব আর সেইখানে আপনার এতো অসম্ভব সুন্দর সুন্দর কিশোর উপন্যাস / সায়েন্স ফিকশন আছে এইগুলা দুয়েকটা নিয়েও যদি ভালো কাজ হয় তা তো সবার জন্যেই ভালো বলে আমার মনে হয়.. আমি জানি স্যার আপনি চান সবাই যেন বই পড়ে.. কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ছেলেমেয়েদের কাছে এতো অপশন যে স্যার শুধু বই দিয়ে তাদের আর আটকায় রাখা যায় না.. তারা টিভি/কম্পিউটার/মোবাইলে কিছু না কিছু দেখেই.. আর তাদের দেশী ভাষায় দেশীয় কন্টেন্ট দেওয়া না গেলে তারা অন্য ভাষার অন্য দেশের জিনিস বেশি দেখবে এইটাই তো স্বাভাবিক.. আর আজকাল বাংলাদেশে ভালো ওয়েব সিরিজ, এনিমেশন, এইসব নিয়ে আবার কাজ করা হচ্ছে, ভালো কিছু করার চেষ্টা করা হচ্ছে .. স্যার আমার মনে হয় আপনার কয়েকটা সায়েন্স ফিকশন দিয়ে যদি বাংলা ভাষায় বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা এনিমেশন বানায় সেক্ষেত্রে সব পক্ষই লাভবান হবে স্যার। এনিমেশন ইন্ড্রাস্ট্রিতে যারা আসতে চাচ্ছে, বাংলাতে এন্টারটেইনমেন্ট পাওয়া শিশু-কিশোররা .. সব্বাই-ই। আর ওইদিন নেটফ্লিক্সে ‘সুইট টুথ’ নামে একটা সিরিজ এর কিছু সিন দেখলাম দেখে পুরাই মনে হলো আপনার ‘ইকারাস’ এর কাহিনী .. এই কাহিনীটা নিয়ে বাংলাদেশী কেউ বাংলাভাষাতে বানালে আমাদের সবার জন্যেই কি গর্বের হতো না স্যার? আমার একান্ত ইচ্ছা স্যার আপনার গল্প/উপন্যাস নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্তটি আপনি পূনর্বিবেচনা করবেন। বেয়াদবি নিবেন না স্যার আমি শুধু আমার ইচ্ছাটার কথা আপনাকে জানালাম।
উত্তর: তোমার সব কথা সত্যি, কিন্তু আমি পুরানা মডেলের মানুষ। একটা বইয়ের ভিডিও দেখে আমার তৃপ্তি হয় না। বইটাই আমার বেশি ভালো লাগে। আমার বেশ কিছু বইয়ের সিনেমা তৈরি হয়েছে, অনেকগুলো যথেষ্ট জনপ্রিয় কিন্তু দেখে আমার তৃপ্তি হয়নি। আমার মনে হয়েছে আমি বইয়ে যেভাবে লিখেছি সিনেমায় সেভাবে সেগুলো আসেনি। একটা সিনেমা তৈরিতে যে পরিমান ফান্ড দরকার আমাদের দেশে তার ধার কাছে ফান্ডিং নেই, তাই কেউ যত্ন করে সিনেমা তৈরি করতে পারে না, জোড়াতালি দিয়ে তৈরি করে। শুধু তাই না, সিনেমা তৈরি করার পর সেটা কেউ দেখে না বলে খরচটা উঠে আসে না। সব মিলিয়ে আজকাল আমি কোনো উৎসাহ পাই না।

প্রশ্ন: স্যার,আপনি কয়টা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানেন ? আমি ২ টা জানি।পাইথন এবং পিএসপি( শাহরিয়ার কবির, জেএসসি, পরীক্ষার্থী, রাজবাড়ি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের,রাজবাড়ী)
উত্তর: আমি ভালো করে একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজও জানি না! ছাত্রজীবনে ফোরট্রান প্রোগ্রামিং করেছি, এখন দরকার হলে সি/সি++ প্রোগ্রামিং করি। তুমি এর মাঝে দুটো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ জান জেনে আমি খুব খুশি হলাম।

প্রশ্ন: Rafi, Rajshahi… এলিয়েন সবারই কাছে এই নাম টা খুব পরিচিত। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ এলিয়েন এ বিস্বাস করে আবার কেউ হয়তো করে নাহ। কারন এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানিরা এইটা আবিষ্কার করতে পারে নাই। এখন আমরা জানি যে কোন একটা বস্তু থেকে আলো আমাদের চোখে আসলে তারপর আমরা বস্তু টিকে দেখতে পাই। তার মানে আমরা সবসময় অতিত দেখি। এই ধরেন যে আমাদের গ্রহ থেকে ৫ লক্ষ আলক বর্ষ দূরে একটি তারা বা নক্ষত্র আছে। আমরা যখন সেইটা দেখার চেষ্টা করি তখন আমরা তার ৫ লক্ষ বছর আগের অবস্থা কে দেখতে পাই কারন ওইখান থেকে আলো আসতে ৫ লক্ষ বছর লাগতেছে। এখন বেপার টা এমন হতে পারে যে আমাদের থেকে ৫ লক্ষ আলোক বর্ষ দূরে একটি গ্রহে এলিয়েন রয়েছে কিন্তু আমরা তাদের দেখতে পারছি নাহ কারন আমরা যখন আমাদের টেলিস্কোপ দিয়ে ওই গ্রহ কে দেখছি তখন আমারা তার ৫ লক্ষ বছর আগের অবস্থা কে দেখছি। সেখানে হয়তো এলিয়েন আছে কিন্তু সেইটা এখন আছে। ৫ লক্ষ বছর আগে সেখানে এলিয়েন ছিল না। যার কারনে আমরা তাদের দেখতে পারছি নাহ। এমন অনেক গ্রহ থাকতে পারে যেইখানে প্রান এর অস্তিত্ব আছে কিন্তু দুরত্তের কারনে আমরা শুধু তাদের অতিত ই দেখতে পারছি। এবং এই কারনেই হয়ত আমাদের বিজ্ঞানিরা এখনো এলিয়েন খুজে পাই ন ই। তবে এইটা আমার ব্যক্তিগত মতামত, এ ব্যাপারে আপনার কি মনে হয়?
উত্তর: তোমার উত্তর সঠিক যে আমরা অতীতকে দেখছি। কিন্তু সেটা আসলে বড় সমস্যা না। অতীতেও যদি কোনো গ্রহে বিশাল সভ্যতা গড়ে উঠেছিল সেটাও তো দেখার সহজ কোনো উপায় নেই। সেজন্য বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক সিগন্যালে বুদ্ধিমান কোনো প্যাটার্ন খুঁজে বেড়ায়।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি কি এখনও z কে ‘যি’ বলেন? ব্যাপারটা একটু অদ্ভুত না যে, ছোট থেকে যুবক বয়স পর্যন্ত যেটাকে ‘জেড’ বলে এসেছেন, বিদেশে গিয়ে সেটাকে ‘যি’ বলতে হয়েছে এবং দেশে আসার পর আপনার ‘জেড’ বলতে কষ্ট হয়েছে? আমি তো জানতাম, ছোটবেলার শেখা এবং বহুল চর্চিত কিছু কেউ সহজে ভোলে না। তাহলে? সৌমিক হাসান, NDC, 2nd year.
উত্তর: অনেকদিন z বলতে হয়নি! কাজেই বলতে পারছি না এটাকে এখন ‘যি’ বলব না ‘জেড’ বলব। হঠাৎ করে আমাকে চমকে দিয়ে প্রশ্নটা করলে হয়তো কোনো চিন্তা না করে সত্যিটা বলে ফেলব। দেখা হলে এক্সপেরিমেন্টটা করে দেখ।

প্রশ্ন: স্যার আমি আবার ভূগোল নিয়ে জানতে চাই। আমার জানার ব্যাপারটা একটু বিস্তারিত বলি। আমি মূলত পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন নিয়ে বিভ্রান্ত। … … … অর্থাৎ কিছু এলাকা ভারতীয় প্লেট ও কিছু এলাকা ইউরেশিয়ান প্লেটের উপর অবস্থিত? আমি এতে খুব দুঃখ পাব কেননা বাংলাদেশ তাহলে প্রকৃতপক্ষে বিভক্ত না? আমি কিভাবে এই ব্যাপারে নিজেকে সান্ত্বনা দিব? আর শেষ প্রশ্নটা হলো আপনি গতবার আমার জিজ্ঞাসার ( পৃথিবীর সব জায়গা কি নিচ দিয়ে লেগে আছে?) উত্তরে বলেছিলেন যে পানি সরিয়ে চিন্তা করতে। তাহলে তো লেগে থাকার কথা। কিন্তু তাহলে টেকটোনিক প্লেট তথ্য কেন বলে আমরা বিভক্ত? শাফিন মুহাম্মদ ১০ম শ্রেণি, শিফট- দিবা, বিভাগ- বিজ্ঞান মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
উত্তর: তোমার যেহেতু এই বিষয় নিয়ে আগ্রহ তুমি এটা নিয়ে পড়াশোনা করতে থাকো, দেখতে দেখতে তুমি সবার বড় এক্সপার্ট হয়ে যাবে। আমি আসলে বিভিন্ন স্তরের বাংলা নামগুলোর সাথে পরিচিত নই। আমি এই ব্যাপারে একেবারেই এক্সপার্ট নই, যতটুকু জানি যে পৃথিবীর উপরের স্তরটি mantle নামে নিচের স্তরের উপর বসে থাকে, এই স্তরের উপরের অংশ একটু নরম টাইপ হওয়ার কারনে টেক্টনিক প্লেটগুলো তার উপর দিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারে। বাংলাদেশ যদি দুটো প্লেটের উপর থাকে এটা নিয়ে তোমার দুঃখ? বাংলাদেশে মাঝখান দিয়ে কর্কট ক্রান্তি রেখা গিয়ে যে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিন বঙ্গকে নাতিষীতোষ্ণ আর বিষুবীয় অঞ্চলে ভাগ করে ফেলেছে সেটা নিয়ে দুঃখ নেই? কী আশ্চর্য, যেটা নিয়ে তোমার খুশি হওয়ার কথা তুমি সেটা নিয়ে মন খারাপ করছ?

প্রশ্ন: স্যার, আপনার একটা ছবি দেন। অনেকদিন দেন নি ! ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জেলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: কোথা থেকে দেব? এই দুই বছরে আমি কী কোনো ছবি তুলেছি?

প্রশ্ন: স্যার, আমি ইবুক নিয়ে একটা ওয়েবসাইট করবো সেখানে সকল বাংলা বইগুলো PDF করে আপলোড করবো। এগুলো করার আগে মনেহয় পারমিশন নিতে হয়। কিন্তু কার থেকে পারমিশন নিবো, কিভাবে নিবো তা কিছু জানি না। তাই এখানে লিখলাম। এখানে লেখাটা ঠিক হয়েছে কিনা তাও জানিনা। স্যার অনুগ্রহ করে বলবেন। নামঃ তপু, ঠিকানাঃ ময়মনসিংহ
উত্তর: সব লেখক প্রকাশকের অনুমতি না নিয়ে করা হল সেটা হবে বেআইনী, যদি সেটা দিয়ে টাকা পয়সা উপার্জন হয় তাহলে আরো বড় বে-আইনী! কাজেই কী করবে সেটা তুমি ঠিক করে নাও। কপিরাইট আইন খুব কঠিন আইন!

প্রশ্ন: স্যার, আপনি বলেছিলেন আপনি বন্ধুর খোঁজে ইঁদুরছানা বইটিতে নিজেই ছবি এঁকেছেন। আপনি স্কেচ করেছিলেন।স্কেচ এ ছবি ঝাপ্সা আশে,পরে লাইন গাড় করেন কি করে? আর i pad ছাড়া করা জায় না? আমিও কমিক্স আকতে চাই।তাই প্রশ্ন করলাম। রিদিতা,ঢাকা
উত্তর: আমি যেটা ব্যবহার করে ছবি এঁকেছি সেখানে অনেকগুলো লেয়ারে ছবি আঁকা যায়, একটা লেয়ারে স্ক্যান করা ছবিটি ছিল, অন্য লেয়ার থেকে মূল ছবি আঁকা হয়েছে। আমি যতদূর জানি আমার খুব প্রিয় দুইজন শিল্পী মিতু এবং মেহেদী কমিক আঁকা শেখায়। খোঁজ খবর নিয়ে তাদের টিউটরিয়ালগুলি দেখ, সব শিখে যাবে। তারা আমাকেও সব সময় ছবি আঁকা নিয়ে উপদেশ দেয়।

প্রশ্ন: আমার ধীরে ধীরে মনে হচ্ছে আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি,মনে হচ্ছে মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছি।কোন সমাধান পাচ্ছি না।মনে হচ্ছে সুইসাইড করি। Sadif Ibtesam
উত্তর: এটা তুমি কী বলছ সাদিফ? তোমার কথা শুনে আমার বুকটা ধ্বক করে উঠল। মাঝে মাঝে তো আমাদের সবারই মন খারাপ হয় তাই বলে আমরা কি কখনো এরকম ভয়ঙ্কর চিন্তা মাথায় জায়গা দিই? তোমাকে তোমার আপনজনের সাথে নিয়মিত কথা বলতে হবে। একা একা থাকলে নিজের ভেতরে এরকম বিচিত্র চিন্তা আসতে পারে। কান পেতে রই বলে একটা সংগঠন তোমাদের মত মানুষদের সাহায্য করতে পারে। তোমার যদি প্রয়োজন হয় তাহলে তাদের ফোন করে দেখতে পার।

প্রশ্ন: স্যার আমি জানি না আমার কি হলো। প্রিয় খাবার , প্রিয় কাজ, প্রিয় সব কিছু থেকে কেমন যেনো সরে যাচ্ছি। আমি আমার পরিবারের দিক থেকে প্রতিনিয়ত অবহেলার স্বীকার হচ্ছি। আমার ভালো দিক যেনো চোখেই পড়ে না কারো । শুধু তুলনা আর তুলনা। আপনিই বলেন সবাই কী সমান হয়? জানেন আমি কাঁদলে ও কেউ জিজ্ঞেস করার মতো নেই যে কেনো কাঁদছি। আমার কান্না নাকি অভিনয় । আমি বাঁচতে চাই। কিন্তু আমার পরিবারের সদস্যরা প্রতিনিয়ত আমাকে মেরে ফেলছে । আমার বাঁচার কী কোনো উপায় নেই ?? ******; ঢাকা (পুনশ্চ: নাম গোপন রাখবেন প্লিজ।)
উত্তর: তুমি যেটা লিখেছ অবশ্যই সেটা খুব মন খারাপ হওয়ার মত একটা বিষয়। শুধু তুমি নও আরো অনেকে আমার কাছে এই বিষয়টা নিয়ে দুঃখ করেছে। যেখানে একটুখানি প্রশংসা করলে ম্যাজিকের মত কাজ হয় সেখানে কেন জানি অন্যরা প্রশংসা না করে সমালচনা করে ফেলে, খাটো করে দেখে। তুমি মন খারাপ করো না, যখন বড় হবে নিজের জীবনের দায়ত্বটা পুরোপুরি নিজে নিতে পারবে তখন এসব নিয়ে তোমার আর কোনো দুঃখ থাকবে না। যখন তোমার নিজের বাচ্চা কাচ্চা হবে তাদেরকে এও আদর করবে যে তুমি তোমার জীবনের সব দুঃখের স্মৃতি ভুলে যাবে।

প্রশ্ন: স্যার, আসসালামুআলাইকুম।স্যার,আমি, দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন,tukunjil,আমি তপু পড়েছি।আপনার এই তিনটা বই আমার সবচেয়ে প্রিয়।যাইহোক,আপনার বইগুলো পরে মনে হয় আমার যদি তপু বা বিলু বা রাতুল বা টুনির মতো পরিবার বা বন্ধু থাকতো খুব ভালো হতো।স্যার আমি কারো সাথে সহজ হতে পারি না,বন্ধুদের সাথেও মিশি না কারন তাদের খারাপ অঙ্গভঙ্গি আমার ভাল লাগে না। আমার ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগে না শুধু গল্প র ব্ই পড়তে ভালো লাগে। গতকাল আমার পরিবার থেকে ব্ই পড়া নিষেধ করে দিয়েছে। আমার যেহেতু কোন বন্ধু নেই তাই ব্ই ও তার চরিত্র গুলোকে আমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হিসেবে মনে করি। মাঝে মাঝে মনে হয় আমার এই বেস্ট ফ্রেন্ডদের সাথে আমি যদি মিশতে ও আনন্দ করার সুযোগ পেতাম। আজ আর না।বাসি ঈদ মুবারক। জিয়াদ হোসেন। খুলনা।
উত্তর: তোমার বন্ধুবান্ধব নেই শুনে আমি একটু দুশ্চিন্তা করছি। সবারই কিন্তু বন্ধু থাকতে হয়। তোমার বই পড়া নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে শুনে আমার খুব মন খারাপ হল। আশা করে আছি, তোমার পরিবারকে তুমি বোঝাতে পারবে যে বই পড়া দোষের কিছু নয়।

প্রশ্ন: স্যার,। আমি তপু পড়ে গণিত অলিম্পিয়াড এ আমার অংশগ্রহণ করতে আমার ইচ্ছা করে। সত্যি বলতে আমি গণিত ও পদার্থ সাবজেক্ট সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি,অংক ও পদার্থের অংকগুলো ভিন্ন ভিন্ন নিয়মে বা সহজ করে করার চেষ্টা করি,সফল হলে কী যে খুশি লাগে। যাইহোক, আমি খুলনা থাকি। গণিত অলিম্পিয়াড এ কীভাবে অংশ নিতে হয় বা কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়,কেমন প্রশ্ন হয় বলবেন,প্লিজ।আর আমি তপু গল্পে ত্রিভুজ নিয়ে যে অংক দিয়েছেন সেটা একটু এঁকে দেখানো সম্ভব হলে দেখাবেন,প্লিজ।এটা সল্ভ না করা পর্যন্ত আমার অস্বস্তি হচ্ছে।দুটি প্রশ্নের্ই উত্তর দিয়েন,প্লিজ প্লিজ প্লিজ। জিয়াদ হোসেন। রূপসা, খুলনা।

উত্তর: এই দেখ, দিলাম।

প্রশ্ন: আপনি জানেন? আমি রেকর্ড ভেঙেছি! আমি তপু বইটা যারা পড়েছে তারাই কেঁদেছে। আমি একটুও কাদিনি। মন খারাপ হয়, তবে আমার বই পড়ে কান্না পায় না।যত কষ্টের বইই হোক না কেন। রিদিতা,ঢাকা
উত্তর: শুনে আমি খুবই খুশি হলাম। আমার অবস্থা ঠিক উলটো বই পড়ে কিংব সিনেমা দেখে অল্পতেই আমি ফ্যাঁসফ্যাঁস করে কান্নাকাটি করি। রীতিমত টিস্যুর বাক্স নিয়ে বসতে হয়।

প্রশ্ন: (মেহেজাবিন কথা, অষ্টম শ্রেণি,দিনাজপুর) স্যার,ভালো আছেন? আমাকে নিশ্চয়ই চিনতে পারেননি।আমি সেই যে স্বপ্নের মধ্যে আপনার অটোগ্রাফ ও ফটোগ্রাফ পেয়েছিলাম।গতবার আমাকে অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি একজন ভালো বিজ্ঞানী ও লেখক হতে চাই। আমাকে আপনি উতসাহ দিয়েছেন।আমার জন্য দোয়া করেছেন। এগুলো যে আমার কাছে কতটা মূল্যবান তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।এজন্য আপনাকে আমার হৃদয় নিংড়ানো গভীর ভালোবাসা।স্যার,এখন আমি লিখতে শুরু করেছি।বেশ মজা পাচ্ছি।গল্প দিয়ে শুরু করেছি। আমার একটা প্রশ্ন আছে।স্যার,মানুষ কি কখনো টাইমমেশিন আবিষ্কার করে টাইম ট্রাভেল করতে পারবে না?আজ আর নয়।ভালো থাকবেন প্রিয় লেখক।(আরও অনেক কথা বলার ছিল। কিন্তু সাহস পাচ্ছি না।)
উত্তর: তুমি গল্প লিখে অনেক মজা পাচ্ছ শুনে খুব খুশি হলাম। ভবিষ্যতে কোনো এক ধরনের টাইম মেশিন তো তৈরি হতেই পারে, কিন্তু অনেক ভবিষ্যতে, যখন মানুষ ওয়ার্ম হোল কন্ট্রোল করতে পারবে তখন!

প্রশ্ন: একটি দেশ বলতে ঠিক কী বোঝায়, স্যার? দেশপ্রেমটা আসে কোথা থেকে? আমি পুরো দেশটা কোনোদিন ভ্রমন করিনি। তারপরও পুরো দেশের প্রতি এইযে ভালোবাসা, এটা কি ভেতর থেকে আসে নাকি ভালোবাসতে চাই বা উচিত বলেই এই ভালোবাসা? যদি এটা মনের ভেতর থেকে আসে, তাহলে সেই দেশটি ভেঙে গেলেও তো ভালোবাসা ভাঙার কথা নয়, তাই নয় কি? আর যদি দুইনম্বরটি হয়, অর্থাৎ ভালোবাসা উচিত বলেই ভালোবাসা, তাহলে সেটা কতটুকু বা কিভাবে সত্যিকারের ভালোবাসা হতে পারে স্যার? সাবা, দশম শ্রেণি, জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
উত্তর: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছিলেন সব মানুষের তিনজন মা থাকে। যে মা তাকে জন্ম দিয়েছেন সেই জন্মদাত্রী মা, যে ভাষায় কথা বলে সেই মাতৃভাষা এবং যে দেশে জন্ম নিয়েছে সেই মাতৃভূমি! এখন তুমি বল, তোমার মা’কে ভালোবাসাটুকু কী শিখিয়ে দিতে হবে?

প্রশ্ন: … … … আগের প্রশ্নে লিখেছিলাম আমার চারপাশ নিয়ে আমার অনেক কৌতূহল আর অনেক অনেক প্রশ্ন। কিন্তু কেউ এই কৌতূহল কিংবা প্রশ্নের ঠিক মত উত্তর দায় না। আমি নিজেও আমার মত করে উত্তর খুঁজি কিন্তু সঠিক উত্তর পাই না। তাই আপনাকে এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে একটা করে প্রশ্ন পাঠাবো। ঠিক করে উত্তর দেবেন (ঠিক করে মনে ব্যাখ্যা করে , উদাহরণ সহ) (আর আগেই বলে রাখি আমি কিন্তু আমার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর ইন্টারনেটে খুঁজি। কোনটা য় উত্তর আসে কিন্তু আমি বুঝতে পড়ি না আবার কোনোটায় উত্তরই আসে না) যাই হোক আজকের প্রশ্ন — আমরা যদি রামধনুর সাত রঙের একটা ডিস্ক মোটরের সাহায্যে ঘোরাই তাহলে ডিস্ক এর রং সাদা কিংবা বাদামি হয়ে যাবে কিন্তু যদি আমরা রামধনুর প্রতিটি রং একটা প্লেটে মিশায় তাহলে সেটার রং কালো হবে কেনো??? এবার কিন্তু আর ফাঁকি দিলে চলবে না!
উত্তর: তোমার প্রশ্নটা খুব চমৎকার, আমি আশা করি এরকম প্রশ্ন নিয়ে সবাই মাথা ঘামাবে। ইন্টারনেটে এর উত্তর আছে, খোঁজার জন্য তোমাকে লিখতে হবে additive and subtractive mixing of color আমি তোমাকে এক লাইনের উত্তর দিয়ে রাখি তারপর তুমি ইন্টারনেটে আরও ভালো করে ব্যাখ্যাটা পড়ে নাও। তুমি যখন রঙ গুলো ডিস্কে পেইন্ট করে ডিস্কটা ঘোরাও তখন রংগুলো পাশাপাশি থাকে (টেলিভিশনে কিংবা স্মার্টফোনের স্ক্রিনেও একই ব্যাপার)। তোমার চোখের রেটিনার কোষগুলো রংগুলো আলাদা করে দেখতে পারে না বলে তার সম্মিলিত রংটি দেখতে পায়। তুমি যখন রংগুলো একটা প্লেটে মেশাও তখন রঙের ছোট ছোট দানাগুলো পাশাপাশি থাকে না, একটার উপরে আরেকটা থাকে। একটা রংয়ের ভেতর দিয়ে আরেকটা রং দেখতে হয়, রঙ ফিল্টার হয়ে যায়। এটাই হচ্ছে তোমার প্রশ্নের উত্তর।

প্রশ্ন: লাইবা,ঢাকা। স্যার, ইদের শুভেচ্ছা। আর অটোগ্রাফের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। অনে,,,এ,,,এ,,,ক খুশি হয়েছি! যাক করোনার শুধু অপকারিতা না,কিছু উপকারিতাও আছে! করোনা না থাকলে হয়তো কখনো আপনার সাথে দেখা হতো না আর অটোগ্রাফও নেওয়া হতো না:) (তবে আপনি কি খেয়াল করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ৫০০দিন পূর্ণ হয়ে গিয়েছে !! যেদিন কলেজ বন্ধ দেয় সেদিন ভাবতেও পারি নাই সেটাই কলেজের শেষ দিন ছিল আসলে!:( )
উত্তর: যেদিন ১০০০ দিন পূর্ণ হবে আগে থেকে জানিও অনেক হইচই করে সেই দিনটি পালন করব। (আমি মোটেও সিরিয়াসলি বলিনি, অনেক দুঃখ নিয়ে বলেছি!)

প্রশ্ন: স্যার, প্রথমে আমার ভালোবাসা নিবেন।আমি একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ।বিজ্ঞান,সাহিত্যএবং ক্রিটিকাল থিঙ্কিং নিয়ে জানতে ও পড়তে ভালবাসি। কোন এক জায়গায় একজনের বক্তৃতয় শুনেছিলাম বলতে যে “নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থী করে তোল” কিন্তু এই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থী ডা যে কি বা কিভাবে নিজেকে “আন্তর্জাতিক মানের” করে তোলা যায় সেই ব্যাখ্যা কোথাও পাইনি ।তাই আমার প্রশ্ন হচ্ছে একজন একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে কিভাবে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থী করে তোলা সম্ভব? অর্ক,খুলনা
উত্তর: আন্তর্জাতিক মান বলতে কী বোঝানো হয় আমি জানি না, তাছাড়া আমি সবকিছুতে আন্তর্জাতিক মান খুঁজে বেড়াই না! আন্তর্জাতিক মানের কথা বলে আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করার কী চেষ্টা করেছিল তোমরা জান? সত্যিকারের শিক্ষার্থী হওয়া তো খুবই সোজা ব্যাপার, মস্তিষ্কটাকে তথ্য দিয়ে বোঝাই না করে মস্তিষ্কটাকে বিশ্লেষণ করা, সমস্যা সমাধান করা, আর সৃজনশীল কাজ করার জন্য ব্যবহার করার সাথে সাথে পরিশ্রম করতে রাজী থাকা। তাহলেই কোনো একটা জিনিষ যদি তুমি নাও জান যখন দরকার তখন শিখে নিতে পারবে।

প্রশ্ন: স্যার,দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে আমার ফার্ম গেটে জ্যাতিষি চর্চা করার সম্ভাবনা শেষ। তাছাড়া এখন লকডাউন। এইসময় জ্যাতিষি গিরি করলে পুলিশ ধরে রিমান্ডে পাঠিয়ে দিবে।তারপর….না বাপরে, আর চিন্তা করতেই ভয়ে আত্মা শুকিয়ে যাচ্ছে।এর চেয়ে আপনাকে একটা প্রশ্ন করা যাক(যদিও আপনি আসলে বুদ্ধিমান তাও ধাঁধা যেহেতু আমিও পারি না তাই সে বিষয়ক প্রশ্নও করছি না)। স্যার, আপনার কী মহাকাশে ভরশূন্য হয়ে ভেসে ইচ্ছা আছে?আমার কিন্তু আছে!কিন্তু সম্ভব বোধহয় হবে না!! ((রাইয়ান তাওসীফ,অষ্টম,১৪,ঢাকা))

উত্তর: ভরশূন্য পরিবেশের জন্য মহাকাশে যেতে হয় না। এই দেখ স্টিফান হকিংস ভরশূন্য হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যে কেউ এই সুযোগ নিতে পারে, আমার পরিচিত বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরাও এটা করেছেন। তুমি নিতে চাইলে টাকা জমাতে শুরু কর। টাকা না থাকলে উচু জায়গা থেকে লাফ দাও, যতক্ষণ পড়তে থাকবে ততক্ষণ ভরশূন্য অনুভব করবে! খুবই সস্তা এবং সহজ (শুধু বেশি উচু থেকে লাফ দিয়ে ঠ্যাং ভেঙ্গে ফেল না!)

প্রশ্ন: প্রথমেই আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনি এবং আপনার পরিবারের সবাই ভালো আছেন। আমার বয়স এখন ১৪ , আমি কারো সাথে মিশতে পারি না। ঠিক করে কথা বলতে পারি না । অনেক Introvert আমি । এ জন্য আমাকে আম্মু মাঝে মাঝেই কথা শুনায় । অনেকে বলে আমি নাকি ইচ্ছা করে এমন করি। কিন্তু কাওকে বোঝাতে পারি না আমার একা থাকতেই ভালো লাগে । বই পরতেও অনেক ভাললাগে । মোটামটি অনেক বই এ পরে ফেলেছি । কখনো ইচ্ছা করে না ঘুরতে যেতে , বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতেও ইচ্ছা করে না । পরিবার এর কারো সাথে ফোন এ কথাও বলতে পারি না । কি করা উচিত আপনি কি একটু বলবেন আমায় ?আর আমি আপনার অনেক বড় ভক্ত । একবার একটা রাজাকার টাইপ এর স্যার আপনাকে নিয়ে বাজে কথা বলায় …………. কি করেছিলাম শুনলে আপনি বকবেন আমাকে । তাই আর বললাম না । ভালো থাকবেন । ইশা , ঢাকা ।
উত্তর: সবাই একরকম হয় না, কাজেই তুমি যে একটুখানি Introvert সেটা নিয়ে বেশি দুর্ভাবনা কর না। আমার বাসায় আমি Introvert এবং সবাই বলে সবসময় আমি নাকি মুখ ভোতা করে বসে থাকি। তবে তুমি যদি চাও তাহলে কেমন করে অন্যদের সাথে কথা চালিয়ে যেতে হয় সেটা শিখিয়ে দিতে পারি। যে যেটা জানে কিংবা পছন্দ করে, কিংবা যেটার এক্সপার্ট তার কাছে সেটা জানতে চাইবে, এবং আগ্রহ নিয়ে সেটা শুনবে। শিখবে। মানুষ কথা বলতে পছন্দ করে কাজেই তুমি যদি কারো কাছে আগ্রহ নিয়ে কিছু একটা শোনো সে তোমাকে পছন্দ করবেই। ক্রিকেট খেলা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই, কিন্তু আমি একজনকে জানি যে ক্রিকেট খেলা ছাড়া এই দুনিয়ার আর একটা জিনিষও জানে না। আমি তার সাথে বসে বসে শুধু ক্রিকেট নিয়ে কথা বলে অনেক কিছু শিখে ফেলেছি, সেও আমাকে এখন অনেক ভালোবাসে! তা ছাড়া একজন লেখক হিসেবে আমি জানি, মানুষের কথা শোনা থেকে মজার আর কিছু নেই। (রাজাকার টাইপের টিচারকে কী করেছিলে জানার একটু কৌতুহল হচ্ছে। ঝামেলায় পড় নাই তো?)

প্রশ্ন: আমার আগের প্রশ্নের উত্তরে আপনি লিখেছিলেন , আমরা যেন আপনাকে mcq প্রশ্ন করি । আপনি সুস্থ থাকলেই আমাদের অদ্ভুত প্রশ্নের মজার মজার উত্তর দিতে পারবেন । তাই আজ আমার প্রশ্ন -আপনি কেমন আছেন ? ভাল ? ইতি , পয়মন্তী বনিকপাচলাইশ, চট্টগ্রাম।
উত্তর: হ্যাঁ। (দেখেছ কত সোজা?)

১৫ জুলাই ২০২১

আজ পর্যন্ত যতগুলো প্রশ্ন (!) এসেছে তার ভেতর যেগুলোর উত্তর (?) দেওয়া সম্ভব তার উত্তর দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন: স্যার, কোনো একজনকে আপনি বলেছিলেন, ইংলিশ শেখার জন্য ইংরেজি বই পড়া অনেক কার্যকর। এক্ষেত্রে Harry Potter দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। তাই আমি আপনার কথামতো Harry Potter পড়া শুরু করেছি। আর পাশাপাশি আপনার প্রিয় ৫০টি বইয়ের লিস্টের কিছু ইংরেজি বই- Three Men in a Boat, Sapiens, Matilda, The Color Purple, Death in the Andes, Three Comrades, Surely you are Joking Mr. Feynman, Carry on, Jeeves পড়েছি ও পড়ছি। তার মধ্যে কিছু খুব ভালো লেগেছে। আর কিছু তেমন বুঝতে পারিনি। আর লিস্টের বেশিরভাগই ইআআ মোটা কঠিন কঠিন বই। আর আমি মাত্র শুরু করলাম। তাই আমাকে কম পৃষ্ঠার, সহজ ভাষার, সুন্দর ও মজার কিছু বইয়ের নাম বলুন (আমার বয়স ১৪ বছর)। আসমাউল হাসান নাঈম, বাসাবো, ঢাকা
উত্তর: শুনে খুবই খুশি হলাম যে তুমি এতো চমৎকার ভাবে ইংরেজি বই পড়া শুরু করে দিয়েছ। দেখতে দেখতে তোমার সামনে সম্পূর্ণ নূতন জগৎ খুলে যাবে। একসময় তুমি আবিষ্কার করবে বাংলা বইয়ে আর মজা পাচ্ছ না, কারণ বাংলা সাহিত্যের ক্যানভাস খুবই ছোট, দারিদ্র আর রোমান্স! তুমি রোল্ড ডালের বই সবগুলো পড়ে ফেল। এরিখ মারিয়া রেমার্কের বইগুলো পড়। স্টেইনবেক পড়। তাদের মোটা চিকন সব ধরনের বই আছে। তোমার ইংরেজি বই পড়তে শেখার কথা শুনে খুব আনন্দ পেলাম।

প্রশ্ন: আস্সালামুয়ালাইকুম স্যার, আমি কাশফি, সাভার থেকে বলছি। আমার খুব শখ আমি কম্পিউটার প্রগ্রামিং শিখব। কিন্তু এ বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই। স্যার আমাকে সর্বপ্রথম কি করা ‍উচিত, কী কী বই পড়া উচিত ?
উত্তর: তুমি কত বড়, কোন ক্লাশে পড় কিছু জানি না, যদি ছোট হয়ে থাক তাহলে আমার লেখা প্রোগ্রামিংয়ের বইটা চেষ্টা করে দেখতে পার। এই ওয়েবসাইটেই পিডিএফ দেওয়া আছে। খুবই সোজা বই, ডজন খানেক স্টেটমেন্ট জানলেই সব করে ফেলতে পারবে।

প্রশ্ন: হ্যালো স্যার। আশা করি ভালো আছেন। আমার বই পড়ার অভ্যাসটা আপনার বইয়ের মাধ্যমেই শুরু হয়েছে। এখন আমি বেশ কঠিন শব্দের ইংরেজি বই পড়তেও সক্ষম! যাহোক মূলকথায় আসি, এসএসসি কবে হবে সেটা যেহেতু নিশ্চিত না তাই ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের জন্যে কিছু বই অর্ডার করেছিলাম। প্রথম বই হলো Intelligent Inventor, ইনভেস্টিং সম্পর্কে লেখা সেরা বই। তো বইয়ের ভুমিকায় ওয়ারেন বাফেট লিখলেন যে সফল হতে উচ্চ IQ এর প্রয়োজন নাই। এটা দেখে নিজের IQ মাপলাম mensa norway এর একটা পরীক্ষা দিয়ে। দেখলাম আমার IQ 115৷ তারপর আরেকটা চার্ট অনুযায়ী দেখলাম বাংলাদেশের অ্যাভারেভ IQ 82! আবার গুগল করলে দেখায় কলেজ(ইইউনিভার্সিটি) স্টুডেন্টদের IQ অন অ্যাভারেজ ১১০। কিন্তু বিশ্বের বিখ্যাত সব মানুষের IQ অনেক বেশি, সবাই বলতে গেলে ১৪০ এর বেশি । এইসব জানার পর আমার জানতে ইচ্ছা করলো বাংলাদেশের শীর্ষ জ্ঞানীদের IQ কত। স্যার আপনার IQ কত? আপনি কী হুমায়ূন আহমেদ ও আহসান হাবীবের IQ সম্পর্কে জানেন? আমার একটা অনুমান আছে আপনার IQ কত সে-সম্পর্কে, আপনি উত্তর দিলে দেখতে পারব অনুমান সঠিক হয় কিনা। ধন্যবাদ স্যার, IQ সম্পর্কে আপনার অবস্থানটাও ব্যাখ্যা করেন। একজন ভক্ত মাহরুফ বগুড়া।
উত্তর: তুমি সত্যি বিশ্বাস কর যে আমি আইকিউ টেস্ট করে দেখব আমার বুদ্ধিমত্তা কতো? বেশি হলে খুশি হব কম হলে একটু মন খারাপ করব? হা হা হা! যদিও এরা দাবী করে এগুলো খাটি, কোনো বিশেষ দেশ কিংবা বিশেষ কালচারকে পক্ষপাতিত্ব করে না, কিন্তু যেভাবে ছবি ব্যবহার করে টেস্ট নেয়া হয়ে তার সাথে পরিচিত থাকার একটা ব্যাপার আছে। নিঃসন্দেহে পশ্চিমা জগতের মানুষেরা এই প্রক্রিয়ার সাথে বেশি পরিচিত। আইকিউ ১৩০ থেকে বেশি হলে তাদের নাকি মেন্সা বলে, এরকম একজন মেন্সাকে দেখেছিলাম, ছাগল টাইপের মানুষ, কিন্তু ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়াতো, তাকে দেখে আমি হেসে বাঁচি না।

প্রশ্ন: Salam, sir. Again, I’m Kashfi from Savar. Sir, what would you like to do if your life was secretly shooted? How would you have represented your character?
উত্তর: আমি টয়লেটে যাওয়া ছেড়ে দেব।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার, আমি আপনার এবং হুমায়ূন আহমেদের বেশ কিছু বই পড়েছি। আপনার কাছে হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে পছন্দের বই কোনটি? রাফিদ, মোহাম্মদপুর,ঢাকা
উত্তর: এখানে আমার পছন্দের ৫০টা বইয়ে মাঝে হুমায়ূন আহমেদের পছন্দের বইয়ের নামটা আছে। দেখে নিবে, প্লিজ!

প্রশ্ন: Sir, English, Spanish, frence n many more are just some foreign languages to us unless one starts to learn them from very childhood. We can’t play with those words as we can do with our mother toung. So though we learn those languages after a certain time, it seems quite hard to enjoy good books written in currently learnt language. You admit it or not, we can’t feel that book so closely and warmly as in our mother tounge. How did you 2me over this problem? Shinjan, class ten. Blue Bird School and college. Sylhet
উত্তর: সাধারণ ভাবে তোমার কথাটা সত্যি হতে পারে, কিন্তু কেউ কেউ খুব দ্রুত খুব ভালোভাবে অন্য ভাষা শিখে নিতে পারে, আমি সেরকম একজনকে চিনি। আমাদের ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহও ২৬টা পর্যন্ত ভাষা জানতেন। তাদের কথা আলাদা। ইংরেজি আমার মাতৃভাষা না, কিন্তু ইংরেজি বই কিংবা সাহিত্য উপভোগ করতে কিন্তু আমার সমস্যা হয় না।

প্রশ্ন: স্যার আমার আপনার বই পড়তে খুব ভালো লাগে। আমার আম্মু ও অনেক বই পড়ে।আম্মুর উৎসাহ পেয়েই আপনার বই পড়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু এখন আপনার বই পড়া নিয়ে সবচেয়ে বিপদে আছে আমার আম্মু। যেকোনো বই আমার আগে আম্মু পড়ে তারপর আমাকে পড়তে দেয়।কারণ বই টিতে নাকি আমার অনুপযোগী কিছু থাকতে পারে। আমি যেহেতু এখন আপনার বই ই বেশি পড়ি,তাই আম্মুকেও আপনার বই গুলো পড়তে হয়।আম্মু প্রায় ই বিরক্ত হয়ে বলে এই বয়সে নাকি কিশোর কিশোরীদের জন্য লেখা বই আর একই লেখকের বই পড়তে ভালো লাগে না। এখন উপায়??? (মিশকাতুল জান্নাত হৃদিতা,এস এস সি পরীক্ষার্থী,বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লালমনিরহাট।)
উত্তর: হা হা হা! আমি তো এরকম বিপদের কথা আগে শুনি নাই। তোমার আম্মুর পছন্দের লেখক কে আগে বের করে নাও, তারপর সেই লেখকের বই পড়তে শুরু করে দাও। এ ছাড়া আমি তো আর কোনো পথ দেখি না।

প্রশ্ন: ami poymanti .ami panchlaishe thaki . ami e porjon to apnake 3 ta proshno korechi kintu apni ektaro uttor denni ami protidin website ghuri ar dekhi ar khuji apni amar proshner uttor dilen kina . ami khubi choto .tai amar pokhhe leptoper dike takano sobsomoy bhalo na . tai apni amar name jotogulo proshno dekhben ,pls uttor diben .Ami apnar khude pathok to , tai onek proshno joma ache .. aste aste sob proshno bolbo !
উত্তর: আমি তো চেষ্টা করি, সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে, জেনে শুনে কাউকে বাদ দিই না। ফিল্টারে আটকা পড়লে অন্য কথা। এবারে তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম প্রশ্নগুলো জমা আছে। ঠিক আছে অপেক্ষা করি।

প্রশ্ন: স্যার, আমার দুঃখের কথা আর কি বলব.. কালকে আপনাকে গুছিয়ে একটা প্রশ্ন লিখছিলাম। তারপর লেখা শেষ করে ল্যাপটপ বন্ধ করার সময় মনে পড়ল নাম, ঠিকানা লিখি নাই..!! আমারতো দুঃখে মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলতে মন চেয়েছিল। তাই আজকে আপনাকে আবার লিখতেছি। কালকে কি লিখেছিলাম তা ঠিক আমার মনে নাই। শুধু কালকে আপনাকে একটা ধাঁধাঁ জিজ্ঞেস করেছিলাম তা আমার মনে আছে.. তাই আবার ধাঁধাঁটা জিজ্ঞেস করতেছি। ধাঁধাঁটি হলঃ “তিন অক্ষরের নামতা যেটা সবাই খায়; মাঝের অক্ষর বাদ দিলে গাড়ির নাম হয়ে যায়..!!” আমার এই ধাঁধাঁটির উত্তর দিবেন প্লিজ। আজকে আমি আর আপনাকে আমার প্রশ্নটা এড়িয়ে যেতে দিবো না.. কারণ আমি নাম ঠিকানা লিখেছি। আমি জানি আপনি আমাদের সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে চান। আর আমাদের নাম, ঠিকানাও লেখনোও শিখাতে চান..। তাই যারা নাম ,ঠিকানা লিখে না তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন না। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার আগের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার জন্য। আর আপনার এই ওয়েবসাইটটা আমার দেখা বেস্ট ওয়েবসাইট..। পৃথিবীতে আপনারমতো খুব কম মানুষই আছে যারা নিজেদের ভক্তদের এভাবে কথা বলার সুযোগ দেন..। আমি হয়ত একটু বেশি কথা বলে ফেললাম..। যাক ভাল থাকবেন, আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন, এই ওয়েবসাইটটা কখনো বন্ধ করবেন না, আমার ভালোবাসা নিবেন..। নুহা, মগবাজার, ঢাকা।
উত্তর: তোমার কী ধারণা আমার মাথায় অনেক বুদ্ধি এবং আমাকে ধাঁধাঁ ধরলে আমি তার উত্তর বলে দিতে পারব? কক্ষনো না! তুমি নিশ্চয়ই আমাদের অলিম্পিয়াডগুলোতে কখনো যাও নাই। সেখানে যে প্রশ্নোত্তর পর্ব হয় সেটার শুরুতে আমি সবসময় বাচ্চাদের মনে করিয়ে দিই আমাদের মাথায় বুদ্ধি বেশি নাই তাই কেউ যেন আমাদের ধাঁধাঁ জিজ্ঞেস করে আমাদের বুদ্ধি টেস্ট না করে। তোমার ধাঁধাঁ নিয়ে ভাবছি মুশকিল হল ‘নামতা’ তো মুখস্ত করে, ‘নামতা’ তো কেউ খায় না! ‘নাম তার’ লিখতে গিয়ে কি শর্টকাটে ‘নামতা’ লিখেছ? জিলাপী হতে পারতো কিন্তু আমরা তো জিপ বলি, জিপী বলি না, একটুর জন্য হয় নাই।

প্রশ্ন: স্যার, হুমায়ূন আহমেদের ‘দেয়াল’ উপন্যাসে আপনাদের পরিবারের তখনকার সময়ের যা বর্ণনা দেয়া হয়েছে তা কি সত্যি? আসমাউল হাসান নাঈম, বাসাবো, ঢাকা
উত্তর: মোটামুটি সত্যি।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আশা করি ভাল আছেন। আমাকে চিনেছেন? আমি সেই মুক্তিযোদ্ধা যাকে রাজাকার বাহিনী (আমার ভাইয়া) ধরে পাক সেনার (আমার মায়ের) কাছি দিয়ে উত্তম মধ্যম দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। সেইদিন প্রশ্ন লিখেছিলাম মজা করে কারন সেইদিন যুদ্ধ জয়ের পর আমার বেশ আনন্দ হচ্ছিল তাই। কিন্তু আজ সিরিস। আপনাকে একটা কথা বলি কখন কোন বাচ্চা শুধু শুধু তার মা কিংবা ভাইকে রাজাকার কিংবা পাক সেনা ভাববে না। আর যদি ভাবে তাহলে বুঝতে হবে সেটার পাছনে কোন কারন আছে। … … … … … … আর আপনি আমার মার খাওয়ার টেকনিক আপনার কোন বইয়ে লিখলে আমার কোন আপত্তি নাই। ভাল থাকবেন। দোয়া করবেন। অনেক অনেক ভালবাসি। **********।
উত্তর: তোমার ঘটনার কথা পড়ে অনেক কষ্ট পেলাম। মা বাবারা যদি বাচ্চাদের বুঝতে না পারে সেটা খুব দুঃখের বিষয় হতে পারে। তবে তুমি খুব শক্ত একজন মানুষ, ‘ভাংবে কিন্তু মচকাবে না’ টাইপ, তাই তোমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করছি না। তবে সবারই কিন্তু বন্ধু থাকতে হয়, তোমারও কিন্তু বন্ধুর দরকার। দোয়া করি মনের কথা বলার মত ভালো বন্ধু যেন হয় তোমার।

প্রশ্ন: ডুব দিবেন কম, এ্যাক্টিভ থাকবেন বেশি নামঃ নায়ীরা
উত্তর: একটিভ থাকার জন্যই তো আমার ডুব দিতে হবে।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি কেমন আছেন? স্যার আপনাকে কি একটা প্রশ্ন করতে পারি? স্যার, টুনটুনি ও ছোটাচ্চুর টুনির আসল নাম কি? তার মা ও বাবার নাম কি? শান্ত, শাহানা, প্রমি, টুম্পা, মুনিয়া এছাড়াও আর কতজন টুনির কাজিন আছে? ভালো থাকবেন! অদিতি মেধা বকশিবাজার, ঢাকা
উত্তর: হা হা হা! এগুলো বানানো গল্প, প্রথম গল্পটাই শুধু লেখার কথা ছিল, কিন্তু বাচ্চা কাচ্চাদের চাপে কতগুলো লিখেছি দেখেছ? লেখার সময় যখন যে কাহিনীর জন্য যেটার দরকার হয়েছে সেটা নিয়ে এসেছি! এখন পর্যন্ত টুনটুনির আসল নামের দরকার হয় নাই বলে কিছু লিখি নাই। তার মা বাবারো নাম দরকার হয় নাই। ছোটাচ্চুর মনে হয় একটা নাম দিতে হয়েছে, শাহরিয়ার। ওদের কতোজন কাজিন আছে সেটাও কখনো গুছিয়ে লেখি নাই, দরকার হয় নাই, তাই!

প্রশ্ন: আদাব স্যার। আমি মেহেরাব হোসেন অপি।আমি এবছর বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড এ সেকেন্ডারি ক্যাটাগরি থেকে অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছি।আমি এখন কোন কোন বই পড়লে ও পদার্থবিজ্ঞান,রসায়ন এবং জীববিজ্ঞানের কোন কোন টপিকস এর উপর ভালো প্রস্তুতি নিলে অলিম্পিয়াডে ভালো ফলাফল করতে পারবো?
উত্তর: তোমরা নিশ্চয়ই এতোদিনে টের পেয়েছ যে অলিম্পিয়াডগুলো মোটেই এসএসসি, জেএসসি কিংবা পিএসসির মত না, যে এর জন্য কোচিং সেন্টার বা গাইড বই আছে, সেটা পড়ে মুখস্ত করে ফেললে প্রশ্ন কমন পেয়ে যাবে। এটা অন্য ব্যাপার, তোমাকে বিষয়টা একেবারে মন থেকে ভালোবাসতে হবে এবং বিষয়টা জানতে হবে শুধু তাহলেই তুমি ভালো কবে। আমি তো কোনো শর্টকাট পদ্ধতি দেখি না। এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায় কিনা আমি তো সেটাও জানি না!

প্রশ্ন: What do you think about philosophy? Is it really dead(Stephen Hawking said it is)? Why is it clasified as Arts while there’s philosophy of science? Rafi, Rajshahi
উত্তর: স্টিফান হকিং বলেছে বলেই ফিলোসফি বিষয়টা শেষ হয়ে গেছে? কী বলছ তুমি? তুমি কী জান মানুষের ভাবনা চিন্তা কতো জটিল, তোমার কী ধারণা গণিত আর বিজ্ঞান দিয়েই সব ব্যাখ্যা করে ফেলবে? ফিলোসফি ছিল, আছে এবং থাকবে।

প্রশ্ন: স্যার,আপনি দুস্টু ছেলের দল নামে একটি বই লিখেছেন। অটা আমি পড়েছি। এবারে দুষ্টু মেয়ের দল নামে একটা বই লিখুন, please. রিদিতা, ঢাকা
উত্তর: আইডিয়াটা খারাপ না। দুষ্টু ছেলেরা কী বাঁদরামো করে দেখে দেখে (কিংবা করে করে) বড় হয়েছি, তাই সেরকম বই লেখা সহজ। মেয়েদের তো সেভাবে দেখি নাই (বোনেরা ছিল খুবই ভালো শান্তশিষ্ট, আমাদের দেখে শুনে রাখতো) তাই একটু কঠিন!

প্রশ্ন: স্যার, আমি একজন university admission candidate (2020-21). আমাদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল গত বছর October নাগাদ। পরীক্ষা হয়নি। শুধুই পিছাচ্ছে।কবে হবে তাও কেউ জানেনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠন বন্ধ আছে এতদিন।।।।কিন্তু বিশ্বাস করেন একদিনের জন্য আমি একে ছুটি হিসেবে উপভোগ করতে পারি নি। প্রতি মুহুর্তে ভেবেছি আগামী সপ্তাহে হয়তো আমার HSC. কিন্তু তাই বা হলো কই!! admission test কবে হবে।।।। জানিনা!!! এখন আর কিছু ভাল লাগে না।।।নিজেকে নিজের কাছেই বোঝা বলে মনে হয়! পড়া লেখায় ভালোই ছিলাম।।।কিন্তু এখন আর পড়তেও ভাল লাগে না।।।কথাগুলো জ্যাঠামো বলে মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলো স্যার আমার মনের বিক্ষিপ্ততা।আমি দুঃখিত। শওকত ওসমান সাভার, ঢাকা
উত্তর: মেনে নাও। শুধু তুমি না তোমার মত সবারই এক অবস্থা। পৃথিবীর ইতিহাসে এই সময়টা সারা জীবনের জন্য চিহ্নিত হয়ে থাকবে, এই ভয়ংকর সময়টা নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছ একদিন সেটার গল্প নিজের ছেলেমেয়েদের য়ার নাতিপুতিদের করতে পারবে! আপাতত শুধু লেখাপড়া না করে অন্য কিছুও কর। গল্প বই পড়, গল্প লেখ, ছবি আঁক, প্রোগ্রামিং কর, সিনেমা দেখ, সিনেমা বানাও, রান্না কর, মায়ের সাথে গল্প কর- কাজের কী অভাব আছে?

প্রশ্ন: হাসিন, ঢাকা। স্যার আপনার উপদেশ অনুযায়ী ইংরেজি বই পড়া শুরু করেছিলাম। প্রথমদিকে ইংরেজি বইগুলো পড়তে কষ্ট হতো। বারবার ডিকশনারি দেখে, কিছুটা আন্দাজ করে, গুগল ট্রান্সলেট দেখে আমি এখন ইংরেজি বই ভালোই পড়তে পারি। খুব বেশি বই পড়েছি তা নয়, ১০-১২টার মতো ইংরেজি বই পড়েছি। এর মধ্যে Harry Potter series, George Orwell এর Animal Farm, Roald Dahl এর The witches এর মতো বই পড়ে ফেলেছি। তবে ইদানীং নতুন একটা সমস্যায় পড়েছি। আমার কাছে Gulliver’s Travels, Robinson Crusoe এর পুর্নাঙ্গ উপন্যাস ইংরেজিতে রয়েছে( Illustration নয়)। সমস্যা হচ্ছে আমার এই দুটি উপন্যাস পড়ার সময় অনেক ইংরেজি শব্দ আমি আন্দাজ করেও বুঝে এগোতে পারছি না, আবার বারবার ডিকশনারি দেখতে গেলে বইটা পড়ার মজা আর থাকে না। যার কারণে আমি উপন্যাস দুটি পড়তে পারছি না। আপনি কি আমাকে বলতে পারেন কি করলে আমি উপন্যাস দুটি পড়তে পারি? দয়া করে বলবেন না অন্য বই পড়তে। কারণ বাসায় আর কোনো বই আমার পড়ার মতো নেই। পিডিএফও পড়তে আর ভালো লাগছে না। আমার লেখাটি এতদূর পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। অনুগ্রহ করে আমার প্রশ্নের উত্তরটি দিবেন।
উত্তর: তুমি ইংরেজি পড়া শিখে গিয়েছ শুনে খুব খুশি হলাম। Gulliver’s Travels, Robinson Crusoe জাতীয় বইগুলো যেহেতু অনেক আগের, ভাষাটা একটু অন্যরকম মনে হতেই পারে। তাই এটা জোর করে পড়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যেহেত আমরা আনন্দের জন্য পড়ি তাই জোর করে পড়তেই হবে এরকম কোনো কথা নেই, যেরকম বই ভালো লাগে সেরকম বই পড়।

প্রশ্ন: স্যার ,আমার ছোটভাইয়ের নাম : আকবর হোসেন আশিক । সে অনেকদিন ধরে আমার পিছে ঘুরঘুর করছে যাতে তার পুরো নাম ব্যবহার করে আপনার একটা অটোগ্রাফ আমি তাকে ম্যানেজ করে দিই । স্যার, তার আশা কী পূরণ হবে ? ….. মাহির , কুমিল্লা
উত্তর: এই যে দিলাম তোমার ভাইয়ের জন্য অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: Sir, i hope you are well.Today i’m not asking you a question but i’m requesting to do me a favour.Sir,someone special for me named Meherun Khanom’s birthday is on 11 August.Can you please make a wish for her!Please,sir. Ahanaf Abir,Rangpur
উত্তর: আমি তোমার অনুরোধের উত্তর দিয়েছি, মনে হচ্ছে তোমার সেটা পড়ার মত সময় নেই! কি মুশকিল!

প্রশ্ন: স্যার, আমার আর একটা প্রশ্ন আছে, আপনি বইয়ের নতুন সংস্করণ বের করেন কেন? দুস্টু ছেলের দল বইটা আমি আগে কিনেছিলাম, পরে দেখি নতুন সংস্করণ খুব সুন্দর। আমার এখন আফসোস হয় আগে কেন কিনলাম! রাশাও তাই নতুন সংস্করণ খুব ভাল, ওটাও আমি আগে কিনেছিলাম। তবে ব্রিশটির ঠিকানা বইটার নতুন সংস্করণ করলে খুব ভাল হবে, অন্যগুলো না। আলিফ,ঢাকা
উত্তর: দুষ্টু ছেলের দলের নূতন সংস্করণ বের হয়েছে নাকি? দেখতে হবে তো!

প্রশ্ন: x^2-8y=4x ; এখানে x সংখ্যাটি 8 এর গুনিতক নয়। x,y যদি দুটি ভিন্ন ধনাত্বক পূর্ণসংখ্যা সংখ্যা হয়, তবে √x এর সর্বনিম্ন মান কত?(Shahriar Amin Arif-Sylhet)
উত্তর: 2√5

প্রশ্ন: Sir, Suggest me a book for programming? In this regard, which language will be better for android app development? M. Rahman Savar, Dhaka
উত্তর: এরকম অনেক বই আছে, আমার ছাত্র তামিম শাহরিয়ারের লেখা একটা চমৎকার বই আছে। এন্ড্রয়েড নিয়ে আমি কিছু জানি না, নেটে সার্চ দাও।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আমি সাবা, ঢাকা থেকে বলছি। আমার মাথায় কয়দিন ধরে একটা চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। এমন কোনো কম্পিউটার তৈরি করা সম্ভব কিনা যেখানে কী-বোর্ড থাকবে না, শুধুমাত্র মুখের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে। অর্থাৎ কম্পিউটারটিতে বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার পর সেটা আপনাআপনি চালু হবে। তারপর আমি যদি বলি “মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কী উইকিপিডিয়া থেকে জানতে চাই।” তাহলে সেটা নিজে থেকেই ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে উইকিপিডিয়ায় আমার প্রশ্নটি সার্চ করে সব তথ্য বের করে ফেলবে। আবার কোনো প্রোগ্রামিং করার ক্ষেত্রে আমাদের কিছুই টাইপ করতে হবে না। আমরা মুখে বলব আর সেটা শুনে কম্পিউটার নিজেই একটা প্রোগ্রাম তৈরি করে ফেলবে। আমার খুউব ইচ্ছা বড় হয়ে আমি এমন একটা কম্পিউটার তৈরি করব! কিন্তু কেন জানি মনে হচ্ছে বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে এটা আবিষ্কার করে ফেলেছে এবং মানুষ এটা ব্যবহারও করে। ইন্টারনেটে সার্চ দিব বলে ভাবছিলাম, কিন্তু ঠিক কী লিখতে হবে জানা নেই (!) আপনি কি আমাকে বলবেন যে এমন কিছু আবিষ্কার হয়েছে কিনা? প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ স্যার আমাকে একটা উত্তর দিন।
উত্তর: তুমি তো আসলে কম্পিউটারের কথা বলছ না, তার ইন্টারফেসের কথা বলছ। যারা প্রতিবন্ধী তাদের জন্য মনে হয় এরকম কম্পিউটার আছে।

প্রশ্ন: স্যার কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। আপ্নার এই বারের বই মেলায় প্রকাশিত বই গুলোর বেশিরভাগই আমি পড়েছি, খুবই ভালো লেগেছে। আশা করি আগামী বই মেলায় আপ্নার প্রকাশিত বই গুলো আরো ভালো হবে। প্লিজ একটা রিপ্লাই দিয়েন। মো: ইফাজ হোসেন নয়াপল্টন, ঢাকা
উত্তর: থ্যাংকু। আরো ভালো হওয়ার আশা করে লাভ নেই। কয়েকটা বই লিখে শেষ করতে পারলেই খুশি থাকব!

প্রশ্ন: sir kemon acen.ami jubaida ami cox’sbazar theke bolci.apni ekhane je 50 ta boier list diecilen segulo sob pore feleci.please taratari arekta list den please.
উত্তর: কী অসাধারণ ব্যাপার, এতো অল্প সময়ে এই ৫০টা বই শেষ করা তো রীতিমত অসম্ভব ব্যাপার। The Rise and Fall of the Third Reich বইটা পড়তেই তো এক জীবন লাগার কথা। স্টেইনবেকের East of Eden মার্কেজের One Hundred Years of Solitude বইগুলাও তো ইয়া মোটা। শুধু যে মোটা তা নয়, অনেকগুলো বই রীতিমত কঠিন। তোমাকে অভিনন্দন! পরের ৫০টি বইয়ের তালিকা রেডি করছি।

প্রশ্ন: স্যার,আমি মাহিম.নারায়ণগঞ্জ থেকে.স্যার;আমি লোকডাউন যা আপনার অনেক গুলো বই পড়েছি.আপনার ইকারাস বইটা আমি সবার ফার্স্ট এ পড়েছি.স্যার;আমাকে একটা অটোগ্রাফ দেন প্লিজ
উত্তর: শুধু আমার বই পড়লে বড় হবে না, তাহলে ছোট থকে যাবে। অন্যদের বইও কিন্তু পড়তে হবে! দিলাম অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: স্যার, কিছুদিন আগে আপনি আমাকে আমার ডাক নামে একটি অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন।সেজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি কি আমার আসল নামে আপনার আরেকটি অটোগ্রাফ পেতে পারি? প্লিজ? মোঃ আরাফাত হোসেন 3/7/2021 নোয়াখালী।
উত্তর: মনে হয় একজনের কয়েকটা করে অটোগ্রাফ আপাতত না দিলাম, তখন সবাইকে দিতে হবে। যখন দেখা হবে তখন যত খুশি নিয়ে নিও।

প্রশ্ন: আমি তপু এর part 2 প্লিজ Istiaq Arefin Chowdhury 10 , College Street , ground floor, Dhaka-1205
উত্তর: টুনটুনির সেকেন্ড পার্ট লিখে জীবন শেষ, এবারে আমি তপুর সেকেন্ড পার্ট লিখব? মাথা খারাপ? ন্যাড়া কয়বার বেলতলা যায়?

প্রশ্ন: স্যার,আপনি সবসময় বলেন আপনি খুবই অগোছালো আর ভুলো মনের মানুষ। তাহলে কি আপনি ছোটোবেলায় আর ছাত্রজীবনেও এমন অগোছালো আর ভুলো মনের ছিলেন?? স্যার,আপনি ছোটোবেলা থেকে এখন পর্যন্ত কতগুলো বই পড়েছেন??? আমার নাম বন্যা।আমি চট্টগ্রামে থাকি। স্যার,আমি ইয়াসমিন ম্যাডাম এর কিছু দুঃসাহসিক কাজের কথা জানতে চাই।
উত্তর: ভুলোমনটা মনে হয় বড় হওয়ার পর, যখন একশটা কাজ করতে হয়, তখন বেড়েছে। অগোছালো আমার ট্রেড মার্ক। গোছালো থাকতে হবে কেন সেটা আমাকে বোঝাও। কতগুলো বই পড়েছি সেটা কী বলা সম্ভব? যতগুলো পড়তে চাই ততগুলো পড়া হয়নি সেটা বলতে পারি। ইয়াসমিন যে আমাকে বিয়ে করতে রাজী করেছে সেটাই কী অনেক বড় দুঃসাহসিক কাজ না? তার লেখা একটা বই আছে, সাস্টে ২২ বছর, সেখানেও কিছু দুঃসাহসিক কাজের কথা আছে, পড়ে দেখতে পার।

প্রশ্ন: স্যার, আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে বাংলাদেশ এবার আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে ২ টা সিলভার এবং ৩টা ব্রোঞ্জ মেডাল পাবে(আর একটা অনারেবল মেনশন!!)। রাইয়ান তাওসীফ,ঢাকা
উত্তর: সত্যি সত্যি যদি তোমার ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যায় তাহলে ফার্মেগেটে বিখ্যাত জ্যাতিষি হিসেবে একটা ঘর ভাড়া করে নিয়ে জ্যাতিষি চর্চা করা শুরু করতে পার, আমি তোমাকে একটা লিখিত সার্টিফিকেট দিয়ে দেব!

প্রশ্ন: স্যার, আমি বই পড়া শুরু চাই। আমি আপনার কোন বইটি প্রথমে পড়ে খুব মজা পাব। প্লিজ জানাবেন। তওসিফ রহমান নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা
উত্তর: সবার সখ রুচি ধৈর্য তো আলাদা, তুমি কোন বই পড়ে আনন্দ পাবে সেটা তো অন্য কেউ বলতে পারবে না। (বই পড়া শুরু বলে তুমি কী বোঝাচ্ছ? এর আগে কখনও কোনো বই পড় নি?)

প্রশ্ন: প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার, আসসালামু আলাইকুম স্যার আপনি আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক।এর আগে আমি আমি আপনাকে কোনো প্রশ্ন করিনি।তবে আজকে আমার একটি প্রশ্ন আছে। আমি অনেক ভেবেও এটির উত্তর পাচ্ছিনা।আমার ফ্যাকাল্টিরাও এর উত্তর দিতে পারছেন না।স্যার টুইন প্যারাডক্সে আমরা দেখতে পাই যে একই বয়সের দুইজন মানুষের ক্ষেত্রে আলোর বেগ বা তার কাছাকাছি বেগের রকেটে যে থাকবে তার সাথে পৃথিবীতে থাকা মানুষটির বয়সের তারতম্য দেখা দিবে।কিন্তু আমরা যদি দুইটি ডিজিটাল ঘড়ি একটা পৃথিবীতে আরেকটা রকেটে রাখলে সেখানেও কি রকেটে রাখা ঘড়িটার সময় পৃথিবীর ঘড়িটা থেকে কম হবে??? একটু বলবেন কাইন্ডলি যদিও আমার প্রশ্নটা অনেক বড় হয়ে গেছে।(আর একটি কথা আপনার প্রায় সব বইই আমার পড়া হয়ে গেছে) অর্ণব ডিপার্টমেন্ট: ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি- বাংলাদেশ
উত্তর: বোঝা যাচ্ছে তুমি থিওরি অফ রিলেটিভিটিকে গুরুত্ব দিয়ে নাও নাই। বয়স কমে যাওয়ার কারন তো বায়োলজি নয়, বয়স কম হয় কারণ সময়টাই ধীর হয়ে গেছে। যদি সময় ধীরে চলার কারণে একজনের বয়স কমে যায় তাহলে ডিজিটাল ঘড়ি কেন ধীরে চলবে না?

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম, স্যার। আমার দুটি প্রশ্ন আছে, ১) আপনি মোট কয়টি বই লিখেছেন? আমি আপনার ৮০ টির মত বই পড়েছি। আমি আপনার কত শতাংশ বই পড়তে পেরেছি? ২) করোনা কালে সময় কাটানো জন্য প্রোগ্রামিং করা শুরু করেছিলাম, পাইথন শিখেছি অনেকটুকু। কিন্তু এ পর্যায়ে এসে কয়েকটি জিনিস খুব দুর্বোধ্য লাগছে(OOP, Algorithm)। করোনা কালে সময় কাটানোর জন্য আমি আর সৃজনশীলতামূলক কি কি করতে পারি? Safiul Alam Zithu, Faujdarhat Cadet College, Chattogram.
উত্তর: ১) এই ওয়েবসাইটে আমার বইয়ের পুরো তালিকা দেওয়া আছে, সেখানে দেখে নিতে পারবে আমি কয়টা বই লিখেছি। কত শতাংশ পড়েছ সেটা দশমিকের পর দুইঘর পর্যন্ত বলে দিতে পারবে। ২) প্রোগ্রামিং শিখছ শুনে খুশি হলাম। করোনা কালে সময় কাটানোর কাজের কী অভাব আছে? বাসার ছাদে না হয় বারান্দায় টবে গাছের চারা লাগিয়ে দেখ সেটা কেমন করে বড় হয়। রান্না করা শিখে নিতে পার। ছবি আঁকতে পার, একটা রহস্য উপন্যাস লেখা শুরু করতে পার।

প্রশ্ন: অর্পিতা চন্দ অর্পি, নবম শ্রেণি, বন্দরবাজার, সিলেট। আপনাকে অনেক পছন্দ করি এবং আপনার বইয়ের ব্যাপারে আমার খুবই আগ্রহ। যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু বইটা সিলেটে আসতে খুব দেরি হয়েছে, লকডাউনের পর কিনে ফেলবো (কয়বার যে লাইব্রেরিতে গিয়েছি হিসেব নেই)। তবে আপনার আত্নজীবনীমূলক বইয়ের নাম আমি খুব বেশি একটা জানি না। ওগুলো আমার পড়তে ইচ্ছে হয় কারণ লেখাগুলো অনেক আনন্দদায়ক। আপনি কি আমাকে আপনার লেখা সেই বইগুলোর কয়েকটা নাম বলবেন?
উত্তর: আহা রে! একটা বইয়ের জন্য এতোবার লাইব্রেরি যেতে হচ্ছে! আমার আত্মজীবনীমূলক বই বেশি নেই, এমন কিছু আমার জীবন না যে সেটা লিখে রাখতে হবে, এবং তোমার সেটা পড়তে হবে! (আধ ডজন স্কুল, রঙ্গীন চশমা এই দুটোয় হয়তো জীবনের কিছু গল্প আছে!)

প্রশ্ন: স্যার, একটি প্রশ্নের উত্তরে আপনি লিখেছেন আপনার gmail এর ইমেইল ব্যবহার করতে ভালো লাগে না। কিন্তু কেন? মিহিরিমা আলম নূরী, কুমিল্লা।
উত্তর: ইমেইল সার্ভার খুব সহজ ব্যাপার, একটা দেশে এই সহজ বিষয়টা কেউ করতে পারবে না তার জন্য আমার google এর উপর নির্ভর করতে হবে সেটা কী লজ্জার ব্যাপার না?

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার, দেশকে ভালোবাসা বা দেশপ্রেম বলতে আসলে কী বোঝানো হয়? দেশ বা রাষ্ট্রতো একটা কাল্পনিক ধরণা মাত্র ! দেশকে ভালোবাসা বলতে কি দেশের মানুষকে ভালোবাসা বোঝানো হয় ? কেন শুধু নিজের দেশের মানুষকেই বা নিজের দেশকেই ভালবাসতে হয়? – জিসান , গাজীপুর
উত্তর: তুমি ভালো প্রশ্ন করেছ। যখন কেউ তোমার দেশকে শোষণ করে, দেশের মানুষের উপর অত্যাচার করে তখন দেশপ্রেমটা খুব অনুভব করা যায়। যখন তুমি শক্তিশালী হয়ে অন্য দেশের উপর অত্যাচার করা শুরু কর তখন তুমি আর দেশপ্রেম নিয়ে মাথা ঘামাবে না!

প্রশ্ন: sir kemon acen? asha kori valo acen.ami afrin,cox’sbazar theke bolci.ami apnar onek boro bhokto.ami jantam na je apnar ekta website ace.amar ek friend er theke janci.to sir ami shunci kabil kohkafi golpota apni likhecen. eta nie ekta natok o banaice tv te . apni ki sotti eta likhecen,setai jante chaccilam valo thakben, ar apni somoy kore ekbar cox’sbazar asben .apnar sate deka korar bohu diner sokh.
উত্তর: হ্যাঁ আমি সত্যিই এটা লিখেছি। এই ওয়েবসাওটে আমার সব বইয়ের তালিকা আছে, সেটা দেখলেই তুমি বুঝতে পারবে।

প্রশ্ন: (১)আপনি কেন সবসময় মনে করেন যে, ধর্মীয় আলেম মানে খারাপ? হুজুরেরা খারাপ? আপনি সবসময় গল্পের মধ্যে হুজুরদের মূল চরিত্রের বিপক্ষে রাখেন। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে রাখেন। প্লিজ উত্তর দিবেন। (২) আপনি কি কখনো হবিগঞ্জ জেলায় এসেছেন? (তাহমিদ, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ)
উত্তর: (১) তুমি যেহেতু প্রশ্নটা করেছ তার অর্থ তুমি এটা নিজে দেখেছ, কোন কোন বইয়ে এটা আছে আমাকে বলতে পারবে? আমি তো জানি না! এই ওয়েব সাইটে আমার সব বইয়ের তালিকা আছে। (২) হ্যাঁ আমি হবিগঞ্জে অনেকবার গিয়েছি।

প্রশ্ন: … …আচ্ছা স্যার, সত্যি করে বলুন তো, আপনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক হওয়ার জন্য যেমন খুশি, তেমনি কি এত বড় বড় চিঠি পড়ার জন্য বিরক্ত হন? আমি বাচ্চাদের মতো মন ভুলানো উত্তর চাই না স্যার। সত্য কড়া, কিন্তু সুন্দর। আমি আশা করছি আপনি সত্যি উত্তরটাই দেবেন। ভাল থাকবেন, পরিবারের খেয়াল রাখবেন। স্বর্ণালী আক্তার, একাদশ শ্রেণী (মনে হয় দ্বাদশ), উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
উত্তর: তুমি আমার কাছে কড়া উত্তর চেয়েছ, কিন্তু সোজা একটা উত্তরকে কড়া করব কেমন করে? না বাচ্চাদের লম্বা লম্বা চিঠি পড়ে আমি মোটেই বিরক্ত হই না।

প্রশ্ন: স্যার,আপনার লেখা প্রথম বই হাতকাটা রবিন।আপনার ২য় বই কি? অন্যগুলো লাগবে না, শুধু ২য় বইটার নাম জানতে চাই। আলিফ, রিদিতা,ঢাকা
উত্তর: আমার লেখা প্রথম বই হাত কাটা রবিন কিন্তু বই হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়েছে কপোট্রনিক সুখ দুঃখ। এদুটোর পরের বই মহাকাশে মহাত্রাস!

প্রশ্ন: প্রিয় লেখক, আমি the no 1 ladies detective agency বইটি পড়ে শেষ করেছি। thanks অর্ণব হালদার খুলনা
উত্তর: কিন্তু পড়ে কেমন লেগেছে কিছু বললে না?

প্রশ্ন: আমি ভুল করে প্রশ্নের নিচে নাম ও ঠিকানা লিখি নি।আমার প্রশ্ন ছিল যখন পুকুর বা নদীর পানিতে পাথর ছোড়া হয় তখন যে ঢেউ সৃষ্টি হয় সেটা কেন গোল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে? নুঝহাত,টাঙ্গাইল
উত্তর: পানিতে ঢেউয়ের বেগ সব দিকে সমান, তাই চারিদিকে সমান বেগে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে তাই এটা গোল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে- কিন্তু আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। এই একই প্রশ্ন সবাই কেন করছে? এটা তো খুবই সহজ কমন সেন্সের ব্যাপার। ব্যাপারটা কী?

প্রশ্ন: স্যার আমি আপনার লেখা ‘আমি তপু’ গল্পটিসহ ২২-২৩ টি গল্প পড়েছি।এখনো পড়ছি।’আমি তপু’ গল্পটিকি বাস্তব কাহিনী? মুবতাসিম,রাজবাড়ী
উত্তর: না আমি তপু বানানো কাহিনী, A Child Called “It” নামে একটা বইয়ে এরকম একটা ঘটনা পড়ে আমার এরকম একটা কাহিনী লেখার সাহস হয়েছিল। তবে বইটা বের হওয়ার পর বেশ কয়েকজন আমাকে লিখে বলেছিল যে তাদের জীবনটা হুবহু তপুর মত।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। আমি যখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আমার ডান হাত উপরে তুলি,তখন আয়নার আমি(মানে আমার প্রতিবিম্ব আর কি!) বাম হাত উপরে তোলে।কিন্তু আমি হাত উপরে তুললে,সে(মানে আমার প্রতিবিম্ব আর কি!) হাত নিচে নামায় না কেন?মানে আমি বলতে চাচ্ছি,আয়না কেন আমাদেরকে horizontally ঘুরিয়ে দেয়;vertically কেন নয়?(এটুকু লেখার পর মনে হলো,আমি একটু একটু বুঝতে পারছি।আয়না আসলে আমাদেরকে horizontally ঘুরিয়ে দেয় না!) তানজিবুল আলম আকিফ ইসলামপুর,জামালপুর,ময়মনসিংহ,বাংলাদেশ,এশিয়া,পৃথিবী,সৌরজগৎ,মিল্কিওয়ে,ইউনিভার্স(আবারও (প্রায়) নিখুঁত ঠিকানাটা ব্যবহার করলাম)।
উত্তর: মাথার উপর একটা আয়না রেখে হাত উপরে তুলো দেখবে আয়নার ‘তুমি’ হাত নিচে নামিয়েছে। (আসলে ব্যাপারটা এতো সহজ নয়, আয়নার ব্যাপারটা অনেক গভীর। তোমাকে যদি অন্য কোনো গ্যালাক্সিতে কোনো এলিয়েনকে ডান হাত বাম হাত বোঝাতে হয়, কেমন করে বোঝাবে?)

প্রশ্ন: আমার প্রশ্নটা ছিল এরকমঃ [আচ্ছা পানিতে ঢিল ছুড়লে যে তরন্গ হয়, তা কেন সুষম গোল হয়ে প্রবাহিত হয়? (আদু মিয়া, সিলেট)]— আপনি উত্তরে বলেছিলেন যে অন্যদের শুধু নাম ঠিকানা দিতে হয় তবে আমাকে আমার ই-মেইল ও দিতে হবে। আমার মনে হয় আমার নাম দেখে আপনি এটা বলেছেন। তো যাই হোক আমি আসল কথা বলিঃ- আমার আসল নাম আদনান হোসেন। তবে স্কুলে বন্ধুরা কেউ কেউ আদু,আদু মিয়া বা আদু ভাই বলে ডাকে। এখানে নামের জায়গায় ‘আদু মিয়া’ লিখেছি কারণ আমি সেদিন কয়েকটা প্রশ্ন করে ছিলাম। তবে এক নামে নয় ভিন্ন ভিন্ন নামে। তবে আপনি শুধু দুটো প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন। এবার ও অনেক প্রশ্ন করেছি। এবার আপনি প্লিজ উপরের প্রশ্নের উত্তর দিন। … -(আদনান-সিলেট)
উত্তর: আরো একজন ঠিক একই প্রশ্ন করেছে (প্লিজ দেখে নাও), এটা এমনই কমন সেন্সের ব্যাপার যে কেমন করে উত্তর দেব বুঝতে পারছি না। প্রশ্নটা এরকম হওয়া উচিত ছিল: পানিতে ঢিল ছুড়লে যে তরঙ্গ হয়, সেটিকে কেমন করে বর্গাকৃতির করা যায়? তাহলে চিন্তা ভাবনা করে একটা উত্তর দেওয়া যেতো। (আমাকে ঠকানো, বোকা বানানো খুবই সোজা, কিন্তু সেটা করে তুমি কি সত্যিই আনন্দ পাবে?)

প্রশ্ন: স্যার,আসসালামু আলাইকুম।আমি তাছমিয়া জাহান সাওদা।ঝালকাঠি থেকে বলছি।স্যার,আমিও আপনার মত লেখক হতে চাই।আমি এই লক ডাউনে লেখালেখি শুরুও করেছি।এই লেখাগুলো তুলে ধরার শুরুটা কিভাবে করতে পারি,স্যার? আর হ্যা,আপনি কেমন আছেন?
উত্তর: আমি ভালো আছি। লেখালেখি করছ শুনে খুশি হলাম। পত্র পত্রিকায় পাঠাতে থাকো, দেখ তারা ছাপায় কি না, তাহলে বুঝতে পারবে লেখার মানটা কেমন হয়েছে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। কেমন আছেন? বেশ কয়েকদিন হলো আপনার ওয়েবসাইটের খোঁজ পেয়েছি। কিন্তু প্রশ্ন করার সাহস হয় নি! (এখনও একটু একটু ভয় করছে!) আজ যেহেতু প্রথমবার লিখছি তাই কোনো প্রশ্ন করলাম না। আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে অসংখ্য ভালোবাসা রইল। আর এত্তগুলো সুন্দর বই উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন স্যার। – **** মগবাজার,ঢাকা (পুনশ্চ: নাহ্, একটা প্রশ্ন করেই ফেলি! পড়াশোনা করতে ভালো লাগে না। কী করব?) (পুনশ্চ: নাম প্লিজ গোপন রাখবেন)
উত্তর: পড়াশোনা করতে ভালো লাগে না এই মহাসত্য কথাটি বলতে তোমার এতো সংকোচ? পৃথিবীতে কোনো বাচ্চা আছে যার পড়াশোনা করতে ভালো লাগে? পড়াশোনা না করলে পরে বিপদ আরো বেশি হয় সেজন্য বাধ্য হয়ে পড়াশোনা করতে হয়। পড়াশোনা করার জন্য আমি তোমাকে কী উপদেশ দিব? তোমাদের বয়সে আমারই কী স্কুলের পড়াশোনা ভালো লাগতো?

প্রশ্ন: স্যার কেমন আছেন?? গতকাল একটা নাটক দেখছিলাম।শেষের দিকের একটি পর্বে দেখলাম আপনাকে।নাটকটির নাম “একান্নবর্তী ” অনেক আগের নাটক আপনার কালো চুল ছিল তখন। অবন্তি, ময়মনসিংহ।।
উত্তর: হ্যাঁ, আমি আনিসুল হকের একটা নাটকে নিজের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলাম। কেমন হয়েছিল আমার নিজের ভূমিকায় অভিনয়?

প্রশ্ন: নমস্কার স্যার , আমি পয়মন্তী বনিক । ঠিকানাঃ পাচলাইশ , চট্টগ্রাম । স্যার একজন আপনাকে বলেছিল আপনার অটোগ্রাফের সফট কপি না দিতে । আমিও তার সাথে একমত । দয়া করে আপনি আমাকে আপনার ২টা অটোগ্রাফ দিবেন ? আমার নাম সহ ? প্লিজ । আরেকটা অনুরধ আপনি প্লিজ ১৫ দিন পরপর এই ওয়েবসাইট এর সকল প্রশ্নের উত্তর দিবেন । আপনার উত্তরের অপেক্ষায়ে । ইতি , পয়মন্তী । ( আপনার খুদে পাঠক )
উত্তর: হা হা হা, তুমি লিখলে তুমিও মনে কর অটোগ্রাফের সফটকপি দেওয়া ঠিক না, তারপরেই লিখলে তোমাকে দুইটা অটোগ্রাফ দিতে! ইন্টারনেটে একটা অটোগ্রাফ আর একশটা অটগ্রাফ একই ব্যাপার, তাই একটাই দিচ্ছি! ১৫ দিন পর পর সব প্রশ্নের উত্তর তো দেওয়াই যায়, তার আগে তোমাদের MCQ প্রশ্ন করা শিখে নিতে হবে।

প্রশ্ন: আচ্ছা আপনি তো আপনার অনেক বইতেই একেবারে বাস্তবের মতো virtual reality সপ্মর্কে বলেন। কিন্তু সেরকম কি সত্যিই সম্ভব? Rafi, Rajshahi
উত্তর: অনেকটুকুই সম্ভব। পাইলটেরা প্লেন চালানো শিখে কেমন করে? নেটে একটা সার্চ দিয়ে দেখ।

প্রশ্ন: স্যার, আসসালামু আলাইকুম। আশা করছি এই সাইটের সকল গুড়ো গেন্দা চিংড়ি মাছদের দোয়ায় সপরিবারে ভালো আছেন। আপনি কি কখন চাঁদপুরে এসেছিলেন? না এসে থাকলে কবে আসবেন? আর, আমার একটা কথা ছিলো। আপনার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমারও শখ হয়েছে পিএইচডি করার। তবে আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমার খুব ইচ্ছা আমি জাপানে পড়াশোনা করে সেখানকার এক ইউনিভার্সটির অ্যাস্ট্রোনমি, ফিজিক্স বা কেমিস্ট্রির প্রফেসর হব এবং পিএইচডি করবো। আপনি যদি এ ব্যাপারে একটু ডিটেইলস আমাকে বলতেন। রুম্মান জারা, ৭ম শ্রেণি, মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। চাঁদপুর।
উত্তর: হা হা হা! এই সাইটের তোমার দেওয়া বাচ্চা কাচ্চাদের নামটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে, “গুড়ো গেন্দা চিংড়ি মাছ”!! এই সাইটের নামটা পালটে দিলে কেমন হয়? গুড়ো গেন্দা চিংড়ি মাছদের ওয়বসাইট? তুমি বড় হয়ে পিএইচডি করবে শুনে খুব খুশি হলাম। তুমি যেহেতু মাত্র ক্লাশ সেভেনে পড় তোমার এখনো অনেক সময় আছে। আপাতত “পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া” আর “একটা জিনিষ শেখা”র মাঝে যে একটা পার্থক্য আছে এবং একটা জিনিষ শেখাই যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সেটা বিশ্বাস করতে শেখ।

প্রশ্ন: প্রিয় জাফর স্যার, হুমায়ুন আহমেদ স্যার নিয়তি গল্পটায় লিখেছেন, আপনারা যখন জগদ্দল নামে একটা জায়গায় ছিলেন তখন আপনারা সব ভাইবন পালাক্রমে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন।জ্বর এত নিয়মিত আসত যে আপনারা সবাই জানতেন কখন জ্বর আসবে। আপনারা কি সত্যি সত্যিই লেপ কাথা মুরি দিয়ে আগেভাগে বিছানায় শুয়ে পরতেন?আর কেউটে সাপ টা দেখার পর আপনার অনুভুতি কেমন ছিল? (আমার মূল প্রশ্ন কিন্তু মটেও এটা ছিল না,আমি আপনার সবচেয়ে প্রিয় ৫টা বইয়ের নাম জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারপর আবিষ্কার করলাম আপনি আগে থেকেই ৫ টা না ৫০ টা বইয়ের নাম দিয়ে বসে আছেন!) শ্রেয়া সাহা,শ্রেণি-১০ম,নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: হ্যাঁ, মোটামুটি সত্যি! ছেলেবেলায় আমাদের সবার ম্যালেরিয়া হয়েছিল, সবার কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসতো। হুমায়ুন আহমেদ ছোটখাট ঘটনা অনেক মজা করে তার মত করে লিখতে পারে সেটাও ভুলে যেও না।

প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক গনিত অলিম্পিয়াড, পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড, রোবট অলিম্পিয়াড – এদের আপনার পছন্দের ক্রম অনুসারে সাজালে কোনটির অবস্থান কেমন হবে? ফয়সাল, ময়মনসিংহ


উত্তর: এই যে একটার পর আরেকটা লিখে দিলাম, দেখে নাও কোনটা আগে কোনটা পরে।

প্রশ্ন: স্যার, জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড শুরু হচ্ছে। আমি গতবার আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী হয়েছিলাম, এবার যেন জাতীয় পর্বে বিজয়ী হতে পারি, সেজন্য দোয়া করবেন। আমার প্রস্তুতি মোটামুটি ভালো। ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: দোয়া করি যেন প্রতিযোগিতায় তোমার সর্বোচ্চটুকু দিতে পার, তার সাথে এও দোয়া করি যেন সত্যিকারের বিজ্ঞানমনস্ক হতে পার।

প্রশ্ন: ইনতিসার আলম হাসিন, ঢাকা। স্যার, অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ২০২১ সালের জুলাই মাসের কিশোর আলোতে আমার একটি গল্প ছাপিয়েছে। গল্পতে আমার পুরো নাম অবশ্য দেয়নি, ইনতিসার আলম পর্যন্ত দিয়েছে। এতে অবশ্য আমার খুব একটা আফসোস নেই। আমি মাত্র ক্লাস নাইনে পড়ি, বয়স নভেম্বরে ১৪ হবে, এই বয়সেই আমার গল্প ছাপিয়েছে! তাও আবার বড় বড় লেখকদের সাথে! আপনার কত বছর বয়সে কোনো পত্রিকায় প্রথমবারের মতো আপনার লেখা ছাপিয়েছে?
উত্তর: ভেরি গুড! কিশোর আলো খুব ভালো ম্যাগাজিন, এখানে গল্প ছাপা হওয়ার অর্থ তুমি এখন অফিসিয়ালি একজন লেখক। (অভিনন্দন। আমার সিরিয়াস লেখালেখি হয়েছে ইউনিভার্সীটিতে ওঠার পর।)

প্রশ্ন: স্যার আমি একটা জিনিস লক্ষ করেছি। এখানে প্রায় সবাই সালাম দিয়ে প্রশ্ন শুরু করে, কিন্তু আপনি কখনো প্রশ্নের উত্তরে সালামের জবাব দেন না। কেন স্যার? কৌতূহল থেকে জিজ্ঞেস করলাম। হাসান, বরুড়া, কুমিল্লা
উত্তর: মাঝে মাঝে সময় পেলে দিই।

প্রশ্ন: বন্যা বড়ুয়া। চট্টগ্রামে থাকি। পৃথিবীর ইতিহাসের উপর লেখা জওহর লাল নেহেরু বইটির নাম কি???
উত্তর: আমি তো নামটা লিখতেই পারি, কিন্তু দেখি তুমি নিজে নিজে ইন্টারনেট থেকে বের করতে পার কিনা!

প্রশ্ন: এখানে ১০০০ শব্দে কেউ কিছু লিখলে আপনি কি তা ফিল্টার করবেন? এলিজা আক্তার, দিনাজপুর
উত্তর: একটা প্রশ্ন লিখতে তো ১০০০ শব্দের দরকার হয় না। এতো বড় কিছু লিখতে হলে আমাকে ই-মেইলে পাঠিয়ে দেওয়া ভালো। তোমাদের জন্য আমার নূতন ই-মেইল: m.z.iqbal@mzi.rocks

প্রশ্ন: স্যার টুনটুনি ও ছোটাচ্চু কে নিয়ে লেখা সবসময় চালিয়ে যাবেন। টুনটুনি ও ছোটাচ্চু আমার প্রিয় একটি বই। যোনায়েদ মাহবুব, বাসাবো ,ঢাকা।
উত্তর: তুমি তো বলেই খালাস! আমাকে যে গল্পটা ভেবে ভেবে রেডি করতে হবে, কাগজে লিখতে হবে সেটা কোনোদিন চিন্তা করেছ?

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আমার বড় হয়ে মনোবিজ্ঞান পড়ার অনেক ইচ্ছা। কিন্তু আমি বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতে বেশ দুর্বল। পদার্থবিজ্ঞান আর রসায়নে আপাতত ভালোই করছি, যদিও এসএসসি ব্যাচ ২০২২ হয়েও আমার সিলেবাস এখনো অর্ধেক বাকি। সাধারণ গণিতেও কোনরকমে ভালো করছি, কিন্তু উচ্চতরে আটকে যাই। আর জীববিজ্ঞান পড়তেই ভাল্লাগেনা। কিন্তু ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটে সুযোগ পেতে চাইলে গণিতের পাশাপাশি ৩ রকম বিজ্ঞানেও ভালো করা লাগবে। যদিও সমস্যাগুলো নিতান্তই আমার, এর সমাধান আমাকেই করা লাগবে, তবুও কিছু পরামর্শ দিলে অনেক খুশি হবো। ভালোবাসা নিবেন, স্যার!
******* রাজশাহী। ( স্যার, দয়া করে নামটা গোপন রাখবেন, আমার এই স্বপ্নের কথা আমি এখনই কাউকে বলতে চাচ্ছিনা!!)
উত্তর: চমৎকার আইডিয়া। আমার মেয়ে সাইকোলজি পড়ে অনেক মজার মজার কাজ করে যাচ্ছে। দোয়া করি তুমিও সেরকম চমৎকার কাজ করার সুযোগ পাও। (কোনো কিছুতে নিজেকে দুর্বল ভেবো না! একটু চেষ্টা করলেই সব কিছু সোজা।)

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম।স্যার,এখন কি সাধু ভাষার দিন আছে?সব পাঠ্যবই-ই তো এখন চলিত ভাষায় লেখার কথা।কিন্তু আমাদের নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বইটা ‘ইহা’, ‘এরূপ’, ‘তথাপি’, ‘কতিপয়’, ‘বইখানা’, ‘যদি এবং কেবল যদি’ ইত্যাদি গুরুগম্ভীর টাইপ দুর্বোধ্য শব্দে ভরা।আপনি তো বইটা সম্পাদনা করেছেন।তাহলে এগুলো পালটে দিয়ে ‘এটি/এটা’, ‘এরকম (কিংবা এই কিসিমের/এই টাইপের!)’, ‘তবুও’, ‘কিছু’, ‘বইটা/বইটি’, ‘শুধুমাত্র তখনই’ ইত্যাদি বানিয়ে দিলেন না কেন?পরবর্তী সংস্করণে ঠিক করে দেবার অনুরোধ (কিংবা দাবি) রইল।ভালো থাকবেন! তানজিবুল আলম আকিফ,সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহ পৃথিবীর সুন্দরতম দেশ বাংলাদেশ থেকে।
উত্তর: NCTB এর বই ঠিক করা মোটামুটি অসম্ভব। কাজেই কাজ চালিয়ে নাও, তুমি যে শব্দগুলোকে দুর্বোধ্য বলছ, সেগুলো আর যাই হোক ‘দুর্বোধ্য’ না!

জুন ২৬ ২০২১

একই কথা প্রতিবার বলে যাচ্ছি। নাম ঠিকানা না লিখলে উত্তর নেই। একাধিক প্রশ্ন করলে আপাতত একটার বেশি উত্তর দিতে পারছি না। এটা বাচ্চাদের সাইট, গুরুতর বিষয় নিয়ে প্রশ্ন হলে সেটারও উত্তর দিতে পারি না। কথাবার্তা একশ ভাগ শোভন না হলে সেটাও ফিল্টারে আটকা পড়ে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। আপনি দস্যি কজন বইয়ে লিখেছেন -“ছেলেটা কাসেমের দিকে তাকিয়ে তার ডান হাতের মাঝখানের আঙুলটা পতাকার মতাে উচু করে ধরল । এটা নিশ্চয়ই কোনাে এক ধরনের ইঙ্গিত , ছেলেটার মুখ দেখে মনে হল কোনাে একটা খারাপ ইঙ্গিত — কিন্তু সেটা কী আমরা ঠিক বুঝতে পারলাম না ।”এখানে এই ইংগিত টার মানে কি?(তারেক-সিলেট)
উত্তর: উঁহু! বলা যাবে না! সরি!

প্রশ্ন: স‍্যার, কেমন আছেন? আমি আপনার লেখা প্রায় ৫০টা বই পড়ে মোটামুটি এখন ছোটো ছোটো গল্প লিখতে পারি। সেদিন আমার মামাতো ভাইয়ের জন্মদিনে তাকে একটি গল্প লিখে উপহার দিয়েছি। আশীর্বাদ করবেন যেন আমি আপনার মতো একজন অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক ও শিশু-কিশোরদের প্রিয় হয়ে উঠতে পারি। দেবরঞ্জন দে। আপনাকে অনেক অনেক ভালোবাসা।
উত্তর: অবশ্যই দোয়া করছি। শিশু সাহিত্যিক সিল পড়ে যাবে ভয়ে কেউ বাচ্চাদের জন্য লিখতে চায় না। তোমরা লিখলে তো ভালোই হয়।

প্রশ্ন: Sir, আদাব। আপনি কেমন আছেন? আশা করি সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আপনার পরিবারের সকলে ভালো আছেন। স‍্যার আমি আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম। যে আপনি আপনার এখানে আপনার লেখা কিশোর উপন‍্যাস দ্বারা নির্মিত সিনেমাগুলো যদি একটু দিতেন। আপনি বলেছিলেন আপনার এই সাইটে দেখে নিতে। কিন্তু স‍্যার আমি কোনো সিনেমা পাই নাই। স‍্যার আপনার কাছে আমার একান্ত অনুরোধ যে যদি আপনার এই সাইটে সিনেমাগুলো যদি একটু দিতেন। দিব‍্য দে। চট্টগ্রাম থেকে।
উত্তর: সিনেমা কেমন করে দেয় আমি তো জানি না। কোথায় আছে সিনেমাগুলো তাও তো জানি না। কী কী সিনেমা আছে মনে হয় সেটাও ভালোমত জানি না!

প্রশ্ন: Shouldn’t you stop for a pretty while to write something highly effective? I have a serious question sir. don’t know why but I always try to wrangle with people over petty thinhgs. what to do now I can’t see any better idea. Sejal, class 10, vnc.
উত্তর: তুমি কেমন করে জান আমি বাচ্চাদের সাথে গল্পগুজব করার পাশাপাশি “highly effective” কিছু করি না? তোমার প্রশ্নটা অবশ্য গুরুতর, বাংলায় অন্যের ব্যাপারে “নাক গলানো” বলে খুব মজার একটা কথা আছে, তুমি যদি মনে কর তুমি সেরকম জায়গায় চলে যাচ্ছ তাহলে হয়তো সতর্ক হওয়া ভালো। যারা সবসময় অন্যদের উপদেশ দেয় মানুষ তাদের থেকে দূরে থাকতে চায়।

প্রশ্ন: স্যার,এবার আর কোনো প্রশ্ন করবনা।একটা আবদার ছিল। ১১ই আগস্ট কারো জন্য স্পেশাল কোনো একজনের জন্মদিন।ওর নাম মেহেরুন খানম।আপনি কী কষ্ট করে তাকে কিছু একটা বলতে পারবেন!প্লিজ স্যার… আহনাফ আবীর,রংপুর।
উত্তর: তুমি যেহেতু আমার সাথে যোগাযোগ করেছ সে জন্য আমি তোমাকে চিনি, তুমি যার নাম বলেছ আমি তো তার সম্পর্কে কিছু জানি না। হঠাৎ করে তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা তো ঠিক হবে না। সে নিজে আমাকে অনুরোধ করলে তাকে তো বলতেই পারি, যেভাবে তোমাদের বলে যাচ্ছি।

প্রশ্ন: প্রিয় মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার, আপনার নিয়ান বইটাতে লেখা আছে নিয়াথরাডল নামে এক ধরনের মানুষ ছিল (আগে)।ওটা কি বাস্তবেই ছিল, নাকি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির মতই কল্পনা? আর টুনটুনি ও ছোটাচ্চু সিরিজটা কত পর্যন্ত যেতে পারে? রিদিতা , ঢাকা
উত্তর: neanderthal লিখে নেটে একটা সার্চ দাও দেখ কী পাওয়া যায়! টুনটুনি আর ছোটাচ্চু কতোদিন লিখব এখনো জানি না। দেখা যাক!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন? আবার ভেবে বসবেন না আমি বলবো আমি ভালো আছি।আমাদের কপালে আর ভালো থাকা হবে না।দেড় বছর হয়ে গেলো স্কুল বন্ধ।অনলাইনে সকাল বিকাল ক্লাস,হোমওয়ার্ক আর এসাইনমেন্ট করতে করতে আজকাল মনে হচ্ছে চোখেও কম দেখছি। যাগগে সেকথা,আসল কথা বলি….আমি তো ভেবেছিলাম এই বছর আপনি লকডাউনে ঘরে আটকে থেকে কিভাবে কটা ছেলেমেয়ে এডভেনচার করছে এই ধরনের একটা বই লিখবেন……কিন্তু আপনি লিখেন নি।দ্রুত ভেবেচিন্তে এরকম একটা বই লিখে ফেলুন।নইলে আমাদের বোধহয় লকডাউন শেষ হলে আর স্কুলে নয় পাগলা গারদে যেতে হবে। আনিকা,৬ষ্ঠ শ্রেণি,ভিকারুননিসা নূন স্কুল।
উত্তর: আমি এই লকডাউনের কথা ভুলে থাকতে চাই, তুমি আবার মনে করিয়ে দিও না প্লিজ! লকডাউন নিয়ে উপন্যাস লিখলে সারা জীবন এই জঘন্য লকডাউনের কথা মাথায় থেকে যাবে, কী সর্বনাশের একটা ব্যাপার হবে। আমি মনে করতে চাই যে আমি ঘরের বাইরে শুধু ঘুরে বেড়াচ্ছি আর ঘুরে বেড়াচ্ছি আর ঘুরে বেড়াচ্ছি…

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম। স্যার আপনি আরো একটু বিজ্ঞানের লিখেছিলেন যে যারা পত্রিকায় লেখালেখি করে তাদের বেশিরভাগই নিন্দুক। স্যার আপনিও তো পত্রিকায় লেখালেখি করতেন স্যার আপনিও কি নিন্দুক ইমতিহান ইসলাম দ্বিতীয় শ্রেণি বরিশাল
উত্তর: অবশ্যই! আমি যখন আমার কলামে কারো সমালোচনা করি তখন তার নিন্দা করি না? এই জন্যই তো কলাম লেখাই ছেড়ে দিয়েছি!

প্রশ্ন: স্যার, একা থাকতে ভালো লাগে। সন্ধার পর একা একা চাঁদের আলোতে বসে থাকতে ভালো লাগে। সামাজিকতা ভালো লাগেনা। অস্বস্তি লাগে কোন আত্মীয়-স্বজনদের সাথে ঠিকভাবে কথা বলতে পারিনা। সংকোচ বোধ হয়, চোখ নিচে তাকিয়ে বা অন্য দিকে তাকিয়ে কথা বলতে হয়। আগেতো এমন ছিলাম না এখন কেন এমন হয়ে গেলাম। কারো সাথে সহজে মিশতে পারিনা। আবার অনেকদিন দেখা কথা হবার পরও অনেকের সাথে স্বাভাবিক হতে পারিনা। আমি একটা জিনিস লক্ষ করেছি যারা অনেক মিশুক সবার সাথে সহজে কথা বলতে পারে স্বাভাবিক ভাবে, তাদের সাথে অন্যরাও আগে আগে কথা বলে তাকে আরো স্বাভাবিক করে দেয়। কিন্তু আমার সাথে কেউ আগে আগে কথা বলেনা, আমিও কোনভাবে কথা শুরু করতে পারিনা কোনোভাবে কিছু বললেও অস্বস্তিকর একটা অনুভূতি হয়ে যায়, অপর লোকটাও অস্বস্তিতে পরে যায় আমিও চোখ মেলাতে পারিনা অপর মানুষটি পারলেও কেমন যেন অস্বস্তিকর হয়ে যায়। কেন এমন হয় আমার সাথে? স্যার? মাঝে মাঝে নিজেকে খুব একা মনে হয়। খুব মন খারাপ হয়। কাউকে কিছু বলতে পারিনা। একা একা চাঁদের আলোতে হাঁটি, বসে থাকি, দাঁড়িয়ে থাকি, ভাবি। আমাকে কেউ বুঝে না। কাউকে বুঝাতেও পারিনা। কলেজে গেলেও এমন হয়। তখন খুব খারাপ লাগে। একা একা হাতিরঝিল বসে থাকি। কোন মেয়ে আমার সাথে কথা বলতে চায়না মনে হয়। ওরা মনেহয় আমাকে পছন্দ করেনা। ওরা কেন কেউই হয়তো এরকম মানুষ পছন্দ করে না। আর বাঁচতে ইচ্ছে হয়না। কাউকে বলতে না পেরে স্যার আপনাকে বললাম। প্লিজ এরকম আমার লেখাটা দেখে রাগ করবেন না। আপনি রাগ করলে আমার আর বলার মত কেউ থাকবে না। ##সাজিদ, কুমিল্লা।
উত্তর: কত সহজে বলে দিলে, “আর বাঁচতে ইচ্ছে হয়না।” তুমিই বল এটা কি মরে যেতে চাওয়ার একটা কারণ? সব মানুষই কখনো না কখনো কোনো একটা বিশেষ অবস্থার ভিতর দিয়ে যায়, তুমি সেরকম একটা অবস্থার ভিতর দিয়ে যাচ্ছ, দেখবে একদিন আবার ঠিক হয়ে যাবে। তবে মানুষের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে চাও না সেটা মনে হল ঠিক না। চেষ্টা কর মানুষের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে, কেউ যদি আমার দিকে না তাকিয়ে কথা বলে তাহলে আমার কিন্তু অস্বস্তি হয়! আর ছেলে মেয়ে নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছ কেন? সবাই তোমার সহপাঠী, সবাই তোমার বন্ধু!

প্রশ্ন: আতিয়া, ঢাকা। স্যার, এইবার বাবা দিবসে ‘শেষ বিকেলের গল্প’ নামে আরটিভিতে একটা নাটক দেখিয়েছে যেইটাতে হুবুহু আপনার ‘বৃষ্টির ঠিকানা’ এর গল্প নকল করা হয়েছে এবং আপনাকে কোনও ক্রেডিট দেওয়া হয়নি.. এত সুন্দর একটা গল্পের, আপনার লেখা বইগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় বইটার এইরকম পরিণতিতে আমি খুবই ব্যথিত ও মর্মাহত.. এইটা মেনে নেওয়া যায় না.. আশা করি আপনি এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন.. নিচে নাটকটির ইউটিউব লিংক দিয়ে দিলাম https://youtu.be/ZYrf7ixLeLU
উত্তর: আমি কাউকে আমার লেখালেখি নিয়ে নাটক বানাতে দেই না, মনে হয় সেজন্যই আরটিভি এই কাজ করেছে। তুমি লিংকটা পাঠিয়েছ কিন্তু আমার মনে হয় এটা দেখার রুচি হবে না! যেহেতু আমার নাম উল্লেখ করেনি তাই ধরে নাও এটা অন্য কোনো গল্প, বৃষ্টির ঠিকানার সাথে ঘটনাক্রমে মিলে গেছে! কাজেই তোমার প্রিয় বই তার মতোই আছে।

প্রশ্ন: অনেক, দীর্ঘ, বহু ইত্যাদি ইত্যাদি বছর হয়ে গেছে আপনার কোন নতুন ভ্রমণকাহিনী পাই না। এই করোনার মধ্যে ঘরে বসে থাকায় কোথাও যাওয়াও তো যায় না। লিখে ফেলুন না একটা ভ্রমণকাহিনীর বই! প্লিজ! প্রথমবার বাস্তবে ঘুরেছিলেন। এবার স্মৃতি থেকে না হয় আরো একবার ঘুরে এলেন। মজা হবে কিন্তু। লিখে ফেলুন না! ইশতিয়াক, ঢাকা পুনশ্চঃ শুনতে অবাক লাগতে পারে কিন্তু আমি কখনো ঢাকার বাইরে যাই নাই, সুযোগ হয় নাই কখনো। কিন্তু ভ্রমণকাহিনী পড়তে আমার অনেক ভালো লাগে। ঘরে বসে কল্পনায় কি সুন্দর দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ানো যায়! পুনশ্চ ২ঃ আপনার ভ্রমণকাহিনী পড়তে কেমন লাগে? আর পছন্দের কয়েকটা ভ্রমণকাহিনীর বইয়ের নাম বলুন না! প্লিজ! (আরেকটা কাজ করা যায়। বইয়ের নাম এই ওয়েবসাইটে না বলে আপনার ভ্রমণকাহিনীর বইতেও দিয়ে দিতে পারেন!)
উত্তর: যদি লেখার মত কোনো ভ্রমন করি তাহলে নিশ্চয়ই লিখব, কিন্তু সেরকম ভ্রমন হচ্ছে কোথায়? সব পানসে টাইপের ভ্রমন! ভ্রমন না করে ভ্রমন কাহিনী লেখার আইডিয়াটা খারাপ না। সেরকম যে লিখিনি তা নয়, ফোবিয়ানের যাত্রী কিংবা অন্ধকার গ্রহ কিংবা পৃ সেরকম বই। ভ্রমনটা পৃথিবীতে না হয়ে মহাকাশে এই হচ্ছে পার্থক্য! The Thin Air নামে একটা আসল  “ভ্রমন কাহিনী” আছে, সাহস থাকলে পড়ে দেখতে পার।

প্রশ্ন: আপনার “আমড়া ও ক্রাব নেবুলা” গল্পতে একটি বাক্যের অর্থ একটু বলবেন? বাক্যটি হলো “আসার বজা কুরার ফত্যি আডত বেচি, বাজার গরি বাড়িত আইলে ইসাব লয় তোর চাচী” অয়ন
উত্তর: তোমার চট্টগ্রামের কোনো বন্ধু আছে? তাকে জিজ্ঞেস করে দেখ। (তোমার লেখায় একটা বজা বাদ পড়েছে)

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আমার প্রশ্ন হলো কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে পড়াশোনা করতে চাইলে কি করতে হবে? তাসমিয়া হাসান অনন্য,ঢাকা।
উত্তর: পদার্থ বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে হলে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে পড়তে হয়, তার একটা হচ্ছে কোয়ান্টাম মেকানিক্স। কেউ শুধু কোয়ান্টাম মেকানিক্স পড়ে না, এটা জানার পর ব্যবহার করে। কাজেই পদার্থ বিজ্ঞান পড়, কোয়ান্টাম মেকানিক্স জেনে যাবে।

প্রশ্ন: Sir,assalamualaikum. As there is no science club in our area , I want to open a science club with my friend. Please give a suitable and unique name for this club. Please, please ,please ,please, please, please Name: Nusrat Jahan NIRA(Jamalpur)
উত্তর: আমি শুনে খুবই খুশি হলাম যে তোমরা একটা সায়েন্স ক্লাব করতে যাচ্ছ। বাহ! কী চমৎকার! আমাকে একটা নাম দিতে বলেছ, আমি আসলে নাম দেওয়ার মাঝে খুবই খারাপ, আমার বইয়ের নামগুলো থেকে টের পাও না? তোমরা একটা সুন্দর নাম দিয়ে দাও, আমি সেই নামটাকে অভিনন্দিত করে দেব।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি ইংরেজি কবে ও কীভাবে শিখেছিলেন? আসমাউল হাসান নাঈম, বাসাবো, ঢাকা।
উত্তর: অন্য সবাই যেভাবে শিখেছে, স্কুলে লেখাপড়া করে। মাঝে মাঝে ইংরেজি বই পড়ে।

প্রশ্ন: স্যার, এসাইনমেন্ট দিয়ে কি কাজের কাজ কিছু হচ্ছে? সবাই তো বই দেখে দেখে উত্তর করছে ! ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জেলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: অন্যরা করলে করুক তুমি কখনো করবে না। ঠিক আছে? (আমি অ্যাসাইনমেন্টগুলো দেখিনি, সেগুলো এমনভাবে দেওয়া উচিৎ ছিল যেন কেউ কোনো বইয়েই তার উত্তর খুঁজে না পায়। সত্যি কথা বলতে কী সব পরীক্ষাই এরকম হওয়া উচিৎ, বই দেখে পরীক্ষা দেবে সবাই।)

প্রশ্ন: স্যার, আমি আপনার লেখা বই রহস্যময় ব্ল্যাক হোল (PDF) পড়েছি। কিন্তু, তাতে আমি না দেখার আলো সম্পর্কে কিছুই পাইনি। আপনি দয়া করে এই ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে কোনো একটা বই দিন। নাম: অভ্রনীল দাশ মুগ্ধ বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি, আদাবর, ঢাকা।
উত্তর: বইয়ের শেষে একটা ছবি আছে দেখেছ, যেখানে সব তরঙ্গ দৈর্ঘের আলোর ছবি দেওয়া আছে?

প্রশ্ন: লাইবা, ঢাকা। স্যার, আমাদের কী এইবারও অটোপাশ দিয়ে দেওয়া হবে?? আপনার কী মনে হয়?? আর স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাগুলো কী আমাদেরকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের উপর নেওয়া উচিত নাকি নাকি পুরো বইয়ের ভিত্তিতে?? আপনার মতামত জানালে খু—-উ—-ব—-ই খুশি হব।
উত্তর: আমার তো মনে হয় সবাই যেহেতু দিনের পর দিন রাতের পর রাত ঘরের ভেতর বসে দুনিয়ার সবকিছু পড়ে ফেলেছে, তাই ভর্তি পরীক্ষগুলো হয়া উচিত ডাবল সিলেবাসের উপর। তোমার কী মনে হয়? (হা হা হা, একটু ঠাট্টা করলাম)

প্রশ্ন: স্যার, আমি নাজিফা, ক্লাস টেনে পড়ি। থাকি চট্টগ্রামে। আমি কান পেতে রই-য়ে কাজ করতে চাই। কীভাবে যুক্ত হতে পারি?
উত্তর: শুনে খুব খুশি হলাম যে তুমি “কান পেতে রই” এর জন্য কাজ করতে চাইছ। এটা একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা। তাদের ওয়েবসাইট www.shuni.org এ সব লেখা আছে।

প্রশ্ন: খুবই রাগ এবং দুঃখ নিয়ে লিখছি স্যার আমার ফুপাত বোনের বিয়ে আগামি বুধবার। আসলে ঠিক বিয়ে বললে ভুল হবে।কয়েকদিন আগে কোর্ট ম্যারেজ হয়েছে। মেয়ে আমার থেকে এক বছরের ছোট হতে পারে।১৫ থেকে বেশি হওয়ার কথা না।কিন্তু আমার প্রশ্ন হল এত ছোট মেয়ের কোর্ট ম্যারেজ কিভাবে হয়? কোর্ট এর মত জায়গায় যদি এমন হয় আমরা যাব কোথায় আইনের জন্য?? সাফা,কুমিল্লা
উত্তর: এরকম বিষয়গুলো পৃথিবীতে কোনো কিছুই একেবারে বন্ধ করে ফেলা যায় না, তাই চেষ্টা করতে হয় এর সংখ্যা কমিয়ে আনতে। যত বেশি কমানো যায় তত ভালো। কাজেই তুমি আর কী করবে। তবে এত কম বয়সী মেয়ে কোর্ট ম্যারেজ কেমন করে করল সেটা হচ্ছে প্রশ্ন!

প্রশ্ন: Assalamualikum Sir, by observing some “BDMO and IMO” questions, I understand that, the question pattern of “BDMO” is totally different from “IMO”. I am a student of class-7 but I have finished our national curriculum’s math book from class (8-10). But still I can’t find any similar math . So, my question is how the students of International team of our country prepare for this exam , what are the mandatory chapters of mathematics they learn to participate in this contest and how can I prepare for the “IMO” contest . Sir, please answer to my questions. Regard’s SAMIUL,DHAKA
উত্তর: তুমি কি আমাদের গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নাও? সেখানে যারা অংশ নিয়ে ভালো করে তাদেরকে নিয়ে আমরা নিজেরাই গণিত ক্যাম্প করি, সেই ক্যাম্পে আমরা তাদেরকে গণিত অলিম্পিয়াডের জনি রেডি করি। আপাতত তুমি আমাদের গণিত অলিম্পিয়াডের ওয়েবসাইটে গিয়ে খোঁজ খবর নাও। (তুমি নিশ্চয়ই জেনে গেছ আমি সবসময় তোমাদের উৎসাহ দিই নিজে নিজে তথ্য সংগ্রহ করতে।)

প্রশ্ন: স্যার, ভালো আছেন?আমি আপনার একজন বড় ভক্ত। বই পড়তে আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তুু পাঠ্যবই পড়তে একদমই ভালো লাগে না।আগামী নভেম্বরে আমার জেএসসি পরীক্ষা হবে।কিন্তুু এখন পর্যন্ত আমি কোন বই (প্রাতিষ্ঠানিক) পড়িনি। স্যার,এখন আমি কিভাবে সেই জ্ঞান এর বইগুলো পড়ব? দয়া করে আমাকে কিছু উপদেশ দেন।(কোহলি কবির, দিনাজপুর)
উত্তর: পরীক্ষার জন্য লেখাপড়া কীভাবে করতে হয় সেই টেকনিকটা তো আমি এখনো শিখি নাই! আমার মনে হয় তোমার বন্ধুবান্ধবদের ভেতরেই সেরকম এক্সপার্ট পেয়ে যাবে, তাদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখ!

প্রশ্ন: লাইবা, ঢাকা। আচ্ছা স্যার আপনি আমাদের প্রশ্ন পড়ে উত্তর দেওয়া শুরু করার ঠিক আগে কী কাজ করেছেন? {যদি সম্ভব হয় তাহলে আমার এই উত্তরের সাথে কি আমাকে একটা অটোগ্রাফ দেওয়া যাবে? আমার নামঃলাইবা তাফান্নুম। } ও আর হ্যাঁ স্যার আপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা । [আগের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য অনেক(অসীম সংখ্যক) ধন্যবাদ। বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না তবে আপনার কাছ থেকে প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার খুশি সত্যিই অতুলনীয় ]
উত্তর: প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে এক কাপ কফি খেয়েছি। এই যে তোমার অটোগ্রাফ। খুশি?

প্রশ্ন: স্যার স্যার স্যার ! আমি অনেক খুশি। অ—-নে—–ক ! আমার যে খুশিতে হার্ট আট্যাক হয়ে যায়নি এটাই যথেষ্ট! আমি গত বছর পর্যন্ত আপনার লেখা মাত্র দুইটা বই পড়েছিলাম।লকডাউনে আপনার এত্ত গুলো বই পড়েছি। আমি যে আপনার কী বড় ভক্ত ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।এমন সময় হঠাৎ করে মনে হলো আমি বিশাল বড় একটা অন্যায় করে ফেলেছি।আপনার এত বড় ভক্ত হওয়ার সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত আমি আপনার গলার স্বর শুনি নি! আপনি বলুন, এমন পাপ কেউ করতে পারে?এখন অন্যায় করলে তার প্রায়শ্চিত্ত তো করাই লাগবে।তাই নেট থেকে আপনার একটা ভিডিও নামিয়েছি।সম্ভবত কোনো অনুষ্ঠানের সাক্ষাত্কার হবে।তো এই কয়েক মুহূর্ত আগে আমি আপনার গলার স্বর শুনেছি।স্যার! আপনি বিশ্বাস করবেন না আমি কেমন খুশি! উফফফ! আমার তো আনন্দে চোখে পানি চলে এসেছে! আমি এতক্ষণ খাটের উপর লাফিয়েছি! এখনো আমার উত্তেজনা কমেনি।স্যার আপনি ভীষণ ভালো! আপনার লেখা অসাধারণ লাগে আমার কাছে।মাঝে মাঝে খুব রাগ হয় যে কেন আমি আগে আপনার বই পড়ি নি! তাই এখন লিস্ট ধরে আপনার বই পড়া শুরু করেছি।প্রতিটা বই শেষ করে মনে হয় এটাই সবচেয়ে ভালো! একবার বলেছি, আবার বলছি, আমি আপনার অ-নে-ক বড় ভক্ত! একটা অদ্ভুত উদাহরণ দেই।রোজার সময় আপনি একজনের উত্তরে বলেছিলেন আপনি ইফতারে ছোলা-বুটের পাশাপাশি জিলাপি খেতে পছন্দ করেন।এই লেখাটা পড়ার পর আমি যেদিন প্রথম জিলাপি খেয়েছি, আমার যে কী খুশি লেগেছে! আমি খুব ধীরে ধীরে মনোযোগ দিয়ে সেটা খেয়েছি।কারণ ওটা আপনার প্রিয়, তার অর্থ খাবারটা অবশ্যই অসাধারণ হবে! আবার আপনার গোঁফ দুটা আমার কাছে খুউব সুন্দর লাগে! আমি মেয়ে না হলে অবশ্যই বড় হয়ে এমন গোঁফ রাখতাম! হি হি হি! কথাগুলো খুব হাস্যকর মনে হলেও সবটা সত্যি।একটা কথাও বাড়িয়ে বলিনি।আপনি খুউব ভালো আর সুইট! আমি দোয়া করি যেন কম করে হলেও আপনি আরও একশ বছর বেঁচে থাকুন আর আমাদেরকে সুন্দর সুন্দর বই উপহার দিন !! আমার পক্ষ থেকে আপনার জন্য অ-নে-ক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা রইল।ভালো থাকবেন। ইতি, আপনার বিশাল বড় ভক্ত সাবা ( ঢাকা, বাংলাদেশ)
উত্তর: যদিও এটা প্রশ্ন আর উত্তরের জন্য তৈরি, তোমরা নিশ্চয়ই লক্ষ করেছ, আজাকাল কেউ আর প্রশ্ন-ট্রশ্ন করে না, সবাই আমার সাথে গল্প গুজব করে! আমি এখন দুশ্চিন্তার মাঝে পড়ে গেছি, যদি কারো কোনো প্রশ্ন না থাকে তাহলে এখানে এসে বাচ্চাদের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়াটা কি ঠিক হচ্ছে? আমি স্ক্রিন দুই চোখে দেখে পারি না। তোমার লেখাটা অনেক বড়, কেটে একটু ছোট করা উচিৎ ছিল কিন্তু আমি পুরোটাই দিয়ে দিলাম, তার একটা কারন আছে। সবাই দেখুক তোমার মত পাগলও দুনিয়াতে আছে!

প্রশ্ন: Assalamualaikum sir, How are you? I hope you are fine. Torsha here, At present, I am a student of class Vii in BTCL Ideal School. I am planning to participate in the Breakthrough Junior Challenge 2022. Which is an international science competition. Anyone, around the world who is 13-18 years old can participate in the competition. I have chosen quantum mechanics. Since they have only three options- 1. Life Science 2. Math & 3. Physics. My textbook and curriculum are not enough to participate in that competition. Unfortunately, my science teacher is not ready to help me. But I really want to make it happen and winning this competition is a dream for me. I badly need someone who can be a mentor for me and help me to learn quantum mechanics in depth. Since I don’t know where to start and where to stop, I have still collected some books beyond my textbook and started my learning process. As example, now I am reading পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ , অ পদার্থবিজ্ঞান ,Author-Ratul Khan . But I am facing a lot of problems. I am not clear about the sequence of learning Quantum Mechanics . Please help to overcome all issues regarding my dream competition. I will be very grateful if you consider my problems. Here I am providing some links to know the details about these competitions. https://breakthroughjuniorchallenge.org/
উত্তর: ক্লাশ সেভেনের বাচ্চার জন্য সত্যিকারে কোয়ান্টাম মেকানিক্স শেখা একটু কঠিন, কারন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জন্য যে গণিত লাগে সেটা তাদের শেখানো হয় না। তুমি নিশ্চয়ই জান, আমাদের দেশে এখন সবরকম অলিম্পিয়াড আছে, সেখানে অংশ নিয়ে যারা ভালো করতে পারে তাদের জন্য আলাদা স্কুল চালানো হয়, বই পত্র দেওয়া হয়, তাদেরকে প্রতিযোগিতার জন্য রেডি করা হয়। কাজেই আমার জানামতে সেটা হচ্ছে সবচেয়ে সোজা পদ্ধতি। যদি সেই পথে না গিয়ে তুমি নিজে নিজে শিখতে চাও তাহলে তুমি যেটা করছ সেটাই করতে হবে, ঘরে বসে বই পড়তে হবে। বইয়ের কোনো অভাব নেই এবং সব বইয়ের পিডিএফ পাওয়া যায়, তাই সেগুলোতে উঁকি দিয়ে দেখ, যদি ভালো মনে হয় পড়। (তবে, আমি কিন্তু প্রতিযোগিতার খুব বড় ভক্ত নই, দেশের পক্ষ থেকে অংশ নিতে হয় বলে সহ্য করি, দেশের সুনামের জন্য। আমি চাই সবাই বিষয়টা জানার জন্য শিখুক, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার জন্য নয়!)

প্রশ্ন: স্যার, আসসালামুয়ালাইকুম। এখানে একজন আপনাকে জিজ্ঞাস করেছিল যে , এমন হতে পারে যে আমাদের কোনো অস্তিত্ত নেই ,আমরা কোনো সপ্নে রয়েছি। তাহলে কি এমন হতে পারে যে ভুত আহে (আমি ভুতে বিশাস করি না,তবুও জানতে ইচ্ছা করল), তারা আমাদের থেকে শক্তিশালি, এবং তারা আমাদের জ্ঞান কাজে লাগাচ্ছে? উত্তরটা দিবেন প্লিজ। নাম; নিরা ত্রাতিনা Noshin Ferdaws Torsha Moghbazar,Dhaka
উত্তর: যেদিন বিজ্ঞানীরা বলবে, আমরা একটা ভূত ধরে বোতলে ভরে ফেলেছি, ইলেক্ট্রিক ডিসচার্জ করে দেখেছি সেটা এই এই মৌল দিয়ে তৈরি, তার ঘনত্ব এতো, তার রঙ অমুক, তার ইলাস্টিসিটি এরকম ইত্যাদি ইত্যাদি সেদিন আমি বলব, “হ্যাঁ, ভূত আছে!” এর আগে আমি বলে থাকি, “ভূত নাই, শুধু ভূতের গল্প আছে!”

প্রশ্ন: স্যার,আসসালামুয়ালাইকুম। সবাই দেখি লকডাউন স্পেশাল এ অটোগ্রাফ নিচ্ছে,আমি কেন বাদ যাব? আমাকে ও একটা অটোগ্রাফ দিন, প্লিজ নাম; নিরা [ নীরা না ‘নিরা’ ] ঠিকানা; সৌরজগত ,পৃথিবী ,বাংলাদেশ
উত্তর: হ্যাঁ, তুমি কেন বাকী থাকবে? নাও তোমার অটোগ্রাফ!

প্রশ্ন: Sir, Tuntuni o Chotacchu ki ashol choritro naki Kalponik ? Name:Sadat Tawsif. Address:Mymensingh
উত্তর: হ্যাঁ টুনটুনি তার ভাইবোন ছোটাচ্চু নানী/দাদী বাবা মা খালা চাচা বন্ধু বান্ধব সব কাল্পনিক। শুধু সরফরাজ কাফির মাঝখান দিয়ে ভাঁজ করা চুলটা সত্যি!

প্রশ্ন: প্রিয় মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যার,রিচার্ড ফাইনম্যানের কাছ থেকে আাপনি যেই অটোগ্রাফটি নিয়েছিলেন সেটা কি এখনো আপনার কাছে আছে? থাকলে আমাকে দেখাবেন,প্লিজ,প্লিজ, প্লিজ। ( আমি বলতে চাইছি আপনাকে দেওয়া অটোগ্রাফটি দেখতে চাই।) আর হ্যাঁ, তাঁকে কখনো বঙ্গোড্রাম বাজাতে দেখেছেন? মিম,class 9,Naogaon
উত্তর: সিলেট থেকে ঢাকায় সব বই আনার সময় এই বইটি কোন চিপায় পড়ে গেছে খুঁজে পাচ্ছি না। পেলে আমি ওয়েব সাইটে “বিখ্যাত মানুষের অটোগ্রাফ” হিসেবে দিয়ে দেব। আমি ফাইনম্যানকে বঙ্গো বাজাতে দেখি নি, কিন্তু ছাত্রদের সাথে নাটকে সুইপার সর্দারের ভূমিকায় ওভিনয় করতে দেখেছি।

প্রশ্ন: [স্যার, যারা বাংলিশ লেখে তাদেরকে বাংলিশ লিখতে মানা করুন (এটাও একটা অনুরোধ)। এখন বাংলায় লেখার অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়। ৫২-র ভাষা আন্দোলনে অনেক কষ্ট করে, অনেক রক্ত দিয়ে আমরা এই ভাষা অর্জন করেছি। তাই কেউ এটার অবমাননা করলে আমার কষ্ট হয় (এই জন্য একবার স্কুলে একজনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছিল!)। আপনি বলেছেন নাম-ঠিকানা না লিখলে উত্তর দেবেন না, তাই প্রায় সবাই নাম-ঠিকানা লেখে। আপনি যদি বলেন বাংলিশ লিখলে উত্তর দেবেন না, তাহলে সবাই বাংলিশ লেখা বন্ধ করবে। এটা আমার অনুরোধ স্যার। আশা আছে আপনি অনুরোধটা রাখবেন স্যার।] ধৈর্য ধরে আমার লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ!!! স্বর্ণালী আক্তার, ১৬ বছর, একাদশ শ্রেনী, উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
উত্তর: আমি চট করে কিছু মানা করতে পারি না, আমি বিষয়টা খুব পছন্দ করি না জেনে এমনিতেই সবাই ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লিখা কমিয়ে দিয়েছে সেটা লক্ষ করেছ? স্বাভাবিক ভাবে বন্ধ হওয়াটা কি ভালো হবে না? (ক্যানারি রো কেমন লেগেছে?)

প্রশ্ন: স্যার,আমার একটা ইচ্ছা আপনার একটা সাইন্স ফিকশন এর প্রধান চরিত্র হবো সাজিদ, কুমিল্লা
উত্তর: গুড! প্রথমে কাল্পনিক মানুষ হয়ে যাও। হতে পারলে আমাকে জানিও।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার প্রিয় পঞ্চাশটি বইয়ের তালিকা সাথে আপনার প্রিয় পঞ্চাশ লেখকের তালিকা দিয়ে দেবেন। আমি সুযোগ পেলে আপনাকে নিয়ে পিএইচডি করবো, সেখানে এগুলো কাজে দেবে। আর স্যার আপনি কি কাউকে দুই বার অটোগ্রাফ দেন? দিলে আমাকে একবার দেবেন ! আগেরবার লিখেছেন অনেক ভালোবাসা, এবার অন্য কিছু লেখেন ! প্লিজ ! ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জেলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: ৫০টা বইয়ের ৫০ জন লেখক আমার প্রিয় লেখক, আলাদা করে তো আর দিতে হবে না। আশা করি জীবনে ভালো কিছু কর, আমাকে নিয়ে পিএইচডি করে সময় নষ্ট করতে না হয়! এই সাইটে দ্বিতীয় অটোগ্রাফ দেওয়া মনে হয় বুদ্ধিমানের কাজ হবে না, তখন সবাইকে আবার দ্বিতীয় তৃতীয় অটোগ্রাফ দিতে হতে পারে! সামনা সামনি যেদিন দেখা হবে তখন যত খুশি নিতে পারবে।

প্রশ্ন: আমার একটা ছোট বোন আছে। সাত বছর বয়স।পড়াশোনা করতেই চায় না,শুধু ফাঁকি দেয়। আমি তার জন্য কি করতে পারি? নূসরাত -নেত্রকোনা।
উত্তর: আহা! সাত বছরের একটা বাচ্চাকে কেন পড়াশোনা নিয়ে জ্বালাতন করতে চাও? তাকে তার মত দুষ্টুমি করতে দাও! যদি সত্যি তার জন্য কিছু করতে চাও তাহলে সে পছন্দ করে এরকম কিছু বই তার জন্য খুঁজে এনে দাও। সে বসে বসে পড়ুক।

প্রশ্ন: প্রিয় মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আমার একটা অনুরোধ রাখবেন প্লিজ? ভবিষ্যতে আর কখনো আপনার কোনো বইয়ের সিনেমা বা নাটক বানানোর অনুমতি দেবেন না। এগুলো পড়তে যতটা ভালো লাগে,দেখতে ততটা কি ভালো লাগার কথা?আর আপনিই তো বলেন, একটা ছেলে বা মেয়ে যখন কোনো একটা বই পড়ে, তখন সে বইয়ের চরিত্রগুলো কল্পনা করে নেয়,সিনেমা বা টেলিভিশন দেখলে যেটা হয়না- ইত্যাদি ইত্যাদি। আর আমিও সেটা বিশ্বাস করি। তাই আমার অনুরোধ রাখতেই হবে। মিম, class 9,Naogaon
উত্তর: দেই না তো! তুমি চিন্তাও করতে পারবে না, অনুমতির জন্য ওরা কতো চেষ্টা করে, আমি পিছলে বের হয়ে যাই! আমি শুধু দুইটা বই লিখেছিলাম সিনেমা বানানোর কথা মনে রেখে। একটা তৈরি হয়েছে, কোভিডের জন্য দেখাতে পারছে না। আরেকটা এখনও কেউ বানায়নি।

প্রশ্ন: হাসিন, ঢাকা। স্যার আপনি আমার কিছু প্রশ্নের উত্তর দেননি, এই ওয়েবসাইটেই প্রশ্নগুলো করেছিলাম। তাতে মোটেও মন খারাপ করছি না, আপনি নিশ্চয়ই কোন কারণ খুঁজে পেয়েছিলেন প্রশ্নটি ফিল্টার করার জন্য। অনুগ্রহ করে এই প্রশ্নের উত্তর দিবেন। আমি গত মার্চের লকডাউন থেকে আজ পর্যন্ত ১০৯টি বই পড়েছি। আমি কিছু দিন আগে আলী ইমামের লেখা ‘প্রাচীন নগরীর খোঁজে’ বইটা পড়েছি। প্রাচীন সভ্যতা নিয়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছি এই বইয়ে। আপনি কি আমাকে প্রাচীন সভ্যতা নিয়ে লেখা কিছু বইয়ের নাম দিতে পারবেন? গল্প উপন্যাস হলেও চলবে। আসলে আমার প্রাচীন সভ্যতা নিয়ে জানার খুব আগ্রহ রয়েছে(দয়া করে বলবেন না ইন্টারনেটে খুঁজতে। আমি আপনার কাছ থেকে কিছু বইয়ের নাম জানতে চাচ্ছি)। আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকবেন।
উত্তর: ১০৯টা বই? কী চমৎকার! আমারও প্রাচীন সভ্যতা নিয়ে খুব কৌতুহল। তবে যত কৌতুহল তত পড়া হয় নাই। পড়তে সহজ একটা বই হচ্ছে, E. H. Gombrich এর লেখা A Little History of the World। জওহর লাল নেহেরু তাঁর মেয়ে ইন্দীরা গান্ধীর কাছে জেলখানা থেকে বসে বসে লিখে লিখে পৃথিবীর ইতিহাসের উপর একটা বই লিখে ফেলেছিলেন। বইটা অনেক মোটা, কিনে এনে আমি এখনও পড়ি নাই, শুধু নাড়াচাড়া করছি।

প্রশ্ন: স্যার আসসালামুআলাইকুম ।স্যার আশা করি ভালো আছেন । আমার নাম মুহিত।স্যার আমাকে একটি অটোগ্রাফ দেন (নাম সহ) প্লিজ প্লিজ প্লিজ স্যার। -মাহাথির হাসান মুহিত,লালমনিরহাট
উত্তর: এই যে অটোগ্রাফ। খুশি?

প্রশ্ন: স্যার, আপনার প্রিয় বইগুলোর তালিকায় সৈয়দ শামসুল হকের “লাল গোলাপ” নামের একটি বইয়ের কথা বলেছেন।কিন্তু আমি কোনো অনলাইন প্লাটফর্মে এই বইয়ের পিডিএফ বা অন্য কোনো কিছু পেলাম না। নামঃ আহনাফ হাসান আবীর, একাদশ শ্রেণি,নটর ডেম কলেজ,ঢাকা
উত্তর: আছে, আছে, নিশ্চয়ই আছে। ভালো করে খোঁজ। আমি বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের একটা অনুষ্ঠানে বাচ্চাদের সাথে এই বই নিয়ে আলোচনাও করেছি। অসাধারণ বই।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। আমি আপনার লেখা ‘দুষ্টু ছেলের দল’ বইটি পড়েছি। সেখানে আপনি মানুষের মতো মানুষ হবার কথা বলেছেন। আমি জানতে চাই, কিভাবে ‘মানুষের মতো মানুষ’ হতে পারবো? ইতি, মুশফিকুর রহমান, বগুড়া।
উত্তর: খুবই সোজা। ভালো মানুষ মানেই হচ্ছে মানুষের মতো মানুষ!

প্রশ্ন: প্রিয় স্যার, আপনার জন্য অনেক অনেক ভালবাসা। আমার লেখাটা কোন প্রশ্ন নয়। এই লেখাটা ধন্যবাদ জ্ঞাপনের । করোনা পরিস্থিতির জন্য সারা দেশের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা যখন ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে , পুরো দেশের সকল শিক্ষার্থীরা যখন অলিখিত একটি সেশন জটে পরে যাচ্ছে ; তখন সামরিক আইন মেনে চলা আমাদের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ( যদিও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টিকে “বিশ্ববিদ্যালয়” মানা হয় না, বলা হয় “ইন্সটিটিউশন”) একটি কৌতুহলদ্দীপক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের এই ইন্সটিটিউশনটিতে সেশন জটের ব্যাপ্তিকাল মাত্র তিন মাসের। আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কালীন প্রায় দেড় বছর অনলাইনে পার করে দিয়েছি। মাত্র এক মাসের ব্যাবধানে দুটো সেমিস্টার ফাইনালও দিয়ে দিয়েছি। অনলাইনে ডিগ্রী অর্জন করে ফেলায় ভাল নাকি মন্দ হল আমি সেটি জানি না। আমাদের অনলাইন পরীক্ষা নেয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চেষ্টা করা হয়েছিল একটা সুষ্ঠু পরীক্ষা নেয়ার, অর্থাৎ অনলাইনে যতোটুকু সম্ভব। সবাইকে ভিডিও অন করে এক্সাম দিতে হত এবং সেমিস্টার পরীক্ষার নাম্বারের একটা অংশ ছিল ভাইভায় । তবু সত্যি বলতে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি জানি অনলাইন পরিক্ষায় দেখে দেখে উত্তর দেয়া অসম্ভব কিছু নাহ। এবং এটাই সত্যি বলতে হয়েছে। আমার বেশিরভাগ সহপাঠীরাই একে অন্যেরটা দেখে পরীক্ষা দিয়েছে। আমি কারোটা দেখে পরীক্ষা দেই নি। এখন পর্যন্ত যতগুলো পরীক্ষা গিয়েছে সব নিজে নিজে দিয়েছি। সত্যি বলতে রেজাল্ট যে খুব ভাল করেছি এমন নাহ। আমি মাঝারি ধাঁচের একজন শিক্ষার্থী। আমার রেজাল্টও টাও তাই কাজ চলে যাওয়ার মতন। তবে আমার ক্লাসের আশি পারসেন্টের মতন সবার রেজাল্ট এই দুই সেমিস্টারে সত্যি বলতে অনেক ভাল। আমি এটা দেখে ভীষণ মন খারাপও করে ফেলেছিলাম। আমি জানি আমি কোন কোন বিষয় আমি অন্য অনেকের থেকে অনেক ভাল বুঝি কিন্তু সেই বিষয়গুলোতেও আমার গ্রেড অনেক কম শুধুমাত্র কোন কপি করিনি বলে। সত্যি বলতে কিছু কিছু শিক্ষকের প্রশ্ন দেখেও আমার পরীক্ষার সময়ই মন খারাপ হয়ে যেত কারন তারা ক্লাসে পড়ানোর সময় যে অংকগুলো করাতেন সেগুলোই হুবুহু দিয়ে দিতেন অথবা বই এর উদাহরণ হুবুহু তুলে দিতেন যেগুলোর কোন কোনটা হয়ত আমার আগে করা হয়নি। হ্যা, অবশ্যই আমি আমার পক্ষে সাফাই গাচ্ছি না। এগুলো সল্ভ করতে পারা উচিত আমার একজন শিক্ষার্থী হিসেবে। তাই, এটা নিয়ে আমার আক্ষেপ নেই। আমি আমার যোগ্যতা অনুসারে রেজাল্ট করেছি। সিলেবাস শেষ করতে পারিনি বলে হয়ত অনেক প্রশ্নের উত্তরও দিতে পারিনি, কিন্তু এগুলো সব করা আমার দায়িত্ব ছিল। কিন্তু আমার মন খারাপ হয়ে যেত শিক্ষকদের এমন প্রশ্নের ধরন দেখে যেটায় আরও সহজে সবাই দেখে দেখে উত্তর দিতে পারে। সত্যি বলতে আমার মাঝে মাঝে অনেক হতাশ লাগে যখন আমি দেখি আমি এত চেষ্টা করেও যেটা পাই না সেটা আরেকজন কোন পরিশ্রম না করেই পেয়ে যায়। তবু স্যার আমি ধৈর্য ধরি। আমার মন খারাপ হয় কিন্তু মন খারাপটা দাঁতে দাঁত চেপে পার হতে দেই। আমি খুশি হই এই ভেবে যে আমি হয়ত ভাল রেজাল্ট করতে পারি নি কিন্ত আমি নিজে নিজে শেখার চেষ্টা করেছি। নিজে নিজে পরীক্ষা দিয়েছি। কিছু প্রবলেম নিজে নিজে সল্ভ করার আনন্দটা তোহ আমি পেয়েছি। আমি হয়ত অনেক বড় কিছু করতে পারব না জীবনে কিন্তু নিজে নিজে শেখার আনন্দটা আমি পেয়েছি। আমাকে এই আনন্দটা খুজে নেয়া শিখিয়েছেন আপনি । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ স্যার। আমি খুব নগন্য একজন মানুষ। কিন্তু আমাকে বেঁচে থাকার মানেটা আপনি শিখিয়ে দিয়েছেন। আপনাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ স্যার। —…
উত্তর: তোমার লেখাটা অনেক বড়, হয়তো কেটে ছোট করে দেওয়া উচিৎ ছিল, কিন্তু আমি পুরোটা দিয়েছি, আশা করছি অন্যরা কেউ কেউ এটা পড়বে। দুটো বাক্য লাল দিয়ে হাইলাইট করে দিয়েছি, কারণ এই লাইনগুলো হচ্ছে জীবনের প্রকৃত অর্থ। অনেকে সারা জীবনেও এটা শিখতে পারে না, তুমি শিখে গিয়েছ।  তুমি লিখেছ যে তুমি হয়তো জীবনে বড় কিছু করতে পারবে না, কিন্তু আসলে এতো ছোট থাকতেই তুমি কিন্তু জীবনে অনেক বড় কিছু করেছে যেটা অন্যরা সারা জীবনেও সেটা করতে পারে না। তোমার এই অর্জন (যেটাকে অনেকে নিশ্চয়ই মনে করে তোমার বোকামী!) এর কৃতিত্ব পুরোটুকু আমাকে দিয়েছ, কিন্তু আসলে এটা আমার কৃতিত্ব না, এটা তোমারই কৃতিত্ব। কারনটা খুব সোজা, আমি তো সবসময় সবাইকে এই কথাগুলো বলি, সবাই কী তোমার মত হয়েছে? হয় নাই। তুমি হয়েছ। দোয়া করি বড় হয়ে তুমি অন্যদের জন্য যেন বড় কিছু করতে পার।

প্রশ্ন: স্যার আফনে অনেখের ২/৩টা ফ্রশ্নের উত্তর দিলাইন আর আমার ৩/৪টা ফ্রশ্নের এখটারো উত্তর দেইন না।ইতার লাগি আমি অনেক খষ্টত আছি। আর আফনে কোনো দিন অবিগঞ্জ(হবিগঞ্জ) জেলাত আইসইন নি? তাহমিদ জামান চৌধুরী। নবিগঞ্জ উপজেলা,হবিগঞ্জ।
উত্তর: আমি সরি, তোমার মত এতো সুন্দর করে আঞ্চলিক ভাষায় লিখতে পারব না, ভুলভাল বাংলাতে লিখতে হবে। তোমার উত্তর যদি বাদ পড়ে যাও তাতে অবাক হচ্ছ কেন? তোমরা কী জান না, আমার সবকিছু এলোমেলো, উলটাপালটা- উত্তর না পেলে আবার তাড়াতাড়ি প্রশ্ন কর। কোন দিন আবার ডুব দিব, কে জানে?

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম স্যার। আপনি তো সিলেটে অনেক বছর থেকেছেন। আমাকে সিলেট এর একটা বর্ণনা দেবেন প্লীজ। ঠিক ভ্রমণকাহিনী মত। আমার খুব দরকার আমার নতুন গল্পের জন্য। নাম:তানজিলা। ঠিকানা:এখনো বেড়াতে আসেন নি।
উত্তর: একজন যেখানে থাকে সেটার বর্ণনা তো সা ভ্রমন কাহিনীর মত দিতে পারে না! সিলেটে আমার সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে তার বৃষ্টি! বর্ণনা দিতে হলে শুধু বৃষ্টির বর্ণনা দিয়ে যাব। মাঝে মাঝে ব্যঙের ডাক!

প্রশ্ন: স্যার, ভালো আছেন ? আমার জীবনটাকে কেন জানি Meaningless মনে হছে। তার প্রথম কারণ Coaching Center. আব্বু আম্মুর স্বপ্ন আমি cadet college এ পড়ব। তাই Coaching Center এ ভর্তি করিয়ে দিয়েছে। আপনি খুব ভাল করেই জানেন আমাদের দেশের Coaching Center এর অবস্থা কেমন। আমার life একদম তেজপাতা হয়ে গেছে। আমাদের Coaching Center এ online and offline দুই ভাবেই ক্লাস হয়। এখন আমি online এ ক্লাস করি। আজকে আমার আব্বু এসে বলে গেছে যে, আমি নাকি পড়লেখা করি না। আমাকে ধমক দিয়ে বলেছে, কালকে থেকে offline এ ক্লাস করতে। বাংলাদেশ এর Coaching Center গুলো মানুষের life শেষ করে দিসে। আমারতো আজকে মরে যেতে ইচ্ছে করতেসে। স্যার, আমাদের Real life এর গল্পগুলো এতো ফালতু হয় কেন? স্যার আমাকে একটা solution দিবেন প্লিজ। স্যার, আপনাকে একটা প্রশ্ন করি? স্যার কান্না করলে মানুষের নাক দিয়ে পানি পরে কেন? স্যার এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করলাম কারণ আপনাকে আমার মনের কথাগুলো বলার সময় আমার চোখ দিয়ে পানি পরার সাথে সাথে আমার নাক দিয়েও পানি পড়তেসে। স্যার, আমার problem এর একটা solution দিবেন প্লিজ। (স্যার, আমার নাম ঠিকানা গোপন রাখবেন প্লিজ।) ******। মগবাজার,ঢাকা।
উত্তর: তোমাদের যখন জোর করে কোচিং করানো হয় সেটা জেনে আমার খুব কষ্ট হয়। কেউ শুনতে রাজী হলে কেমন করে কোচিংটাকে একেবারে অপ্রয়োজনীয় করে দেওয়া যায় সেটা আমি বলে দিতাম। তাহলে আর কাউকে কোচিং করতে হতো না। কিন্তু কেউ সেটা শুনতেও চায় না। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন একবার আমাকে ক্যাডেট কলেজে দেওয়ার আলোচনা হয়েছিল। আমি বাবা মা ভাই বোন বন্ধুবান্ধব সবাইকে ছেড়ে একা একা হোস্টেলে থাকব চিন্তা করে এমনই চেচামেচি শুরু করেছিলাম যে কেউ আর ভুলেও চেষ্টা করে নাই। যাই হোক, ধৈর্য ধরে এই সময়টা পার করে দাও। যখন নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজে নিতে পারবে তখন থেকে সবকিছু ঠিক করে করো। (চোখের পানির ডাক্ট মনে হয় নাকে শেষ হয়, সেখান থেকে মুখ হয়ে পেটে। তাই চোখে পানি হলে নাকে চলে আসে।)

প্রশ্ন: স্যার, আমি গাইবান্ধা থেকে ইফ্ফাত। আগেরবার অটোগ্রাফ চেয়ে আপনাকে লিখেছিলাম। তারপর থেকে দিনে কম করে হলেও পাঁচ বার করে চেক করতাম আপনি রিপ্লাই দিয়েছেন কি না।আজকে যখন দেখলাম আপনি সবাইকে রিপ্লাই দিয়েছেন তখন আমার আনন্দ দেখে কে!! কিন্ত সব আনন্দ মাটি হয়ে গেলো যখন দেখলাম আমার রিপ্লাইটাই অর্ধেক দেখা যাচ্ছে আর আপনি আমাকে অটোগ্রাফও দেন নাই, ভেবেছিলাম আপনি অটোগ্রাফ দিলে সেটা আমি আমার নিজের হাতে বানানো জার্নালে রেখে দিবো।কিন্তু সেটা তো হলো না,তাই আমার খুব খুব খুব মন খারাপ।
উত্তর: কী আশ্চর্য! কী হয়েছে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। রিপ্লাই আবার অর্ধেক দেখা যায় কেমন করে? এই নাও আরেকটা অটোগ্রাফ। অটোগ্রাফে তোমার জন্য ডাবল ভালোবাসা!

প্রশ্ন: স্যার, আমি বগুড়ার অনিন্দিতা শ্রেয়া বলছি। আজ আপনার একটা ইন্টারভিউ নেবো। ইন্টারভিউয়ের বিষয় বস্তু প্রিয়। আমি আমার ইন্টারভিউ শুরু করছি। আপনার প্রিয় রং কি? আপনার প্রিয় খাবার কী? আপনার প্রিয় ঋতু কী? আপনার প্রিয় মানুষ কে? আপনার প্রিয় কবি কে? আপনার প্রিয় লেখক কে? আপনার অবসর সময়ের প্রিয় কাজ কী? ঘুরতে যাওয়ার জন্য আপনার প্রিয় জায়গা কোনটা? অভিনন্দন!!! আপনার ইন্টারভিউ শেষ। ( চেয়ে ছিলাম দশটা প্রশ্ন দেবো। কিন্তু হঠাৎ মনে হলো এত প্রশ্নে যদি আপনি বিরক্ত হয়ে প্রশ্ন ফিল্টার করে দেন। তাই এই পর্যন্ত ) ভালো থাকবেন। আশীর্বাদ করবেন। ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
উত্তর: সবুজ মুড়ি বর্ষা আমার মা জীবনানন্দ স্টেইনবেক বই-পড়া সুন্দরবন। (আর কেউ আরেকবার এই প্রশ্ন করলে উত্তর অন্য রকম হবে। কারণ এই প্রশ্নগুলোর কোনো সঠিক উত্তর নেই, গাছের পাতার রঙ সবুজ দেখতে চাই কিন্তু তাই বলে আকাশটাও কী নীল না দেখে সবুজ দেখতে চাই? যখন গভীর রাতে মিষ্টি এক টুকরা চকলেট খাওয়ার জন্য জানটা বের হয়ে যাচ্ছে তখন কি মুড়ি খেতে ইচ্ছা করবে? যখন ভাদ্র মাসের গরমে জান বের হয়ে যায় তখন কী মনে হয় না, কখন শীত পড়বে? আমার মা তো আমার প্রিয় হবেই, কিন্তু যখন জাহানারা ইমামের কথা মনে পড়ে, আমাকে কত স্নেহ করতেন সেটা ভাবি তখন কী তাঁকেও আমার প্রিয় মনে হয় না? জীবনানন্দ দাশের যত কবিতা মুখস্ত আছে আমার কী শঙ্খ ঘোষের প্রায় সমান কবিতা মুখস্ত নাই? শুধু স্টেইনবেক কেন, হেমিংওয়ে কী প্রিয় না? হাসান আজিজুল হক স্যারের বই পড়ে কী আমি মুগ্ধ হই না? হুমায়ুন আহমেদ ঘরের মানুষ বলে কী তার নাম বলতে পারি না? অবসরে আমি কী শুধু বই পড়ি? আমি কী ছবি আঁকি না? আমি কী শুধু সুন্দরবনে যেতে চাই, কক্সবাজারের একটা নির্জন সমুদ্রতীর দেখে আমার বুকটা কী ভরে যায় না? তাই তোমার প্রশ্নের উত্তরে কিছু একটা লিখে দিলাম, কিন্তু এর সত্যিকারের কোনো উত্তর নেই। থাকা সম্ভব না!)

প্রশ্ন: নমস্কার স্যার । আমি পয়মন্তী বনিক । আমি আপনার টুনটুনি ও ছোটাচ্ছু সিরিজের সব বইই পরেছি । আপনার কি এই সিরিজের আরেকটি বই লেখার ইচ্ছা আছে ? আমি বলব , আরেকটা বই লিখুন । যদি লিখেন , নাম কি হবে ? আমি একটা নাম suggest করি? নামটা হতে পারে ‘যেখানে টুনটুনি সেখানে ছোটাচ্ছু ‘ । উত্তর দিবেন কিন্তু ! অনেক কষ্টে ল্যাপটপে টাইপ করলাম !! ঠিকানাঃ পাচলাইশ , চট্টগ্রাম
উত্তর: থ্যাংকু। তোমার সাজেশনটা জেনে রাখলাম। আরেকটা লিখতে পারব কিনা এখনো জানি না।

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম স্যার। কেমন আছেন? আজ পুরোনো উত্তর পড়তে গিয়ে একটা প্রশ্ন চোখে পড়লো। যেখানে একজন বলেছে সবাইকে আপনি কেনো অটোগ্রাফ না দেন। তাতে আপনার অটোগ্রাফ দাম কমে যায়। কথাটা সত্যি! আমি তার সাথে একমত। আপনি দয়া করে সবাইকে অটোগ্রাফ সফটকপি দাওয়া বন্ধ করুন। এতে শুধু যে আপনার অটোগ্রাফ দাম কমে যাচ্ছে তা নয় আপনার অটোগ্রাফ নিয়ে রীতিমত বিসনেস শুরু হয়েছে। আমার ছোট ভাই রাতুল বই পড়তে খুব ভালোবাসে। বিশেষ করে আপনার বইগুলো। একদিন ও আমাকে বলে, আপু আমাকে কুড়ি টাকা ধার দেবে। আমি বললাম, অত টাকা দিয়ে তুই কী করবি? তখন ও বলে, আমার এক বন্ধু রাফি বলেছে জাফর ইকবাল ওর নানার খুব ভালো বন্ধু। আমি যদি ওকে তিরিশ টাকা দেই তাহলে ও আমাকে জাফর ইকবালের অটোগ্রাফ ছবি দেবে। আমি তো ওর কথা শুনে থো। আমি পরে ওকে বললাম ওসবে কান না দিতে। আপনি দেখেছেন! তাই বলছি আর কাউকে এভাবে অটোগ্রাফ দেবেন না। সামানিয়া আক্তার রিতু, রাজশাহী।
উত্তর: আমি হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছি না! অটোগ্রাফের ছবি বিশ টাকা? তোমার ছোট ভাই রাতুলকে বল সে যেন আমার একটা অটোগ্রাফ নিয়ে নেয়, ওর বিশ টাকা বেঁচে যাবে। (আমি এমন কোনো বড় মানুষ হয়ে যাইনি যে একটা বাচ্চা যদি বলে অটোগ্রাফ দিতে আমি তাকে বলতে পারব যে, “না, আমার অটোগ্রাফের দাম কমে যাবে, আমি অটোগ্রাফ দিতে পারব না।” জীবনেই কখনো এই কাজটা করি নাই, এখন কেমন করে করব?)

১৩ জুন ২০২১

এখনো অনেকে প্রশ্ন লেখার সময় নাম ঠিকানা লিখছ না, প্লিজ নিজের পরিচয় দিয়ে কথা বলা শিখে নাও সারা জীবন তোমার কাজে লাগবে। তোমাদের অনেকেই বেশ কয়েকটা প্রশ্ন করেছ, আমি অবশ্য একটার বেশি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিনি!

প্রশ্ন: স্যার আদাব। ভালো আছেন তো। আমি করোনাকালীন এই বিরাট বড় ছুটিতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি আপনার লেখা ১০ -১১টা বই বাদে সব পড়ে ফেলেছি। শুধু আপনার না হুমায়ন আহমেদ স্যারের হিমুর সব বই পড়েছি তাছাড়া অন্যান্য অনেক লেখকের বই পড়েছি । তাই আমি আপনাকে, হুমায়ন আহমেদ স্যার সবাইকে অনেক ধন্যবাদ অসাধারণ বইগুলো লেখার জন্য। সুস্মিতা, নাটোর ।
উত্তর: থ্যাংকু সুস্মিতা। শুনে খুব খুশি হলাম যে তুমি আরও অনেক লেখকের বই পড়েছ। যারা বই পড়ায় আনন্দ পায় তাদের জীবনটাই অন্য রকম।

প্রশ্ন: দাদু আসসালামু আলাইকুম ।আচ্ছা দাদু আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি এসময় আমার ল্যাপটপে কি কি শেখা ভালো হবে ?? (আমাদের বাড়িতে নতুন ল্যাপটপ এসেছে তো) কিয়াস আল ফায়েদ অষ্টম শ্রেণি ডিমলা,নীলফামারী
উত্তর: বাহ! কী মজা, নূতন ল্যাপটপ! তুমি ব্যবহার করার সুযোগ পাও নাকি বাসার বড়রা দখল করে রাখে? তুমি বাংলা ইংরেজি টাইপ করতে পার নিশ্চয়। এখন প্রোগ্রামিং শুরু করতে পার। অনেক মজা!

প্রশ্ন: Sir apni ki amake apnar lekha koyekta science fiction golper name bolben? Apnar onekgulo science fiction porsi. R konota khuje pacchi na. Tai amake apnar best koyekta science fiction er name suggest koren. Fiona, Rajshahi
উত্তর: এই ওয়েবসাইটেই শুধু সায়েন্স ফিকশান না, আমার সব বইয়ের তালিকা দেওয়া আছে!

প্রশ্ন: স্যার আশা করি ভালো আছেন?কয়েকদিন ধরে একটা প্রশ্ন মাথার ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছে।আমি লক্ষ্য করেছি যখন প্রথম বৃষ্টি পড়তে শুরু করে তখন পুকুরে নামলে পুকুরের পানিকে হালকা গরম বলে অনুভূত হয়।এটা কেন হয়?এর কি কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে? (মুহিব__পটিয়া,চট্টগ্রাম)
উত্তর: বৃষ্টির পানির তাপমাত্রা পুকুরের পানির তাপমাত্রা থেকে কম, সেজন্য পুকুরের পানিটাকে গরম মনে হয়।

প্রশ্ন: আচ্ছা পানিতে ঢিল ছুড়লে যে তরন্গ হয়, তা কেন সুষম গোল হয়ে প্রবাহিত হয়? (আদু মিয়া, সিলেট)
উত্তর: অন্যদের প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে নাম ঠিকানা দিতে হয়, তোমার জন্য শুধু নাম ঠিকানা দিলে হবে না। তোমার ই-মেইলটিও দিতে হবে। কেন বল দেখি?

প্রশ্ন: কথিত আছে, পদার্থবিদদের একটা সম্মেলনে এই সমস্যাটি প্রথম উত্থাপিত হয় এবং সেখানে উপস্থিত পল ডিরাক দুই মিনিটে এর সমাধান করেন। দেখা যাক, আপনার কতক্ষণ লাগে। সমস্যাটি হলো: … … … (Adnan Hussain, Sylhet)
উত্তর: আমি আসলে এটা আগে থেকে জানি। কাজেই এর উত্তরটা দেওয়ার মাঝে আমার কোনো কৃতিত্ব থাকবে না।

প্রশ্ন: স্যার, আমি আপনার ‘রাশা’ আর ‘গ্রামের নাম কাঁকনডুবি’ বইদুটি সম্প্রতি পড়েছি। আমি ধরে নিচ্ছি সেখানে যেই গ্রামের পরিবেশের বর্ণনা দেয়া আছে তা আপনার ছোটবেলায় দেখা। এগুলো কি পুরোটাই আপনার নিজের বাস্তবে দেখা নাকি বানানো কিছু আছে? আর আপনার আরো মুক্তিযুদ্ধের কিশোর উপন্যাস থাকলে তার নাম বলুন, আমি পড়বো। আর আমি ‘আমার বন্ধু রাশেদ,’ ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ ও ‘ছোটদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ বই পড়েছি। আসমাউল হাসান, বাসাবো, ঢাকা।
উত্তর: আমি প্রচুর সময় গ্রামে কাটিয়েছি, তাই গ্রাম আমার জন্য অপরিচিত কিছু নয়। তবে ইদানীং গ্রামে যাইনি, কে জানে গেলে হয় তো মন খারাপ হয়ে যাবে, দেখব ছেলেমেয়েরা গাছের ডালে পাখীর দিকে না তাকিয়ে স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে ফেসবুক করছে! শুধু আমার লেখা মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস কেন পড়তে হবে, বাংলাদেশের সব লেখকেরাই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখেছেন। সেগুলোও পড়।

প্রশ্ন: রকিব, ঢাকা। স্যার কেউ যদি গাইড বই থেকে প্রশ্ন পড়ে নিজে থেকে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে(মুখস্থ না করে) তাহলে কি স্যার সেটা খারাপ হবে? প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করছি কারণ আমাদের ৯-১০ এর বইয়ে খুব একটা প্রশ্ন নেই অনুশীলন করার জন্য। তাই আরকি জিজ্ঞেস করছি।
উত্তর: অবশ্যই তুমি প্রশ্নের অনুশীলন করতে পার। আশা করি সেখানে অনুশীলন করার মত ভালো ভালো প্রশ্ন আছে।

প্রশ্ন: স্যার আমি নাহিদ। লালমনিহাটে থাকি। আমি লক্ষ্য করেছি, আপনার যারা ভক্ত(যার মধ্যে আমিও আছি) তারা সবাই একই ধরনের চিন্তা-ভাবনা করে। একই বিষয় নিয়ে চিন্তা করে। একই রকম বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। বলতে গেলে এরকম যে, দেশজুরে এখন মিনি জাফর ইকবালের ছড়াছড়ি। কিশোর সমাজের এরকম একই স্বভাবের হওয়াটা কি কোনো সমস্যার কারণ হতে পারে ?
উত্তর: হা হা হা (হাসি আর থামাতে পারছি না!) না, তোমার চিন্তার কোনো কারন নেই, সবাই একেবারে এক রকম কখনোই হবে না। পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা, সেজন্য পৃথিবীটা এতো আনন্দের। তা ছাড়া এই ওয়েবসাইট আর কতোজন দেখছে?

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। আচ্ছা স্যার, আপনার সবচেয়ে প্রিয় উক্তি কোনটি?(এখন যেটা মনে পড়ছে) আতিকা হাসান, চট্টগ্রাম।
উত্তর: “কারো মনে দুখ দিও না, করো বরং হাজার পাপ… ” ওমর খৈয়াম

প্রশ্ন: আমি আদিভা কুমিল্লা থেকে বলছি ।আমি বড় হয়ে detective হতে চাই এবং agency এর নাম দিতে চাই The Ultimate Detective Agency এই নামটা ব্যবহার করতে পারব? অবশ্যই প্রশ্নটির উত্তর দিবেন।
উত্তর: অবশ্যই তুমি এই নামে একটা ডিটেকটিভ এজেন্সি খুলতে পারবে, শুধু সাবধানে থেকো যেন সরফরাজ কাফীর মত ধুরন্ধর মানুষেরা তোমার ডিটেকটিভ এজেন্সি দখল করে নিতে না পারে!

প্রশ্ন: Rafi, Rajshahi… Hello sir, kindly answer my questions please! What is Philosophy? Why is it important? Shall I study Philosophy?
উত্তর: একসময় যে কোনো জ্ঞানকেই ফিলোসফি বলত, এখন মনে কর, জ্ঞান, ভালো মন্দ, সত্য মিথ্যা, যুক্তি, অস্তিত্ত্ব এসব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ফিলোসফি। কোনটা ভালো কোনটা মন্দ এরকম গুরুতর বিষয় নিয়ে যেখানে আলোচনা হয় সেটা যদি গুরুত্বপূর্ণ না হয় তাহলে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ হবে? অবশ্যই তুমি ফিলোসফি পড়তে পারবে। আমার ছেলে পদার্থ বিজ্ঞানী, পূর্নাংগ মানুষ হওয়ার জন্য তাকে আমি ফিলোসফির কোর্স নিতে বলেছিলাম।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার লেখা কোন বইটা আপনার সবচেয়ে প্রিয়? সাজিদ ভূঁইয়া, ৯ম শ্রেণি, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
উত্তর: যেহেতু এই প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর নেই কিন্তু সবাই জিজ্ঞেস করেই যাচ্ছে, তাই আমি একেকবার একে উত্তর দিচ্ছি! এবার কোনটা বলা যায়? টুকুনজিল বললে কেমন হয়?

প্রশ্ন: ******** দ্বাদশ, ঢাকা (নাম-পরিচয় গোপন রাখবেন দয়া করে) আসসালামু আলাইকুম, স্যার। আগে বলুন এতোদিন যে দেখা নেই – সবাই ভালো আছেন তো??? আর আমার নামে কি যুক্তাক্ষর দেখা যাচ্ছে? আসলে নেই কিন্তু! স্যার, আমি না আমার অনুভূতিগুলো স্পষ্ট করে প্রকাশ করতে পারি না, মানুষের সাথে মিশতেও পারি না খুব একটা। কী বলা উচিৎ বা করা উচিৎ-আমার মাথায় আসে না ঠিক। এতে আমার আশেপাশের মানুষদের (আমার মা-বাবা বাদে) ধারণা তাদের জন্য আমার কোনো সহানুভূতি নেই (কিন্তু আসলে আমি খু-উ-ব সংবেদনশীল একজন মানুষ)। স্যার আমি অধিকাংশ মানুষ অধিকাংশ সময় যেভাবে আনন্দ, দুঃখ বা ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করে মাঝে মাঝে সেটা অনুকরণের চেষ্টা করেছি, কেমন যেন কৃত্রিম দেখায়। এখন আমি বুঝতে পারছি না, আমার কি এই চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিৎ? আমি কি আমার স্বকীয়তা নষ্ট করছি নাকি সমাজে চলতে গেলে সমাজ যা চায় তা পালন করাই আমার কর্তব্য? আমার খুবই খারাপ লাগে যে আমার বন্ধুমহলের কেউই এই সমস্যাটা মেনে নিতে রাজি নয়। একটু সময় নিয়ে আমাকে যুক্তি দিয়ে আমার আচরণগুলো ব্যাখ্যা করতে দিলে হয়তো সমস্যার সমাধান হয় (এবং এই চেষ্টা আমি করেছি) কিন্তু ব্যাখ্যা শুনতে চায় না তারা! বন্ধুত্ব আরও খারাপ হয়েছে। হ্যাঁ আমি আল্লাহ-র কাছে অনেক কৃতজ্ঞ আমার মা-বাবার জন্য। কিন্তু আমাকে তো সবার সাথেই চলা শিখতে হবে। সম্প্রতি আমাকে কাছের একজন বন্ধু খুব বিশ্রী সব কথা বলেছে এর জন্য। মনটা খারাপ বলেই হয়তো অনেক কথা লিখে ফেললাম। সবটা না ছাপালে কষ্ট পাবো না।
ভালোবাসা রইলো। আমার আর আমার ভালোবাসার মানুষদের জন্য দুয়া করবেন।
উত্তর: হ্যাঁ, তোমার নামে যুক্তাক্ষর দেখা গেছে! তোমরা কেন মেনে নাও না যে পৃথিবীর সব মানুষ একজন আরেকজন থেকে ভিন্ন! আমাদের পরিবারে আমি ভোঁতা টাইপের মানুষ, ইয়াসমীন খুব হাসিখুশি এবং মিশুক। মাঝে মাঝে বাচ্চারা আমার সাথে দেখা করতে আসে, আমার সাথে আর ইয়সমীনের সাথে কথা বলে, তারপর ফিরে গিয়ে লম্বা লম্বা চিঠি লিখে। চিঠির বিষয়বস্তু হচ্ছে, “আপনি কথা বলেন না, হাসেন না, মুখ ভোঁতা করে বসে থাকেন। কিন্তু ইয়াসমীন ম্যাডাম কত হাসিখুশি, আমাদের সাথে কতো গল্প করেছেন! এখন থেকে আমরা আর আপনার ফ্যান না, আমরা ইয়াসমীন ম্যাডামের ফ্যান!” ইত্যাদি ইত্যাদি! আমি কী সেটা নিয়ে মন খারাপ করেছি? মোটেও না, মেনে নিয়েছি। তুমিও মেনে নাও যে তুমি একটু অন্যরকম, তোমাকে কেন অন্যদের মত মনে হবে? কৃত্রিম ভাবে চেষ্টা করে লাভ নেই, তুমি তোমার মত করেই থাক। তবে তোমার কাছের বন্ধুর ব্যবহারে কষ্ট পেয়েছ জেনে আমিও একটু কষ্ট পেলাম। বেঁচে থাকতে গিয়ে আমরা সবাই এভাবে নানা জায়গায় কষ্ট পাই।

প্রশ্ন: আচ্ছা স্যার ,অনেকেই নানা উদাহরণ দেখিয়ে বোঝাতে চান বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল! কিন্তু এই” বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল ” কথাটা বলতে আসলে কী বোঝানো হয়? এর মানে কি আমরা বিজ্ঞান সম্পর্কে যা জানি তার কিছুই ভরসাযোগ্য নয়? সবই পরিবর্তনশীল? – জিসান,গাজীপুর!
উত্তর: বিজ্ঞান মোটেও পরিবর্তনশীল নয়। বলা যেতে পারে বিজ্ঞানের অনেক জ্ঞান এখনো অসম্পূর্ণ। বিজ্ঞানীদের মাঝে সেটা নিয়ে কোনো রাখ ঢাক নেই। তার ক্রমাগত অসম্পূর্ণ জ্ঞানকে সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

প্রশ্ন: আসসালামুয়ালাইকুম স্যার। আজ আমি আপনার কাছে একটা সমস্যার সমাধান চাই। সমস্যাটা এরকম . . . আমার যখন কিছু করি এই যেমন ছোটখাটো দুষ্টুমি তখন ভাইয়া সেটাকে বাড়িয়ে চড়িয়ে বড়োসরো দুষ্টুমিতে পরিণত করে। আর মা তখন সপাং সপাং করে আমায় বেত মারে। তখন আমার মনে হয় আমি বুঝি মুক্তিযোদ্ধা আর ভাইয়া রাজাকার আর মা পাকিস্তানি মিলিটারি। আমাকে রাজাকার ধরে পাকিস্তানি মিলিটারির কাছে দিয়ে দিয়েছে আর পাক সেনা আমার ওপর অত্যাচার করছে। মা সব সময় আমাকে মারে আর বলে, বল আর কখনো দুষ্টুমি করবো না। আর আমার মনে হয় আমাকে পাক সেনা বলছে, বল পাকিস্তান জিন্দাবাদ। আর আমার কী হয় কী জানি আমি তখন মুখ শক্ত করে পাথরের মত জমে যাই। মা একবার মারে দুইবার মারে তারপর হাল ছেড়ে চলে যায়। তবে কাল একটু বেশি-ই মারে দিয়েছে। মারের জায়গায় কম হলেও এক সেন্টিমিটার তো ফুলেছেই। আর ব্যাথা কমানোর জন্য নাপা খেতে হয়েছে। আচ্ছা যাই হোক, কাল দুষ্টুমিটা যে একটু বড় হয়ে গেছে সেটা সত্যিই। আর মা কাল প্রচন্ড রেগে গিয়েছিল। বলেছে আর কখনো আমার মুখ দেখবে না। তবে একদিন যেতে না যেতেই ঠিক হয়ে যাবে। সেটা বড়ো ব্যাপার না। বড়ো ব্যাপার আমার মাথা ঘুলিয়ে যাওয়া। মারে মা যখন হার মেনে চলে যায় তখন আমার মনে হয় যুদ্ধ জয় করে ফেলেছি। আর তার একটুক্ষণ পর কত শক্ত মার খেয়েছ সেটা ভেবে নিজেই চমকে যায়। এই সমস্যার সমাধান কী? এখানে যেহেতু মিটমিটি়ের কথা লিখা আছে তাই সব গোপন রাখবেন। ভালো থাকবেন। ********
উত্তর: তোমার লেখাটি পড়ে আমার খুব কষ্ট হয়েছে, মনে হয়েছে, আহারে, বাচ্চাটা যখন এতো নির্দয় ভাবে মার খেয়েছে তখন যদি তার মাথায় হাত বুলিয়ে শান্তনার একটু কথা বলতে পারতাম! তুমি ঠিক কী দুষ্টুমি করে এরকম মার খেয়েছ আমি জানি না, কিন্তু আমি একটা জিনিষ জানি, সেটা হচ্ছে মেরে পিটিয়ে কখনোই একটা বাচ্চাকে ঠিক করা যায় না। মার খাওয়ার আগে একটা বাচ্চা ভাবে সেটা না জানি কত ভয়ংকর! যখন মার খায় তখন আবিষ্কার করে সেটা এমন কিছু ভয়ংকর না, একটু দাঁতে দাঁত চেপে রাখলেই সহ্য করা যায়। ভয়টা কেটে যাবার পর সেই বাচ্চাকে আর কখনোই ঠিক করা যায় না। আমি জানি বাচ্চা যদি মা বাবাকে খুব ভালোবাসে তাহলে বাবা-মা মনে কষ্ট পাবে সেটা চিন্তা করেই কখনো খারাপ কিছু করে না। যাই হোক তোমার মার খাওয়ার টেকনিকটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে, তুমি মুক্তিযোদ্ধা, তোমার মা পাকিস্তানী মিলিটারি! হা হা হা! তোমার মা জানলে নিশ্চয়ই হার্টফেল করে ফেলবেন। তোমার এই পদ্ধতিটা কোনো একদিন আমার কোনো একটা বইয়ে লিখে ফেলব, ঠিক আছে? আরও একটা কথা, তুমি কী দুষ্টুমি কর আমি জানি না, কিন্তু পাকিস্তানী মিলিটারির কাছে রিপোর্ট করা যায় সেরকম দুষ্টুমি আরও একটু কম করা কী খুব কঠিন?

প্রশ্ন: Sir, hope you are heal and hearty. Sir, for a few days I was thinking to ask you a question about your naming. So, Sir, I would like to know why your parents had named you “M. Zafar Iqbal” because they might know that the name “Zafar” is related to “Mir Zafar” who is a traitor. Then don’t you think they had done a great mistake to name you? M. Rahman Savar, Dhaka… Date:-09/06/2021
উত্তর: এখন পর্যন্ত যেহেতু কোনো সমস্যা হয় নাই মনে হয় বাকী জীবনটা সমস্যা ছাড়াই পার করে দিতে পারব। আরো যাদের নামে “জাফর” আছে তাদের সাথে কী যোগাযোগ করেছ? তারা কী বলে?

প্রশ্ন: স্যার আপনি বলেছেন, Sapiens বইটির অনেক বিষয়ে আপনি দ্বিমত পোষণ করেন, কোন বিষয়গুলো এবং কেন ,সেটি বলবেন কি? -এম.টি.রশীদ মৌন সপ্তম শ্রেণী,নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ
উত্তর: এই বইটিতে বিজ্ঞানের যে প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে সেগুলোর সাথে আমি একমত নই। পড়ে বোঝা যায় হারারি বিজ্ঞানের মানুষ নন!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার! আমি সেই ছোটবেলা থেকে আপনার দারুণ ভক্ত, কারণ আমার গল্পের বই পড়ার হাতেখড়ি হয়েছিলো আপনার লেখা দিয়েই! এরপর থেকে আমি যখনই সময় পেয়েছি, আপনার লেখা গোগ্রাসে গেলার মত করে পড়েছি! এমনকি ইউনিভার্সিটিতে উঠার পরেও আমি আপনার লেখা কিশোর উপন্যাসগুলো সংগ্রহ করার লোভ সামলাতে পারিনি! এখন টুনটুনি ও ছোটাচ্চু সিরিজ পড়ছি! আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, আপনার বইগুলো আশ্চর্যজনকভাবে মন ভাল করে দেবার মহৌষধ। শুধু এটুকুই বলতে চাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও ভালবাসা, আমাদের শৈশবকে রঙিন তুলিতে রাঙিয়ে দেয়ার জন্য। আরো অনেক কৃতজ্ঞতা, , সেই শৈশবকে নতুন ঝকমকে মোড়কে করে আবারো এই ব্যস্ত বড়বেলায় ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। সর্বোপরি বিজ্ঞান নামক আতঙ্কের জিনিসটিকে আমাদের কাছে সহজবোধ্য করে দেয়ার জন্য আপনার প্রতি অনেক শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। পরিশেষে আপনার ও আপনার পরিবারের সর্বাঙ্গীণ সুস্থতা ও উন্নতি কামনা করছি। নাদিয়া আফরোজ বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা!
উত্তর: কী চমৎকার করে লিখেছ! থ্যাংকু! মাঝে মাঝেই মনে হয় মানুষের ছোট একটুখানি জীবন, আমি সেই জীবনটা কী ঠিক করে ব্যবহার করলাম, নাকী সময় নষ্ট করলাম? তোমাদের এরকম কথা শুনলে মনে হয় অন্তত কিছুটা সময় নিশ্চয়ই ঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পেরেছি।

প্রশ্ন: … … … স্যার, উপরের লেখাটা প্রকাশ না করে বইয়ের নাম টা প্লিজ বলবেন?! মুকসিতুর,ঢাকা বি.দ্র. আমি কিন্তু বড় হয়ে গেছি
উত্তর: আমি ৪ জুনের প্রশ্নের উত্তর দেবার বেলায় একজনকে দিয়েছি, দেখে নেবে প্লিজ!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আমার নাম শান।আমি ক্লাস নাইনে পড়ি। আমি আপনার জন্য কতটা পাগল সেটা লিখে বোঝানো সম্ভব না। প্রশ্ন: আপনি যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটা অনুরোধ করবো স্যার?? আপনাকে সামনাসামনি একটিবার দেখার অনেক ইচ্ছা আমার। আমার wish list এর এটাই প্রথম ইচ্ছা।এখন এর পরিস্থিতির কারণে তো সামনাসামনি দেখার উপায় নাই। অনুরোধ + প্রশ্ন :*** *** আমার এই নাম্বার এ শুধু একবার এর জন্য একটা ভিডিও কল দিবেন স্যার?প্লিজ? প্রমিজ করতেছি স্যার কখনো বিরক্ত করবো না একবার কল দিবেন স্যার? Shan, from Chattogram.
উত্তর: হা হা হা! এতো ব্যস্ত কেন হচ্ছ? করোনাটাকে বিদায় হতে দাও, তারপর নিশ্চয়ই তোমার সাথে দেখা হবে। তাছাড়া আমি যদি এখন তোমাকে ভিডিও কল দিই তখন অন্যরাও চাইবে তাদের ভিডিও কল দিতে, আমার তো তখন সবাইকে দিতে হবে। তা ছাড়া বহু আগে একজনের কথা শুনে একবার আমি তাকে ফোন করে মহা বিপদে পড়েছিলাম, সেই থেকে আমি কাউকে ফোন করার সাহস পাই না। (আমি অবশ্য ভিডিও কল দিতেও পারব না, কারন আমার ফোনে বোতাম টিপে শুধু ফোন করা যায়, আর কিছু করা যায় না!) তুমি নিশ্চিন্ত থাকো অবশ্যই তোমার সাথে একদিন সামনা সামনি দেখা হবে।

প্রশ্ন: স্যার আপনি তো ভূমিকম্প নিয়ে অনেক পড়াশুনা করেছেন। বিভিন্ন সময় পত্রিকায় লিখে বলেছেন,ভূমিকম্পকে ভয় না পেতে। আপনি একবার পত্রিকায় লিখেছিলেন , একটা টেকটোনিক প্লেট বাংলাদেশকে খুব সাবধানে বাচিয়ে মিয়ানমার দিয়ে চলে গেছে।আপনার কথা শুনে খুব শান্তিতে ছিলাম কিছু দিন৷। কিন্তু এখন সিলেটে ঘনঘন ভূমিকম্প হচ্ছে৷ আশ্চর্যের বিষয় ভূমিকম্পের মূল ধাক্কা টা অনুভব করছে শুধু সিলেট শহরের মানুষেরা৷ বৃহত্তর সিলেটের মানুষেরা প্রায় টের ই পাচ্ছে না৷ অথচ ভূমিকম্পগুলো নেহাত ছোট নয়৷ গত সপ্তাহে এক দিনে আটটা ভূমিকম্প হয়েছে। তার পরের দিন ভোরে আরো দুইটা হলো৷ আজ(07 জুন,2021) আরো দুইবার হলো৷ কিন্তু সিলেট শহর থেকে একটু দূরে গেলে আর বুঝা যাচ্ছে না। খবরে দেখছি, ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল সিলেটেই,ডাউকি ফল্টে৷ আমার প্রশ্ন হলো, 1)আপনি পত্রিকায় এতোবার ভূমিকম্প নিয়ে লিখেছিন, কিন্তু কখনো ডাউকি ফল্ট নিয়ে বলেন নি কেনো? 2)সিলেটে এতো ঘন ঘন ভূমিকম্প কেনো হচ্ছে? 3) সিলেট শহরের বাইরে টের পাওয়া যাচ্ছে না কেনো? স্যার,আমি রাতে ঘুমুতে পারছি না,আপনি দয়া করে আমার ভয়টা কাটিয়ে দিন। প্রত্যয় দাস৷ এমসি কলেজ।সিলেট


উত্তর: ১) আমি শুধু বড় বড় ফল্ট লাইন নিয়ে কথা বলেছি (ছবিতে দেখ), যেগুলোতে ক্রমাগত ভূমিকম্প হচ্ছে এবং আমরা দূর থেকেও টের পাচ্ছি। ২) আমি ভূমিকম্পের এক্সপার্ট না, অনুমান করছি ডাউকি ফল্ট লাইন একটু নড়ে চড়ে বসেছে। ৩) সিলেটের বাইরে টের না পাওয়ার অর্থ এগুলো সিলেট কেন্দ্রিক খুব ছোট ভূমিকম্প। খবর পাওয়ার পর আমি earthquake.usgs.gov এ খুঁজে দেখেছিলাম, কোনো তথ্য পাইনি তাই অনুমান করছি খুবই ছোট ভুমিকম্প হবে। আকাশ থেকে একটা উল্কা এসে তোমার মাথায় পড়বে, কিংবা তোমার উপর বজ্রপাত হবে, কিংবা তুমি একটা গাড়ী এক্সিডেন্টে পড়বে এগুলোর ভয়ে যদি তোমার ঘুম নষ্ট না হয় তাহলে ভুমিকম্প নিয়ে ঘুম কেন নষ্ট করছ?

প্রশ্ন: কোথায় হারায় যান আপনি? বলবেন? সোহেল, উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
উত্তর: এইতো এখানে সেখানে!

প্রশ্ন: স্যার আমি প্রোগ্রামিং শিখতে চাই এবং c প্রোগ্রামিং মোটামুটি শিখেছি এখন আমার কি করা উচিত নির্জন, সুনামগঞ্জ
উত্তর: প্রোগ্রামিং শিখে ফেলেছ? কী চমৎকার! অন্য কিছু করার না থাকলে একটা দাবা খেলার প্রোগ্রাম লিখে ফেলতে পার।

প্রশ্ন: আপনি কি ডুব দিলেন নাকি? ডুব দিবেন না,please,please please please নামঃনিরা ত্রাতিনা
উত্তর: ডুব দিব, আবার ভেসে উঠব, সমস্যা কী?

প্রশ্ন: স্যার, আমি ছোট থাকতে আপনার বই পড়েই মূলত বইপড়া শুরু করেছিলাম। তাই আপনার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার প্রশ্ন হচ্ছে মানুষ যে দিন দিন সমতল পৃথিবী, অ্যান্টি ভ্যাক্স তারপর আরো নানা কন্সপিরেসিতে বিশ্বাস বৃদ্ধি করছে, এরকম কেন? এটা কী আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দোষ? আর যদি তাই হয়ে থাকে তবে কীভাবে পরবর্তী সমাজের মানুষ বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলা যায়? মাহরুফ মাহদী, বগুড়া
উত্তর: পৃথিবীতে সবাই বুদ্ধিমান হবে কে বলেছে? কিছু পাগল ছাগল থাকবে, কিছু সলিড বেকুব হবে তাহলেই না মজা, তাদের কাজকর্ম দেখে, তাদের কথা শুনে আমরা বিমলানন্দ পাব। তা না হলে জীবনটা বোরিং হয়ে যাবে না? যারা পণ করেছে তারা কিছুতেই বিজ্ঞানমনস্ক হবে না, তাদের টানাটানি করে লাভ নেই। শুধু শুধু সময় নষ্ট করো না।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। স্যার, আপনি কেমন আছেন? আপনি আমার সবচেয়ে প্রিয় একজন লেখক। আপনার বই পড়তে আমার খুব খুব….. ভালো লাগে। আপনার সাথে দেখা করার অনেক চেষ্টা আমি করেছি।কিন্তুু দেখা করতে পারি নি।একদিন কি হয়েছে স্যার জানেন? বইমেলায় আপনার সাথে আমার দেখা হয়েছিল। আপনি আমাকে অটোগ্রাফ ও ফটোগ্রাফ দুটোই দিয়েছিলেন।সেগুলো নিয়ে আমি যে কি খুশি হয়েছিলাম তা বলে বোঝাতে পারব না।কিন্তুু এটা একটা স্বপ্ন ছিল। পরদিন সকালে উঠে এগুলো দেখতে না পেয়ে আমার সে কি কান্না! আম্মু বলেছিল,আপনাকে আমি এত ভালোবাসি,তাই একদিন না একদিন আপনার সাথে আমার দেখা হবেই।স্যার,আমি জানি,আম্মু যেহেতু বলেছে, তাই এটা একদিন সত্যি হবেই ইনশাআল্লাহ। স্যার, আমার সবচেয়ে প্রিয় দুটি বিষয় হলো বিজ্ঞান আর সাহিত্য। আমি সায়েন্স ফিকশন, কবিতা, গল্প পড়তে খুবই ভালোবাসি। স্যার, আমি অনেক দিন থেকেই একটা ব্যাপার নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।সারাদিন আমার মাথায় কবিতা, গল্প, সায়েন্স ফিকশন লেখার অনেক আইডিয়া গিজগিজ করতে থাকে। কিন্তুু আমি লিখি না। স্যার, আমি কি একটু লেখালেখিতে মনোযোগী হব?আমি একজন ভালো বিজ্ঞানী ও লেখক হতে চাই। স্যার, আমার জন্য দোয়া করেন। স্যার,আপনাকে আমি এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত এত্ত ভালোবাসি। আমাকে একটা অটোগ্রাফ দিন স্যার প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ। আমার কাছে এখনও সবকিছু স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। স্যার, আপনার ফটোর সাথে আমাকে একটা অটোগ্রাফ দিন প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ।স্যার,সবসময় ভালো থাকবেন। আপনি হাজার বছর বেঁচে থাকুন।আর জ্ঞানের ফেরিওয়ালা হয়ে আমাদের মাঝে জ্ঞানের আলো বিলিয়ে দিন।অসংখ্য ধন্যবাদ।(মেহেজাবিন কথা, অষ্টম শ্রেণি,দিনাজপুর)
উত্তর: হায় হায়! তোমার স্বপ্নে আমার অটোগ্রাফ, ফটোগ্রাফ নিতে হয়েছে? আমি আস্ত মানুষ বসে আছি! শুধু করোনা ভাইরাসটাকে যেতে দাও, তারপর তোমাদের সবার সাথে দেখা হবে, স্বপ্নে অটোগ্রাফ-ফটোগ্রাফ নিতে হবে না সত্যি সত্যি নিতে পারবে। আপাতত এখানে একটা অটোগ্রাফ দিচ্ছি। ফটোটা আর কীভাবে দেব, নিজের ফটো কীভাবে দেয় সেটাওতো জানিনা। তুমি একই সাথে বিজ্ঞানী আর লেখক হতে চাইছ জেনে খুব খুশি হলাম, অবশ্যই দোয়া করছি। তোমার মাথায় যে আইডিয়াগুলো গিজগিজ করছে সেগুলো মাথার ভিতরে না রেখে বের করে আন!

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। আমার ভাবতেই ভালো লাগছে যে আপনি এখন আমার লেখা পড়ছেন। আমি আপনার বই গুলো থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমার অনেক দিনের ইচ্ছে আপনার সঙ্গে দেখা করা, আপনার একটা সাক্ষর নেয়া।আমি আপনার ইমেইল এড্রেস টা জানতে পারি? রাহমি,রাজশাহী
উত্তর: অবশ্যই একদিন তোমার সাথে দেখা হবে, তুমি আমার অটোগ্রাফ নিতে পারবে। হ্যাঁ, আমি শেষ পর্যন্ত একটা ই-মেইল একাউন্ট তৈরি করেছি, কিন্তু এটা মাত্র কিছুক্ষণ আগে তৈরি হয়েছে, ঠিকভাবে কাজ করবে কিনা এখনো জানি না। ই-মেইলটা হচ্ছে, m.z.iqbal@mzi.rocks ব্যবহার করে দেখ কাজ করে কীনা!

প্রশ্ন: স্যার আমি আপনার বিরাট বর ভক্ত।আমার ইচ্ছা একবার আমার স্বপ্নের মানুষটার সাথে কথা বলি।দেখে কথা বললে তো কোন কথাই নেই।আমার ইচ্ছা টা একবার কি আপনি পুরন করতে পারবেন?কারন আপনিই আমার সেই স্বপ্নের মানুষ।
বিঃদ্রঃ আমার বন্ধুরা আমাকে জাফর বলেই ডাকে কারন আপনার প্রায় সকল বই ই আমি পড়েছি।কিছু বাকি আছে।এখনো পড়ছি।এখন আপনার কলাম গুলো পাচ্ছি না কোন পত্রিকায়।আপনার কলাম এবং ফোনের অপেক্ষায় রইলাম। তবে আমার নাম ইমন বনিক আমি কিশোরগঞ্জ থাকি আমার ফোন নাম্বারটা হল *** *** ***
উত্তর: শোন, আমি বলি। আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলে তুমি কোনো আনন্দই পাবে না, আমিও ফোনে দরকারী তথ্য আদান প্রদান ছাড়া আর কোনো কথাই বলি না। একটু ধৈর্য ধর, করোনাটা চলে যাক তারপরে সবার সাথে দেখা হবে, তখন সামনাসামনি কথা বলতে পারবে। তুমি যেহেতু আমার প্রায় সব বই পড়ে ফেলেছ, এখন অন্য লেখকের বই পড়তে শুরু কর। শুধু আমার বই পড়লে তোমার বয়স বাড়বে না, সারা জীবন বাচ্চা থেকে যাবে!

প্রশ্ন: আমি আপনাকে চিঠি লিখতে চাই। কিন্তু আপনার ঠিকানা তো জানি না।আপনার ঠিকানাটা জানতে চাই। আর না হলে আপনার ইমেইল টা দিন। রাহমি তুনাজ্জিনা চৌধুরী
উত্তর: আমার এখনকার ইমেইলটা যেহেতু একটা প্রতিষ্ঠানের সেজন্য আমি ঘোষনা দিয়ে সবাইকে বলতে পারছি না। ব্যক্তিগত ব্যবহারের একটা ইমেইল শেষ পর্যন্ত তৈরি করেছি। ই-মেইলটা হচ্ছে: m.z.iqbal@mzi.rocks (আমি আবার খুঁতখুঁতে মানুষ, হই চই করে gmail এর ইমেইল ব্যবহার করতে প্রেস্টিজে লাগে, তাই এই ই-মেইল!)

প্রশ্ন: “করো না” এর প্ররোচনায় পড়ে পড়াশোনা না করতে করতে দিন দিন আবুল হয়ে যাচ্ছি স্যার। আর সারাদিন গল্পের বই পড়ে মায়ের কাছে উদোম কেলানি খাচ্ছি। আপনি ঝাটপট করে একটা অটোগ্রাফ দিয়ে আমার ব্যথা গুলো কমিয়ে দিন,স্যার। ওহ আরকটা কথা, সাস্টের প্রশ্ন এত কঠিন হয় কেন স্যার? করতে যেয়ে নাকের পানি চোখের পানি একাকার হয়ে যায়। দিনের পর দিন নাকের পানি আর চোখের পানি খেয়ে খেয়ে খাওয়ায় অরুচি হয়ে যাচ্ছে স্যার। কত সুস্বাদু সুস্বাদু খাবার অথচ আমি স্বাদ পাই না! খুবই মন খারাপের এবং চিন্তার বিষয়। আদীব খুলনা
উত্তর: তোমার কাছে একটা নূতন জিনিষ শিখলাম, করোনা ভাইরাসকে “করো না” বলা যায়! দিচ্ছি অটোগ্রাফ, কোন নামে দিব আদীব নাকি আবুল? থ্যাঙ্কু সাস্টের প্রশ্নকে কঠিন বলার জন্য, এর আগে যে কমপ্লেন করেছিল সে জানতে চেয়েছিল, “সাস্টের প্রশ্ন এতো আউল ফাউল হয় কেন!”

প্রশ্ন: দাদু, তুমি সারাদিন কী কী করে সময় কাটাও আমাকে বলবা প্লিজ? Roomee, Chattogram-4331
উত্তর: বই পড়ি, বই লিখি, যন্ত্রপাতি তৈরি করি, এক্সপেরিমেন্ট করি, প্রোগ্রামিং করি। বাসন ধুই, মাঝে মাঝে টুকটাক রান্না করি। কয়দিন থেকে ছবি আঁকছি। মাঝে মাঝে খুব বোরিং কিছু কাজ করতে হয়, সেটা হচ্ছে জুম মিটিং, খুবই গুরুত্বপূর্ণ মিটিং না করলেও হয় না কিন্তু তখন আমার জানটা বের হয়ে যায়!

প্রশ্ন: স্যার আপনি মুক্তিযুদ্ধ না করে মুক্তিযুদ্ধের গল্প কেমনে লেখেন মুহাম্মদ হাসিবুল ইসলাম, ঝিনাইদহ


উত্তর: আমি তো মঙ্গল গ্রহেও যাইনি, সেজন্য কী আমি মঙ্গল গ্রহ নিয়ে সায়েন্স ফিকশান লিখিনি? আসলে আমার কতো বন্ধু মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছে, তাদের সাথে সবসময় আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গল্প করি। আমরা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড করতাম, সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা বাচ্চাদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনাতেন। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের রক্তের ভেতর ঢুকে গিয়েছে, তাই সেটা নিয়ে আমি অনেক পড়াশোনা করেছি। আমার খুব সৌভাগ্য যে মুক্তিযোদ্ধারাও আমাকে ভালোবাসেন। মুক্তিযুদ্ধের একটা খুব বিখ্যাত ছবি আছে, সেই ছবির গ্রেনেড হাতে তরুণ মুক্তিযোদ্ধা একবার শুধুমাত্র আমার সাথে দেখা করার জন্য আমার অফিসে এসেছিলেন, আমার যে কী আনন্দ হয়েছিল বোঝাতে পারব না। তাঁর সাথে আমি সেলফি তুলে রেখেছিলাম, এই দেখ সেই ছবি।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার সিলেট শহরকে কেমন লাগে? স্যার, আপনার জন্মস্থান তো সিলেট।( আপনার বইয়ের শেষে লেখা থাকে) কিন্তু একটি টিভি চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠানে নেত্রকোনার ঐতিহ্য নিয়ে বলতে গিয়ে বলা হয়েছে আপনার জন্ম সেখানে। সঠিক কোনটা?? মাহদি,আখালিয়া,সিলেট।
উত্তর: সিলেট আমার খুব প্রিয় জায়গা। আমার জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় আমি সিলেটে কাটিয়েছি। করোনার কারনে আমি কতোদিন হল সিলেট যাই না! হ্যাঁ, আমার জন্ম হয়েছে সিলেটে, আমার বাড়ি হচ্ছে নেত্রকোনা।

প্রশ্ন: সবাই বলে আমি তপু বইটা পড়ে তারা কেঁদেছে। আমিও কেঁদেছি তবে সেরিনা পড়ে বেশি কেঁদেছি। আপনার কী কখনো এমন হয়েছে? তিথি, কুমিল্লা।
উত্তর: কতোবার! অল্পতেই আমার চোখে পানি চলে আসে। দুঃখের বই পড়তে হলে আমি টিস্যুর বাক্স নিয়ে বসি। (সেরিনা পড়ে যত মানুষ কেঁদেছে তার চাইতে বেশি মানুষ আমাকে গালি দিয়েছে বাবার সাথে সেরিনার দেখা না করিয়ে দেওয়ার জন্য!)

প্রশ্ন: Sir , do you think that biology is an easy and boring subject ? ( I am a biology lover … biology is my life …when I study about human body and nature , I forget about the outsider world . I really love ..but some of my friends and even my teachers tell me that biology is not an important , they don’t give importance on it …there reaction makes me so sad… what’s your opinion about biology ?) … … … … –A student of class 9 –Lutfun Nahar
উত্তর: কী আশ্চর্য! দুনিয়াতে এরকম মানুষও আছে যারা মনে করে বায়োলজি গুরুত্বপূর্ণ না? সর্বনাশ!! আমি পদার্থ বিজ্ঞান নিয়ে পড়েছি এবং জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্ত উপভোগ করেছি, আমার মাঝে মাঝেই মনে হয় জীবন্টা যদি আরো লম্বা হতো তাহলে এর সাথে যদি বায়োলজিও পড়তে পারতাম, তাহলে কী মজাই না হতো। তুমি জান আমার বাসায় জিনেটিক্সের কতো বই, আমি সময় পেলে বসে বসে সেগুলো পড়ি। এই জিনেটিক্স যে পৃথিবীটা পালটে দেবে সেটা কী তোমার বোকা বন্ধু আর শিক্ষকেরা জানে না? যে যেটাই বলে তুমি সেটা এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করে দিও, এবং তোমার ভালোবাসার এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে থাকো।

প্রশ্ন: Sir , what is the use of calculas in science ……- student of class 9- name … Lutfun Nahar
উত্তর: ধরা যাক একটা বস্তু প্রথম সেকেন্ডে গিয়েছে 1 মিটার, দ্বিতীয় সেকেন্ডে মোট দূরত্ব অতিক্রম করেছে 4 মিটার, তৃতীয় সেকেণ্ডে মোট দূরত্ব অতিক্রম করেছে 9 মিটার, চতুর্থ সেকেন্ডে মোট দূরত্ব অতিক্রম করেছে 16 মিটার ইত্যদি। অর্থাৎ বস্তুটি t সেকেন্ডে t^2 দূরত্ব অতিক্রম করে। তুমি কী যে কোনো সময়ে (যেমন t = 2.391 সেকেন্ডে) বস্তুটির বেগ নিঁখুত ভাবে বের করতে পারবে? যদি পার তাহলে ক্যালকুলাসের দরকার নেই।

৪ জুন ২০২১

তোমাদের কয়েকটা প্রশ্ন ফিল্টার করতে হয়েছে, আমি চাই তোমরা সুন্দর ভাষায় সুন্দর কথায় লিখ যেন কারো প্রশ্ন ফিল্টার করতে না হয়। অনেকে অনেকগুলো করে প্রশ্ন করেছ, তার একটার উত্তর দিয়েছি। (ফাঁক ফোকড়ে এক দুইজনের  বেশি প্রশ্নের উত্তর হয়ে যেতেও পারে!) যদি উত্তর পেতেই হবে তাহলে আবার প্রশ্ন করতে পার। প্রশ্নগুলোর সাইজ বড় হলে সেগুলোও একটু কেটে ছোট করতে হয়েছে।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। অনেকগুলো(অসীমসংখ্যক) ভাইরাসকে যদি একটা পাত্রে একসাথে জড়ো করা হয়,তাহলে কি সেগুলোকে খালি চোখে দেখা যাবে?কেন দেখা যাবে?কিংবা কেন দেখা যাবে না? তৌসিফ,জামালপুর
উত্তর: লোহার একটা অনুকে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না, কিন্তু লোহার পেরেক দেখতে পাই। কেন? ভাইরাসগুলো যদি খুব কাছাকাছি রেখে একটা কঠিন পদার্থ বানিয়ে ফেলতে পারি, তাহলে কিছু একটা আমরা দেখব, কিন্তু সেটা কি ভাইরাস দেখা হল? একটা পেরেক দেখা মানে কি লোহার অনু দেখা? (তবে, তোমার প্রশ্নটা ইন্টারেস্টিং!)

প্রশ্ন: Sir apni ki Humayon Ahmed er ditio manob porechen? Pore thakle ektu explain Kore diyen. Laste tuntunir ki holo ta bujhi ni. Agar kholiler moddhe powers kibhabe elo tao bujhi ni. Fiona, Rajshahi.
উত্তর: একজন লেখকের বই পড়ে যদি কিছু একটা বুঝতে না পার, সেটা কি আর আরেকজন তোমাকে বোঝাতে পারবে? যখন কেউ আমার লেখা পড়েই কিছু একটা না বুঝে আমার কাছে তার মানে বুঝতে চায়, আমি তখনও সেটা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি না। লেখা পর্যন্ত পাঠকের দায়িত্ব, পাঠকদের বোঝানো তার দায়িত্ব না। মেনে নাও। কিংবা কোনো একটা কিছু কল্পনা করে নাও।

প্রশ্ন: স্যার, আশা করি আপনি ভালো আছেন। ইংরেজী বই পড়ার ব্যাপারে আপনার উপদেশ কী? অনেক সময় যখন অপরিচিত শব্দ চলে আসে, তখন যদি অনুবাদ করতে চাই, তাহলে আমাকে বই এর সেই পরিস্থিতি ছেড়ে চলে আসতে হবে, কিন্তু রোমাঞ্চকর একটা মুহূর্ত ছেড়ে চলে আসা কঠিন। আবার অনুবাদ না করলে বাক্যটির সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পাই না। এমন পরিস্থিতিতে কী করা উচিত? আকিফ সামী মালিথা অষ্টম শ্রেণি, কুষ্টিয়া
উত্তর: শব্দটার মানে না বুঝলে যদি কাহিনিটাই অর্থহীন হয়ে যায় তাহলে তোমাকে তো অর্থটা দেখে নিতেই হবে। কিন্তু যদি অর্থ না বুঝেই কাহিনীটা অনুমান করে ফেলতে, তাহলে পড়ে যাও, বই ছেড়ে উঠো না। দেখবে দেখতে দেখতে তোমার ইংরেজি বই পড়ার ক্ষমতা বেড়ে যাবে, সামনে সম্পূর্ণ নূতন একটা জগৎ খুলে যাবে।

প্রশ্ন: স্যার, আপনি যে ইদুর ছানা বই এর বই এর ছবিগুলো একেছেন সেটা আমার খুবই ভালো লেগেছে।কিন্তু আপনি একেছেন কেমন করে? ড্রয়ই প্যাড ব্যবহার করে? নাকি হাতে এঁকে? আর রং কি জল রঙে করেছেন?রাইয়ান তাওসীফ,ঢাকা
উত্তর: প্রথমে কাগজে পেন্সিলে এঁকে স্ক্যান করে নিয়েছিলাম। তারপর ড্রয়িং প্যাড দিয়ে রঙ করা ইত্যাদি করেছি। তবে ড্রয়িং প্যাডে আঁকাআঁকি আমার পছন্দ হয় নাই। ভবিষ্যতে বাধ্য না হলে কাগজেই ছবি আঁকব।

প্রশ্ন: Assalamualaikum.asha kori bhalo acen . apnakr ei proshnota likhbo bhabchilam kintu majhkhan diye amar procondo jor 103 degree.to ami jante chaccilam je amader jei assaignment hoi seta onekei internet theke deke leke.to ei somporke apni ki bolen. Jubaida,cox’sbazar.
উত্তর: আহারে! ১০৩ ডিগ্রী তো অনেক জ্বর, এতোদিনে নিশ্চয়ই ভালো হয়ে গেছ। অন্যরা যা খুশি করুক, তুমি সব সময় আগুনের খাপড়ার মত খাটি এবং সৎ থাকবে। নিজের কাছে নিজে সৎ থাকার চেয়ে বড় আর কী হতে পারে?

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার। ভালো আছেন? স্যার আমি বান্দরবান শহরের থানার পাশে একটা বাড়িতে হুমায়ুন আহমেদ স্যারের ছবি দেখেছি এবং সেখানে লেখা আছে যে একটা সময় আপনারা ওই বাড়িতে থাকতেন। সেটা কি সত্যি? সাবিকুন নাহার।
উত্তর: হ্যাঁ সেটা সত্যি। আমি যখন বান্দরবান যাব বাসাটা দেখে আসব।

প্রশ্ন:.. …. … I got a chance in medical this year, but truth to be told, neither do I have any idea what it’s all about, nor do I feel for it. But my parents are blackmailing emotionally, saying, how earnestly they want me to be a doctor, apart from social status, money etc etc. But as all went in vain, they threatened me not to pay a penny anymore on my further admission process or whatsoever. No I got admitted and in future, would come out as a doctor for sure if I happen to be still alive! Saima, a resident of mirpur, dhaka.
উত্তর: তোমার শব্দ চয়নের জন্য প্রথম কিছু বাক্য ফিল্টার করেছি। সুন্দর করে কথা বলা এবং লিখা কিন্ত খুব গুরুত্বপূর্ণ। তুমি কেন পুরো বিষয়টাকে এভাবে দেখছ? জীবনটাকে পজিটিভ ভাবে নিলেই সবকিছু কতো আনন্দময় হয়ে উঠে। তুমি কেন মনে করছ ডাক্তার হওয়া মানেই টাকার পিছনে ছোটা। আমি জানি ঢাকা শহরেই এমন ডাক্তার আছেন যিনি প্রতিদিন বিনা ফীতে রোগী দেখেন। আমার পরিচিত ডাক্তারেরা আছেন যারা নিয়ম করে সপ্তাহে একদিন প্রত্যন্ত এলাকায় বিনা পয়সায় রোগী দেখতে যান। এই সুন্দর উদাহরণগুলো না নিয়ে তুমি কেন কুৎসিত উদাহরণ দেখে মন খারাপ করছ? তুমি জান পৃথিবীতে কতো ভালো মানুষ আছে?

প্রশ্ন: স্যার, হাজার আলোকবর্ষ দূরের কোথাও কী গিয়ে অবকাশ যাপন করা সম্ভব? আমরা তো জানি আলোর গতির বেশি গতি অর্জন সম্ভব নয়। আলোর গতিতে গেলেও তো আমাদের হাজার বছর লাগবে। এতদিন তো বাঁচা সম্ভব না। ( বি.দ্র: আমি আমার ছোট ভাইয়ের ইংরেজি বইতে দেখলাম লিখা যে এমন একদিন আসবে যখন মানুষ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবকাশ যাপন করতে যাবে) এই তথ্যের সত্যতা জানতে চাচ্ছি। যদি অসম্ভব হয় তাহলে বইয়ে দেওয়ার মানে কী? [ স্যার, একটি অটোগ্রাফ দেবেন] – হুজায়ফা আহমদ, সিলেট
উত্তর: তুমি একজনকে ফ্রীজ করে কঠিন বস্তুতে রূপান্তরিত করে রেখে দাও, তারপর হাজার বছর পরে তাকে বাঁচিয়ে তুলবে, সমস্যা কী? তা ছাড়া ভবিষ্যতে হাইপার ডাইভ দিয়ে ওয়ার্ম হোলের ভেতর দিয়ে বিশাল দূরত্ব চোখের পলকে অতিক্রম করা বের করে ফেলবে না সেটাও তুমি কেমন করে জান? কল্পনাই যদি করব লাগাম দিয়ে কেন কল্পনা করব? লাগাম ছাড়া কল্পনা করো! (দিলাম অটোগ্রাফ!)

প্রশ্ন: স্যার, আপনার লিখা “ইকারাস” বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী অনেক আগে পড়েছি কিন্তু একটি প্রশ্ন মাথায় আসছে। সেটি হলো, মানুষ এবং পাখিকে মিক্স করে কী সত্যিই কোনো নতুন প্রাণী তৈরী সম্ভব? ধরে নিলাম, সম্ভব। কিন্তু এর ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিক কী হতে পারে? যদিও এটি আমার কাছে অনেক নির্মম লেগেছে। তবুও এই প্রক্রিয়া এর ভবিষ্যৎ জানতে চাচ্ছি। – হুজায়ফা আহমদ, সিলেট।
উত্তর: বিজ্ঞানীরা তো সেটা ভাইরাসে ব্যাক্টেরিয়ায় মাঝে মাঝেই করছে, ভবিষ্যতে স্তন্যপায়ী প্রাণিকে করবে না তুমি সেটা কেমন করে জান? যেটা করা যায় বিজ্ঞানীরা প্রকাশ্যে হোক স্টা করে ফেলে কাজেই আমি মোটামুটি নিশ্চিত এরকম কাজকর্ম নিশ্চয়ই ঘটবে।

প্রশ্ন: Md Ashraful Islam Sir, I am a student of intermediate level. I am a quite good student. I can easily understand what I read. I almost always read new both Bangla and English books each week. But I cannot understand what is written in my Chemistry book (same as Sanjit Kumar Guha, Hajari, and whatever) although they are written in Bengali. There are topics in those books which I never found in English textbooks like “Principles of General Chemistry”. Now I have a challenge for you. Pick any of the Intermediate books (regardless of the subject. it may be Physics, Chemistry, or Biology) and teach it yourself (if you have a solid grasp of these subjects already try to read as if you don’t know them already and read like a beginner) I challenge you will not be able to understand even the 2nd chapter (1st chapters are generally Lab Manual). You can see I understand English pretty well. And if you cannot read the second chapter please notify the education board. They might listen
উত্তর: আমি যতদূর জানি ইন্টারমিডিয়েটের নির্দিষ্ট কোনো বই নেই, যার যেটা ইচ্ছা হয় সেটা পড়বে। কাজেই ধরে নেওয়া হয় একটা দুর্বোধ্য হলে আরেকটা পড়বে, সেটা দূর্বোধ্য মনে হলে আরেকটা পড়বে। আর শিক্ষাবিদদের দায়িত্ব হল তারা ভালো ভালো পাঠ্য বই লিখবে। কাজেই কোনো না কোনো বই নিশ্চয়ই তুমি পেয়ে যাবে। মনে রেখো আমরা সবাই কিন্তু এই সিস্টেমে লেখা পড়া করে এসেছি। আমরা যেহেতু কোনোভাবে বের হয়ে এসেছি, তোমরাও বের হয়ে আসবে।

প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যার, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভাল আছেন। স্যার আপনার সারাদিনের কি আলাদা কোনো রুটিন আছে ? থাকলে একটু বলবেন ? আর যদি না থাকে তাহলে আজকে কি কি করলেন সেটা বলবেন ? ( আমার নিজের কোনো দৈনিক রুটিন নেই। আমি সারাদিন প্রায় নিজের মতো করে গুছিয়ে চলি। কিন্তু কেউ যখন আমাকে নির্দিষ্ট কোনো রুটিন করে দেয় , তখন সেটা মানতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় এবং কেমন যেন হ-য-ব-র-ল লেগে যায়! ) স্যার আমি আপনাকে একটা ইমেইল করেছি। ( সাস্টের ইমেইল এড্রেসে ) দয়া করে পড়ে দেখবেন , প্লিজ ? আরেকটা কথা , আমি আমার লেখা একটা গল্প আপনাকে পাঠাতে চাই , পাঠাব ? ভালো থাকবেন ,মোঃ মোস্তাশিরুল হক মাহিন। ভুইগড় , নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: না আমার কোনো রুটিন নেই, সময় পেলেই লিখি না হয় আমি যে অসংখ্য কাজ করার পরিকল্পনা কর রেখেছি সেগুলো শেষ করার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে জরুরী মিটিংয়ে সময় দিতে হয়। তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও একটা নুতন কাজ হয়েছে! তুমি কী করবে অন্য কেউ যদি সেই রুটিন করে দেয় তাহলে হিমশিম তো খাবেই, নিজের রুটিন অন্যরা কেমন করে করে দেবে? তোমরা লেখা পাঠাতে চাইলে পাঠাও কিন্তু খুব যে সময় দিয়ে সেটা পড়তে পারব সেটা কথা দিতে পারব না। তোমাদের পত্রপত্রিকায় পাঠানো উচিৎ তাহলে বুঝতে পারবে লেখা কেমন হয়েছে।

প্রশ্ন: স্যার, আমি আপনার বেশ কয়েকটা বই পড়েছি। সংখ্যায় বলতে গেলে, বিশ-পঁচিশটা বই পড়েছি। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে ‘আমি তপু’ বইটি পড়তে। আমি আপনার কাছ থেকে জানতে চাই যে, আপনার নিজের কাছে আপনার লেখা কোন বইটিকে সবচেয়ে ভালো মনে হয়? ওয়াসিফ, ঢাকা।
উত্তর: আমাকে অনেকে এই প্রশ্নটা করেছে এবং কী বলব বুঝতে না পেরে আমি কোনো একটা কিছু উত্তর দিয়েছি। মনে হয় উত্তর গুলোর মাঝে সেরকম মিল নেই! এখনো কিছু একটা উত্তর দিতে হবে, কী রকম হয় যদি এবারে টুনটুনি আর ছোটাচ্চুর কথা বলি?

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার, আমাকে একটা অটোগ্রাফ দিবেন স্যার, প্লিজ প্লিজ প্লিজ । নাম: মুনতাসির আহসান রুদ্র ঠিকানা: রাজশাহী, প্যারামেডিকাল রোড
উত্তর: এই যে দিচ্ছি।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম, স্যার। প্লিজ আমার প্রশ্নের উত্তর দেবেন । আমি গণিত অলিম্পিয়াড, ফিজিক্স অলিম্পিয়াড ও জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের ব্যাপারে খুবই আগ্রহী। আমি প্রতিবার অংশ নিই, এবং কিছু পুরস্কারও জিতেছি । আমার পরবর্তী পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড ও ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে মেডেল জেতা । তো স্যার, আমি সেজন্য অলিম্পিয়াডগুলোর প্রচুর পুরাতন প্রশ্নের সমাধান করেছি নিজে নিজে । আমি এবার সেগুলোর ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়ে দিতে চাই । আমি শতভাগ সিওর, সবগুলো সমাধান সঠিক, অনেক জায়গাতে মিলিয়ে দেখেছি। আরো একটা সমস্যা যে, এতে কোনো বেআইনি ব্যাপার স্যাপার হবে নাকি ! আপনি তো এই সবগুলো অলিম্পিয়াডেরই মাস্টার মাইন্ড, তো স্যার আপনি আমাকে একটা লিখিত অটোগ্রাফ দিন, যে এতে কোনো বেআইনি ব্যাপার স্যাপার হবে না। অটোগ্রাফের সাথে লিখে দিলেই হবে। অটোগ্রাফ আমার ইউটিউব চ্যানেলের নামে দিলে ভালো হয়, নাম রেখেছি “Math Solver Bangladesh” ! (প্রথমে Math Solver রাখতে চাইলাম, পরে দেখলাম এই নামে আরো চ্যানেল আছে ! ) ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনি মনে হয় ভাবছেন, “বাচ্চারা নিজের মগজ খাটিয়ে সমাধান করবে, তোমার ভিডিও বানানোর দরকার কী ?” কিন্তু স্যার, সব ছেলেমেয়েরা কিন্তু আইনস্টাইন না যে, যা করতে বলবেন, সবই মগজ খাটিয়ে করে ফেলবে । আমি তো তাদের সাহায্য করতেই পারি । ********* জিলা স্কুল। স্যার, প্লিজ আমার নাম না লিখে প্রশ্নের উত্তর দেবেন, আমি কাউকে জানাই নি আমার চ্যানেলের কথা। অনেক ধন্যবাদ।
উত্তর: না, এটা বেআইনী কিছু হবে না। বশ কিছু বছর আগে আমি আর প্রফেসর কায়কোবাদ মিলে গণিত অলিম্পিয়াডের অনেকগুলো প্রশ্নের সমাধানের একটা বই বের করেছিলাম।

প্রশ্ন: Sir I’m Nazif Faruqui from Lake Circus, Kalabangan, Dhaka. My question is – from where did all the energy come from if it can neither be created nor destroyed?
উত্তর: যেটুকু পজিটিভ শক্তি তৈরি করতে চাও ততখানি নিগেটিভ শক্তি তৈরি করে নিলেই তো ঝামেলা চুকে যায়। তা ছাড়া শক্তি তৈরি করা যায় না সেটা পুরোপুরি সত্যি না। স্পেসের একটা শক্তি থাকে (ডার্ক এনার্জি), বিশ্বব্রহ্মাণ্ড যত বড় হচ্ছে সেই শক্তি তত বেড়ে যাচ্ছে।

প্রশ্ন: আমি সাদিক। বাগেরহাট থেকে…
১) আমি যদি শুধুমাত্র কয়েকটি প্রশ্ন/ম্যাথ সল্ভ করার জন্য (উত্তর দেখার জন্য বা পরিক্ষায় ভালো মার্কস পাবার জন্য না) গাইডবই ব্যবহার করি তাহলে কি কোনো ক্ষতি আছে?
২) আপনার ছেলে-মেয়েকে কি আপনি আর ইয়াসমীন ম্যাম পড়াতেন নাকি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দ্বারা যা শিখত ঐটুকুই? আমি শুনছিলাম আপনি তাদের কখনও গাইডবই আর কোচিং এ পড়ান নাই।
৩) যদি বাবা-মা ছেলের শিক্ষক হয় তাহলে সেইক্ষেত্রে কি ছেলেটির চিন্তা করার সুযোগ নষ্ট হয়ে যায়? যেহেতু কোচিংএ পড়লে শিক্ষার্থীর চিন্তা করার কোনো সুযোগ থাকে না?
৪) একটা আবদার- আপনার ‘পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পাঠ’ বইয়ে আপনি বলেছিলেন যে আমাদের পদার্থবিজ্ঞান শেখার জন্য কী কী পড়া উচিত সে বিষয়ে আপনার নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে, কিন্তু এই বইটি লেখার সময় সেই চিন্তাভাবনা গুলোকে আপনি বাক্সবন্দি করে রেখেছিলেন। যদি সম্ভব হয় তাহলে সেই চিন্তাভাবনাগুলোকে বাক্স থেকে বের করে দয়া করে আরেকটি বই লিখুন, প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ।
৫) স্যার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি আমাকে নতুনভাবে চিন্তা করতে শিখিয়েছেন। যদি কখনও সামনাসামনি দেখা হয় (আল্লাহই জানে কোনোদিন দেখা হবে কিনা) তাহলে আপনাকে জড়িয়ে ধরতে পারি, কিছু মনে করবেন না কিন্তু… ভাল থাকবেন…
উত্তর: ১) কেউ যদি গাইড বই মুখস্ত করে পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর দিতে চায় সেটা ভয়ংকর। কোনো একটা প্রশ্ন করা হলে সে নিজে নিজে চিন্তা করে তার উত্তর বের না করে গাইড বইয়ে তার উত্তরটা খুঁজবে। তুমি যদি ঠিকা কজের জন্য ব্যভার করতে পার, আমি তার সমস্যা দেখি না। ২) না, আমাদের কেউ পড়াতো না। তারা নিজেরে নিজেরা পড়তো, আমরা সবাই আমাদের শৈশবে যেভাবে নিজেরে নিজেরা পড়েছি। কাউকে পড়াতে হবে কেন? ৩) চিন্তা না করলে চিন্তার সুযোগ নষ্ট হবে, বাবা মা কী করেন তার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। ৪) বই লখা খুব পরিশ্রমের ব্যাপার, সে তুলনায় বই পড়া খুব আওন্নদের ব্যাপার। এখন তুমিই বল, আমি কষ্ট করব নাকি আনন্দ করব? ৫) জড়িয়ে ধরার আগে আশে পাশে দেখে নিও পুলিশ আছে কিনা, তারা না আবার তোমাকে গুলি করে দেয়!

প্রশ্ন: স্যার, কখনো কি আপনি নিজের বই লিখতে গিয়ে আপনার নিজেরই মন খারাপ হয়েছে (আমার প্রশ্নটা হতো এরকম, ‘আপনি কি কখনো নিজের বই লিখতে গিয়ে নিজেই কেঁদে দিয়েছেন? এতো বড় মানুষের না কাঁদাটাই স্বাভাবিক )?রুম্মান জারা, চাঁদপুর আপনার পাগল ভক্ত এখানে উল্লেখ্য যে, সিলেটের ভুমিকম্পের কথা শুনে আমার টেনশন শুরু হয়ে গিয়েছিলো, আপনি নিরাপদে আছেন তো? বড় কোনো ভুমিকম্প হলে কি আপনি বিল্ডিংয়ের নিচে চাপা পরে আল্লাহর কাছে পার্সেল হয়ে যাবেন? আমি কিন্তু চাপা মারছি না। সত্যিই আমার মাথায় এসব আজগুবি কথা ঘুরছিলো। দয়া করে আমাকে আপনার বর্তমান অবস্থান জানিয়ে আমাকে টেনশনমুক্ত করবেন।
উত্তর: বই লিখতে গিয়ে কাঁদি না, তবে পরে পড়তে গিয়ে কখনো কখনো নিজের চোখ ছল ছল করেছে মনে হয়। তোমার ভয় নেই, আমি সিলেটে নেই, তা ছাড়া আমি বড় বড় ভুমিকম্প দেখে অভ্যস্ত, এর খুটি নাটি আমি জানি, তাই আমার ভূমিকম্প নিয়ে খুব একটা ভয় নেই।
প্রশ্ন: তেল কেনো কখনো শুকিয়ে যায় না? আমার বহুদিনের প্রশ্ন। জারা, চাঁদপুর।

প্রশ্ন: স্যার আমাকে প্লিজ আপনার একটি অটোগ্রাফ দিন!(আমার নামসহ!) সিয়াম__সিলেট
উত্তর: এই যে দিলাম। খুশি?

প্রশ্ন: টুনটুনি ছোটাচ্চু বই আরও ১০ টি চাই-ই চাই!… (এটা প্রশ্ন না,আবদার!)
উত্তর: নাম ঠিকানা চাই, আমার আবদার!

প্রশ্ন: প্রিয় মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার, আপনার কিছু বইএর pdf এখানে দিয়েছেন। আমি সবগুলো পড়েছি।আপনার সাইক্লোন, তিতুনি এবং তিতুনির pdf দিলে খুব খুব খুব উপকার হয়।আপনার অটোগ্রাফ পেলে আরো ভাল হয়। আলিফ,ঢাকা
উত্তর: যেহেতু কেউ না কেউ আমার বইয়ের পিডিএফ করে বইগুলো নেটে দিয়ে রেখেছে, তাই আমি আর করছি না। প্লিজ নেট থেকে বের করে নাও। এই যে অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: স্যার,আমরা এত কষ্ট করে Assignment করি,সেগুলোর মূল্যায়ন হয় না কেন ???????? ??????????????? ?????????? ???????? ???????? এম.টি.রশীদ মৌন,সপ্তম শ্রেণী,নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
উত্তর: হয় না নাকি? আমি তো ঠিক জানি না। তবে, এসাইনমেন্ট করে তুমি শিখছ সেটাই তো বড় কথা, অন্যেরা তাদের দায়িত্ব পালন করছে না, কিন্তু তুমি করে যেও।

প্রশ্ন: ছার, বউত তুকানির পরে রকমারি তাকি আফনার ‘যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু’ বইটা ফাইছি। ই বইও খেনে উৎসর্গ আর ভুমিকা নাই? (স্যার, অনেক খুঁজে রকমারি থেকে আপনার ‘যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু ‘ বইটি পেয়েছি। এই বইএ কেন উৎসর্গ আর ভুমিকা নাই?) – আদনান হোসেন, কুমারপাড়া,সিলেট।
বিঃদ্রঃ আশা করি সিলেটি কথা পারেন। তবুও সবার জন্য শুদ্ধ লিখে দিলাম।
উত্তর: ভুমিকা আর উৎসর্গ না থাকায় দুটি পৃষ্ঠা বেঁচেছে, পরিবেশ এক্টুখানি রক্ষা পেয়েছে, তুমি সেটা কেন দেখছ না? (আসলে আমি উৎসর্গ আর ভুমিকার ব্যাপারে খুব খুঁতখুঁতে সঠিক মানুষ না থাকলে উৎসর্গ করি না আর কিছু বলার না থাকলে ভুমিকা লিখি না) আমার জন্ম সিলেটে, আমি সেখানে পঁচিশ বছর কাটিয়েছি, কাজেই তুমি সিলেটি লিখলেও আমি বুঝতে পারব)

প্রশ্ন: স্যার, সেই তিনটি জিনিস কি কি বলবেন প্লিজ? লাইবা, ঢাকা
উত্তর: উঁহু বলা যাবে না। সবাই তাহলে হাসতে হাসতে মরে যাবে।

প্রশ্ন: আমি সিলেট আইতাছি, আন্নেরে জ্বালাইতে!! আগামী ২/১ মাসের মাঝে আইতাছি। তেয়ার থাইক্কেন। ইতি, আন্নের পাগলি ভক্ত সামিরা
উত্তর: যেখানেই যাও, একটু খোঁজ খবর নিয়ে যেয়ো, আমি কিন্তু এখন সিলেটে নাই।

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম স্যার, আমি রাজশাহীতে থাকি, অনেকবার ঢাকাও বেড়াতে গেছি। কিন্তু ঠিক কারণ জানা নাই , কখনোই বইমেলাতে যেতে পারিনি ! গেলে নিশ্চয়ই আপনার একটা অটোগ্রাফ নিয়ে আসতাম , যেহেতু যেতে পারিনি আমাকে একটা অটোগ্রাফ দিবেন ? প্লিজ ? নাম : আফিয়া আজমাঈন তেরোখাদিয়া , রাজশাহী
উত্তর: অবশ্যই দেব, এটা হচ্ছে লকডাউন স্পেশাল!

প্রশ্ন: আমি আপনার লেখার অনেক বড় ভক্ত। আপনার (বা আপনাদের মতো মানুষদের) ভাবনার ধরন আমার কাছে অসাধারণ লাগে। কত বিস্তৃত আপনাদের চিন্তাভাবনা! (আমি জানি এটা সম্ভব না। সবাই যদি আপনাদের মতো ভাবত, তাহলে পৃথিবীটাই অন্যরকম হতো। তাও জিজ্ঞেস করছি) আপনাদের মতো ভাবতে হলে কী করতে হবে??? নিলাদ্রী ভৌমিক, একাদশ শ্রেণি, ঢাকা
উত্তর: হা হা হা! তোমার কেন ধারণা হল আমার ভাবনার ধরণ অসাধারণ? তোমার সাথে আমার পার্থক্য হচ্ছে বয়সের, কাজেই অভিজ্ঞতার, এ ছাড়া পার্থক্য কিসের?

প্রশ্ন: Sir Ami Aniqa Tasnim. Ami Viqarunnisa Noon School and College er Class 6 e pori. Sir amaderke akhon online class kortey hoy. First e onek valo lagto akhon ar valo lage na. Amra agey sob somoy doya kortam keno school ta bondho hoye jay. Akhon akebare bondho hoye gelo. Saradin ghore bose bose online class kortey hoy. Kobe jani school ta khulb Aniqa Tasnim, bashundhara R/A,. Dhaka
উত্তর: আমি তোমার অবস্থাটা পুরোপুরি বুঝতে পারছি। স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি ছাড়া আর সবকিছু কিন্তু চলছে! আমার ধারণা করোনার বর্তমান ধাক্কাটা বিদায় হলে তোমাদের স্কুল খুলে দেবে। একটি ধৈর্য ধর। (আমার অবস্থাও তোমার মত, আর সহ্য হয় না!)

প্রশ্ন: ধরুন, আপনার কাছ থেকে সব বই নিয়ে নেওয়া হবে। শুধু একটা বই রাখতে পারবেন। কোন বইটা নিজের কাছে রাখবেন? ইনফাজুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর: মনে হয় জীবনানন্দ দাশের কাব্য সমগ্র।

প্রশ্ন: নাম: রিসালাত মুখর শ্রেণি: দশম Lyceum High School, Gangni, Meherpur স্যার আমাকে দয়া করে আপনার একটা অটোগ্রাফ দিবেন। please
উত্তর: এই যে দিলাম। খুশি?

প্রশ্ন: আমার নাম বন্যা।আমি চট্টগ্রামে থাকি। আপনি কি আপনার ই-মেইল চেক করেন?? কারণ আমি আপনাকে একটি ই-মেইল দু’বার পাঠিয়েছি আর আপনি তার উত্তর এখনো দেন নেই।আমি আপনার ই-মেইলের অপেক্ষায় আছি।
উত্তর: শোন, একটা কথা বলি। আমার কছে দিনে শত শত ইমেইল আসে যার কিছু খুবই গুরুত্বপুর্ণ, কিছু দরকারি এবং কিছু বাচ্চা কাচ্চাদের। আমি চেষ্টা করি ইমেইলের উত্তর দিতে, কিন্তু যেহেতু আমি মানুষ হিসেবে খুবই অগোছালো তাই সবসময়েই উলটা পালটা হয়ে যায়। কাজেই ইমেইলের উত্তর না পেলে ধরে নেবে ইমেইলটা আমি ঘোট পাকিয়ে ফেলেছি। উত্তরের যদি আসলেই দরকার থাকে তাহলে আবার পাঠাবে, আবার পাঠাবে, আবার পাঠাবে……

প্রশ্ন: নবম দশম শ্রেনীর অংক শেখার জন্য কি বই পড়া যায়? ইনটারনেট এ খুজেছিলাম, পাই নি।(পরিক্ষায় বেশি নাম্বার পাওয়ার জন্য না, শুধুমাত্র শেখার জন্য) আহসান, ঢাকা।
উত্তর: ও লেভেলের পিওর ম্যাথ বইটা পড়ে দেখ। যথেষ্ট ভালো।

প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় স্যার, আমি SSC 2020 পরীক্ষার পর এপর্যন্ত ৪১৭+ (এখনো একটা চলছে, আবার শুরু করব) টা বই পড়েছি। এর মধ্যে শরৎচন্দ্র, স্যার কোনান ডয়েন, বঙ্কিমচন্দ্র, মুহাম্মদ জাফর ইকবাল (এখন যার কাছে লিখছি!) সিডনি শেলডন, ক্লাইভ কাসলার, গ্রাহাম ব্রাউন, অগাথা ক্রিস্টি, রর্বাট ব্লক, (লিস্টটা খুবই বড়! জাহানারা ম্যাম এর “একাত্তরের দিনগুলি” পড়ার চেষ্টা করেছিলাম, পাই নি! প্রচুর কেঁদেছিলাম। ম্যাম আর রুমি ভাইয়ের কথাগুলোতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হত। “আমি তপু” পড়েও কেঁদেছিলাম। বই পড়ে কাঁদার এই লিস্টটা মাঝারি বড়!) এনিড ব্লাইটনসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু লেখকের বই পড়েছি। কিন্তু আমার বাংলাদেশী লেখকের বই অতটা ভাল লাগে নি, যতটা স্যার ডয়েল, সিডনি শেলডন, অগাথা ক্রিস্টি (এই লিস্টটাও মাঝারি বড়!) -র বইগুলো ভাল লেগেছে। আমার মতে বাংলার বইগুলোতে অত উত্তেজনা নেই (বা, আমার পড়া বইগুলোতে নেই)। আপনার পরিচিত কোনো বই আছে, যেটা কেউ শুরু করলে শেষ না করে ঘুমাতে পারেনা (বাকি কাজগুলো বাদই দিলাম)???
আর আপনি কি সিডনি শেলডনের কোনো বই পড়েছেন? (মানছি বইগুলো একটু বড়দের টাইপের, তবে এত চমক থাকে যে পড়া শেষে ঘুমাতে পারি না!) স্বর্ণালী আক্তার, বয়স: ১৬ বছর, একাদশ শ্রেনী
উত্তর: এস এস সি পরীক্ষার পর তুমি ৪১৭টা থেকে বেশি বই পড়েছ? সত্যি? তোমাকে একটা মেডেল দেওয়া দরকার। তুমি যেভাবে বই পড় সবাই যদি সেভাবে বই পড়তো তাহলে এই দেশ নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা করতে হতো না। বই পড়ে কাঁদা দোষের কিছু নয়, লেখকেরা চাইলে খুব সহজে পাঠকদের কাঁদাতে পারে! (আগে বইয়ের সাথে চোখ মোছের জন্য সুগন্ধী রূমাল দেওয়া হতো!) বাংলা বইগুলো যে তোমার পানশে লাগছে তাতে আমি মোটেও অবাক হইনি, আমাদের সাহিত্যের ক্যানভাস খুউউউউউউব ছোট, রোমান্স এবং দারিদ্র! কাজেই একবার বিশ্ব সাহিত্য পড়া শুরু করলে তুমি বাংলা বই পড়ে আর আনন্দ পাবে না। না, আমি সিডনি শেলডনের বই পড়েছি বলে মনে করতে পারি না। তোমার যেহেতু বই পড়ার অভ্যাস হয়ে গেছে তাই এখন খাটি সাহিত্যের কিছু বই পড়ে দেখতে পার, তুমি যদি স্টেইনবেক না পড়ে থাকো তাহলে তার ক্যানারি রো এর বইগুলো পড়ে দেখো।

প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় স্যার, আশা করি ভালো আছেন।আমি আপনার কাছে জানতে চাই,সায়েন্স নিয়ে পড়ে এ+ না পেলে সত্যিই কি কোনো মূল্য নেই? বা সায়েন্স নিয়ে পড়লে সব সময় বই নিয়ে বসে থাকতে হবে এটা কি সত্যি?স্যার এই সম্পর্কে আরো কিছু উপদেশ দিবেন,প্লিজ।যাতে করে অন্যদের এরকম কথায় মন খারাপ না হয় বা ভেঙে না পরি।ধন্যবাদ। ইতি জিয়াদ হোসেন শিমু। রূপসা,খুলনা
উত্তর: কেন মূল্য থাকবে না? আমি অপেক্ষা করে আছি দেখার জন্য কবে এ প্লাসের জন্য ইঁদুর দৌড় শেষ হবে। না, কোনো সাব্জেক্টের জন্যই সব সময় বই নিয়ে বসে থাকতে হয় না। লেখাপড়ার বাইরে সবার একটা জীবন থাকতে হয়। আমকে যদি জিজ্ঞেস করো তাহলে বল্ব যেটুকু পড়ছ সেটা যদি বুঝে পড় তাহলেই হবে। মানুষের মস্তিষ্ক মুখস্ত করার জন্য তৈরি হয়নি, কাজেই বুঝে পড়ায় আনন্দ কিন্তু মুখস্ত করায় অনেক কষ্ট। কারো কারো জন্য অসম্ভব।

প্রশ্ন: Sir valo achen? Ami UZALL BIVORE BISWAS,class 3,Faridpur. Amar kotha mone ache? Ami apnake ekta bigganer boi(chotoder)likhte request korechilam. Kintu apni bolchen j gonit bad diye boroder boigulo porte. Ami ‘onekta’ gonit shohoi pora shuru korechi. Ami bortomane apnar ‘podarthobigganer prothom path’ boitir prothom chapter gulo porchi. Eta pore amar mone kichu proshno jegeche. Internet search kore ba kauke bole kono valo uttor paini. Apni jodi ektu bolten…
1)force to sheita ja proyog korle velocity er change hoi Sthir bostu goti lav korbe ar gotishil bostur goti changed hobe. Tahole ki amra eta bolte pari na j force dile ashole shobsomoy kinetic energy add kora ba shorie neya hoi(karon goti koma mane kinetic energy komie neya ar barano mane add kora)?
2. Jodi 1 er ans. ‘ha’ hoi,tobe amra kano force er concept toiri korlam? Amra to etai bolte partam j-‘a’ bostu ti ‘b’ bostu te khanikta energy k kinetic energy te rupantorito koreche. Onno jaigai o to energy er rupantor ghote kintu shekhane to amon kichu nei
উত্তর: তুমি যেহেতু ক্লাস থ্রিতে পড়েই বড়দের বই পড়ে ফেলছ তাই ধরেই নিতে হবে তুমি খুবই স্মার্ট। স্মার্ট হওয়ার প্রথম একটা প্রমান দাও বাংলা অক্ষরে বাংলা লিখে (কিংবা ইংরেজি অক্ষরে ইংরেজি লিখে)। কেউ যখন ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লিখে তখন আমার পড়তে খুব কষ্ট হয়, অনেক সময় কয়েক লাইন পড়ে হাল ছেড়ে দেই। যাই হোক তোমার প্রশ্নের উত্তর অনেক ভাবে দেওয়া যায়, একভাবে এরকম: বলের একটা দিক থাকে, গতিশক্তির কোনো দিক নেই। তাই গতি শক্তি দিয়ে বল ব্যাখ্যা করলে বলের পুরোটা ব্যাখ্যা করা হল না।

প্রশ্ন: স্যার আপনি আপনার ” আরো একটুখানি বিজ্ঞান বইটি ” রিহা ” নামের একজনকে উৎসর্গ করেছেন। স্যার রিহা কে??? মাহদি, আখালিয়া,সিলেট
উত্তর: আমার বোনের মেয়ের মেয়ে- অর্থাৎ নাত্নী!

প্রশ্ন: প্রিয় মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার, আপনি আশরাফ নামের একজন এর উত্তরে লিখেছেন,একটা হুবহু রকমের সায়েন্স ফিকশন আছে,ওটার নাম কি একটু বলতে পারবেন? একটু পড়ে দেখি……. রিদিতা, ঢাকা
উত্তর: ওটার নাম স্বপ্ন। না পড়াই ভালো!

প্রশ্ন: স্যার আপনি বাচ্চাকাচ্চাদের এত বড় বড় প্রশ্ন (যদিও উত্তরগুলো ছোট) এগুলো আপনি এত ধৈর্য্যসহ কারে পড়েন কেমন করে,তার উপর আবার উত্তর দেন! স্যার আপনার এত ধৈর্য্যের রহস্যটা জানতে চাই।আমার ধৈর্য্য খুব কম তাই জানতে চাচ্ছি যদি আপনাকে ফলো করে উপকার হয়। আর স্যার stalk করা কি খারাপ? আমি এই কাজে অনেক সময় ব্যয় করি আর যখন যার ভুত মাথায় চাপে তাকে নিয়ে সারা দিন নেটে ঘাটাঘাটি। এব্যাপারটি বেশ সময় নষ্ট করে।যেহেতু আমি স্টুডেন্ট তাই এই কাজ থেকে দুরে সরে আশার চেষ্টা করছি,বাট পারছি না। বিত্ত রহমান
উত্তর: আমার ধৈর্য অন্যদের থেকে বেশি তা নয়, যখন বাচ্চাদের কথা দিয়েছি তাদের প্রশ্নের উত্তর দেব, তখন তো আমাকে সময় দিতেই হবে! তুমি যদি stalk শব্দটা ব্যবহার কর তাহলে তো এটাকে ভালো বলার কোনো উপায় নেই।

প্রশ্ন: যখন বলা হয় এই নক্ষত্রটা আমাদের থেকে এত আলোকবর্ষ দূরে তখন সাধারণত কি বোঝায়? মানে আমরা তো জানি, আলেকজান্ডার ফ্রিডম্যান বলেছিলেন যে মহাবিশ্ব দিক নিরপেক্ষ, তাহলে আমি যদি স্পেসে যাই তাহলে তো বলতে পারবো না যে কোনটা ডান, কোনটা বাম,কোনটা উত্তর/দক্ষিণ/পূর্ব/পশ্চিম!!যদি ভবিষ্যতে আলোর বেগের কাছের বেগ প্রাপ্তকোনো যান পাওয়া যায় আর তখন যদি আমি বেঁচে থাকি আর আমার ইচ্ছা হলো ১৬ আলোকবর্ষ দূরে কোনো নক্ষত্রে যাব তাহলে আমি পৃথিবীর আকর্ষণ বল কাটিয়ে ১৬ আলোকবর্ষ পৃথিবীর বিপরীত পাশে যাব নাকি কোন পাশে যাব??কোনো কিছুর অবস্থান জানার জন্য তো দিক এবং দূরত্ব দুটোই জানা লাগে, এখানে তো শুধু আমরা দূরত্বটা জানছি তাহলে অই নক্ষত্রের প্রকৃত অবস্থান কেমনে জানবো? নাম:মাহিন হাসান শ্রাবণ ঠিকানা:৪ নং শেখপুরা ইউনিয়ন, দিনাজপুর
উত্তর: মহাবিশ্ব দিক নিরপেক্ষ তার অর্থ কোনো নির্দিষ্ট দিকে কোনো আলাদা বিশেষত্ব নেই। তার মানে দিক বলে কিছু নেই তা নয়!

প্রশ্ন: স্যার আমি জানতাম না আপনিপ রাগ করবেন আমার প্রশ্নটাতে।আমি সত্যি খুব দুঃখিত। ভালো থাকুন স্যার। ************, সিলেট। পুনশ্চঃ ওয়েবসাইটে দেবেন না প্লিজ। (দেয়ার তো কথাও না। )
উত্তর: না না না, আমি মোটেও রাগ করিনি! রাগ করব কেন? আমি কি ঠাট্টা করে তোমাদের কিছু বলতে পারব না? সবসময়েই তো আমি তোমাদের সাথে হাসি কৌতুক করে যাচ্ছি!

প্রশ্ন: আমার প্রিয় শ্রদ্ধাভাজন জাফর ইকবাল স্যার, আপনাকে কতটা ভালবাসি তা ভাষায় ব্যক্ত করতে আমি অপারগ। অনেকে আপনাকে নিয়ে অনেক বাজে মন্তব্য করে, সেসব শুনলে আমার বুকের ভেতরটা হাহাকার করে ওঠে। আপনাকে নিয়ে একটা খারাপ কথাও আমি সহ্য করতে পারিনা। জানি প্রত্যেক সাকসেসফুল মানুষদের অনেক সমালোচনাকারীও থাকে কিন্তু তবুও আমার খুব কষ্ট হয় আপনার নামে কোনো সমালোচনা শুনলে।
ও হ্যা, যখন আপনার ওপর হামলার খবরটা শুনলাম তখন আমার দুনিয়াটাই থমকে গিয়েছিল। আল্লাহর দরবারে কেঁদে কেটে আকুল হয়ে প্রার্থনা করেছিলাম যাতে তিনি আপনাকে সুস্থ করে দিন। পরিশেষে শুধু একটা কথাই বলতে চাই, আপনি একজন অনন্যসাধারণ লেখক। কারো সমালোচনায় গুরুত্ব না দিয়ে এভাবেই আমাদের এক একটি অসাধারণ বই উপহার দিতে থাকুন। আপনার লেখা সায়েন্স ফিকশনগুলো পড়ে আমি প্রতিবারই একটা ঘোরের মধ্যে চলে যাই। আপনার লেখা উপন্যাসগুলোর মাধ্যমেই প্রথম বই পড়ার মজাটা আস্বাদন করতে পেরেছি। দোয়া করবেন, যেন আপনার মতো একজন অসামান্য মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারি। Love you my Idol….(Samiha Tasnim, from- Bogura)
উত্তর: থ্যাঙ্কু সামিহা। মনে হয় তোমাদের দোয়ার কারনেই আমি বেঁচে গিয়েছিলাম। আমাকে নিয়ে বাজে কথা বললে তুমি এতো হা হুতাশ কর কেন? যেটা বলছে সেটা সত্যি হলে তো ঠিকই আছে, একশবার বলবে। যদি মিথ্যা হয় তাহলে সমস্যাটা যে বলছে তার, তোমার সমস্যা কোথায়? এগুলো নিয়ে মাথা ঘামিও না, আমার সেগুলো নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই, তোমার কেন থাকবে?

প্রশ্ন: স্যার, হুমায়ূন আহমেদ কি আপনাকে তুমি করে নাকি তুই করে বলতেন? আর আপনি তাঁকে কি ডাকতেন?? স্মরণ, জামালপুর
উত্তর: তুই করে ডাকতো। আমাদের সবচেয়ে বড় ভাই এবং আমরা সব ভাইবোন তাকে দাদাভাই বলে ডাকতাম।

প্রশ্ন: স্যার, আমি আপনার বিগ ব্যাং থেকে হোমো স্যাপিয়েন্স, ব্ল্যাক হোল, সহজ ক্যালকুলাস, দেখা আলো না দেখা রূপ, একটুখানি বিজ্ঞান, আরো একটুখানি বিজ্ঞান, গণিতের মজা মজার গণিত, নিউরনে অনুরণন, নিউরনে আবারো অনুরণন, কোয়ান্টাম মেকানিক্স ও থিওরি অব রিলেটিভিটি-এই বইগুলো গণিত আর বিজ্ঞান শেখার জন্য জোগাড় করেছি। আমি একদমই নতুন। এখন কোন বই দিয়ে কীভাবে শুরু করবো?
আসমাউল হাসান নাঈম, বাসাবো, ঢাকা।
উত্তর: বইগুলো কোথাও রেখে চোখ বন্ধ করে হাত দাও। যে বইটাতে হাত লাগবে সেটা পড়! এগুলো কী পিডিএফ? তাহলে ছোট ছোট কাগজে নামগুলো লিখে ভাঁজ করেচোখ বন্ধ করে যে কোনো একটা তুলে দেখ কোন বইয়ের নাম উঠেছে, সেটা পড়।

প্রশ্ন: স্যার, এখন এই pandemic এর সময়ে আপনি কেমন আছেন? আপনার জন্যে একটি প্রশ্ন : আপনার লেখা আপনার সবচেয়ে পছন্দের বই কোনটি ? রামিস জুহানাত অরিত্র হলি ক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যাল্য, ঢাকা
উত্তর: আমি ভালো আছি। নিজের লেখার ভালো মন্দ বলা খুব মুশকিল, আমার বন্ধু রাশেদ হয়তো একটা প্রয়োজনীয় লেখা হয়েছিল!

প্রশ্ন: সসাড়ে বাহাত্তর ঘণ্টা নাটকটা কী সত্যি আপনার লিখা? আপনার লিখা হলে সেটার গল্প নেই কেনো? মিথিলা, রাজশাহী।
উত্তর: নামটা পরিচিত লাগছে, আমার লেখা হতেও পারে। মানুষের চাপে এতো কিছু লিখেছি যে মনেও থাকে না। আমার বেশির ভাগ নাটক সরাসরি নাটক হিসেবে লেখা সেজন্য তার গল্প খুঁজে পাবে না।

প্রশ্ন: আপনার মতে গোয়েন্দাগিরিতে কে সেরা শার্লক হোমস, ফেলুদা, বোমকেশ বকশি নাকি কাকাবাবু? আমার মতে ফেলুদাই সেরার সেরা। কুমিল্লা থেকে প্রীতি।
উত্তর: আমার সবচেয়ে প্রিয় ডিটেকটিভ Mma Precious Ramotswe (বাংলায় উচ্চারণ কী হবে জানি না বলে ইংরেজিতে লিখলাম।) এই ডিটেকটিভের উপর লেখা একটা বই ( The No. 1 Ladies’ Detective Agency) ) পড়ে আমার ডিটেকটিভ বই লেখার সখ হয়েছিল এবং টুনটুনিকে ডিটেকটিভ বানিয়ে ছিলাম।

প্রশ্ন: স্যার, আপনার বাসা থেকে কি আকাশ দেখা যায়? সাতরঙা ঝলমলে রঙধনু? আকাশ কালো করা মেঘ? ঝমঝমে ঝরে পরা বৃষ্টি? ভরা পূর্ণিমায় ধবধবে সাদা চাঁদ? সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত? লাইবা,ঢাকা।
উত্তর: সবই দেখা যায় কিন্তু ঢাকার বাতাস এতো দূষিত যে সবকিছু কেমন যেন ঘোলা, মন খারাপ করা!

প্রশ্ন: স্যার, ই মেইলে কিছু পাঠালে কি আপনি সবার উত্তর দেন? আর স্যার, আপনি কখনো কুষ্টিয়াতে এসেছেন? কুষ্টিয়াতে দেখার মতো শত শত জায়গা আছে । একবার আসেন প্লিজ! এই ওয়েবসাইটে আগের মতো 8-9 মাসের জন্য ডুব দিচ্ছেন না, 10-12 দিনের জন্য মাত্র ডুব দিচ্ছেন, খুব ভালো ! ভালো থাকবেন। ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া।
উত্তর: যেহেতু আমার কছে অসংখ্য ই-মেইল আসে তাই কোনটা আগে দেব কোনটা পরে দেব কোনটার উত্তর না দিলেও চলে এগুলিো বিবেচনা করতে হয়। আমি কুষ্টিয়া অনেকবার গিয়েছি, লালনের আখড়া আমার খুব প্রিয় জায়গা।

প্রশ্ন: আপনার হাত কাটা রবিন থেকে অপারেশন নীলাঞ্জনা পর্যন্ত যত বই লিখেছেন তার একটা লিস্ট পেলে খুবই খুশি হতাম। আমি আপনার সব বইয়ের একটা কালেকশন করতে চাই। নেটে দেখেছি ঠিক মত আসছে না। তাই দয়া করে আপনার সব বইয়ের একটা লিস্ট দেবেন। অনেক ভালোবাসা রইল। শুভ, ঢাকা।
উত্তর: আমি ইচ্ছা করলেই লিস্টটা কোথায় পাওয়া যাবে বলতে পারতাম, কিন্তু ইচ্ছা করে বলছি না। তোমাকেই লিস্টটা খুঁজে বের করার দায়িত্ব দিচ্ছি। কেন বলতে পারবে?

প্রশ্ন: স্যার একটা অনুরোধ, আপনি টুনটুনি ও ছোটাচ্চু -র নতুন কোনো বই লিখলে সেটার নাম ‘যেমন টুনটুনি তেমন ছোটাচ্চু ‘ অথবা ‘ হায়রে টুনটুনি হায়রে ছোটাচ্চু ‘ দিবেন-প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ।আর একটা কথা আপনি ‘ যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু ‘বইটি কাউ কে উৎসর্গ করেন নি কেন????? যদি আমার নাম অনুযায়ী বইটির কখনো নাম দেন তাহলে বইটি কাকে উৎসর্গ করবেন???প্লিজ আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন -প্লিজ প্লিজ প্লিজ। নাম:মম ঠিকানা:রামপুরা,ঢাকা,বাংলাদেশ, এশিয়া, পৃথিবী সৌরজগত,মিল্কিওয়ে, মহাবিশ্ব।
উত্তর: টুনটুনির বইয়ের নাম দিয়ে সাহায্য করেছ সে জন্য অনেক ধন্যবাদ। বই উসর্গের ব্যাপারে আমি খুব খুঁতখুঁতে। যে মানুষটি কোনো না কোনোভাবে আমাকে অনুপ্রাণীত করে আমি শুধু তাদের বই উসর্গে করি। সেরকম কেউ না থাকলে বই উসর্গ ছাড়াই বের করে ফেলি!

প্রশ্ন: আপনার অটোগ্রাফ অনেকেই নেয়। কিন্তু আমার মোবাইল ভাল লাগে না।অন্নোভাবে বইএ কি অটোগ্রাফ নেয়া জায় না????? রিদিতা, ঢাকা
উত্তর: করোনাটা শেষ হোক তখন অন্য ভাবে বইয়ে অটগ্রাফ নিতে পারবে!

প্রশ্ন: আংকেল, ইশতিয়াকের প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে এত বছর ধরে, কয়েক প্রজন্ম ধরে বাচ্চাকাচ্চাদের নানান কথা শোনেন; প্রশ্নের উত্তর দেন, বিরক্ত হন না কখনো? আরেকটা কথা আপনাকে জানাই। আমি ছোটবেলা থেকে মুখস্থ করতে পারি না। নিজে পড়ে যা বুঝতাম সেটাই নিজের ভাষায় পরীক্ষার খাতায় লিখে আসতাম। আমার ফ্যামিলি খুব সাপোর্টিভ, নাম্বারের জন্য কখনো কিছু বলে নাই। অংকে একশতে সাত পেয়েছি। তখনও কিছু বলে নাই, পরের বছর একশতে একশ পেলাম তখনও কিছু বলে নাই! কাজেই আমি মুখস্থ না করে নিজের মতো পড়তে পারতাম (এবং এখনো পড়ি)। আমি জীবনে কোন পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাই নাই, তবু রেজাল্টের দিন আম্মু কিছুই বলে নাই। মোটামুটি স্বাধীনভাবে বড় হয়েছি। পরীক্ষার আগে, পরে, মধ্যে- যেকোনো সময় গল্পের বই নিয়ে বসে থাকতে পেরেছি কেউ কিছু বলে নাই! (আমি খেয়াল করে দেখেছি, পরীক্ষার মধ্যে গল্পের বই পড়লে আমার লেখা আরো ভালো হয়)। এই এতকিছু করেও আর জিপিএ ৫ না পেয়েও আমি ঢাকা শহরের একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে পড়তে পারছি। এই কথাগুলো বলার কারণ, এই ওয়েবসাইট থেকে এত্ত মানুষের কথা জানতে পারছি, যাদের ফ্যামিলি মনে করে গল্পের বই পড়লে আর পড়া মুখস্থ না করলে ছেলেমেয়ে উচ্ছন্নে যাবে, জীবন শেষ হয়ে যাবে। তারা এমন কেন আংকেল? আর আমি আমার আশেপাশে, বিশেষ করে আমার ক্লাসেই মোটামুটি সবাই এক দুই কিংবা একের কম নাম্বার নিয়ে এত হাহুতাশ করে, মনে হয় অক্সিজেনের ঘাটতি হয়েছে। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা অনেকদিন করেছেন, আপনি নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে আরো অনেক ভালো জানবেন। ঢাকা থেকে ইশতিয়াক
উত্তর: না আমি বিরক্ত হই না, সময়ের অভাবে সব সময় সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না, সেজন্য একটু খারাপ লাগে। তুমি লেখাপড়া নিয়ে যে কথাগুলো বলেছ আমি চাই সব বাচ্চারা সেটা পড়ুক, তাই আমি লাল রঙ দিয়ে হাইলাইট করে দিয়েছি। আমার কথা তো কেউ বিশ্বাস করে না, হয়তো তোমার কথা বিশ্বাস করবে।

প্রশ্ন: স্যার, আমি আমার আগের প্রশ্নে বলেছিলাম, আপনি যদি সত্যিই আপনি হন, তাহলে আমাকে একটা অটোগ্রাফ দেবেন । আপনি হয়তো একটু রাগ করেছিলেন । বলেছিলেন যে, “তুমি যখন আমার সম্পর্কে নিশ্চিত হবে তখন অটোগ্রাফ নিও। সন্দেহের মাঝে থেকে অটোগ্রাফ নিয়ে কী করবে ?” সরি স্যার ! রাগ করবেন না ! এখন আমি নিঃসেন্দহ যে আপনিই আপনি ! এখন তো আমাকে একটা অটোগ্রাফ দেন ! ফাহিম তানজীম, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, কুষ্টিয়া ।
উত্তর: না না, আমি রাগ করি নি, আমি তোমার সাথে একটু মজা করেছিলাম। মাঝে মাঝেই বচ্চা কাচ্চারা আমিই যে আমি আমার কাছে সেটার প্রমান চায়! কীভাবে প্রমান দেব এখনো ভেবে বের করতে পারিনি! এবারে দিলাম অটোগ্রাফ।

প্রশ্ন: Right form of the verbs ans: Why do our parents (a)……… (Want) us to (b)……..(go) to schools, Colleges or universities? They want us to (c)……..(learn) to read and to write and (d)……..(acquire) knowledge so that we (e)………(earn) money and (f)……..(live) comfortably as gentlemen. The saying (g)……..(go) in our country that whoever (h)……..(Learn) (i)……..(read) and Write (j)…….. (Ride) in cars and on horses.
আমার বাড়ি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জিলার মহাদেবপুর থানার সুথিহাট পোস্টে কচুকুড়ী গ্রামে ৷ সার একটু তাড়াতাড়ি, আজকে রাত ৭ টার মধ্যে হলে ভালো হয়
উত্তর: হা হা হা! তুমি কী সত্যিই বিশ্বাস কর আমি তোমার লেখাপড়া নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেব? তাও আবার সেই দিন সন্ধ্যা সাতটার ভিতরে?

প্রশ্ন: প্রিয় মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি 298 টা বই কি করে লিখলেন? আমি 3 টা লিখেই,ছাপিয়েই কাহিল! আলিফ,ক্লাস 4,ঢাকা
উত্তর: তুমি যদি ক্লাস ফোরে থাকতেই ৩টা বই লিখে থাকো তাহলে আমার বয়সে পৌঁছাতে পৌঁছাতে নিশ্চয়ই ৩৩৩টা বই লিখে ফেলবে!

প্রশ্ন: স্যার, একটা অনুরোধ ছিল। ওয়েবসাইটের একটি প্রশ্নে আপনার উত্তরে পেলাম, “পৃথিবীর সব বিজ্ঞানীরা মিলে একবার জরীপ করেছিলেন যে পৃথিবীতে বিজ্ঞানের সর্বশ্রষ্ঠ থিওরি কোনটি। তারা বলেছিলেন যে সেটা হচ্ছে ডারউইনের বিবর্তন।” আমি এই জরীপটির বিষয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করেছি। কিন্তু কিছু পাচ্ছি না। এটার রেফারেন্স টা কীভাবে পেতে পারি, যদি একটু জানাতেন। লাবিব, উত্তরা, ঢাকা।
উত্তর: এটি প্রায় বছর দশেক আগের বিজ্ঞানীদের একটা জরীপ। যদি হুবহুব এটা খুঁজে না পাও বিজ্ঞানীদের অন্য জরীপ খুঁজে দেখ মোটামুটি এটাই পাবে। আমি খুঁজে পেলে জানিয়ে দেব।

প্রশ্ন: Bangladesh physics olympiad 2021 এ আমি এবার জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত গিয়েছিলাম কিন্তু এই কথা আপনাকে বলছি কেন জানেন?কারন আমি কোনো পর্যায়ের কোনো প্রশ্নই বুঝতে পারিনি!সব গুলো সম্পুর্ন অনুমান করেছি!এমননা আমার physics ভালো লাগে না বা আমি প্রস্তুতি নেই নি।যখন থেকে কিশোর আলোতে olympiad সম্পর্কে জানতে পেরেছি তখন থেকেই আমি উত্তেজনায় ফুটছিলাম।কিন্তু প্রশ্ন পাওয়ার পরের সেকেন্ডেই আ্যকে বারে ফাটা বেলুনের মত চুপসে গিয়েছি।বিঙ্গান আমার সব সময়ের প্রিয় বিষয়।বড় হয়ে astronomy নিয়ে পড়ালেখা করে আমি space scientist হতে চায়(শব্দটা কি আমি নিজে বানালাম?নাকি সত্যিই মহাকাশ নিয়ে পড়াশোনা করে বিঙ্গানী হওয়া যায়?)কিন্তু একটা প্রশ্নের ও মাথা মুন্ডু আমি বুঝতে পারিনি।আপনার কি মনে হয় আমার কি আমার ভালো লাগার বিষয় নিয়েই লেগে থাকা উচিৎ?(আমি আপনার সবচেয়ে বড় ভক্ত।আপনি আমার শুধু প্রিয় লেখকই নন আমার insparation আর idol ও) আর আপনি যদি উত্তর দেনও তাহলে আমি কিভাবে পাব এত্ত এত্ত প্রশ্ন আর উত্তরের মাঝে? রিফা তাসনিয়া সোহানা (আমার নামের মানে নাকি আবার উজ্জল নক্ষত্র! সত্যি মিথ্যা যানি না কিন্তু আমার ভালোই লাগে),অষ্টম শ্রেনি,কাদিরাবার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল নাটোর।
উত্তর: অনুমান করেই যদি জাতীয় পর্যায়ে যেতে পার, তাহলে চিন্তা করতে প্র তুমি যদি চিন্তা ভাবনা করে প্রশ্নের উত্তর দিতে তাহলে কতো ভালো করতে? হ্যাঁ, আমি তোমার জায়গায় হলে আমিও ভালো লাগার বিষয়েই লেগে থাকতাম। তুমি কীভাবে এই প্রশ্নের উত্তর পাবে জানতে চেয়েছ। একটা পদ্ধতি হছে প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজে দেখা, আরেকটা পদ্ধতি হচ্ছে একজনকে কিছু পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া যে তোমার জন্য খুঁজে দেখবে, আরেকটা হচ্ছে কয়েক লাইনের একটা প্রোগ্রাম লিখে ফেলা যেটা খুঁজে দেখবে তোমার প্রশ্নের উত্তর আছে কি নেই। আরও বলব?

প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় স্যার, স্যার আপনাকে আমার অনেক কিছু বলার ছিল কিন্তু আমি বলছি না। কারণ আপনি বলেছেন অনেক প্রশ্ন করা হলে প্রশ্ন ফিল্টার করবেন। (যদিও আমি জানিনা ফিল্টার জিনিসটা কি? ) তাও আমি ধরে নিচ্ছি ফিল্টার জিনিসটা একটু ভয়ানক ই হবে। আচ্ছা যাই হোক আপনাকে আমি আমার মূল প্রশ্নটিই করি। স্যার আমরা প্রশ্ন: যে লেখায় ইমোজি বা স্টিকার যেমন: , , , , , ইত্যাদি ব্যবহার করি এগুলো কি আপনি পছন্দ করেন? স্যার আরেকটা বিষয় শুনে আমি একটু ভয়ে ভয়ে আছি। যে আপনি নাকি আবার ডুব দিবেন। আপনি যদি ডুব দেন তাহলে আমার এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিবে কে? ও! আরেকটা কথা মনে হয়েছে স্যার আপনাকে আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি কারণ আপনি আমাকে অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন। আসলে অসংখ্য না বলে অসীম বললেই বেশি ভালো হতো। যাইহোক হয়তোবা প্রশ্নটা একটু বেশিই বড় হয়ে গেছে। ফিল্টার না করে দেন এই ভয় এ বাঁচি না। আচ্ছা আপনাকে আর জ্বালাচ্ছি না। সরি! আবার আপনাকে বিরক্ত করে ফেললাম। আপনাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য বলছি , আপনি আমার মূল প্রশ্নটা মানে ইমোজি স্টিকার সংক্রান্ত যে প্রশ্নটা করেছিলাম তার উত্তর টা প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ দিবেন। … … … আসলে আপনাকে সবগুলো প্রশ্ন করতে মন চায় কারণ আপনি এতো সুন্দর করে প্রশ্নের উত্তর দেন তাই মন চায় সব প্রশ্ন আপনাকেই করে ফেলি। আহারে আবার কথা বলে ফেললাম। থাক আর বলছি না। কারণ আপনি যদি আবার ফিল্টার করে দেন! ও!আরেকটা কথা আপনি কিন্তু আমার প্রশ্নটা ভালো করে পড়বেন। ফিল্টার করে দিয়েন না প্লিজ!
উত্তর: ইমোজি নিয়ে আমার কোনো অনুভুতি নেই। আমার একজন ছাত্র ইমোজি নিয়ে পিএইচডি করেছে, ইউনিকোডে ইমোজি ঢূকাচ্ছে তাই বিষয়টা নিশ্চয়ই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি হাসির ইমোজি ব্যবহার না করে লিখি, হা হা হা! ফিল্টার নিয়ে তোমার কথাগুলো অনেক মজার! জায়গার জন্য অনেক কিছু ফিল্টার করতে হল, সরি। তুমি মানুষটাও কী অনেক মজার?

প্রশ্ন: Assalamualaikum sir. Hope you are well by the grace of almighty Allah. … … … … প্লিজ প্লিজ প্লিজ। আর বাংলায় যা কিছু লিখেছি গোপন রাখবেন। বুঝতেই তো পারছেন। Stay safe and take care. Lots of love. Tanjila Islam. You will get the address when you will visit me.
উত্তর: তোমার ইংরেজি কথাগুলো ভদ্রতার কথা, বাংলা কথাগুলো সত্যিকারের কথা! কিন্তু বাংলা কথাগুলো সরিয়ে দিতে হচ্ছে বলে উত্তরও দিতে পারছি না। বুঝতেই তো পারছ!

প্রশ্ন: স্যার, করোনার এই সময়ে ভালো থাকা একটু মুশকিল, তা-ও আশা করি আপনি খুব খুব ভালো আছেন। একটা কথা বলি, রাগ করবেন না প্লিজ, প্রজেক্ট আকাশলীন বইয়ের প্রফেসর ইমতিয়াজ আর তাঁর পরিবার কী খানিকটা হলেও আপনি এবং আপনার সত্যিকার পরিবার থেকে ইন্সপায়ারড? আমি আহমেদ নাবিল, ঢাকায় থাকি।
উত্তর: দুইজনেই আমেরিকা থেকে দেশে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছে, এইটুকু মিল তো আছেই। প্রজেক্ট আকাশলীন বইয়ের মত আমার স্ত্রী মোটেও ছেলেমেয়েদের নিয়ে আমেরিকা ফিরে যায় নাই, আমার থেকে বেশি আগ্রহ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালায়ে ছাত্রছাত্রীদের পড়িয়েছে তাদের দেখে শুনে রেখেছে!

প্রশ্ন: স্যার আসসালামু আলাইকুম। স্যার আমার জীবনের একটি অনেক বড় স্বপ্ন হলো আপনার অটোগ্রাফ অর্জন করা। এখানে এত বড় সুযোগ ছাড়তে চাচ্ছি না। দেবেন ? ওয়াসিউর রহমান ওয়াসি, পঞ্চম শ্রেণী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, রাজশাহী।
উত্তর: তোমার স্বপ্নটা আমার কাছে মোটেও বড় মনে হচ্ছে না, সত্যিকারের বড় স্বপ্ন দেখো! (অটোগ্রাফ দিলাম)

প্রশ্ন: তুর্যয় পাল, ফেনী। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের জন্য কি অক্সিজেন প্রয়োজন?
উত্তর: অগ্নুৎপাত কেন হয়, কীভাবে হয় সেটা যদি তুমি জেনে নাও তাহলে তুমি নিজেই বের করে ফেলতে পারবে অগ্নুৎপাতের জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজন আছে কী নেই। (আমি সবসময় তোমাদের উৎসাহ দিই নিজে নিজে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার জন্য।)

প্রশ্ন: মাত্র আমার সাইন্টিস্ট মামা শেষ করলাম। কি অসাধারণ একটা বই। যত পড়ি তত পড়তে ইচ্ছে করে আর তত প্রশ্ন মতে উকি দেয়। আজ আপনাকে সেই সব প্রশ্ন করব। সবগুলোর উত্তর দিতে হবে। সবগুল না দিলেও শেষেরটার উত্তর দিতেই হবে। না দিলে সারাজীবনের আড়ি। ১) একুশ দাড়ির আজব মানুষটার রহস্য তো রহস্যই রয়ে গেল। সে কে? জঙ্গলে কি করছিল? তার কি গোপন ল্যাবরেটরির সাথে কোন সংযোগ আছে কিনা? আক্কাস মানুষটা কে? ২) টনি কাদের মামাকে যেই নাপিতের প্রশ্নটা করেছিল সেটার উত্তর কি? ৩) পরে মামা ইউরেনিয়ামের খনি দিয়ে কি করেছে? 8) শেষে ডোরিন টোপনকে বলেছিল, ‘বিয়ের পর যদি তুমি কোনোদিন শব্দ করে হাঁচি দাও সাথে সাথে ডিভোর্স’ এই হাঁচির ব্যাপারটা ঠিক বুঝি নি। একটু খুলে বলবেন? ৫) টোপনের শেষের সেই চরম বেইজ্জতিটা কি ছিল? (তুমি নিজে একটা কিছু ভেবে নাও কিংবা আমার বলার হলে আমি বলে দিতাম-এই ধরনের কোন উত্তর দেওয়া যাবে না) প্লিজ এটা আপনাকে বলতাই হবে। এই প্রশ্নটার জন্য যখনি আমি এই বইটা শেষ করে আমার এক রাত ঘুম আসেনা। দোয়া করবেন। আপনার জন্য শুভ কামনায় আনিকা তাব্বাসুম সপ্তম শ্রেণি। মিরপুর, ঢাকা।
উত্তর: ১) তুমি না করেছ যে “তুমি নিজে একটা কিছু ভেবে নাও” কিংবা “আমার বলার হলে আমি বলে দিতাম” টাইপের কোনো উত্তর দেওয়া যাবে না, কিন্তু আমার তো আসলেই কিছু বলার নেই। প্রত্যেক লেখকের লেখার এক ধরনের স্টাইল থাকে, মনে হয় এটা আমার স্টাইল! ইচ্ছে করে পাঠকদের একটা ধাঁধার মাঝে ফেলে দেওয়া। এমন কি কখনো হয়নি যে তুমি রাস্তায় একটা মানুষকে দেখেছ, যে খুবই আজব কিছু করছে, তাই তোমার খুবই কৌতুহল হয়েছে জানার জন্য সে কেন এটা করছে, শেষ পর্যন্ত কী হল কিন্তু কোনোদিন সেটা জানতে পারলে না, এটাও সেরকম, আমার চরিত্রগুলোকে একটা বিচিত্র অভিজ্ঞতার মাঝে দিয়ে নিয়ে যাই সেও জানে না কী হল পাঠকেরাও জানে না! ২) এটা অনেক বিখ্যাত একটা পাজল। সেটার উত্তর কী হতে পারে তোমার নিজের চিন্তা করে বের করতে হবে, যেহেতু দুটো সম্ভাব্য উত্তর হতে পারে একবার একটা আরেকবার আরেকটা উত্তর ধরে নিয়ে দেখ কী হয়। ৩) এটা রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার কারনে বলা যাচ্ছে না, সি আই এ খবর পেলে বিপদ হয়ে যাবে। ৪) হা হা হা! এইটা আসলে আমার প্রশ্ন করার কথা, আমি সবাইকে জিজ্ঞেস করে বেড়াই, তার কী ধারনা, ডোরিন কীভাবে এই বেইজ্জতিটা করেছিল? তোমার কী মনে হয়? কী করেছিল?

প্রশ্ন: “টুনটুনি ও ছোটাচ্চু” সিরিজ কি শেষ? সাফা,কুমিল্লা
উত্তর: এখনো জানি না। বছর শেষে টের পাব।

প্রশ্ন: স্যার, আমার বিজ্ঞান বিষয়ে খুব আগ্রহ। বিশেষ করে মহাকাশ বিষয় নিয়ে। কিন্তু বায়োলজির কঠিন কঠিন সব নাম আর কেমিস্ট্রির বিক্রিয়া-টিক্রিয়া আমার ভালো লাগে না। আর গণিত আমার অসহ্য ও পানসে লাগে (আমি গণিত বলতে শুধু বুঝি বীজগণিতের সূত্র ও চৌবাচ্চা টাইপ অঙ্ক)। কিন্তু মহাকাশবিদ্যা বা পদার্থবিদ্যার সাথে গণিত অতপ্রতভাবে জড়িত। আমি বিগ ব্যাং, থিওরি অব রিলেটিভিটি, হাইজেনবার্গ-মাক্স প্লাঙ্ক-বোর ইত্যাদি জনদের সূত্র ও থিওরি বুঝতে চাই। কিন্তু আবারও, গণিত আমার একদম ভালো লাগে না (আমার গণিত বুঝতে অনেক সময় লাগে আর এটাকে a আর এটাকে b ধরে গুণ-ভাগ, এমন অঙ্ক আরো কঠিন লাগে। কিন্তু পদার্থবিদ্যার বেশিরভাগ অঙ্ক এমনই)। আর স্যার, বিজ্ঞানের প্রাথমিক বিষয়গুলো না জানলে এইসব সূত্র-থিওরি বুঝতে পারা যায় না। আমার আরেকটা সমস্যা হলো, আমি মূল বিষয় মনে রেখে খুটিঁনাটি বিষয়গুলো ভুলে যায় (অনিচ্ছাকৃত)। কোনো সূত্র, আলোর বেগ কত, চাঁদ থেকে পৃথিবীর দূরত্ব, সূর্যের আয়তন এইসব আমি ভুলে যায়। কারণ এগুলো আমাকে চমতকৃত করে না। শুধু যেগুলো আমাকে চমৎকৃত করে আমি শুধু সেগুলোই পড়ি ও শিখি আর অটোমেটিক মনে রাখি। পদার্থবিদ্যা বুঝতে হলে তো খুটিঁনাটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। এখন আমি এমন কী কী বই পড়লে বা কাজ করলে বিজ্ঞানের (পদার্থ ও মহাকাশবিদ্যা) প্রাথমিক থেকে উচ্চতর বিষয় জেনে বুঝতে পারবো? আর আমি গণিত-ভীতি দূর করতে চাই (যদিও আমার ভীতি নেই, শুধু বিরক্তি)।
আসমাউল হাসান নাঈম, বাসাবো, ঢাকা।
উত্তর: তুমি এখন কোন ক্লাশে পড় জানি না দেখে ঠিক কী বলব বুঝতে পারছি না। কোনো বিজ্ঞান শেখার জন্যই কোনো কিছু মুখস্ত করতে হয় না। যে তথ্যটা বইয়ে, খাতায়, কম্পিউটারে, ইন্টারনেটে আছে সেটা আমি কোন দুঃখে মাথার মাঝে রেখে আমার মূল্যবান নিউরনগুলো খরচ করব? তবে গণিত ছাড়া খাটি বিজ্ঞান করা যায় না। কারণ বিজ্ঞান শুধু যে বিজ্ঞানের ভাষা তা নয়, গণিত তোমাকে বিশ্লেষণ করা শেখায়, সমস্যা সমাধান করা শেখায়। কাজেই বিজ্ঞান করতে চাইলে তোমার গণিত ভীতি কিংবা বিরক্তি দূর করতে হবে। আজকাল পপুলার গণিতের অনেক বই লেখা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে শুরু করে দাও। (আমি আর প্রফেসর কায়কোবাদ মিলেও গণিতের বই লিখেছি)

প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম আপনার কি কখনো মনে চায় না আমাকে টুনটুনি ও ছোটাচ্চু এ-র সবগুলো সিরিজ বই গিফট করি মনে চাইলে পাঠাইয়া দেন, আমার কাছে টাকা থাকলে আমি কিনে পড়তাম **** **** ঝালকাঠি, বরিশাল
উত্তর: সমস্যা হচ্ছে কেউ যদি কিছু চায় তখন তাকে সেটা দিলে সেটা তো আর গিফট থাকে না, সেটা দান হয়ে যায়। দান করা আর দান নেয়া দুটোর মাঝেই এক ধরনের অসম্মান থাকে। তোমাদের ঝালকাঠিতে যদি কোনো লাইব্রেরি থাকে সেখান থেকে যদি কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করে তাহলে আমি খুব আনন্দের সাথে শুধু টুন্টুনির নয় অন্য বইও পাঠিয়ে দিতে পারি। তখন তুমি শুধু একা নয় অন্যরাও পড়তে পারবে।

প্রশ্ন: আসসালামুআলাইকুম স্যার। আমি আপনার লেখার একজন বিশাল ভক্ত। আপনার লেখা পড়তে আমার দারুন লাগে। এই লকডাউন এর সময় আমি প্রায় ২২৭ খানা বই পড়েছি।যার মধ্যে ১২৯ টাই আপনার লেখা।মজার ব্যাপারটা হচ্ছে ১ বছর আগেও আমি আপনার নামও ঠিকমত জানতাম না কিন্তু এখন আপনার লেখা পড়ার জন্য আমি পাগল।স্যার আপনার কাছে একটা প্রশ্ন আছে,সেটি হলো,হ্যারি পটার সিরিজের কোন বই আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে?আমার কাছে তো হ্যারি পটার এন্ড দ্যা ডেথলি হ্যালোস বেশি ভাল্লাগছে। সবশেষে এটাই বলার যে আপনার একটা অটোগ্রাফ পেলে আমি খুবই খুশি হব। ভালো থাকবেন স্যার। ইফফাত জাহান(৭ম শ্রেণী) গাইবান্ধা
উত্তর: তোমরা যখন বল তোমরা আমার বই পড় তখন আমার খুব ভালো লাগে, তার কারণটা কি জান? তার কারণ যে তোমরা বই পড়, আমার হতে হবে সেটা মোটেও সত্যি নয়, বই হলেও আমি খুশি। একজন মানুষ জীবনে আর কয়টা বই লিখতে পারে, কিন্তু তাকে তো আগে হোক পরে হোক অন্য বই পড়তেই হবে। এখন পৃথিবীটা কেমন জানি অন্যরকম হয়ে যাচ্ছে কেঊ আর বই পড়ে না, সবাই সারাক্ষণ স্মার্ট ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে, কী দেখে খোদাই জানে। তুমি দেখো একদিন পৃথিবীর সব রাষ্ট্র মিলে সিদ্ধান্ত নেবে কম্বয়সী ছেলেমেয়েদের

প্রশ্ন: স্যার, আমার স্মৃতি শক্তি খুব খারাপ। যেমন আমি একটা বই এর কোনো টপিক মোটামুটি দশ পনের বার পড়ি। তারপর বই বন্ধ করে দিলে কী পড়েছি তার কিছু মনে থাকে না। আমি এটা থেকে বাঁচতে পড়ার মাঝে রেস্ট নিই, গান শুনি, লিখি, বুঝে পড়তে চেষ্টা করি। তারপর ও আমার সাথে এরকম হতে থাকে।একটা বই পরে পড়তে বসলে মনে হয় এই জিনিস তো জীবনে দেখেনি। আমার এ জন্য আর বই পড়তে ইচ্ছে করে না। মনে হয় পড়ে কী লাভ সেই তো ভুলে যাব। এক্ষেত্রে আমার কী করা উচিত? ডাক্তার দেখাতে কেন জানি ভয় পাচ্ছি , তাসফিয়া রহমান , ঢাকা
উত্তর: স্মৃতি শক্তি তো আমারও খুব খারাপ। কোনো কিছু মুখস্ত করার ক্ষমতা না থাকা কিন্তু স্মৃতি শক্তির ঝামেলা নয়। মানুষের বয়স হলে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে, তোমাদের জন্য সেটা সমস্যা হবার কথা নয়। অনেকেই ভুলো মনের হয় সেটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। প্রথমে দেখ তুমি যেট্যকে সমস্যা মনে করছ সেটা আসলেই মেডিকেল সমস্যা কিনা। একটা মজার গল্প বইয়ের খুটিনাটি সব মনে থাকে কিন্তু একটা বোরিং পাঠ্য বইয়ের কিছু মনে থাকে না সেটা তো হতেই পারে! তোমার কোনটা হচ্ছে আগে দেখে নাও।